মর্ত্যলোক ছেড়ে কৈলাসে ফিরলেন দেবী দুর্গা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

ষষ্ঠী, সপ্তমী, মহাষ্টমী, মহানবমী পেরিয়ে দুর্গাপূজার আজ বিজয়া দশমী। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুক্রবার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় এ উৎসবের।

বুধবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় যথারীতি দশমীবিহিত পূজা শুরু হয়, যা বিকাল পর্যন্ত অশ্রুসিক্ত দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে দেবী দুর্গা এই মর্ত্যলোক ছেড়ে কৈলাসে ফিরছেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জানিয়েছে, আজ সকালে দশমীবিহিত পূজা শেষে দর্পণ বিসর্জন শুরু হয় সারা দেশে। বিজয়ার শোভাযাত্রা নিয়ে চলছে প্রতিমা বিসর্জনের পালা। বিসর্জন শেষে শান্তিজল নিয়ে ঘরে ফিরবেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।

প্রতিমা বিসর্জন দিতে ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে বিকাল ৪টায় কেন্দ্রীয় বিজয়া শোভাযাত্রা বের হয়। এতে যোগ দেয় ঢাকার ২৪১টি মণ্ডপ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন। তারা ঢাকঢোল পিটিয়ে পলাশীর মোড়ে জড়ো হন। এখান থেকে সম্মিলিতভাবে বিজয়ার শোভাযাত্রা যাবে সদরঘাটের ওয়াইজঘাটের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে। এরপর চলছে প্রতিমা বিসর্জন।

এ সময় শঙ্খ আর উলুধ্বনি, খোল-করতাল-ঢাকঢোলের সনাতনী বাজনা বাজিয়ে মানুষ উৎসবে মেতে উঠেন। এদিকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওয়াইজঘাটে ব্যাপক পুলিশ, র‌্যাব ও নৌ পুলিশ বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিল।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক বলেন, ‘ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে এবারের দুর্গোৎসব হচ্ছে। আজ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আয়োজন শেষ হবে। এখন পর্যন্ত কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আমরা আনন্দমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করছি। শেষ সময়ে মণ্ডপগুলোতে বিদায়ের সুর লক্ষ করা যাচ্ছে।’

এ বছর সারাদেশের ৩২ হাজার ১৬৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপন করা হচ্ছে। গত বছর সারা দেশের পূজামণ্ডপের সংখ্যা ছিল ৩২ হাজার ১১৮টি; যা গত বছরের থেকে ৫০টি বেশি। আর ঢাকা মহানগরে মণ্ডপের সংখ্যা ২৪১টি; যা গত বছরের থেকে ছয়টি বেশি।

   

যাত্রাবাড়ি থেকে ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার, যা বলছে পুলিশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর যাত্রাবাড়ি, ডেমরা ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৪ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহনাগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারি বিভাগের বিভিন্ন থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই করা ছয়টি মোবাইল, দুটি চাকু, একটি ব্লেড, জান্ডুবাম মলম ও ৫০ গ্রাম মরিচের গুড়া উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করা যাত্রীদের টার্গেট করে ছিনতাই করত তারা। 

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ওয়ারিতে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)’র ওয়ারি বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। 

ডিসি মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, আপনারা জানেন যাত্রাবাড়ি দিয়ে দেশের ৪০টি জেলায় যাতায়াত করা হয়। ফলে দিনরাত ২৪ ঘণ্টাই এই এলাকা গাড়ি চলাচল করে। রাতের আধারে সমান তালে ব্যস্ত থাকায় এই এলাকায় প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। 

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ডেমরা থেকে ছিনতাইয়ের সময় হাতেনাতে তিনটি ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ওয়ারি গেন্ডারিয়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১২জন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ৫ থেকে ৬টিরও বেশি মামলা রয়েছে।  গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সুমন নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে যিনি তিনদিন আগে জেল থেকে জামিন পেয়েছে।

ওয়ারি বিভাগের ডিসি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতদের সবার বয়স ১৫ থেকে ২০ এর মধ্যে। তারা রাতের বেলা মহসড়কসহ বিভিন্ন অলিগলিতে ওঁৎ পেতে থাকে। রাতের বেলা যখন বিভিন্ন জেলা থেকে সাধারণ মানুষ ঢাকায় এসে নামে অথবা ঢাকা থেকে যাওয়ার জন্য রাস্তায় বের হয় তখন তারা এই সকল যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে ছিনতাই করে।

