জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সংসদ নির্বাচন: ইসি আনিছুর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনিছুর রহমান।

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে ভোটগ্রহণ হবে। তবে ঠিক কত তারিখে ভোট নেয়া হবে সেই তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

নির্বাচন কমিশনের স্বার্থকতা হবে নির্বাচনকে সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে ভোট করতে পারলে বলে মন্তব্য করে ইসি আনিছুর বলেন, সেইসঙ্গে যোগ হয়েছে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। ভোট হতে হবে বিশ্বাসযোগ্য। জনগণ নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলেই কেবল ভোট গ্রহণযোগ্য হবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব খুব গুরুত্বপূর্ণ। আইনের মাধ্যমে এবার দায়িত্ব ও ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের বলে জানান তিনি।

ভোটের দিন ভোটারদের যাতে কেউ ভোট প্রয়োগে বাধা না দেয় সে ব্যাপারে নিজ দায়িত্ব পালনে সবাইকে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার।

   

ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ শুনানি ১১ জুলাই



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ঘোষণার রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ১১ জুলাই দিন ধার্য করে দিয়েছে আপিল বিভাগ।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জেষ্ঠ্য বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) এই আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও রিট আবেদনকারীদের পক্ষে সিনিয়র এডভোকেট মনজিল মোরসেদ উপস্থিত ছিলেন।

আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ২৭ নম্বর ক্রমিকে থাকা ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ আবেদনটি শুনানির জন্য রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ আবেদন করেন। প্রধান বিচারপতি আজ না থাকায় আগামী ১১ জুলাই দিন ধার্য করে শুনানি মূলতবি আদেশ দেয় আপিল বিভাগ।

বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়। এর বৈধতা নিয়ে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।

হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। একই বছরের ৩ জুলাই তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার (এস কে সিনহা) নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সর্বসম্মতিতে আপিল খারিজ করে রায় দেন। ওই রায় রিভিউ চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। এখন এই রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।

;

ন্যায়বিচার পাওয়া দেশের প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার: প্রধান বিচারপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, ন্যায়বিচার মানুষের মৌলিক অধিকার। প্রত্যেকটি মানুষ, প্রত্যেকটি নাগরিক যেন রাষ্ট্রের কাছে ন্যায়বিচার পায় সংবিধানে তা  স্পষ্ট করে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে রংপুর জেলা জজশিপে বিচারপ্রার্থী ও সাক্ষীদের বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ শেডের উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ন্যায়বিচার প্রাপ্তির প্রথম কাজটি করেন বিচারকগণ। কিন্তু বিচারকাজ চলার সময় বিচারপ্রার্থীদের যদি ডেকে পাওয়া না যায় তাহলে বিচারকাজ শেষ করতে বিলম্ব হয়। সেজন্য বিচারপ্রার্থীরা যদি একটু আরামে, ভালোভাবে অবস্থান করতে পারেন তাই আজকের এই ন্যায়কুঞ্জ। দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে ন্যায়কুঞ্জ তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানান প্রধান বিচারপতি।

মামলার দীর্ঘসূত্রিতা লাঘবে জেলা জজের নেতৃত্বে অন্য বিচারকগণসহ সংশ্লিষ্টরা যেন আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেন সেই আহ্বান জানান প্রধান বিচারপতি।

এ সময় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি একেএম সাইফুর রহমান, রংপুর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ফজলে খোদা মোহাম্মদ নাজির, বিভাগীয় শ্রম আদালতের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ফজলুল করিম, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুরুজ মিয়া, জেলা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান, জেলা পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরীসহ জেলা জজশিপের বিচারক ও আইনজীবী সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্ধোধন শেষে প্রধান বিচারপতি বিচারকদের বিভিন্ন এজলাস ঘুরে দেখেন। পরে চিফ জুডিসিয়াল আদালত ভবনের হলরুমে বিচারকদের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করেন।

এক হাজার বর্গফুটের ন্যায়কুঞ্জে নারী-পুরুষদের আলাদাভাবে ৭২টি বসার স্থান, মাতৃদুগ্ধ পান কক্ষ, পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা বাথরুম, খাবার ক্যান্টিন, সুপেয় পানি এবং অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা।

