‘প্রধানমন্ত্রীর সঠিক নেতৃত্বে আজকে আমরা অনেক স্বস্তিতে আছি’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, চাঁদপুর
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘সারা বিশ্বের অর্থনৈতিক এ চাপের মধ্যে অন্যান্য দেশ, এমনকি অনেক ধনী দেশের তুলনায় আমরা অনেক স্বস্তিতে আছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক নেতৃত্বে আজকে আমরা অনেক স্বস্তিতে আছি।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) চাঁদপুর আউটার স্টেডিয়ামে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আমরা অর্থনৈতিকভাবে অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছি। আগামীতে আমাদের অনেক স্বপ্ন ও সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এখন যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা চলছে অর্থাৎ সারা বিশ্ব এখন যে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে যাচ্ছে, সেটি আমাদের মধ্যেও পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য তরুণদের উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০২১ সালে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ। এখন তিনি ঘোষণা দিয়েছেন ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ। আর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কারিগর আজকের তরুণ প্রজন্ম।

এ সময় চাঁদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ওসমান গণি পাটওয়ারী, জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ডাঃ জে আর ওয়াদুদ টিপু, পৌর মেয়র মো. জিল্লুর রহমান, মেলার স্টিয়ারিং কমিটির সেক্রেটারী মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহফুজুর রহমান টুটুল, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপিকা মাসুদা নুর খান, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি এএইচএম আহসান উল্লাহসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

   

রাজধানী জুড়ে রেস্তোরাঁয় নজর রাখা হচ্ছে: ডিবি হারুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মহানর গোয়েন্দা পুলিশর (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, ‘একটা ঘটনা ঘটার পরে আমরা শোক করি, জ্ঞান দেই। কিন্তু দায়িত্বরত সকল সংস্থা নিজেদের কাজ করলে বেইলি রোডসহ অতীতে আগুনে যে সকল প্রাণহানি ঘটেছে সেগুলো দেখতে হতো না। তাই এবার ডিএমপির থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ রাজধানীর বিভিন্ন রেস্তোরায় নজর রাখছে যথাযথ অগ্নি নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা ঘটলে জরুরি বের হওয়ার রাস্তা আছে কি না।’

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

বেইল রোডের ঘটনা উল্লেখ করে অতিরিক্ত কমিশনার হারুন বলেন, ‘বেইল রোডের গ্রিণ কোজি কটেজে আগুনের ঘটনায় আমাদের একজন পুলিশ কর্মকর্তার মেয়ে যিনি বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন, সে সহ ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। এই এক আগুনে কত মায়ের কোল খালি হয়েছে! আসলে যার সন্তান মারা যায় সে শোক বোঝে। আসলে আমরা মারা যাওয়ার পরে শোক করি, কান্না করি, জ্ঞান দেই। আমাদের প্রতিটি সংস্থার যে দায়িত্ব আছে সেগুলো আমরা যদি পালন করতাম তাহলে আমার মনে হয় এমন ঘটনা আর ঘটতো না। তাই এখন আমরা প্রতিটি রেস্তোরায় খোঁজ খবর নিচ্ছি। ঢাকা শহরে এমন কোনো রেস্তোরাঁ আছে কি না যেগুলোতে অগ্নি নিরাপত্তা মানা হচ্ছে না; দ্রুত বের হওয়ার রাস্তা আছে কি না; বাতাল চলাচলের রাস্তা আছে কি না আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি। কোনো অনিয়ম পেলে আমরা যথাযথ কতৃপক্ষকে অবহিত করবো।’   

হারুন বলেন, ‘এমন দুর্ঘটনার পেছনে তো গাফিলতি থাকেই। তবে কোনো ঘটনা ঘটার পরে আমরা সেটা (গাফিলতি) খুঁজি। নিয়মকানুন না মেনে যত্রতত্রভাবে ভবন বানানো হচ্ছে। এই সকল ভবনের খোঁজ খবর যদি আগে থেকে নিয়ে রাখা হতো তাহলে এমন ঘটনা ঘটতো না। বঙ্গবাজার, নীমতলি, বনানীর এফ আর টাওয়ারে মতো এমন ঘটনা বারবার ঘটতো না।’

কাচ্চি ভাই রেস্তোরার বিষয়ে ডিবি প্রধান বলেন, বেইল রোডে  এই ভবনে এতোগুলো রেস্তোরা চালানোর অনুমোদন ছিলো কি না। যে দোকনটিতে ২০ জন মানুষ বসার সুযোগ নেই অথচ সেখানে ৫০ জনকে ২০৫ ছাড় দিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে। এখানে কোনো দূর্ঘটনা ঘটলে মানুষগুলো কি ভাবে বের হবে। সিঁড়িতে রাখা হতো গ্যাস সিলিন্ডার রাখা ছিলো। এই সকল রেস্তোরার অনুমোদন ছিলো কি না, ফায়ার সার্ভিস ঠিক মতো তদারকি করেছে কি না আমার জানা নেই। আর রুমগুলো এমন ভাবে সাজিয়েছে যে বাতাস যাওয়ার সুযোগ ছিলো না। বাতাস চলাচলের রাস্তা থাকলে এতো প্রাণহানি হয়তো হতো না। এমন কি দুর্ঘটনা ঘটলে ছাদে গিয়ে মানুষ বাঁচবে সেখানেও যাওয়ার রাস্তা নেই রেস্তোরা বানিয়ে রেখেছে। এমন ভবন তো ঢাকা শহরে আরও আছে। এসব দেখার জন্য ঢাকা শহরে আরও অনেক সংস্থা আছে। ভবন ম্যানেজার আছেন। তারা কি খোঁজ খবর রাখছেন সেটাও আমরা জানি না। 

