৬টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১৯ রাউগুলিসহ শীর্ষ চোরাকারবারি গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল(যশোর)
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরের শার্শা সীমান্ত থেকে ৬ টি আগ্নেয়ান্ত্র ও ১৯ রাউন্ড গুলিসহ শীর্ষ স্বর্ন, মাদক ও অস্ত্র চোরাকারবারী নাসিরকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৬ এর সদস্যরা।

শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শার্শা সীমান্তের বাগআঁচড়া থেকে তাকে আটক করা হয়। নাসিরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে পুলিশের খাতায়। সে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন পুটখালী গ্রামের বুদো সদ্দারের ছেলে।

জব্দকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে, ২টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ওয়ান শুটার গান, ৩টি রিভোলবার সর্বমোট ৬টি দেশি বিদেশি অস্ত্র ও ১৯ রাউন্ড গুলি।

র‌্যাব-৬ খুলনা কার্যালয়ে অধিনায়ক ফিরোজ কবির (পিএিম পিএসসি) সংবাদ সম্মেলনে গনমাধ্যমকর্মীদের জানান, নাসির উদ্দিন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছে মোস্ট ওয়ান্টেড ছিল। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডজন খানেক মামলা রয়েছে। অস্ত্র মাদক ও কয়েকটি সোনা পাচার ও সোনা উদ্ধার সংক্রান্ত মামলায় তাকে খুজছিল আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, নাসিরের বিরুদ্ধে অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলেও এর আগে ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল সে। ক্ষমতাসীন দলে যোগ দিয়ে সব ধরণের চোরাচালান কাজে জড়িয়ে শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলে এলাকায়। গরু খাটাল ব্যবসার আড়ালে স্বর্ন, মাদক ও অস্ত্রের বড় যোগান সন্ত্রাসীদের হাতে বিভিন্ন মাধ্যে পৌছে দিত। ভারত-বাংলাদেশ দুই পারে তার আধিপত্য বিরাজ ছিল। প্রতিমাসে যেমন কোটি কোটি টাকা অবৈধ আয় করত তেমনি নিরাপদ থাকতে টাকা ছড়াতো প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলে। এদেশ থেকে নাসিরের মাধ্যমে স্বর্নের বড় চালান যেত ভারতে আর বিনিময়ে ভারত থেকে নিয়ে আসা হচ্ছে মাদক ও অস্ত্র। যা দেশের যুব সমাজকে ধ্বংস আর সন্ত্রাস বাড়াচ্ছিল সমাজে।

সাম্প্রতি মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে তিন বছরে সাড়ে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণ ও ডলার পাচারের অভিযোগে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করে সিআইডি পুলিশ।

এ মামলায় আন্তর্জাতিক এই স্বর্ণ চোরাকারবারি নাসির উদ্দিনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে সিআইডি পুলিশ ঢাকার ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম (অর্গানাইজড ক্রাইম) বিভাগে মামলা হয়। এত কিছুর পরও নিজ এলাকায় অবাধ বিচরণ ছিল নাসিরের।

প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে প্রথমবারের মত ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস ’জিপিফাই আনলিমিটেড' আনল স্মার্ট কানেক্টিভিটি প্রদানকারী কোম্পানি গ্রামীণফোন। আয়োজকরা বলছেন, ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। একীভূত লাইসেন্সের নীতিমালা মেনে আবাসিক ও ব্যবসা ক্ষেত্রে ফিক্সড ওয়ারলেস অ্যাক্সেস (এফডব্লিউএ) প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য ও উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করবে উদ্ভাবনী এই প্রযুক্তি।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত জিপিফাই’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান, চিফ মার্কেটিং অফিসার মো. সাজ্জাদ হাসিব, হেড অব নেটওয়ার্ক সার্ভিসেস আবুল কাশেম মহিউদ্দিন আল-আমিন, হেড অফ অ্যাডজাসেন্ট নেটওয়ার্ক বিজনেস ইনোভেশন মইনুল মোমেন এবং কোম্পানিটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