;

দেশের জন্য নদীর ভূমিকা মানুষের শিরা-উপশিরার মত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের জন্য জন্য নদীর ভূমিকা মানুষের শরীরের শিরা-উপশিরার মত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী  হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে জাতীয় নদী দিবস ঘোষণার দাবিতে নদী নিয়ে আন্দোলন করা সংগঠন নোঙর এর আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নদীগুলোর ভূমিকা হলো মানব দিকে দেহের শিরা-উপশিরার মত। দেহের মধ্যে শিরা-উপশিরা যেভাবে দায়িত্ব পালন করে, সেভাবে নদীগুলোও দেশের জন্য কাজ করে। মানুষের দেশের শিরা-উপশিরা যদি শুকিয়ে যায়, তাহলে মানুষ মরে যায়। আমাদের দেশের জন্য নদীগুলোও তেমন। নদী শুকিয়ে গেলে, নদী দখল হয়ে গেলে দেশের পরিবেশের উপর প্রভাব পড়ে।

তিনি আরও বলেন, হিমালয় থেকে উৎপন্ন নদীগুলো হতে তেমন পানি আসছে না। ডিফরেস্টেশন একটি অন্যতম কারণ। এছাড়া শহরের নদী ক্ষমতাধরদের হাতে কুক্ষিগত করে নদীকে গিলে ফেলছে। বৃত্তের ক্ষমতায় নদী দখল করে আবার মিডিয়া পালে। যাতে কেউ কিছু করতে না পারে। ক্ষমতাবানরা নদী দখল করে। কর্ণফুলীতে বিভিন্ন সংস্থার দখল অনেক বেশি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র আর মেঘনা তিনটা রিভার বেসিনের উৎপত্তি দেশের বাইরে। ক্যাচমেন্ট এরিয়াও বাইরে। ফলে বাইরে নদীতে যাই করা হয়, প্রভাব আমাদের নদীতে এসে পড়ে। সবার জন্য সুষম পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে প্রতিবেশীদের সহযোগিতা দরকার। যৌথ নদী কমিশনকে আরও কার্যকর করতে হবে। আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম করার প্রয়োজন আছে। আঞ্চলিক ব্যবস্থাপনা দাঁড় করানো গেলে সবাই উপকৃত হবে।

চলাচলের ক্ষেত্রে নদীর ব্যবহারের গুরুত্বপূর্ণ আছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, রাস্তা, বিল্ডিং বানানোই উন্নয়ন নয়। নদী রক্ষা, পরিবেশ রক্ষায় কিছু করবার জন্য টাকা খরচ করতে দেয় না। নৌ পথ ব্যবহারে সচেতন থাকলে আজ এই পরিস্থিতি হতো না।

মেয়াদ উত্তীর্ণ নৌ যান, মালিকদের অতিরিক্ত লোভ, নৌ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, আনারের মরদেহ আনতে দুই দেশের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নিবিড় যোগাযোগ রেখে কাজ করছে। এটি তদন্তাধীন বিষয়৷ বেশি কিছু বলতে চাই না।

অনুষ্ঠানে নোঙর সংগঠনের সভাপতি সুমন সামস, সমকালের উপদেষ্টা সম্পাদক আবু সাঈদ খোকন ও ঢাকা ৪ আসনের সংসদ সদস্য আওলাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

;

মশা কেউ একা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪. কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা ছাড়া পৃথিবীর কেউ এককভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা ছাড়া পৃথিবীর কেউ এককভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। আমরা মশা সম্পর্কে জনগণকে প্রতিনিয়ত উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছি। যেকোনো কাজ করতে হলে আমাদেরকে সমন্বয় করতে হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে যতগুলো মন্ত্রণালয় রয়েছে আমরা সবাই সমন্বয় করে কাজে করে যাচ্ছি।

মন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ করা এবং মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সমবায় মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। সিটি কর্পোরেশন থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায়ের সবাইকে জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে আসার জন্য আমরা কাজ করছি।

তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় অনেক বেড়েছে। বাংলাদেশ এখন ৩৩তম অর্থনীতির দেশ।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন প্রমুখ।

;