রাজশাহীর ফকিন্নি নদীতে বাঁধ, পানির অভাবে এলএলপি বন্ধ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
রাজশাহীর ফকিন্নি নদীতে বাঁধ

রাজশাহীর ফকিন্নি নদীতে বাঁধ

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বারনই ও ফকিন্নি নদীর উজানে বাঁধ নির্মাণ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এতে শুকিয়ে গেছে জেলার পুঠিয়া উপজেলার জগদীশপুর এলাকার নদীর পানি। আর পানি না থাকায় বন্ধ হয়ে গেছে ভাসমান সেচ পাম্পগুলো (এলএলপি)। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ক্ষেতের ধান ও বীজ তলার।

এ অবস্থায় এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) চেয়ারম্যান বেগম আখতার জাহান। বুধবার (১৫ মার্চ) দুপুরে তিনি সেখানে যান।

এদিন কৃষকেরা বিএমডিএর চেয়ারম্যানের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়কালে বোরো ফসল রক্ষার্থে বারনই নদীতে সেচের জন্য পানি সরবরাহ সচল রাখার জোর দাবি করেন। বিএমডিএর চেয়ারম্যান পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তারা ১৭ মার্চের মধ্যে সমস্যার সমাধান করবেন বলে চেয়ারম্যানকে জানান।

বেগম আখতার জাহান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হলে অবশ্যই কৃষকদের তাদের সেচের সুব্যবস্থা করতে হবে। এদিকে সরকারের উন্নয়নের কাজও যেন কোনো সমস্যা না হয় সেদিকে সকলকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তাই পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আলাপ আলোচনার মাধ্যমে কৃষকের যেন কোনো ক্ষতি না হয় সেজন্য সুব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন এবং সঠিক সময় যেন কৃষক পানি পায় তাদের ফসলি জমিতে সেজন্য নদীর ড্রেজিংয়ের কাজ খানিকটা বিঘ্ন হলেও তারা কৃষকের পানির সু-ব্যবস্থা করবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএমডিএর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সেচ) জাহাঙ্গীর আলম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী সমশের আলী, সহকারী প্রকৌশলী আল মামুনুর রশীদ। এছাড়া স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, বারনই ও ফকিন্নি নদীর উজানে (বাগমারা উপজেলা অংশে) বাঁধ নির্মাণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নদী পুনঃখনন কাজ করছে। বারনই নদীর ভাটির দিকে পুঠিয়া উপজেলা অংশে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য নদীর পানি শুকিয়ে গেছে। ফলে পুঠিয়া উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের জগদীশপুর নামক স্থানে বারনই নদীর ওপর বিএমডিএ কর্তৃক নির্মিত রাবার ড্যামের আপ স্ট্রিমে সেচের জন্য বিএমডিএর ২৪টি বিদ্যুৎ চালিত এলএলপি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রায় ১৫০টি ডিজেল চালিত এলএলপি আছে। নদীর পানি কমে যাওয়ায় প্রায় অধিকাংশ এলএলপি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে এসব সেচযন্ত্রের আওতায় আবাদকৃত প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমির রোপিত ধান নষ্ট হওয়ার পথে। ২ হাজার হেক্টর বোরো ফসল সেচের অভাবে অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলে স্থায়ী কৃষকরা বিএমডিএর চেয়ারম্যানের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জানান।

   

খুলনায় ফার্নিচারের শো রুমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খুলনা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনা মহানগরীর লোয়ার যশোর রোডের ডাকবাংলা এলাকায় নিউ নুসা ফার্নিচারের শো রুমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার কিছু আগে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

খুলনা ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টা কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর মধ্যে আগুনের ভয়াবহ লেলিহানে ওখানকার দুটি দোকান আগুনে পুড়ে গেছে।

তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া কি কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে সেটিও জানা যায়নি।

খুলনা থানার দায়িত্বরত এএসআই মো. আরিফ হোসেন জানান, রাত বারোটার কিছু আগে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।

;

পুলিশ পরিচয়ে টাকা আত্মসাৎ, ভুয়া পুলিশ গ্রেফতার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় পুলিশ পরিচয়ে চাকরির প্রলোভনে টাকা আত্মসাতের দায়ে মো. সোহাগ (৪৫) নামে এক ভুয়া পুলিশকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেফতার মোহাম্মদ সোহাগ (৪৫) সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের সালেহপুর গ্রামের ডিলারের নতুন বাড়ির মৃত ইদ্রিস পাটোয়ারীর ছেলে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর হাসপাতাল রোড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামি সোহাগ নিজেকে পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে স্থানীয় মো.ফরহাদ হোসেন, মো.আবুল হাশেম, ফজর বানু লাভলী, মো. তারেক ও সাইফুল ইসলামের থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেয়ার নাম করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ভুক্তভোগীরা এ বিষয়ে পুলিশের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করে। পরবর্তীতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