তিনি বলেন, আমরা বাপ্পা নামের একটি ছেলেকে গ্রেফতার করেছি। তার বাড়ি কক্সবাজারে। তার বিরুদ্ধে ৬টি ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে। তার কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমরা অপরাধীদের নিয়মিত নজরদারিতে রাখি। কিন্তু তাদের সংখ্যাটা অনেক বেশি। এছাড়া তারা জামিন পেয়ে এলাকা পরিবর্তন করে ফেলে। যাত্রাবাড়ি এলাকায় অপরাধ করে গ্রেফতার হলে জেল থেকে বের হয়ে মিরপুর এলাকায় চলে যায়। তখন তাকে নজরদারিতে রাখা কষ্ট হয়ে যায়। তবে ডিএমপির ক্রাইম বিভাগের পক্ষ থেকে নজরদারি করার জন্য টিম রয়েছে। পাশাপাশি ছিনতাই প্রতিরোধে একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। এই টাস্ক ফোর্সটির তদারকি ডিএমপি কমিশনার নিজেই করেন। ফলে ঢাকায় প্রতিনিয়ত অভিযান চলছে। 

তিনি বলেন, ডিএমপির ওয়ারি বিভাগে ইতোমধ্যে তিনজন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ও তিনজন সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি)কে নিয়ে একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। আমি নিজেও তাদের সঙ্গে কাজ করছি। প্রতিদিন রাতে ওয়ারি বিভাগের ৩৬টি টিম কাজ করে। ফলে অনেকেই গ্রেফতার হন। ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। ছিনতাই মুক্ত করতে যা যা করা দরকার আমরা করব। 

বিভিন্ন অপরাধী চক্রের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে ইকবাল হোসাইন বলেন, আপনারা জানেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) গোয়েন্দা টিম ও ডিএমপির ডিসিপ্লিন শাখা থেকে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। কোনো পুলিশ সদস্যকে চুল পরিমাণ ছাড় দেওয়া হয় না। এমন কী পুলিশের প্রধান আইজিপি বারবার বলেছেন, কোনো পুলিশ সদস্য অপরাধ করলে দ্বিতীয় বার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। কোনো অপরাধ করলে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তাই এমন কোনো তথ্য থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে ওয়ারি বিভাগ থেকে তিনজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে কোনো ছাড় নেই।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে ডিসি বলেন, আপনারা জানেন ঢাকা শহরে যানজট একটি বড় সমস্যা। আমরা এই বিষয়টি মাথায় রেখে যানজট নিরসনে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়োছি। ওয়ারি বিভাগের ট্রাফিক ডিভিশনকে সঙ্গে নিয়ে আমরা কাজ করছি। ইতোমধ্যে স্কুল কলেজের সামনে থেকে হকার, গাড়ি পার্কিং বন্ধ করা হয়েছে। যাতে স্কুলে যাতায়াত করা সহজ হয়। দ্রুতই ভালো ফলাফল পাবে আশা করি।

;

