‘বাজেরিগার’ পাখির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘খাঁচার পাখি’ নামে পরিচিত বাজেরিগার পাখির প্রদর্শনী অনুষ্ঠান ‘১০ম বাজেরিগার এক্সিবিশন-২০২৩’। বর্তমান প্রজন্মকে বন্য পাখি পালনে নিরুৎসাহিত করে খাঁচার পাখি পালনে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে বাজেরিগার সোসাইটি অফ বাংলাদেশ।
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের চিল্ড্রেন্স পার্কে প্রদর্শনীটির আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্য ও পোষা প্রাণী প্রজনন এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. আ ন ম আমিনুর রহমান। দিনব্যাপী চলা এই প্রদর্শনী সকাল ৮ টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল।
সারাদেশ থেকে পাখি-প্রেমীরা বিভিন্ন প্রজাতির বাজেরিগার পাখি নিয়ে এসেছেন। প্রদর্শনীতে আগত দর্শনার্থীদের মধ্যে অনেকেই জানতেন না পৃথিবীতে এতো প্রজাতির বাজেরিগার পাখি আছে। পরিবারের সাথে আসা ছোট ছোট শিশুরাও অনেক বেশি উচ্ছ্বসিত বাজেরিগার পাখি দেখে।

ছবি: বাজেরিগার পাখি 

দর্শনার্থী, বিশেষ করে শিশুদের এমন উচ্ছ্বাস দেখে অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ড: আ ন ম আমিনুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, ‘শিশুদের হাতে মোবাইল ফোন তুলে না দিয়ে তাদের এক জোড়া খাঁচার পাখি কিনে দিন। এক জোড়া পাখি যদি শিশুর খেলার সাথি হয় তাহলে তার সুস্থ ও স্বাভাবিক মানসিক বিকাশ নিশ্চিত হবে’।

পাখি পুষলে রক্তচাপ কমে, মানসিক অবসাদ দূর হয়, ক্লান্তি দূর হয় এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায় বলে উল্লেখ করে তিনি সকলকে খাঁচার পাখি পোষার আহ্বান জানান এবং বন্য পাখি-পালন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। 
পোষা-পাখি পালনে দীর্ঘদিন ধরে শিশু, কিশোর ও তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করছে বাজেরিগার সোসাইটি অব বাংলাদেশ। সংগঠনটির প্রশংসা করে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক আবাসিক চিকিৎসক ও সার্জন ডাক্তার এম. এ মান্নান বলেন, ‘আমরা আশা করি এই উদ্যোগের মাধ্যমে একসময় এদেশের ঘরে ঘরে পোষা পাখি শিল্প গড়ে উঠবে এবং তরুণ সমাজ মাদকমুক্ত থাকবে।’
বাজেরিগার সোসাইটি অফ বাংলাদেশ এর সভাপতি জনাব রাহাত সুজন এবং সাধারণ সম্পাদক জনাব সুলতান বাবু জানায়, বন্য পাখি পালনের হার শূন্যের কোঠায় নিয়ে এসে খাঁচার পাখির ব্রিডিং বাড়িয়ে বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং তরুণদের বেকারত্ব দূর করে আত্মনির্ভরশীল করে তোলাই তাদের সংগঠনের লক্ষ্য।

উল্লেখ্য, ২০০৯  সাল থেকে সংগঠনটি বন্য পাখি পালনকে নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি বন ও বন্য পাখিকে রক্ষা, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য খাঁচার পাখি বাজেরিগার পালনে শিশুকিশোর ও তরুণদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

   

ওয়ারিতে রেস্তোরায় পুলিশের অভিযান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশের ওয়ারী বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন আবাসিক ভবনে থাকা রেস্তোরার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। সোমবার (৪ মার্চ) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে এই অভিযান শুরু হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ওয়ারি বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ইকবাল হোসাইন।

তিনি জানান, অবহেলা, বেপরোয়া, তাচ্ছিল্যপূর্ণ বিপদজনকভাবে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে যারা আবাসিক ভবনে রেস্টুরেন্ট করেছেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।

