সীমান্ত সম্মেলনে যোগ দিতে বিএসএফ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে



স্টাফ করেসপনডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল(যশোর)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরে বিজিবি-বিএসএফ রিজিয়ন কমান্ডার ও ফ্রন্টিয়ার আইজি পর্যায়ে ৪ দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসেছেন।

শনিবার (২ সেপ্টেমবর) সকাল ৯ টায় বিএসএফের ৭ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদল ভারতের পেট্রাপোল চেকপোষ্ট হয়ে বেনাপোল সীমান্তে পৌঁছায়।

এর আগে প্রতিনিধি দলটি সীমান্ত রেখায় পৌছালে বিজিবি কর্মকর্তারা তাঁদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

পরে চেকপোষ্ট আইসিপি বিজিবি ক্যাম্পে বিএসএফ প্রতিনিধি দলের প্রধানকে গার্ড অব অর্নার প্রদান করা হয়।

বিএসএফের ৭ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের আইজি শ্রী আয়্যুষ মানি তিওয়ারি। অপরদিকে ২১ সদস্যের বিজিবি’র নেতৃত্ব দিচ্ছেন রংপুর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মোরশেদ আলম।

বিজিবির দক্ষিণ পশ্চিম রিজিয়ন (যশোর) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আনোয়ারুল মাযহার জানান, শনিবার দুপুর থেকে যশোর হোটেল জাবের ইন্টারন্যাশনালে দুই বাহিনীর মধ্যে সীমান্ত সম্মেলন শুরু হবে। আগামী ৫ সেপ্টম্বর সম্মেলনটি শেষ হবে। 

বিজিবি  রিজিয়নের অধীনস্থ সংশ্লিষ্ট সেক্টর কমান্ডারগণ, বিজিবি'র স্টাফ অফিসারবৃন্দ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর এবং যৌথ নদী কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন।

অপরদিকে ভারতীয় প্রতিনিধি দলে বিএসএফ নর্থ বেঙ্গল ও গৌহাটি ফ্রন্টিয়ারের আইজিগণ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট সেক্টরের ডিআইজিগণ, বিএসএফের স্টাফ অফিসারবৃন্দ, ভারতের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ প্রতিনিধিত্ব করবেন।

সম্মেলনে সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন, দুই বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক আস্থা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

   

ন্যায়বিচার পাওয়া দেশের প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার: প্রধান বিচারপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, ন্যায়বিচার মানুষের মৌলিক অধিকার। প্রত্যেকটি মানুষ, প্রত্যেকটি নাগরিক যেন রাষ্ট্রের কাছে ন্যায়বিচার পায় সংবিধানে তা  স্পষ্ট করে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে রংপুর জেলা জজশিপে বিচারপ্রার্থী ও সাক্ষীদের বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ শেডের উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ন্যায়বিচার প্রাপ্তির প্রথম কাজটি করেন বিচারকগণ। কিন্তু বিচারকাজ চলার সময় বিচারপ্রার্থীদের যদি ডেকে পাওয়া না যায় তাহলে বিচারকাজ শেষ করতে বিলম্ব হয়। সেজন্য বিচারপ্রার্থীরা যদি একটু আরামে, ভালোভাবে অবস্থান করতে পারেন তাই আজকের এই ন্যায়কুঞ্জ। দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে ন্যায়কুঞ্জ তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানান প্রধান বিচারপতি।

মামলার দীর্ঘসূত্রিতা লাঘবে জেলা জজের নেতৃত্বে অন্য বিচারকগণসহ সংশ্লিষ্টরা যেন আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেন সেই আহ্বান জানান প্রধান বিচারপতি।

এ সময় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি একেএম সাইফুর রহমান, রংপুর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ফজলে খোদা মোহাম্মদ নাজির, বিভাগীয় শ্রম আদালতের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ফজলুল করিম, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুরুজ মিয়া, জেলা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান, জেলা পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরীসহ জেলা জজশিপের বিচারক ও আইনজীবী সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্ধোধন শেষে প্রধান বিচারপতি বিচারকদের বিভিন্ন এজলাস ঘুরে দেখেন। পরে চিফ জুডিসিয়াল আদালত ভবনের হলরুমে বিচারকদের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করেন।

এক হাজার বর্গফুটের ন্যায়কুঞ্জে নারী-পুরুষদের আলাদাভাবে ৭২টি বসার স্থান, মাতৃদুগ্ধ পান কক্ষ, পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা বাথরুম, খাবার ক্যান্টিন, সুপেয় পানি এবং অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা।

;

দেশের জন্য নদীর ভূমিকা মানুষের শিরা-উপশিরার মত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের জন্য জন্য নদীর ভূমিকা মানুষের শরীরের শিরা-উপশিরার মত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী  হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে জাতীয় নদী দিবস ঘোষণার দাবিতে নদী নিয়ে আন্দোলন করা সংগঠন নোঙর এর আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নদীগুলোর ভূমিকা হলো মানব দিকে দেহের শিরা-উপশিরার মত। দেহের মধ্যে শিরা-উপশিরা যেভাবে দায়িত্ব পালন করে, সেভাবে নদীগুলোও দেশের জন্য কাজ করে। মানুষের দেশের শিরা-উপশিরা যদি শুকিয়ে যায়, তাহলে মানুষ মরে যায়। আমাদের দেশের জন্য নদীগুলোও তেমন। নদী শুকিয়ে গেলে, নদী দখল হয়ে গেলে দেশের পরিবেশের উপর প্রভাব পড়ে।

