ছাত্রলীগের সমাবেশ ঘিরে আজ ঢাকার যেসব রাস্তা বন্ধ থাকবে



স্টাফ করেসপনডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কয়েক লাখ শিক্ষার্থী সমাগমের লক্ষ্য নিয়ে বিশাল সমাবেশ আয়োজনের প্রস্তুতি শেষ করেছে ছাত্রলীগ। তাই সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ বৃহৎ এই সমাবেশ সফল করতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশপাশের ১১টি রাস্তা বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তাই ওই রাস্তাগুলো এড়িয়ে চলতেও অনুরোধ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে সমাবেশ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নগরবাসীকে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মরণে আয়োজিত এই সমাবেশে ভিভিআইপি অনেক অতিথি যোগ দেবেন। তাদের চলাচলের কথা চিন্তা করে এসব রাস্তা বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডিএমপি জানায়, কাঁটাবন ক্রসিং, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, কাকরাইল চার্চ ক্রসিং, ইউবিএল ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল, জগন্নাথ হল ক্রসিং, ভাস্কর্য ক্রসিং, উপাচার্য ভবন ক্রসিং বন্ধ বা ডাইভারশন করা হবে। নগরবাসীকে এসব এলাকা বা রাস্তা পরিহার করে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

ডিএমপি আরও জানায়, সমাবেশে আগত ব্যক্তিদের গাড়ি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হল মাঠ (ভিআইপি); মলচত্বর; পলাশী ক্রসিং থেকে ভাস্কর্য ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে; ফুলার রোড রাস্তার দুই পাশে; দোয়েল চত্বর ক্রসিং থেকে শহিদুল্লাহ হল ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে; নবাব আব্দুল গণি রোড রাস্তার দুই পাশে এবং দিলকুশা ও মতিঝিল এলাকার রাস্তার দুই পাশে রাখতে বলা হয়েছে।

   

ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় আটক ১



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঠাকুরগাঁও
ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় আটক ১

ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় আটক ১

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারত থেকে বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের সময় ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী সীমান্তের রত্নাই বিওপির সীমানায় নীতীশ পাল (২৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে বিজিবি।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রত্নাই বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো. নুরুল ইসলাম।

আটক ওই যুবক বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বেলতলা গ্রামের ধীরেন পালের ছেলে।

রত্নাই বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো. নুরুল ইসলাম জানান, ২২ মে (বুধবার) রাতে আমজানখোর ইউনিয়নের রত্নাই বিওপির ঠকবস্তি বটতলা সীমানায় ডিউটি করার সময় রাত ৮ টায় সিমানা পিলার ৩৮২-এস এর ২০০ গজ ভিতরে ভারত থেকে অবৈধভাবে প্রবেশ করার সময় নীতীশ পালকে আটক করা হয়। তিনি দীর্ঘ আট বছর ধরে দিল্লিতে রাস্তার কাজ করতেন।

পরে তাকে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

;

কয়েক মাসের পরিকল্পনায় এমপি আজীম হত্যা: ডিবি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, রাজধানীর গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকায় বসে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তার বাল্যবন্ধু ও ব্যবসায়িক পার্টনার আক্তারুজ্জামান শাহীন।

শাহীনের পরিকল্পনায় হত্যার কাজটি করেন পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির নেতা আমান উল্লাহ আমান ওরফে শিমুল।

তিনি বলেন, শাহীন দুই থেকে তিন মাস ধরে আনারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। তবে গোয়েন্দা পুলিশের শক্তিশালী তদন্ত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার কারণে তারা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কলকাতাকে বেছে নেন।

বৃহস্পতিবার (২৩) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সস্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

ডিএমপির গোয়েন্দা প্রধান বলেন, কলকাতায় গত ১৩ মে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনারকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার লাশ গুম করার জন্য পৈশাচিকভাবে মরদেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কাছে ঘটনায় জড়িত মূলহত্যাকারীসহ গ্রেফতারকারীদের জিজ্ঞাসাবাদে আমরা জানতে পারি, সংসদ সদস্য আনারকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় দুই থেকে তিন মাস আগে।