;

বগুড়ায় মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এলো ৩ গ্রেনেড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ব গুড়া
বগুড়ায় মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এলো ৩ গ্রেনেড

বগুড়ায় মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এলো ৩ গ্রেনেড

  • Font increase
  • Font Decrease

বাড়ির সংস্কার কাজ করার সময় মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এসেছে মুক্তিযুদ্ধকালের তিনটি গ্রেনেড। তবে সেগুলো অবিস্ফোরিত৷

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উদ্ধার করা গ্রেনেডগুলো পানিতে ভিজিয়ে নিরাপদ দূরত্বে রাখা হয়েছে।

বগুড়া শহরের স্টাফ কোয়ার্টার সংলগ্ন জিলাদারপাড়া এলাকার একটি বাড়ির আঙিনা থেকে গ্রেনেডগুলো উদ্ধার করে পুলিশ।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘটনাস্থলে আর্মিদের ক্যাম্প ছিল বলে দাবি করেছেন ওই বাড়ির মালিক। গ্রেনেডগুলো মুক্তিযুদ্ধকালের বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাড়ির মালিক মোস্তাফিজুর রহমান স্বাধীন জানান, কয়েকদিন ধরে তার বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে। বাড়ির পাশে কিছু মাটি নেওয়ার জন্য মাটি খুঁড়তেই একসঙ্গে তিনটা গ্রেনেড পাওয়া যায়। পরে তাৎক্ষণিক পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে উদ্ধার করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় সেখানে আর্মিদের ক্যাম্প ছিল। এ গ্রেনেডগুলো সেই সময়কার।

বগুড়া সদর থানার ওসি সাইহান ওলিউল্লাহ জানান, তিনটি গ্রেনেড সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে। দেখে মনে হচ্ছে এগুলো অনেক পুরাতন। ঢাকায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে এগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে।

;

নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষক নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীর ডিমলায় সড়ক দুর্ঘটনায় জামিনুর রহমান (৪০) নামে এক স্কুল শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মিস্টার নামে এক পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে ইসলামি ডিগ্রি কলেজের পূর্ব দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জামিনুর রহমান ওই এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় পচারহাট উচ্চ বিদ্যালের শিক্ষক এবং আহত পুলিশ সদস্য পচারহাট এলাকার আলীর ছেলে মিস্টার।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষক ও পুলিশ সদস্য মামলার হাজিরার জন্য মোটরসাইকেল যোগে লালমনিরহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভ্যানের সাথে ধাক্কায় দুজনে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পরে যায়৷ পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক জামিনুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন এবং মিস্টার নামে পুলিশ সদস্যকে জরুরি চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ বিষয়ে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবাশীষ রায় জানায়, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মৃত ব্যক্তির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

;

রোজায় সাশ্রয়ী মূল্যে চাল পাবে ৫০ লাখ পরিবার: খাদ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫০ লাখ পরিবারকে দেড় লাখ টন চাল সাশ্রয়ী মূল্যে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

সোমবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই তথ্য জানান।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ১ মার্চ থেকেই লিফটিং (ডিলারদের চাল উঠাতে) করতে বলেছি। ১ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত আমাদের একটি সিদ্ধান্ত ছিল। সেটা কমিয়ে ১০ মার্চের মধ্যে ৫০ লাখ পরিবারকে দেড় লাখ টন খাদ্য দেওয়া হবে।

এতে বাজারে স্বস্তি ফিরবে কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেড় লাখ টন চাল যদি ১৫ টাকা কেজি দরে দেওয়া হয়, তাহলে ৫০ লাখ পরিবারকে তো আর বাজার থেকে চাল কিনতে হবে না। এতে চালের বাজার আরও স্থিতিশীল হবে।

২০ ফেব্রুয়ারি থেকে বস্তায় চালের দাম ও জাত লেখা থাকার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে কি না, জানতে চাইলে সাধন চন্দ্র বলেন, আমরা ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরিপত্র জারি করব বলেছিলাম, আর কার্যকর করব ১৪ এপ্রিল বা ১ বৈশাখ থেকে। তখন বাজারে বোরোর নতুন চাল আসবে। যেসব চাল এখন বাজারে বস্তাবন্দি আছে এবং সিল মারা আছে, সেগুলো এখন আর কেউ প্যাকেট চেঞ্জ করবে না। কাজেই নতুন বছরে বোরো চাল উঠবে, তখন থেকে এটা কার্যকর হবে।

ডিসিদের কাছে হালনাগাদ তথ্য আছে কি না, জানতে চাইলে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ডিসি-মিল মালিকদের সঙ্গে মিটিং শুরু হয়েছে। ধান ও চালের জাতের যে নমুনা, সেটা তাদেরও সরবরাহ করা হচ্ছে। ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট সে জাতগুলো দিয়েছে, আউশ, আমন ও বোরোতে কোন কোন জাত, কোনটা মোটা, মাঝারি ও সরু সেই জাত দিয়েছে, সেটা নিয়ে তাদের সঙ্গে কাজ করছি।

এ ছাড়া মজুতবিরোধী অভিযান অনেকাংশেই সফল হয়েছে। বস্তার গায়ে জাতের নাম লেখা নিয়ে যে পরিবর্তন এসেছে, সেটা বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

;