গণতন্ত্রকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল বিএনপি: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গণতন্ত্রকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল বিএনপি, খালেদা জিয়া এবং 'কুলাঙ্গার' তারেক রহমান লন্ডনে বসে ষড়যন্ত্র করে বলে সংসদে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের পথকে তারা বিচ্যুত করতে পারেনি। বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছে, ঐক্যবদ্ধ থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সমগ্র পৃথিবীতে শেখ হাসিনা একটি রোল মডেল। খুব ভালো লাগে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিখ্যাত সব বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদগণ বাংলাদেশের মাইক্রো ইকোনমিক নিয়ে যখন গবেষণা করে, যে বাংলাদেশের এই উন্নয়ন কিভাবে সম্ভব হচ্ছে। ভাবতেই আনন্দ লাগে। অথচ এই বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি হিসাবে আখ্যায়িত করার চেস্টা করা হয়েছিল। সেই বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে। এটাই হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই বাংলাদেশকে টেনে ধরার জন্য একটি অপরাজনীতি করা হয়, যা আমরা নিকট অতীতে দেখেছি। বাংলাদেশের নির্বাচন, বাংলাদেশের সংসদ, বাংলাদেশের আইন, নির্বাহী বিভাগ, সংবিধান মানছে না। বাংলাদেশকে একটি অন্ধকারে তলিয়ে দেয়ার জন্য গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছিল। আজকে কিন্তু তারা অন্ধকারে তলিয়ে গেছে। নির্বাচন নিয়ে কতো অপকর্ম, কতো ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। অথচ আমরা দেখলাম ৭ই জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণের কি অভূতপূর্ব অংশগ্রহণ।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তারা অনেকে বলেছিল বাংলাদেশকে স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দিয়ে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই বাংলাদেশে নির্বাচন হবে না। এই বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারা সামনের দিকে এগিয়ে যাবে না। কিন্তু শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ। উন্নয়নকে তারা সমর্থন করেছে ৭ই জানুয়ারির নির্বাচনে সেটি প্রতিফলিত হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ নৌকা মার্কা এবং শেখ হাসিনার উপর আস্থা রেখে যারা নৌকার বাইরে নির্বাচিত হয়েছেন তারাও কিন্তু শেখ হাসিনার স্লোগান দিয়ে এখানে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন।

;

রমজানে মানবিকতা নিয়ে ব্যবসা করার আহ্বান বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্যবসায়ীদের পবিত্র রমজান মাসে মানবিকতা নিয়ে ব্যবসা করার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। তিনি বলেন, ' ভোক্তা অধিকার সমিতির প্রতিনিধি ছাড়া কোনো অভিযান পরিচালনা করবে না। সরকার রমজান মাসে পণ্যের সরবরাহ ঠিক রাখতে কাজ করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাকক্ষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি'র বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সাধারণ মানুষ যেনো ন্যায্যমূল্যে পণ্য পান। কোনো মিল কিংবা পণ্য আমদানিকারক ইচ্ছাকৃতভাবে পণ্য সরবরাহ না করলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে। অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে যেনো অন্যদের কষ্ট না হয়। '

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য সোলায়মান সেলিম (ঢাকা-৭), জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সৈয়দ মো. বশিরউদ্দিন, ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলাসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিবৃন্দ।

মতবিনিময়কালে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ব্যবসা সংক্রান্ত সমস্যা তুলে ধরলে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু মৌলভীবাজারে সরেজমিনে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।

;

রায়পুরে এখনো চলছে মা-মনি স্পেশালাইজড ডায়াগনস্টিক সেন্টার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে লাইসেন্স না থাকায় মা-মনি স্পেশালাইজড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে কার্যক্রম চলমান রেখেছে কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায়ও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চলমান দেখা গেছে।

এরআগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি জেলা সিভিল সার্জন আহাম্মদ কবীর ওই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চিঠি ইস্যু করেন। সেখানে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স নেই। মেডিকেল প্র্যাকটিস এন্ড প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ল্যাবরেটরিস (রেজুলেশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২ অনুযায়ী বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানটির সকল কার্যক্রম পত্র জারীর পরবর্তী দিন থেকে বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করে। চিঠিটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপারসহ আরও ৮টি দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মা-মনি স্পেশালাইজড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিয়মিত প্রসূতিদের অস্ত্রোপাচার করা হচ্ছে। সেখানে অস্ত্রোপাচারে সম্প্রতি একাধিক নবজাতক মৃত্যু ঝুঁকিতে রয়েছে।

জেলা প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেরুন হাসান রাজু বলেন, সকল প্রতিষ্ঠানকেই লাইসেন্স করতে বলা হয়েছে। আমাদের সদস্য হতে হলে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। লাইসেন্স করতে বলা ছাড়া সাংগঠনিকভাবে আমাদের অন্য কোন ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই।

এ ব্যাপারে জানতে হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. অন্তরা কর্মকারের মোবাইলফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. আহাম্মদ কবীর বলেন, ইতিমধ্যে লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানকে আমরা কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি। যারা বন্ধ রাখছে না তাদের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সহযোগিতায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান চালানো হবে। নির্দেশনা না মানলে সিলগালা করে দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে, লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত কোনো ভাবেই প্রতিষ্ঠান চালানো যাবে না।

;