তিনি জানান, অভিযানের শুরুতে তারা র‌্যাংকিং স্ট্রিটের 'আই লাভ মেজ্জান' রেস্টুরেন্ট পরিদর্শন করেন। সেখানে রেস্টুরেন্টের কিচেনের পাশে এক্সিট পথ থাকলেও সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে এবং সেই পথে বিভিন্ন মালামাল রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা হয়েছে রেস্টুরেন্টটিতে।

উল্লেখ, রাজধানীর বেইলি রোডে রেস্টুরেন্ট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৬ জনের প্রাণহানির পরে নড়চড়ে বসে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর। তারই ধারাবাহিকতায় গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, রাজউক ও ঢাকা মহানগর পুলিশের একাধিক টিম।

;

রাজধানী জুড়ে রেস্তোরাঁয় নজর রাখা হচ্ছে: ডিবি হারুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মহানর গোয়েন্দা পুলিশর (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, ‘একটা ঘটনা ঘটার পরে আমরা শোক করি, জ্ঞান দেই। কিন্তু দায়িত্বরত সকল সংস্থা নিজেদের কাজ করলে বেইলি রোডসহ অতীতে আগুনে যে সকল প্রাণহানি ঘটেছে সেগুলো দেখতে হতো না। তাই এবার ডিএমপির থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ রাজধানীর বিভিন্ন রেস্তোরায় নজর রাখছে যথাযথ অগ্নি নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা ঘটলে জরুরি বের হওয়ার রাস্তা আছে কি না।’

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

বেইল রোডের ঘটনা উল্লেখ করে অতিরিক্ত কমিশনার হারুন বলেন, ‘বেইল রোডের গ্রিণ কোজি কটেজে আগুনের ঘটনায় আমাদের একজন পুলিশ কর্মকর্তার মেয়ে যিনি বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন, সে সহ ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। এই এক আগুনে কত মায়ের কোল খালি হয়েছে! আসলে যার সন্তান মারা যায় সে শোক বোঝে। আসলে আমরা মারা যাওয়ার পরে শোক করি, কান্না করি, জ্ঞান দেই। আমাদের প্রতিটি সংস্থার যে দায়িত্ব আছে সেগুলো আমরা যদি পালন করতাম তাহলে আমার মনে হয় এমন ঘটনা আর ঘটতো না। তাই এখন আমরা প্রতিটি রেস্তোরায় খোঁজ খবর নিচ্ছি। ঢাকা শহরে এমন কোনো রেস্তোরাঁ আছে কি না যেগুলোতে অগ্নি নিরাপত্তা মানা হচ্ছে না; দ্রুত বের হওয়ার রাস্তা আছে কি না; বাতাল চলাচলের রাস্তা আছে কি না আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি। কোনো অনিয়ম পেলে আমরা যথাযথ কতৃপক্ষকে অবহিত করবো।’   

হারুন বলেন, ‘এমন দুর্ঘটনার পেছনে তো গাফিলতি থাকেই। তবে কোনো ঘটনা ঘটার পরে আমরা সেটা (গাফিলতি) খুঁজি। নিয়মকানুন না মেনে যত্রতত্রভাবে ভবন বানানো হচ্ছে। এই সকল ভবনের খোঁজ খবর যদি আগে থেকে নিয়ে রাখা হতো তাহলে এমন ঘটনা ঘটতো না। বঙ্গবাজার, নীমতলি, বনানীর এফ আর টাওয়ারে মতো এমন ঘটনা বারবার ঘটতো না।’

