‘বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির প্রশংসা করেছে বেলজিয়াম’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের দ্রুত আর্থ-সামাজিক প্রবৃদ্ধির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বেলজিয়ামের রাষ্ট্রদূত দিদিয়ের ভান্ডারহাসেল্ট।

তিনি দেখেছেন বাংলাদেশ ও বেলজিয়ামের মধ্যে প্রচুর বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে, বিশেষ করে কৃষি ব্যবসা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বন্দর ও সড়ক পরিবহন অবকাঠামো, ড্রেজিং, লজিস্টিকস, পানি পরিশোধন খাতে।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রদূত।

রাষ্ট্রদূত চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বেলজিয়ামের মহারানী রাণী ম্যাথিল্ডের বাংলাদেশে অত্যন্ত ফলপ্রসূ সফরের কথা জানান।

তিনি প্রতিমন্ত্রীকে ‘বেলজিয়াম থেকে উদ্ভাবনী ব্যবসার সুযোগ’ শীর্ষক অত্যন্ত ফলপ্রসূ ব্যবসায়িক সেমিনার এবং গত বিকেলে ঢাকার একটি স্থানীয় হোটেলে সফররত বেলজিয়াম ও স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের বিটুবি সেশন সম্পর্কে অবহিত করেন।

সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি বেলজিয়ামের দেয়ার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি ব্যবসার সুযোগ অন্বেষণে বাংলাদেশে একটি আঞ্চলিক বাণিজ্য মিশনে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য বেলজিয়ামের রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশে কৃষি ব্যবসার সুবিধা, বিশেষ করে স্টোরেজ, পরিবহন এবং প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে বেলজিয়ামের সহায়তা কামনা করেন।

উভয় পক্ষ নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় পরামর্শ, বাণিজ্য সহজীকরণ ব্যবস্থা, কনস্যুলার সহযোগিতা, অভিবাসন এবং গতিশীলতা, বাংলাদেশ-ইইউ সহযোগিতা, ২০২৪ সালে বেলজিয়ামের ইইউ প্রেসিডেন্সি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে নির্বাচনের বিষয়ে সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

   

ঘূর্ণিঝড় রিমাল: কক্সবাজারে আশ্রয়কেন্দ্রে ৬ হাজার মানুষ

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে ঘর-বাড়িতে পানি উঠায় কক্সবাজার জেলায় ৬ হাজার ৩৩২ জন মানুষ ৬৩৮টি কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।

রোববার (২৬ মে) বিকাল ৬টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান। 

তিনি বলেন, 'আশ্রয় নেয়া মানুষের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে অধিকাংশ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে অনীহা জানাচ্ছে। এখনো অনেকেই অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে।’

বিকাল ৫টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার পৌর প্রিপ্যার‌্যাটরি উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ১ নং ওয়ার্ডের সমিতি পাড়া, কুতুবদিয়া পাড়া, নাজিরারটেক ও ফদনার ডেইল এলাকার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে আসছে। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা বেশি। অনেকেই গবাদিপশুও নিয়ে এসেছেন। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, বেলা ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কারও কপালে খাবার জুটেনি।

নাজিরারটেক বাসিন্না পাড়া থেকে আসা এমনই একজন ষাটোর্ধ্ব জয়নাল আবেদীন ৪টি ছাগলসহ আশ্রয়ে এসেছেন। তিনি জানান, নাজিরারটেকে ঘরবাড়িতে পানি উঠায় ছাগলগুলোকে নিয়ে আশ্রয়ে এসেছেন। এছাড়াও আরও মানুষজন আশ্রয় নিতে আসতে শুরু করেছে বলে জানান তিনি।

তিনি ছাড়াও বেলা ২টার সময় পৌরপ্রিপ্যারেটরি উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে আরও কয়েকটি পরিবার। সমিতি পাড়া, নাজিরারটেক ও বাসিন্না পাড়া থেকে ৪ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। পানি উঠে বাড়ি তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

তবে কক্সবাজার পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র সালাউদ্দিন সেতু বলেন, 'কক্সবাজার পৌরসভা ২৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে। সেখানে ৬ হাজার মানুষের জন্য রাতের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।'

কক্সবাজারের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হান্নান বলেন, 'সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ২০ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে রাত ৮ টার পর বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।'

তিনি আরও বলেন, 'ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল' ইতোমধ্যে উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানতে শুরু করেছে। তবে কক্সবাজারের তুলনায় এটি পটুয়াখালী, বরিশাল, খুলনা উপকূলে আঘাত হানবে বেশি।'

;

রইল বাকি এক!