তিনি বলেন, ঢাকার গুলশান ও বসুন্ধরায় বসে একাধিকবার আলোচনা করেছে তারা।

আনারকে হত্যা করতে প্রথমে তারা বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে চেয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ডিএমপির ডিবি তদন্ত সক্ষমতার কথা চিন্তা করে তারা দেশের বাইরের মাটিতে পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখ কলকাতায় তারা বাসা ভাড়া করেন। সে বাসায় নিহত সংসদ সদস্যের বন্ধু আক্তারুজ্জামান শাহীন, তার বান্ধবী এবং পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির নেতা আমান উল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ওঠেন।

মূলত, পরিবার নিয়ে থাকার তথ্য দিয়ে বাড়ির মালিকের সঙ্গে চুক্তি করা হয়।

হারুন আরো বলেন, হত্যাকারীরা দুই মাস ধরে সংসদ সদস্যকে নজরদারিতে রাখছিলেন, কখন তিনি কলকাতায় যান।

সংসদ সদস্য বিভিন্ন সময়ে কলকাতায় যেতেন। সেখানে তিনি দীর্ঘদিন বাস করেছেন। সেখানে তার বন্ধু-বান্ধব রয়েছেন। তারা এই সুযোগটি কাজে লাগিয়েছেন।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্য আনার কলকাতায় গিয়ে তার বন্ধুর গোপালের বাসায় গিয়ে ওঠেন। তারা জানতেন ১২ মে সংসদ সদস্য আজীম কলকাতায় যাবেন। হত্যার পরিকল্পনাকারীরা ৩০ এপ্রিল কলকাতায় গিয়ে স্থানীয় দুজনকে ঠিক করেন। তারা হলেন- জিহাদ ওরফে জাহিদ ও সিয়াম। হত্যার পরিকল্পনাকারী শাহীন হত্যার পর কোন গাড়ি ব্যবহার করা হবে, কাকে কত টাকা দিতে হবে, সেগুলো ঠিক করে ১০ মে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

নিহত সংসদ সদস্য কলকাতায় যাওয়ার পর ১৩ তারিখ ওই বাসায় যান। যাওয়ার পথে একটি সাদা গাড়িতে করে ফয়সাল নামের এক ব্যক্তি তাকে নিয়ে যান। গাড়িটি কিছু পথ যাওয়ার পরে হত্যাকারী আমান উল্লাহ সেই গাড়িতে ওঠেন। গাড়িটির চালক ছিলেন রাজা। সেই বাসায় যাওয়ার পর মোস্তাফিজসহ তারা বাসায় প্রবেশ করেন। বাসাটিতে আগে থেকে জাহিদ ও সিয়াম অবস্থান করছিলেন।

১৩ তারিখ দুপুরে ২টা ৫১ মিনিটে বাসায় প্রবেশ করেন আনোয়ারুল আজীম। এর ৩০ মিনিটের মধ্যেই হত্যা করা হয় তাকে। হত্যার পরে ঘাতকেরা সংসদ সদস্যের মোবাইল ফোন দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ম্যাসেজ পাঠান।

এরপর তারা মরদেহের হাড় থেকে মাংস আলাদা করেন। পরবর্তীতে দুটি ব্রিফকেসে করে জিহাদ ও সিয়াম মরদেহ গাড়িতে করে ফেলে দেন যাতে হত্যার পরে সংসদ সদস্যের চিহ্ন না থাকে। কাজ শেষ করে ১৫ তারিখ আমান উল্লাহ ও শাহীনের প্রেমিকা শিরিস্তি দেশে ফিরে আসেন। সবাই ফিরে আসায় হত্যার মাস্টারমাইন্ড শাহীন বিমানে করে দিল্লি গিয়ে সেখানে ২ ঘণ্টার ট্রানজিট নিয়ে কাঠমাণ্ডু চলে যান। সেখান থেকে অন্য কোনো দেশে চলে যান তিনি।

ডিবি প্রধান হারুন আরো বলেন, হত্যার বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পর দেখা গেছে, হত্যাকারীরা তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করতে নিহত সংসদ সদস্যের দুটি মোবাইল ফোন দুইদিকে নিয়ে যান। এরপর তারা বিভিন্নজনকে বার্তা পাঠানো ও কল করতে থাকেন, যাতে তদন্তকারীরা বুঝতে পারেন তিনি জীবিত আছে।

এমন কী গত ১৮ তারিখ এমপির ব্যক্তিগত সহকারীকে একটি ম্যাসেজ পাঠায়, ‘আমি দিল্লি যাচ্ছি। আমার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আছেন। দিল্লির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ’র সঙ্গে আমার একটি মিটিং আছে’!