’জিপিফাই আনলিমিটেড' গ্রামীণফোনের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। এর লক্ষ্য দেশের ডিজিটাল বিভাজন কমানো এবং ব্যবহারকারীদের অনলাইন অভিজ্ঞতা আরো উন্নত করা। উদ্ভাবনী এই প্রযুক্তি গ্রাহকদের নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও সাশ্রয়ী মূল্যের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদান করবে। এর মাধ্যমে দেশের যে কোন স্থানের গ্রাহকরা নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ উপভোগ করতে পারবেন।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তার বক্তব্যে দেশের প্রথম ওয়্যারলেস ওয়াই-ফাই সল্যুশন ’জিপিফাই আনলিমিটেড'- এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন,“ ‘জিপিফাই আনলিমিটেড' বাংলাদেশের ডিজিটাল পরিমণ্ডলে একটি পরিবর্তন আনবে। নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও ওয়্যারলেস ইন্টারনেট প্রদানের মাধ্যমে এটি সারা দেশের কানেক্টিভিটি ও অ্যাক্সেসিবিলিটি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে। সাশ্রয়ী মূল্যের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রদানের মাধ্যমে ব্যক্তি ও ব্যবসার ক্ষমতায়ন করবে এটি। এটি দূরবর্তী অবস্থান থেকে কাজ করতে, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, অনলাইন শিক্ষা ও টেলিহেলথের ক্ষেত্রে এবং ডিজিটাল উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়ক হবে; যা আর্থ-সামজিক উন্নয়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ টেলিযোগাযোগ খাতে নেওয়া প্রগতিশীল পদক্ষেপগুলোর উপর তার মতামত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "সর্বশেষ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রবর্তনের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ শিল্পকে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছে বিটিআরসি। গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চমানের ইন্টারনেট সেবা প্রদান করতে জিপিফাই আনার জন্য আমরা গ্রামীণফোনকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা আশা করি, গ্রামীণফোন বাংলাদেশের ডিজিটাল পরিমণ্ডল উন্নত করতে এবং দেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।”

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, ”আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্মার্ট ডিভাইস ও সংযোগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ফলে আধুনিক প্রযুক্তির সহযোগে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও উপভোগ্য জীবনযাপন শুরু করার এখনই সময়। গ্রামীণফোন ডিজিটালভাবে অন্তর্ভুক্ত একটি সমাজ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যেখানে প্রত্যেকে ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ মানের সেবার

মাধ্যমে উপকৃত হবেন। এরই ধারাবাহিকতা ‘জিপিফাই আনলিমিটেড’। 'স্মার্ট বাংলাদেশ' রূপকল্পের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এমন প্রযুক্তি ও অবকাঠামোতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোন সংকল্পবদ্ধ।

;

প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে প্রথমবারের মত ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস ’জিপিফাই আনলিমিটেড' আনল স্মার্ট কানেক্টিভিটি প্রদানকারী কোম্পানি গ্রামীণফোন। আয়োজকরা বলছেন, ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। একীভূত লাইসেন্সের নীতিমালা মেনে আবাসিক ও ব্যবসা ক্ষেত্রে ফিক্সড ওয়ারলেস অ্যাক্সেস (এফডব্লিউএ) প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য ও উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করবে উদ্ভাবনী এই প্রযুক্তি।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত জিপিফাই’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান, চিফ মার্কেটিং অফিসার মো. সাজ্জাদ হাসিব, হেড অব নেটওয়ার্ক সার্ভিসেস আবুল কাশেম মহিউদ্দিন আল-আমিন, হেড অফ অ্যাডজাসেন্ট নেটওয়ার্ক বিজনেস ইনোভেশন মইনুল মোমেন এবং কোম্পানিটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

