যুদ্ধাপরাধীদের নামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকবে না



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুদ্ধাপরাধী এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির নামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ হয়ে থাকলে তা পরিবর্তন করতে হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তন নীতিমালা-২০২৩-এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) নীতিমালাটি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তনে চারটি কারণ বা যৌক্তিকতাকে বিবেচনাযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

নীতিমালায় বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনে বিবেচনাযোগ্য কারণগুলোর মধ্যে বলা হয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম শ্রুতিকটু, নেতিবাচক এবং শিশুমনে ও জনমনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে; প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম দেশের যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নামে নামকরণ হয়ে থাকলে; প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে উপযুক্ত আদালতের বিশেষ কোনো নির্দেশনা থাকলে এবং ভূমিকম্প, নদী ভাঙনসহ নানাবিধ কারণে বিদ্যালয়ের নামের দ্বৈততা বা জটিলতা দেখা দিলে তা পরিহারের জন্য নাম পরিবর্তন বিবেচ্য হবে।

বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে চার ধরণের নামকরণ করা যাবে জানিয়ে বলা হয়, শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন এমন ব্যক্তি বা বীর মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করা যাবে। তবে ব্যক্তির স্থায়ী ঠিকানা ও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় একই উপজেলা, থানা বা সিটি করপোরেশনের হতে হবে। তাদের নামে একটির বেশি বিদ্যালয়ের নামকরণ করা যাবে না। তবে এ ধরণের ব্যক্তির মধ্যে কেউ রাষ্ট্রবিরোধী, ফৌজদারি, দেওয়ানি ও দুর্নীতির অপরাধে অভিযুক্ত বা সাজাপ্রাপ্ত হলে তাদের নামে বিদ্যালয়ের নামকরণ করতে হলে আদালত থেকে খালাসপ্রাপ্ত হতে হবে।

এ ছাড়া ক্ষেত্রবিশেষে এলাকার নাম অনুসারেও বিদ্যালয়ের নামকরণ করা যাবে। স্থানীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি ও কৃষ্টির সঙ্গে সামঞ্জস্যতা সাপেক্ষে নাম পরিবর্তন বা নতুন নামকরণ করা যাবে বলে জানানো হয়।

করোনার টিকায় ব্যয় ৪০ হাজার কোটি টাকা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মানিকগঞ্জ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

  • Font increase
  • Font Decrease

বিনামূল্যে দেশের মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকা দিতে সরকারের প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

শনিবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর উচ্চবিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন ও বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

জাহিদ মালেক বলেন, করোনাকালে আওয়ামী লীগ সরকার শুধু বিনামূল্যে চিকিৎসা ও টিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, গরিব ও দুস্থদের মধ্যে খাদ্য এবং টাকার ব্যবস্থাও করেছে। তবে এ সময়ে বিরোধী দলকে জনকল্যাণমূলক কোনো কাজ করতে দেখা যায়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের করোনা ভ্যাকসিনের জন্য প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। প্রতিটি মানুষকে করোনার ভ্যাকসিন দিতে প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপি শুধু ক্ষমতা চায়, তার জন্য দেশে বিশৃঙ্খলা করে। কিন্তু মুখে কখনো বলে না যে, আমরা ক্ষমতায় গেলে মানুষের জন্য রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল নির্মাণ করবো। তাদের শুধু ক্ষমতা দরকার। কারণ ক্ষমতায় আসলেই লুটপাট করা যায়। বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালে সার, বিদ্যুৎ লুটপাট করেছে। তখন লোকজন বিদ্যুৎ পায়নি; বাংলাদেশের মানুষ তা জানে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা রাজনীতি করি দেশের উন্নয়নের জন্য, আমরা আশা করি আপনাদের রাজনীতিও উন্নয়নের জন্যই হবে। আমরা আপনাদের শত্রু নই। শত্রুতা করে রাজনীতি করলে উন্নয়ন ব্যহত হবে, অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে, বাংলাদেশের মানুষের ক্ষতি হবে। বেশি দেরি নাই প্রায় ১ বছর আছে নির্বাচনে আসুন। তার আগে আপনাদের দলের নেতা ঠিক করুন। কারণ নেতাবিহীন দলের কোনো ক্ষমতায় আসার সুযোগ নাই।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সামনের নির্বাচন আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের মানুষের কাছে সরকারের উন্নয়নের কথা জানাতে হবে। আপনারা যদি এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান; তাহলে নৌকা মার্কাকে পুনরায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পৌরসভার মেয়র রমজান আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধরণ সম্পাদক সুদেব সাহা, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আরশেদ আলী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ প্রমুখ।

;

দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করছে পুলিশ: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ পুলিশ দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমন, মাদক নির্মূল এবং চোরাচালান দমনে পুলিশের ভূমিকা বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করেছে।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) সারদায় ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের প্রশিক্ষণের সফল সমাপ্তি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য একটি দক্ষ পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। তাই সরকার গঠনের পর থেকেই আমরা পুলিশের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।