এই বার্তাগুলো আমার যখন পেয়েছি, তখনই বুঝতে পেরেছি, হত্যাকারীরা নিজেদের আড়াল করতে এই বার্তা পাঠিয়েছেন। হত্যাকারীরা দুটি মোবাইল ফোন কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চল ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাঠানো হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে তারা এই হত্যাকাণ্ডটি করেছেন।

;

কিশোরীদের জোর করে অবৈধ কাজে বাধ্য, চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
কিশোরীদের জোর করে অবৈধ কাজে বাধ্য, চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

কিশোরীদের জোর করে অবৈধ কাজে বাধ্য, চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

  • Font increase
  • Font Decrease

চাকরি দেয়ার কথা বলে নারীদের ডেকে নিয়ে আটকে রেখে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয় এমনকি পাচার করে দেয়া হয় পতিতালয়েও। সাভারে এমন এক চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। এই চক্রটি প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ নারীকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করেছে। শুধু নারী নয় শিশু-কিশোরীও বাদ যায়না এই চক্রের হাত থেকে। এমনই এক চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করে তাদের কাছ থেকে ৩ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে গ্রেফতারকৃতদের সাভার মডেল থানা থেকে ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে গতকাল বুধবার (২২ মে) রাতে সাভারের ভরারী নতুন পাড়া এলাকার পোড়া বাবুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে পুলিশ বাদি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মাদারীপুর থানার শিবচর থানার গুয়াতলা এলাকার খলিল ব্যাপারী (৪২), তার স্ত্রী লাইলী বেগম (৩৫), টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানার নজরুল ইসলাম (৩৯), তার স্ত্রী মিথিলা (২০) ও তাদের আরেক সহযোগী বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার তানজিলা আক্তার ফাতেমা (২৫)।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খলিল, তার স্ত্রী লাইলী ও তাদের সহযোগী ফাতেমাকে ভরারী এলাকার পোড়া বাবুলের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ঝিনাইদহ এলাকার ১৪ বছরের এক কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পার্শ্ববর্তী জোরপুল বটতলা এলাকায় জনৈক জাহাঙ্গীরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মিথিলাকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে ঝিনাইদহ ও ফরিদপুর এলাকার দুই নারীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, চাকরির কথা বলে ও বিভিন্ন কৌশলে শিশু-কিশোরীসহ নারীদের ডেকে নিয়ে আটকে রেখে তাদের দিয়ে জোর করে পতিতাবৃত্তি করায় এই চক্রের সদস্যরা। পরে দৌলতদিয়া পতিতাপল্লী, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহের পতিতালয়ে বিক্রি করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে তারা স্বীকার করেছেন যে, আনুমানিক ১০০ থেকে ১৫০ জন নারীকে এই উপায়ে বিভিন্ন পতিতাপল্লীতে বিক্রি করেছে তারা। নারীপ্রতি দেড় থেকে আড়াই লাখ টাকা আদায় করেছে চক্রটি।

সাভার মডেল থানার আমিনবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশিদ বলেন, ভুক্তভোগীদের আদালতের মাধ্যেম তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। পতিতাপল্লী, সীমান্তবর্তী এলাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভুক্তভোগীদের বিক্রি করে দিত চক্রটি। চক্রের আরও কয়েকজন সদস্য পলাতক আছে তাদের গ্রেফতার করতে অভিযান চলছে।

;

ভোলায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ভোলা
ভোলায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

ভোলায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

  • Font increase
  • Font Decrease

ভোলায় পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে দু’ভাইর মধ্যে সংঘর্ষে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে সদর উপজেলার দক্ষিণ রতনপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ জনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রতনপুর গ্রামের আবদুল মালেক ও তার ভাই তাজল ইসলামের মধ্যে জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিলো।

সকালে দুই ভাইয়ের পরিবারের মধ্যে জমি-জমা সংক্রান্ত বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় তাজলের পরিবারের লোকজনের হামলায় ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ আবদুল মালেক ঘটনাস্থলেই মারা যান। মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হন মালেক ও তাজলের ছোট ভাই মজনু। তাকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিপন চন্দ্র সরকার জানান, ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ এবং ডিবি পুলিশ কাজ করছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

;