’জিপিফাই আনলিমিটেড' গ্রামীণফোনের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। এর লক্ষ্য দেশের ডিজিটাল বিভাজন কমানো এবং ব্যবহারকারীদের অনলাইন অভিজ্ঞতা আরো উন্নত করা। উদ্ভাবনী এই প্রযুক্তি গ্রাহকদের নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও সাশ্রয়ী মূল্যের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদান করবে। এর মাধ্যমে দেশের যে কোন স্থানের গ্রাহকরা নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ উপভোগ করতে পারবেন।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তার বক্তব্যে দেশের প্রথম ওয়্যারলেস ওয়াই-ফাই সল্যুশন ’জিপিফাই আনলিমিটেড'- এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন,“ ‘জিপিফাই আনলিমিটেড' বাংলাদেশের ডিজিটাল পরিমণ্ডলে একটি পরিবর্তন আনবে। নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও ওয়্যারলেস ইন্টারনেট প্রদানের মাধ্যমে এটি সারা দেশের কানেক্টিভিটি ও অ্যাক্সেসিবিলিটি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে। সাশ্রয়ী মূল্যের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রদানের মাধ্যমে ব্যক্তি ও ব্যবসার ক্ষমতায়ন করবে এটি। এটি দূরবর্তী অবস্থান থেকে কাজ করতে, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, অনলাইন শিক্ষা ও টেলিহেলথের ক্ষেত্রে এবং ডিজিটাল উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়ক হবে; যা আর্থ-সামজিক উন্নয়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ টেলিযোগাযোগ খাতে নেওয়া প্রগতিশীল পদক্ষেপগুলোর উপর তার মতামত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "সর্বশেষ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রবর্তনের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ শিল্পকে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছে বিটিআরসি। গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চমানের ইন্টারনেট সেবা প্রদান করতে জিপিফাই আনার জন্য আমরা গ্রামীণফোনকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা আশা করি, গ্রামীণফোন বাংলাদেশের ডিজিটাল পরিমণ্ডল উন্নত করতে এবং দেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।”

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, ”আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্মার্ট ডিভাইস ও সংযোগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ফলে আধুনিক প্রযুক্তির সহযোগে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও উপভোগ্য জীবনযাপন শুরু করার এখনই সময়। গ্রামীণফোন ডিজিটালভাবে অন্তর্ভুক্ত একটি সমাজ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যেখানে প্রত্যেকে ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ মানের সেবার

মাধ্যমে উপকৃত হবেন। এরই ধারাবাহিকতা ‘জিপিফাই আনলিমিটেড’। 'স্মার্ট বাংলাদেশ' রূপকল্পের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এমন প্রযুক্তি ও অবকাঠামোতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোন সংকল্পবদ্ধ।

;

প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে প্রথমবারের মত ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস ’জিপিফাই আনলিমিটেড' আনল স্মার্ট কানেক্টিভিটি প্রদানকারী কোম্পানি গ্রামীণফোন। আয়োজকরা বলছেন, ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। একীভূত লাইসেন্সের নীতিমালা মেনে আবাসিক ও ব্যবসা ক্ষেত্রে ফিক্সড ওয়ারলেস অ্যাক্সেস (এফডব্লিউএ) প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য ও উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করবে উদ্ভাবনী এই প্রযুক্তি।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত জিপিফাই’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান, চিফ মার্কেটিং অফিসার মো. সাজ্জাদ হাসিব, হেড অব নেটওয়ার্ক সার্ভিসেস আবুল কাশেম মহিউদ্দিন আল-আমিন, হেড অফ অ্যাডজাসেন্ট নেটওয়ার্ক বিজনেস ইনোভেশন মইনুল মোমেন এবং কোম্পানিটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

’জিপিফাই আনলিমিটেড' গ্রামীণফোনের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। এর লক্ষ্য দেশের ডিজিটাল বিভাজন কমানো এবং ব্যবহারকারীদের অনলাইন অভিজ্ঞতা আরো উন্নত করা। উদ্ভাবনী এই প্রযুক্তি গ্রাহকদের নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও সাশ্রয়ী মূল্যের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদান করবে। এর মাধ্যমে দেশের যে কোন স্থানের গ্রাহকরা নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ উপভোগ করতে পারবেন।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তার বক্তব্যে দেশের প্রথম ওয়্যারলেস ওয়াই-ফাই সল্যুশন ’জিপিফাই আনলিমিটেড'- এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন,“ ‘জিপিফাই আনলিমিটেড' বাংলাদেশের ডিজিটাল পরিমণ্ডলে একটি পরিবর্তন আনবে। নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও ওয়্যারলেস ইন্টারনেট প্রদানের মাধ্যমে এটি সারা দেশের কানেক্টিভিটি ও অ্যাক্সেসিবিলিটি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে। সাশ্রয়ী মূল্যের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রদানের মাধ্যমে ব্যক্তি ও ব্যবসার ক্ষমতায়ন করবে এটি। এটি দূরবর্তী অবস্থান থেকে কাজ করতে, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, অনলাইন শিক্ষা ও টেলিহেলথের ক্ষেত্রে এবং ডিজিটাল উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়ক হবে; যা আর্থ-সামজিক উন্নয়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ টেলিযোগাযোগ খাতে নেওয়া প্রগতিশীল পদক্ষেপগুলোর উপর তার মতামত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "সর্বশেষ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রবর্তনের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ শিল্পকে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছে বিটিআরসি। গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চমানের ইন্টারনেট সেবা প্রদান করতে জিপিফাই আনার জন্য আমরা গ্রামীণফোনকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা আশা করি, গ্রামীণফোন বাংলাদেশের ডিজিটাল পরিমণ্ডল উন্নত করতে এবং দেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।”