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আর দুদিন পরেই তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচন। কিন্তু তার আগেই চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে দাঁড়ানো তিন প্রার্থীর দুজনেই পড়লেন ‘বিপদে’। তাঁদের মধ্যে শত কোটি টাকার ঋণ খেলাপি হওয়ায় প্রার্থী জসিম উদ্দিনকে অবিলম্বে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালত।

অন্যদিকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে একই উপজেলার আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু আহমেদ চৌধুরী জুনুর প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। এখন এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ‘টিকে’ আছেন প্রার্থী আহমেদ হোসেন ফকির।

জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুটি ব্যাংকের প্রায় ১১৮ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। একটি ব্যাংকের করা মামলায় এ ঋণখেলাপির বিরুদ্ধে দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা, গ্রেফতারি পরোয়ানা ও সম্পদ জব্দ করা—এই তিনটি আদেশ রয়েছে আদালতের। এরপরও প্রকাশ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় তাঁকে গ্রেফতারে চন্দনাইশ থানার ওসিকে এই নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৬ মে) চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালতের বিচারক মুজাহিদুর রহমান এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অর্থঋণ আদালতের বেঞ্চ সহকারী রেজাউল করিম।

গত ১৩ মে চট্টগ্রাম নির্বাচনী কার্যালয়ে চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের সময় দলবল নিয়ে হাজির হয়ে নির্বাচনে ১০০ লাশ ফেলে জিতবেন বলে হুমকি দেন আবু আহমেদ চৌধুরী। তাঁর সেই বক্তব্য ছড়িয়ে পড়লে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়। বিষয়টি নজরে আসলে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় রিটার্নিং কর্মকর্তা। রোববার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে এই শুনানি শেষে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান সচিব জাহাংগীর আলম।

জাহাংগীর আলম বলেন, দু’জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম জেলার চান্দনাইশ উপজেলা নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু আহমেদ চৌধুরী (ঘোড়া প্রতীক) উপস্থিত হন। তিনি অভিযোগের দফা অনুযায়ী জবাব দিয়েছেন। কমিশনও তা শুনেছে। শেষে তাঁর প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত দিয়েছে কমিশন।

চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন গত ১২ মে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, যুগ্ম সম্পাদক মো. আবু হেনা ফারুকী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার আরেক প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম চৌধুরী খোকন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। নির্বাচনের দৌড়ে এরপর ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু আহমদ চৌধুরী জুনু (ঘোড়া), জসিম উদ্দীন আহমদ (মোটর সাইকেল) এবং জোয়ারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আহমদ হোসেন ফকির (আনারস)। কিন্তু দুদিন আগে একজনকে গ্রেফতারের নির্দেশ ও অন্যজনের প্রার্থীতা বাতিল হওয়ায় মাঠে রইলেন কেবল আহমদ হোসেন ফকির। অবশ্য জুনুর সামনে হাইকোর্টে আপিলের মাধ্যমে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। আর গ্রেফতার হলেও নির্বাচন করতে বাঁধা নেই জসিমের সামনেও।

;

আনারের মৃত্যু: এখনই শূন্য হচ্ছে না সংসদীয় আসন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনার ভারতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হলেও তাকে আনুষ্ঠানিক মৃত ঘোষণা করা হয়নি। তাই এই মুহূর্তে ওই সংসদীয় আসনটি শূন্য ঘোষণা করার সুযোগ নেই। তবে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে ওই আসনের সব তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী ৫ জুনের অধিবেশনের আগেই বিষয়টি সুরাহা করা হবে।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অন্য কোন কারণে সংসদের কোন আসন খালি হলে সংসদ সচিবালয় থেকে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে ওই আসনটি শূন্য (মৃত্যুর তারিখ থেকে) ঘোষণা করা হয়। পরে গেজেটের কপি পাঠানো হয় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে। নির্বাচন কমিশন ওই শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনের আয়োজন করে। তবে অন্য মৃত্যুর ঘটনা ও আনোয়ারুল আজীম আনারের ‘মৃত্যুর’ ঘটনা এক নয়। অতীতে যেসব সংসদ সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন বা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন তার প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাদের মৃতদেহ পাওয়া গেছে, দাফন বা সৎকার হয়েছে। কিন্তু ভারতে ‘হত্যাকাণ্ডের’ শিকার হওয়া আনোয়ারুল আজীম আনারের মৃত্যুর ঘটনাটি কোন সোর্স থেকে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মৃতদেহ এখনো পাওয়া যায়নি, এমনকি কবে মারা গেছেন, সেটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অবশ্য আনারের হত্যাকাণ্ডের খরব প্রকাশের দিনই (২২ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন। এমনকি আনোয়ারুল আজীম আনার ভারতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল ভারত সরকার বা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ওই সংসদ সদস্যের মৃত্যুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। এ অবস্থায় ওই সংসদীয় আসনটি শূন্য ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করবে সংসদ সচিবালয়। তার মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হলে সংসদ থেকে ওই আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হবে।