নোয়াখালীল পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানায় মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন। ওই মামলায় রোববার আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

;

বিমানের টিকিট নিয়ে ট্রাভেল এজেন্সির প্রতারণা, কানাডায় বিপাকে ব্যবসায়ী



আল-আমিন রাজু, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর তেজগাঁও থানার তেজকুনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা রাফায়েল ব্যাপারীর ছেলে আলবার্ট প্রদীপ ব্যাপারী। পেশায় রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী আলবার্ট ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর সপরিবারে কানাডা ভ্রমণে যান। আসা-যাওয়ার জন্য একই বছরের জুলাই মাসে ‘ট্রিপ টক’ নামের একটি ট্রাভেল এজেন্সি থেকে বাংলাদেশ বিমানের টিকিট কেনেন। এই টিকিট দিয়ে কানাডায় যেতে পারলেও ফেরার পথে বিমানবন্দরে এসে পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়েন প্রদীপ।

চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি কানাডার টরেন্টো বিমানবন্দরে এসে বোডিং পাস নেওয়ার সময় জানতে পারেন তার টিকিটটি আর তার নামে নেই। বরং টিকিট ফেরত দিয়ে ট্রাভেল এজেন্সি টাকা তুলে নিয়ে গেছে। এমতাবস্থায় বিদেশের মাটিতে বিপদে পড়ে যান এই ব্যবসায়ী। পরবর্তীতে দেশে থাকা স্বজনদের সহযোগিতায় দেশে ফিরে আসেন।

দেশে ফিরে দ্বারে-দ্বারে ঘুরেও নিজের টাকা কিংবা টিকিট কোনোটাই পাননি তিনি। অবশেষে থানায় ট্রাভেল এজেন্সি ‘ট্রিপ টক’-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন প্রদীপ। যদিও ট্রাভেল এজেন্সিটির মালিক পক্ষ নিজেদের দায় এড়াতে গ্রাহকের ওপর দোষ চাপাতে মরিয়া।

জানা গেছে, দেশে ফেরার ১ মাস পর মামলা করলেও সমস্যা সমাধানে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছেন তিনি। ট্রাভেল এজেন্সির মালিক পক্ষকে সমাধানের কথা বারবার বললেও এর মালিক মাহের হাসান কোনো সমাধান দেননি। বরং তিনি নানাভাবে গোঁজামিল দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

প্রাথমিক তদন্ত শেষে শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে তেজগাঁও থানা আলবার্ট প্রদীপের অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে। মামলায় আসামি করা হয়েছে এজেন্সির মালিক মাহের হাসান, তার পার্টনার (ব্যবসার অংশীদার) মো. হাসিবুর রহমান ওরফে জীবন ও কর্মচারী শফিকুল শেখকে।

তেজগাঁও থানা দায়ের হওয়া মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী আলবার্ট প্রদীপ তার সন্তান, স্ত্রীকে নিয়ে কানাডা যাওয়ার জন্য টিকিট কাটার চেষ্টা করছিলেন। এই সময়ে তার এক স্বজনের পরামর্শে ট্রিপ টক ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কানাডায় যাওয়ার জন্য প্রতিটি টিকিটের দাম ধরা হয় এক লাখ ৮০ হাজার টাকা। সে হিসেবে তিনজনের আসা ও যাওয়ার জন্য ছয়টি টিকিটের দাম ধরা হয় পাঁচ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এই টাকা ট্রাভেল এজেন্সির কর্মচারীদের কাছে কয়েক ধাপে পরিশোধ করেন প্রদীপ। টাকা পরিশোধ করার পরে টিকিট বুঝে পেয়ে গত বছরের ১০ অক্টোবর পরিবার নিয়ে কানাডায় চলে যান প্রদীপ। সেখানে প্রায় তিন মাস অবস্থান করার পর চলতি বছরের জানুয়ারির ২০ তারিখ কানাডার টরেন্টো বিমানবন্দরে এসে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন। কিন্তু টিকিট চেকিংয়ে গিয়ে জানা যায় তার নামে কাটা টিকিট বাতিল করা হয়েছে। বরং এই টিকিট জমা দিয়ে ট্রাভেল এজেন্সি টাকা তুলে নিয়েছে। এই সময়ে বিদেশে বসে এজেন্সির মালিক পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কেউই তার ফোন ধরেননি। এমনকি দেশে আসার পরে টিকিটের টাকা ফেরত চাইলেও এজেন্সিটি টাকা না দিয়ে বরং নানা ধরনের হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এই ব্যবসায়ী।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আলবার্ট প্রদীপ বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমার এক স্বজনের মাধ্যমে এই ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ হয়। পরবর্তীতে তারা আমার কাছ থেকে টিকিটের টাকা নিয়েছে। টিকিট দিলেও পরবর্তীতে আমি বিদেশে যাওয়ার পর তারা টিকিটের টাকা তুলে নিয়েছে। আমার কাছে তাদের টাকা দেওয়া এবং টিকিটের সকল তথ্য প্রমাণ রয়েছে। এখন তারা ভিন্ন কথা বলছে।

