স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক ডা. টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস।

নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতিসংঘ সদর দফতরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে সংস্থার মহাপরিচালক এ কথা বলেন।

বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক বাংলাদেশের সার্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিকগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্ভাবন, যেখান থেকে মানুষ বিনামূল্যে ৩০টির বেশি ওষুধ পাচ্ছেন। কমিউনিটি ক্লিনিক বাংলাদেশে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার দ্রুত কমাতে সাহায্য করেছে। সুতরাং, গড় আয়ু অনেক বেড়েছে, বলেন তিনি।

মোমেন বলেন, তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালককে বলেছেন যে বাংলাদেশ তার অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা অন্যান্য দেশের সঙ্গে শেয়ার করতে চায়।

 

   

সংসদ সদস্য আজীম হত্যা: কলকাতায় ক্যাবচালক আটক, জিজ্ঞাসাবাদ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডে অ্যাপচালিত এক ট্যাক্সিক্যাবচালককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে কলকাতার গোয়েন্দা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) পশ্চিমবঙ্গের দৈনিক আনন্দবাজার এ খবর জানায়।

খবরে জানানো হয়, বাংলাদেশের সংসদ সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এবার সিআইডির নজরে এক অ্যাপ ক্যাবচালক। মামলার তদন্তের সূত্র ধরে ওই চালককে তলব করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তাকে আটক করে জেরা করছেন সিআইডি গোয়েন্দারা। হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তবে দৈনিক পত্রিকাটি আটক ক্যাবচালকের নাম প্রকাশ করেনি।

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, চিকিৎসা করাতে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় এসেছিলেন সে দেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম। কলকাতায় এসে প্রথমে তিনি উঠেছিলেন বরাহনগরে এক বন্ধুর ফ্ল্যাটে। দুইদিন সেখানে থাকার পর সেখান থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি তিনি।

আনোয়ারুল আজীম আনার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। পরে এই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি।

বাংলাদেশের সংসদ সদস্য খুনের ঘটনার তদন্তে নিউ টাউনের একটি ফ্ল্যাটের খোঁজ পায় স্থানীয় থানার পুলিশ। সেই ফ্ল্যাটেই চাপ চাপ রক্তের দাগ। সেখান থেকেই নমুনা সংগ্রহ করেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা।

তদন্তভার হাতে নেওয়ার পরে বুধবার এই ফ্ল্যাটে ঘুরে যান সিআইডির আইজি অখিলেশ চতুর্বেদী।

তিনি জানান, গত ১৮ মে একটি নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। তারপর ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট একটি এসআইটি গঠন করে। তদন্ত করতে গিয়ে তারা এই ফ্ল্যাটের খোঁজ পান।

তদন্ত করতে এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করেন গোয়েন্দারা। তদন্তে তারা জানতে পারেন, বরাহনগর থেকে একটি গাড়িতে চেপে নিউ টাউনের ফ্ল্যাটে যান আনোয়ারুল আজীম। সিআইডি ইতোমধ্যে সেই গাড়িরচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সেখানকার আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে গোয়েন্দারা একটি অ্যাপ ক্যাবের খোঁজ পান।

এদিকে, বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতা পুলিশের বিশেষ দল ঢাকা এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি ও তথ্য

;

‘এখন অধিকাংশ নিরক্ষর জনগোষ্ঠী শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

এখন অধিকাংশ নিরক্ষর জনগোষ্ঠী শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন মন্তব্য করে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত ও শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রকল্প পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করেছে সরকার। প্রকল্পটির আওতায় অধিকাংশই সমাজের অবহেলিত, দরিদ্র ও নিরক্ষর জনগোষ্ঠী শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাজশাহী ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের গুরুত্ব’ বিষয়ে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিভাগীয় কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত ও শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের মাধ্যমে মসজিদের ইমামরা শিক্ষাকেন্দ্রে শিশু শিক্ষার্থীদেরকে বাংলা, অঙ্ক, ইংরেজি, আরবি, নৈতিকতা ও মূল্যবোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা দিয়ে আসছেন। এর ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিভাগীয় কার্যালয় রাজশাহীর পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ) ফয়সাল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. মহিনুল হাসান, আরএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার নূর আলম সিদ্দিকী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. এএনএম মাসউদুর রহমান প্রমুখ।

;

ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ শুনানি ১১ জুলাই



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ঘোষণার রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ১১ জুলাই দিন ধার্য করে দিয়েছে আপিল বিভাগ।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জেষ্ঠ্য বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) এই আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও রিট আবেদনকারীদের পক্ষে সিনিয়র এডভোকেট মনজিল মোরসেদ উপস্থিত ছিলেন।

আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ২৭ নম্বর ক্রমিকে থাকা ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ আবেদনটি শুনানির জন্য রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ আবেদন করেন। প্রধান বিচারপতি আজ না থাকায় আগামী ১১ জুলাই দিন ধার্য করে শুনানি মূলতবি আদেশ দেয় আপিল বিভাগ।

বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়। এর বৈধতা নিয়ে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।

হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। একই বছরের ৩ জুলাই তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার (এস কে সিনহা) নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সর্বসম্মতিতে আপিল খারিজ করে রায় দেন। ওই রায় রিভিউ চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। এখন এই রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।

;

ন্যায়বিচার পাওয়া দেশের প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার: প্রধান বিচারপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, ন্যায়বিচার মানুষের মৌলিক অধিকার। প্রত্যেকটি মানুষ, প্রত্যেকটি নাগরিক যেন রাষ্ট্রের কাছে ন্যায়বিচার পায় সংবিধানে তা  স্পষ্ট করে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে রংপুর জেলা জজশিপে বিচারপ্রার্থী ও সাক্ষীদের বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ শেডের উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ন্যায়বিচার প্রাপ্তির প্রথম কাজটি করেন বিচারকগণ। কিন্তু বিচারকাজ চলার সময় বিচারপ্রার্থীদের যদি ডেকে পাওয়া না যায় তাহলে বিচারকাজ শেষ করতে বিলম্ব হয়। সেজন্য বিচারপ্রার্থীরা যদি একটু আরামে, ভালোভাবে অবস্থান করতে পারেন তাই আজকের এই ন্যায়কুঞ্জ। দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে ন্যায়কুঞ্জ তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানান প্রধান বিচারপতি।

মামলার দীর্ঘসূত্রিতা লাঘবে জেলা জজের নেতৃত্বে অন্য বিচারকগণসহ সংশ্লিষ্টরা যেন আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেন সেই আহ্বান জানান প্রধান বিচারপতি।

এ সময় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি একেএম সাইফুর রহমান, রংপুর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ফজলে খোদা মোহাম্মদ নাজির, বিভাগীয় শ্রম আদালতের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ফজলুল করিম, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুরুজ মিয়া, জেলা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান, জেলা পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরীসহ জেলা জজশিপের বিচারক ও আইনজীবী সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্ধোধন শেষে প্রধান বিচারপতি বিচারকদের বিভিন্ন এজলাস ঘুরে দেখেন। পরে চিফ জুডিসিয়াল আদালত ভবনের হলরুমে বিচারকদের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করেন।

এক হাজার বর্গফুটের ন্যায়কুঞ্জে নারী-পুরুষদের আলাদাভাবে ৭২টি বসার স্থান, মাতৃদুগ্ধ পান কক্ষ, পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা বাথরুম, খাবার ক্যান্টিন, সুপেয় পানি এবং অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা।

;