কাচ্চি ভাই রেস্তোরার বিষয়ে ডিবি প্রধান বলেন, বেইল রোডে  এই ভবনে এতোগুলো রেস্তোরা চালানোর অনুমোদন ছিলো কি না। যে দোকনটিতে ২০ জন মানুষ বসার সুযোগ নেই অথচ সেখানে ৫০ জনকে ২০৫ ছাড় দিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে। এখানে কোনো দূর্ঘটনা ঘটলে মানুষগুলো কি ভাবে বের হবে। সিঁড়িতে রাখা হতো গ্যাস সিলিন্ডার রাখা ছিলো। এই সকল রেস্তোরার অনুমোদন ছিলো কি না, ফায়ার সার্ভিস ঠিক মতো তদারকি করেছে কি না আমার জানা নেই। আর রুমগুলো এমন ভাবে সাজিয়েছে যে বাতাস যাওয়ার সুযোগ ছিলো না। বাতাস চলাচলের রাস্তা থাকলে এতো প্রাণহানি হয়তো হতো না। এমন কি দুর্ঘটনা ঘটলে ছাদে গিয়ে মানুষ বাঁচবে সেখানেও যাওয়ার রাস্তা নেই রেস্তোরা বানিয়ে রেখেছে। এমন ভবন তো ঢাকা শহরে আরও আছে। এসব দেখার জন্য ঢাকা শহরে আরও অনেক সংস্থা আছে। ভবন ম্যানেজার আছেন। তারা কি খোঁজ খবর রাখছেন সেটাও আমরা জানি না। 

;

বগুড়ায় মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এলো ৩ গ্রেনেড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ব গুড়া
বগুড়ায় মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এলো ৩ গ্রেনেড

বগুড়ায় মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এলো ৩ গ্রেনেড

  • Font increase
  • Font Decrease

বাড়ির সংস্কার কাজ করার সময় মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এসেছে মুক্তিযুদ্ধকালের তিনটি গ্রেনেড। তবে সেগুলো অবিস্ফোরিত৷

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উদ্ধার করা গ্রেনেডগুলো পানিতে ভিজিয়ে নিরাপদ দূরত্বে রাখা হয়েছে।

বগুড়া শহরের স্টাফ কোয়ার্টার সংলগ্ন জিলাদারপাড়া এলাকার একটি বাড়ির আঙিনা থেকে গ্রেনেডগুলো উদ্ধার করে পুলিশ।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘটনাস্থলে আর্মিদের ক্যাম্প ছিল বলে দাবি করেছেন ওই বাড়ির মালিক। গ্রেনেডগুলো মুক্তিযুদ্ধকালের বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাড়ির মালিক মোস্তাফিজুর রহমান স্বাধীন জানান, কয়েকদিন ধরে তার বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে। বাড়ির পাশে কিছু মাটি নেওয়ার জন্য মাটি খুঁড়তেই একসঙ্গে তিনটা গ্রেনেড পাওয়া যায়। পরে তাৎক্ষণিক পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে উদ্ধার করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় সেখানে আর্মিদের ক্যাম্প ছিল। এ গ্রেনেডগুলো সেই সময়কার।

বগুড়া সদর থানার ওসি সাইহান ওলিউল্লাহ জানান, তিনটি গ্রেনেড সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে। দেখে মনে হচ্ছে এগুলো অনেক পুরাতন। ঢাকায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে এগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে।

;

নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষক নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীর ডিমলায় সড়ক দুর্ঘটনায় জামিনুর রহমান (৪০) নামে এক স্কুল শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মিস্টার নামে এক পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে ইসলামি ডিগ্রি কলেজের পূর্ব দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জামিনুর রহমান ওই এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় পচারহাট উচ্চ বিদ্যালের শিক্ষক এবং আহত পুলিশ সদস্য পচারহাট এলাকার আলীর ছেলে মিস্টার।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষক ও পুলিশ সদস্য মামলার হাজিরার জন্য মোটরসাইকেল যোগে লালমনিরহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভ্যানের সাথে ধাক্কায় দুজনে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পরে যায়৷ পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক জামিনুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন এবং মিস্টার নামে পুলিশ সদস্যকে জরুরি চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ বিষয়ে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবাশীষ রায় জানায়, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মৃত ব্যক্তির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

;