প্রদীপের কাটা টিকিটের একটি কপি বার্তা২৪.কমের হাতে এসেছে। এতে দেখা যায়, ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বোয়িং-৭৮৭-৯ এয়ারক্রাফটের টিকিট কেনেন। ফ্লাইট নম্বর: বিজি ৩০৫। এর প্রায় তিন মাস পর একই বিমানে ফেরার টিকিট কেটেছেন তিনি। যার ফ্লাইট নম্বর ৩০৬। ই-টিকিট নম্বর যথাক্রমে: ৯৯৭৯৩৪২৩৯১০২২, ৯৯৭৯৩৪২৩৯১০২৩ ও ৯৯৭৯৩৪২৩৯১০২৪।

এদিকে, এ বিষয়ে ভুক্তভোগীকেই দায়ী করছেন এজেন্সির মালিক মাহের হাসান। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, তিনি আমাদের কাছ থেকে টিকিট কেনেননি। আমার প্রতিষ্ঠানের এক সময়ের পার্টনার জীবনের কাছ থেকে টিকিট কেটেছিলেন, কিন্তু জীবন সেই টিকিটের টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছে। এমনকি সে আমার প্রতিষ্ঠানের ৩৮ লাখ টাকা নিয়ে দুবাই গিয়ে আত্মগোপন করেছে। জীবনের বিরুদ্ধে আমরাও একাধিক মামলা ও জিডি করেছি। তার সঙ্গে আমাদের ২০২৩ সালের পহেলা আগস্ট থেকে কাগজেকলমে কোনো সম্পর্ক নেই। যদিও জুলাই থেকেই সে আমাদের সঙ্গে নেই। এই বিষয়টা নিয়ে একাধিকবার তেজগাঁও থানায় পুলিশ আমাদের ডেকেছিল। তখন আমরাই ভুক্তভোগীকে মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি। সে যার সঙ্গে লেনদেন করেছে তার কাছ থেকে টাকা নেবে, এতে আমাদের কোনো দায় নেই।

তিনি আরও বলেন, আমার তাকে (ভুক্তভোগী) জীবনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছি। কিন্তু সে আমাদের বারবার ডিস্টার্ব করছে। জীবনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে অনেক ভুক্তভোগীই কিছু টাকা ফেরত পেয়েছে।

এদিকে ভুক্তভোগী প্রদীপ বলছেন, আমি যখন টিকিট কিনেছি তখন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন করেছি। না হলে কেউ একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর কাছে লাখ লাখ টাকা দেয়। তাদের প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আমাকে দেখিয়ে লাভ কী? তারা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায় এড়াতে পারে না। টাকা দাবি করায় তারা ‘আর কখনো বিদেশে যেতে পারব না’ বলে হুমকি দিচ্ছে।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। ভুক্তভোগী আমাদের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর আমরা প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা যাচাই করেছি। সত্যতা পাওয়ার পর আমরা মামলা নিয়েছি। তদন্ত করা হচ্ছে।

;

প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১।

গ্রেফতার আবদুল মান্নান (৩২) হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নের ভূঁইয়ারচর গ্রামের হাজী মোস্তাফার বাড়ির করিমুল মোস্তফার ছেলে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতের দিকে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিন দুপুরের দিকে র‍্যাব-১১ সিপিসি-৩ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মো. গোলাম মোর্শেদ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিকটিম একজন স্কুল ছাত্রী। ভিকটিমের বাবা এবং ভাই পার্শ্ববর্তী জেলায় কাজকর্ম করায় ওই স্কুল ছাত্রী তার মায়ের সাথে বাড়িতে বসবাস করত। আসামি মান্নান তাদের প্রতিবেশী হয়। ভিকটিম স্কুলে যাওয়া-আসার পথে প্রতিনিয়ত সে উত্ত্যক্ত এবং প্রেম নিবেদন করত।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত শনিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ভিকটিম তার বসত ঘরের বাইরে বের হন। ওই সময় মান্নান ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে টেনে হিঁচড়ে ভিকটিমের ঘরের পাশে থাকা পুকুর পাড়ে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগীর শোরচিৎকারে তার মা এগিয়ে আসলে আসামি পালিয়ে যায়। এ ঘটনার ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হাতিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

;