সিলেটে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় বাসের ভেতরের সিটগুলো পুড়ে যায়।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দক্ষিণ সুরমার কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার নছিবা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অফিসার) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানায়, রাত সাড়ে ৮টার দিকে আন্ত:জেলার একটি বাস নছিবা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলো। বাসটির চালক ও হেল্পার পাশে চা নাস্তা করতে গিয়েছিলেন। হঠাৎ করে বাসটিতে কে বা কারা আগুন লাগিয়ে দিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।

পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা এসে কিছু সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।

এদিকে, বাসে আগুন লাগার ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিন) মো.সোহেল রেজা (পিপিএম)।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, কেউ আহত হননি বা কাউকে আটক করাও সম্ভব হয়নি। তবে দুর্বৃত্তদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।

পরিদর্শন শেষে সিলেট মেট্রোপলিটন উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি দক্ষিন) মো.সোহেল রেজা (পিপিএম) সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সারাদেশেব্যাপী যারা অবরোধ-হরতাল করছে তাদের কোনো একটি গ্রুপ এ ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

   

রাজবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় গৃহবধূ ও শ্বশুরের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের বাগমারা ছোট মোড় এলাকায় রাবেয়া পরিবহনের ধাক্কায় অটোতে থাকা গৃহবধূ ও তার শ্বশুরের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, খালেদা আক্তার (৩৫) ও তার শ্বশুর জবেদ আলী মিয়া (৬৫)। নিহত খালেদা আক্তার কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়নের রস্করদিয়া গ্রামের প্রবাসী চাঁন মিয়ার স্ত্রী।  

নিহতদের এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শ্বশুরকে ডাক্তার দেখাতে অটোযোগে নিয়ে যাচ্ছিলেন খালেদা আক্তার। এসময় রাবেয়া পরিবহনের একটি বাস অটোটিকে সজোড়ে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থলেই খালেদা আক্তারের মৃত্যু হলেও তার শ্বশুর জবেদ আলী মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থা মৃত্যুবরণ করেন।

ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়রা জবেদ আলী মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় পরে সেখানে তার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

পাংশা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) উৎপল কুমার জানান, বাসের ধাক্কায় অটো রিকশার দুই যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ঘাতক বাসটি আটক করতে অভিযান পরিচালনা করছে। মরদেহের ব্যপারে আইনগত প্রক্রিয়াধীন।

;

স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিককে হুমকি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম নিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ করায় আরটিভির স্টাফ রিপোর্টার দীপ্ত চন্দ্র পালকে মোবাইল ফোনে মামলাসহ নানাবিধ হুমকির অভিযোগ উঠেছে যাত্রাবাড়ী লাইফ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

শনিবার (২৪ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় হুমকির অভিযোগ জানিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন প্রতিবেদক দীপ্ত চন্দ্র পাল।

দীপ্ত চন্দ্র পাল বলেন, বেসরকারি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করি। পরে গতকাল শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে লাইফ হাসপাতালের স্বত্ত্বাধিকারী মো. সাকিবুল হাসান নিলয় আমার হোয়াটস অ্যাপে কল করে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে ও ভয়ভীতি দেখায়। প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। তাই নিজের জীবনের নিরাপত্তার কথা ভেবে আমি আজ যাত্রাবাড়ী থানা একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।

এদিকে, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আরটিভি।

ফ্রি স্টাইলে চলছে দেশের বেশীরভাগ বেসরকারি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার। অনেক প্রতিষ্ঠানের নেই অনুমোদন। যাদের আছে মেয়াদ শেষে তারাও নবায়ন করেন না। মানা হয় না শর্ত।

এমন তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদনে বিভিন্ন হাসপাতালের পাশাপাশি রাজধানীর শনির আখরার লাইফ হাসপাতালের নামও উঠে আসে। অনুমোদন ছাড়াই চলছে এর ডায়গনস্টিক সেন্টার।

এ বিষয় জানতে চাইলে সে সময় প্রতিবেদকের ওপর ক্ষুব্ধ হন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। পরবর্তীতে সংবাদ প্রকাশ করার পর এই হুমকি দেওয়া হয়।

;

রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন স্বতন্ত্র জাতিসত্তার উপাদান: আ জ ম নাছির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন আমাদের স্বতন্ত্র জাতিসত্তা এবং জাতি গঠনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় উপাদান বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দিন। 

শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সৃজনশীল প্রকাশনা পরিষদ ও নাগরিক সমাজের সহযোগিতায় অমর একুশে বই মেলা মঞ্চে লেখক সম্মিলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাছির বলেন, বই মানুষকে সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখে। জ্ঞানের দুয়ার খুলে গেলে অপশক্তির কপাট বন্ধ হয়ে যায়। নতুন পাঠক সৃষ্টি করতে নতুন বইয়ের বিকল্প নেই। বই কেনা ও পাঠের অভ্যাস গঠনে পারস্পরিক ভাব বিনিময়ের সুযোগ করে দেয় বই মেলা। একুশের বই মেলা নবীন-প্রবীণদের সংযোগ রচনায় প্রকৃতই এক মিলনতীর্থ।

'লেখকদেরকে বয়স দিয়ে নয়, মূল্যায়ন করতে হবে তাঁর সৃষ্টি কর্ম দিয়ে। বাংলাদেশের বিদ্যমান সংকট থেকে মুক্তির জন্য ও সুন্দর আগামীর লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক বিকাশ অপরিহার্য। মানবিক বিকাশের মাধ্যমে সমাজ ও রাজনীতি থেকে হিংসার অবসান ঘটাতে হবে।'

তিনি বলেন, সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিজেদের স্মার্ট নাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রধান আলোচক কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক বলেন, বই মেলা জ্ঞানের মেলা, আলোর মেলা। অমর একুশে বই মেলা আমাদের মেধা বিকাশের ক্ষেত্রে রাখছে অনন্য ভূমিকা। বই হচ্ছে মানুষের সত্যিকার বন্ধু। যা মানুষের বুকের ভিতর সযত্নে লালন করা সপ্নের বাস্তব রূপ দিতে পারে।

'লেখক, কবি, সাহিত্যিকদের আকাশের মতো উদার, সমুদ্রের মতো গভীর ও মানবিক হতে হবে। জঙ্গি সন্ত্রাসীদের গোলাবারুদের চেয়ে লেখকদের কলম বেশি ধারালো, তাই প্রত্যেক কবি সাহিত্যিককে সেই ধারালো কলমের যথাযথ ব্যবহার করতে হবে।'

তিনি একুশের চেতনায় নতুন প্রজন্মকে শিল্পীত জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

লেখক সম্মিলনে কবি ও প্রাবন্ধিক অভিক ওসমানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বই মেলা কমিটির আহবায়ক কাউন্সিলর ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত ডিআইজি জয়নুল টিটু। আলোচনা সভা শেষে অঁলা ব্যান্ড সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।

;

দেশে প্রতিবছর তামাকে প্রাণ হারাচ্ছে ১ লাখ ৬১ হাজার জন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন। বর্তমানে প্রায় পৌনে ৪ কোটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করে। কর্মক্ষেত্রসহ পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয় ৩ কোটি ৮৪ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের হল রুমে আয়োজিত ‘তামাক নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকদের ভূমিকা: পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, তামাকজাত দ্রব্যের বহুল ব্যবহার হৃদ্‌রোগ, ক্যানসার, বক্ষব্যাধি এবং অন্যান্য অনেক প্রতিরোধযোগ্য রোগ এবং মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। তামাকের এসব ক্ষতি থেকে জনস্বাস্থ্যকে রক্ষার জন্য দ্রুত বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করতে হবে। তা না হলে তামাকজনিত এই অকাল মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) কেন্দ্রীয় কমিটির দফতর সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মোহা. শেখ শহীদ উল্লাহ বলেন, তামাকের ভয়াবহতা থেকে জনস্বাস্থ্যকে রক্ষা করার লক্ষ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বিএমএ। তামাকমুক্ত বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের একযোগে কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারেন। তারা রোগীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি ও তামাক ব্যবহার ছেড়ে দিতে উৎসাহিত করতে পারেন। তাহলে তামাক ব্যবহারে জনসাধারণ নিরুৎসাহিত হবে।

ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডসের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালক ড. মাহিন মালিক বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের নীতি নির্ধারণে যেভাবে প্রভাব ফেলছে তা অতুলনীয়।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. আব্দুল আউয়াল রিজভী জানান, তামাক দেহের প্রত্যেক অঙ্গ-প্রতঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। যেটা আমরা চিকিৎসক হিসেবে এবং আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে গিয়ে ব্যাপকভাবে বুঝতে পারছি। দেশের তরুণ চিকিৎসকদের নিয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার (অব.) অধ্যাপক ডা. ইউনুছুর রহমান প্রমুখ।

;