সরকারপ্রধান বলেন, বাহিনীর জনবল বৃদ্ধি, নতুন নতুন ইউনিট গঠন, ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন, আধুনিক যানবাহন ও লজিস্টিক্স সুবিধা বৃদ্ধি, সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা নিশ্চিতকরণ, পুলিশ সদস্যদের সার্বিক কল্যাণের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট ও ব্যাংক গঠন, আবাসন ও চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশকে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী, দক্ষ ও জনবান্ধব সার্ভিসে পরিণত করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌ পুলিশ, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, এন্টি টেররিজম ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটসহ বেশ কয়েকটি রেঞ্জ, মেট্রোপলিটন ইউনিট, সাইবার পুলিশ সেন্টার, ব্যাটালিয়ন, ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার থানা, তদন্ত কেন্দ্র, ফাঁড়ি এবং জাতীয় জরুরি সেবায় ৯৯৯ ইউনিট গঠন করেছি। আমরা নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সার্ভিস ডেস্ক চালু করেছি, বিট পুলিশিং এর মাধ্যমে পুলিশ সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছি।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের সাহসী সদস্যরা উল্লেখযোগ্য প্রশংসনীয় অবদান রেখে চলেছে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যগণ নিজেদের জীবন বিপন্ন করে জনসেবার ক্ষেত্রে নজিরবিহীন ভূমিকা রেখেছে। নবীন কর্মকর্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের পূর্বসূরিদের আত্মত্যাগকে হৃদয়ে ধারণ করে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে রূপকল্প-২০৪১ সফল বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ তথা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।

প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী দেশপ্রেমক বীর পুলিশ সদস্যদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল আত্মত্যাগ ও বীরত্বের স্বর্ণোজ্জ্বল ইতিহাস। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে অকুতোভয় বীর পুলিশ সদস্যরা গড়ে তুলেছিল প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণের সফল সমাপ্তি উপলক্ষে নবীন পুলিশ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান এবং তাদের নিরাপদ জীবন, পেশাগত সাফল্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

;

৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে সাইকেল পেল তারা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে সাইকেল পেল তারা

৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে সাইকেল পেল তারা

  • Font increase
  • Font Decrease

শিশু-কিশোরদের নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করতে পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিলেন মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মো. সুলতান আলী। প্রতিশ্রুতির আলোকে টানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করায় ১৩ কিশোরকে পুরস্কার হিসেবে বাইসাইকেল দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৮ জানুয়ারি) বাদ আসর রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ড শিরোইল কলোনি পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদে এই কিশোরদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এছাড়াও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অন্য শিশুদের মাঝে স্কুল ব্যাগ, জায়নামাজ ও টুপি বিতরণ করা হয়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন।

তৌহিদুল হক সুমন বলেন, এমন উদ্যোগ আমাদের সমাজকে সুন্দর করবে। এতে শিশুরা নামাজে আগ্রহী হবে। তাদের দেখে অন্যরাও নামাজে আসবে। তিনি বলেন, তরুণ যুবকরা অসৎপথ ছেড়ে নামাজের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এটা ভালো দিক। এসময় তিনি তরুণদের মাদক ছেড়ে পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবার আহ্বান জানান।

মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মো. সুলতান আলী বলেন, শিশু-কিশোরদের নামাজে উৎসাহিত করতে নিজ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরস্কারের জন্য ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত জামাতের সঙ্গে আদায়ের শর্ত দেওয়া হয়। এতে সফল হয় ১৩ কিশোর। তাদের মাঝে এই সাইকেলগুলো পুরস্কার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া যারা অংশ নিয়েছিল প্রত্যেককে স্কুল ব্যাগ, জায়নামাজ ও টুপি প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বায়তুল মোয়াজ্জেম জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মুজাহিদুল ইসলাম, প্রভাষক মিজানুর রহমান, মোশাররফ হোসেন, তোফাজ্জল হোসেন, উজ্জ্বল নেওয়াজ প্রমুখ।

;

‘মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার ও বাকলিয়া ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে শীতবস্ত্র বিতরণের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, আমাদের নেত্রী, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেকোন দুর্যোগে যেন আমরা সবার আগে গিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াই। তার সেই নির্দেশনা মেনে আজ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করছেন।

শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, কয়দিন আগে আমরা দেখতে পেলাম বিএনপি চট্টগ্রামে তাদের দলীয় কার্যালয়ে সমাবেশ করতে চাইলো। পুলিশ তাদের অনুমতিও দিল। কিন্তু এরপরেও বিনা উসকানিতে নিরস্ত্র ট্রাফিক পুলিশের ওপরে হামলা করে রক্তাক্ত করলো। বিএনপি সুযোগ পেলেই তাদের পুরানো রূপে ফিরে যায়। তারা এই সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে ক্ষমতায় যেতে চায়। তাই বিএনপি সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।

চকবাজার কাউন্সিলর কার্যালয়ে ১৬ নং চকবাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুর মোস্তফা টিনুর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল হক, ১৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাজাহারুল ইসলাম, কাউন্সিলর আব্দুর ছালাম মাসুম, কাউন্সিলর রুমকি সেনগুপ্ত, কাউন্সিলর শাহীন আক্তার রোজী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আমিরুল হক রঞ্জু, এডভোকেট নোমান চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

;