এ বিষয়ে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জানান, সংসদ সদস্য আনারের ঘটনাটি ব্যতিক্রম। অতীতে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। আমাদের সামনে কোন নজির নেই। কার্যপ্রণালী বিধিতেও এ বিষয়ে কোন নির্দেশনা নেই। এজন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে। আগামী ৫ জুন অনুষ্ঠেয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের আগেই একটি সুারাহা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এর আগে, হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া তখনকার সংসদ সদস্য শাহ এ এম এস কিবরিয়া ও মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের প্রসঙ্গ টেনে স্পিকার বলেন, তাদের হত্যার বিষয়টি দৃশ্যমান ছিল। তাদের ডেডবডি পাওয়া গেছে এবং জানাজা হয়েছে। সেই হিসেবে তাদের আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন সরকারের পক্ষ না জানালেও সংসদ নিশ্চিত হয়েছিল তারা মারা গেছেন। কারণ সবই চোখের সামনে ঘটেছিল। কাজেই ওই ঘটনার সঙ্গে এটা মেলানোর সুযোগ নেই।

স্পিকার আরও বলেন, এখানে সমস্যা হচ্ছে, তার দেহ পাওয়া যায়নি। তাই এখনো আমরা অপেক্ষা করছি। আমাদের কোন একটা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানতে হবে। সেটা হয়তো উনার মৃত্যুসনদ বা কোন কাগজ আমাদের কাছে আসতে হবে, যেখানে প্রমাণ হবে উনি মারা গেছেন। শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। আনারের আসন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা ও আলোচনা চলছে। আগামী ৫ জুন সংসদ অধিবেশনের আগে কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠক হবে, সেখানে এ বিষয়ে আলোচনা করবেন বলেও জানান স্পিকার।

এদিকে সংসদ সচিবালয় থেকে ঝিনাইদহ-৪ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা না হলেও জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে ওই আসনের তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে। সংসদের ওয়েবসাইটে জাতীয় আসন, সংসদ সদস্যের পাসপোর্ট সাইজের ছবি, তার নাম, রাজনৈতিক দলের বা স্বতন্ত্র নাম ও নির্বাচনী এলাকা উল্লেখ থাকে। নামের ওপর ক্লিক করলে স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানাসহ আরও কিছু তথ্য পাওয়া যায়। কিন্তু সেখানে ওই আসনের সংসদ সদস্য সম্পর্কে এই মুহূর্তে কোন তথ্য নেই।

;

বেনাপোলে পলাতক ১৭ আসামি গ্রেফতার



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল (যশোর)
বেনাপোলে পলাতক ১৭ আসামি গ্রেফতার

বেনাপোলে পলাতক ১৭ আসামি গ্রেফতার

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরের বেনাপোল পোর্টথানার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামিসহ ১৭ জনকে আটক করেছে বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশ সদস্যরা।

রোববার (২৬ মে) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে দুই আসামির কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ ও ২৪ পুরিয়া হেরোইন পাওয়া যায়।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, বেনাপোল পোর্টথানার ধান্যখোলা গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে আব্দুল সালাম (৪৭), খলিলুর রহমানের ছেলে কালু মিয়া (৩৫), আলম হোসেনের ছেলে রাজু আহম্মেদ (৩২), সুরুজ মিয়া (৫০), মৃত নুরোর ছেলে মনির, নুরইসলামের ছেলে মোহাম্মদ সালাম (৪৭), আলাউদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসনে দেলো (৩৫), জাহাঙ্গীর মোড়লের ছেলে মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন (২১), মৃত পুটে মালিখার ছেলে মোহাম্মদ গোলাম রহমান খোকন (৪৫), মৃত রফি মোড়লের ছেলে মোহাম্মদ সুবাহান (৪০), মৃত জিলহাসের ছেলে আলমগীর হোসেন (২৮), মৃত আনোয়ার হোসেনর ছেলে রেজওয়ান হোসেন (২১), শুকুর আলীর ছেলে মহিউদ্দিন হোসেন ময়না (২০), জামাল হোসেনের ছেলে রকি, মৃত মোতালেবর ছেলে তাইজুল ইসলাম (২৫), আনারুল ইসলামের ছেলে সাগর হোসেন (২৪) ও নুর ইসলামের ছেলে সালাম (৪৬)।

বেনাপোল পোর্টথানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন ভক্ত জানান, তাদের কাছে গোপন খবর আসে বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামিরা গোপনে এলাকায় ফিরে অবস্থান করছে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের মধ্যে ১৭ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

;