তিনি আরও বলেন, হিমালয় থেকে উৎপন্ন নদীগুলো হতে তেমন পানি আসছে না। ডিফরেস্টেশন একটি অন্যতম কারণ। এছাড়া শহরের নদী ক্ষমতাধরদের হাতে কুক্ষিগত করে নদীকে গিলে ফেলছে। বৃত্তের ক্ষমতায় নদী দখল করে আবার মিডিয়া পালে। যাতে কেউ কিছু করতে না পারে। ক্ষমতাবানরা নদী দখল করে। কর্ণফুলীতে বিভিন্ন সংস্থার দখল অনেক বেশি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র আর মেঘনা তিনটা রিভার বেসিনের উৎপত্তি দেশের বাইরে। ক্যাচমেন্ট এরিয়াও বাইরে। ফলে বাইরে নদীতে যাই করা হয়, প্রভাব আমাদের নদীতে এসে পড়ে। সবার জন্য সুষম পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে প্রতিবেশীদের সহযোগিতা দরকার। যৌথ নদী কমিশনকে আরও কার্যকর করতে হবে। আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম করার প্রয়োজন আছে। আঞ্চলিক ব্যবস্থাপনা দাঁড় করানো গেলে সবাই উপকৃত হবে।

চলাচলের ক্ষেত্রে নদীর ব্যবহারের গুরুত্বপূর্ণ আছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, রাস্তা, বিল্ডিং বানানোই উন্নয়ন নয়। নদী রক্ষা, পরিবেশ রক্ষায় কিছু করবার জন্য টাকা খরচ করতে দেয় না। নৌ পথ ব্যবহারে সচেতন থাকলে আজ এই পরিস্থিতি হতো না।

মেয়াদ উত্তীর্ণ নৌ যান, মালিকদের অতিরিক্ত লোভ, নৌ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, আনারের মরদেহ আনতে দুই দেশের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নিবিড় যোগাযোগ রেখে কাজ করছে। এটি তদন্তাধীন বিষয়৷ বেশি কিছু বলতে চাই না।

অনুষ্ঠানে নোঙর সংগঠনের সভাপতি সুমন সামস, সমকালের উপদেষ্টা সম্পাদক আবু সাঈদ খোকন ও ঢাকা ৪ আসনের সংসদ সদস্য আওলাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

;

মশা কেউ একা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪. কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা ছাড়া পৃথিবীর কেউ এককভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা ছাড়া পৃথিবীর কেউ এককভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। আমরা মশা সম্পর্কে জনগণকে প্রতিনিয়ত উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছি। যেকোনো কাজ করতে হলে আমাদেরকে সমন্বয় করতে হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে যতগুলো মন্ত্রণালয় রয়েছে আমরা সবাই সমন্বয় করে কাজে করে যাচ্ছি।

মন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ করা এবং মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সমবায় মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। সিটি কর্পোরেশন থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায়ের সবাইকে জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে আসার জন্য আমরা কাজ করছি।

তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় অনেক বেড়েছে। বাংলাদেশ এখন ৩৩তম অর্থনীতির দেশ।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন প্রমুখ।

;

প্রকল্পের কাজ বিলম্বকারী ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে শাস্তি ও জরিমানার সুপারিশ

ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে শাস্তি ও জরিমানার সুপারিশ

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলমান প্রকল্পসমূহে ঠিকাদারদের নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্নের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে বিলম্ব সৃষ্টিকারী ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাদের শাস্তি ও জরিমানার আওতায় আনা প্রয়োজনে ঠিকাদার পরিবর্তন করার সুপারিশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

বৃহস্পতিবার (২৩মে) জাতীয় সংসদ ভবনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৩য় বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়।

বৈঠক কমিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি’র সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি, প্রতিমন্ত্রী শামসুন নাহার এমপি, আ, ফ, ম বাহাউদ্দিন এমপি, মো. আবদুল মজিদ এমপি, আহমদ হোসেন এমপি, মো. বিপ্লব হাসান এমপি, মো. আব্দুল মালেক সরকার এমপি এবং মো. আজিজুল ইসলাম এমপি অংশগ্রহণ করেন।

সংসদীয় কমিটি বৈঠকে সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজকে সরকারিকরণে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ ও সেইসাথে কাজের সুবিধার্থে প্রেষণে একজন প্রিন্সিপাল নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।

কমিটি বৈঠকে দেশের ইংরেজি মাধ্যমের কিছু বিদ্যালয়ে বিকৃত ইতিহাস পড়ানো হচ্ছে উল্লেখ করে ইতিহাসের বই জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশ স্টাডিজ পড়ানোর সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, অবসর সুবিধা বোর্ডের সচিব, কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব, মাউশির মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

;