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, ”আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্মার্ট ডিভাইস ও সংযোগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ফলে আধুনিক প্রযুক্তির সহযোগে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও উপভোগ্য জীবনযাপন শুরু করার এখনই সময়। গ্রামীণফোন ডিজিটালভাবে অন্তর্ভুক্ত একটি সমাজ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যেখানে প্রত্যেকে ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ মানের সেবার

মাধ্যমে উপকৃত হবেন। এরই ধারাবাহিকতা ‘জিপিফাই আনলিমিটেড’। 'স্মার্ট বাংলাদেশ' রূপকল্পের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এমন প্রযুক্তি ও অবকাঠামোতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোন সংকল্পবদ্ধ।

;

কুয়াকাটার সৈকত পরিচ্ছন্নতায় 'বৃহন্নলা'



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.ক্‌ (কলাপাড়া-পটুয়াখালী)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বৃহন্নলা’।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে প্রায় ১ ঘন্টা ধরে সৈকতের জিরো পয়েন্টের এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পড়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা,প্লাস্টিক বর্জ্য পরিষ্কার করেন তারা। এতে 'বৃহন্নলার' সদস্যদের পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে রবিবার (১৪ জুলাই) বিকেলে সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে সৈকতের তীরে ম্যারাথান অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রতিযোগিতায় তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জনসহ 'বৃহন্নলার' ২৫ সদস্য অংশ নেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাদিকুল ইসলাম এবং অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহারের পরিচালক ইন্দ্র বংশ ভিক্ষু, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু, সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির সহ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মিরাজ এবং আবুল হোসেন রাজু প্রমুখ।

ব্যতিক্রমী এ আয়োজনে অংশ নেওয়া তৃতীয় লিঙ্গ জনগোষ্ঠীর সদস্য পিয়া (হিজড়া) বলেন, ‘কুয়াকাটার মত এত সুন্দর একটি জায়গায় সব শ্রেণির মানুষের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। মনে হয়েছে আমিও এ সমাজের একজন গর্বিত সদস্য। এটা কী যে ভালো লাগার তা বলে শেষ করা যাবে না।’

সমাজে মানুষে-মানুষে বৈষম্য কমাতে তৃতীয় লিঙ্গ জনগোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতে আমাদের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন উল্লেখ করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বৃহন্নলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাদিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সবাই মানুষ হিসেবে এই সমাজে বসবাস করতে চাই। কে নারী, কে পুরুষ কিংবা কে তৃতীয় লিঙ্গের—এই পরিচয়ে কেউ যেন অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়। এ বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই এই আয়োজন।’

সাদিক আরো জানান, একীভূত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তৃতীয় লিঙ্গের সম্প্রদায়কে মূলধারায় ফিরিয়ে আনাই ‘বৃহন্নলা’র লক্ষ্য

লিঙ্গ বৈচিত্র্যময় মানুষদের নিয়ে গবেষণা করা ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সাবেক সহকারী অধ্যাপক আসিবুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে যদি আমরা সবার সঙ্গে এগিয়ে নিতে চাই, তাহলে তাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার বিকল্প নেই। এ কারণে সবার আগে পরিবার, সমাজ এবং সমাজ পরিবর্তনে যারা কাজ করেন তাদের এগিয়ে আসতে হবে। সেই জায়গা থেকে 'বৃহন্নলা' যে কাজগুলো করছে সেগুলো সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

;