মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে চট্টগ্রামে জামায়াতের মানববন্ধন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

অন্যায়ভাবে আটক সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে মুক্তি, দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ভোটাধিকারসহ মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামে মানববন্ধন করেছে জামায়াতে ইসলামী।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) সকালে নগরীর পাহাড়তলী, হালিশহর, চান্দগাঁও থানাসহ বিভিন্ন এলাকায় এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে দলটির চট্টগ্রাম মহানগর। এতে নগর, থানা ও ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে নেতারা বলেন, রাজধানীতে অনুষ্ঠিত শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচিতে পুলিশ আতর্কিত হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং অসংখ্য নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। আমরা এহেন হামলা ও গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানায়।

নেতারা আরও বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, আমরা যত দিন বেঁচে আছি কোনো স্বৈরাচারের শাসন আমরা মেনে নেবো না। স্বৈরাচার আওয়ামী সরকার নাটক সাজিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের জুডিশিয়াল কিলিংয়ের মাধ্যমে হত্যা করেছে। বর্তমানে অসংখ্য নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। গুম করে গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে। আওয়ামী লীগের এইসব ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জাতি ঐক্যবদ্ধ। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ঘটবেই।

তারা বলেন, দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নেই। অবৈধ তফসিল বাতিল করে পুনঃতফসিল ঘোষণা করতে হবে। এ তফসিল জনগণ মানে না, মানবে না। গ্রেফতার রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও আলেম - ওলামা-মাশায়েখদের মুক্তি দিতে হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ কেয়ারটেকারের অধীনে আয়োজন করে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। অন্যথায়, ঐক্যবদ্ধ জনগণ লজ্জাজনক বিদায় নিতে বাধ্য করবে।

   

টাঙ্গাইলে আগুনে পুড়ল ১১ ঘর 



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে আগুন লেগে ৬টি পরিবারের ১১টি ঘর পুড়ে গেছে। আগুনে পুড়ে মারা গেছে ৪টি গরু।

রোববার (৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টায় উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের দড়িসয়া গ্রামে আম্বিয়া খাতুনের বাড়িতে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে প্রায় আনুমানিক ৫ ০লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ঝাওয়াইল ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান তালুকদার।

তিনি আরও জানান, একই গ্রামের বাবলু মিয়ার ২টি ঘর, সেজনু মিয়ার ২টি ঘর ও ২টি গরু, মো. নাজমুলের ২টি ঘর, আম্বিয়া খাতুনের ১টি ঘর, তোফাজ্জল হোসেনের ৩টি ঘর ও ২টি গরু, শফিকুল ইসলামের ১টি ঘর এবং ঘরের ভিতরে থাকা সকল আসবাবপত্র, মালামাল এবং জরুরি কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

গোপালপুর ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাত ৮টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে প্রাথমিকভাবে এমন ধারণা করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নাজমুল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে থানা অফিসার ইনচার্জকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে।

;

চাঁদাবাজি বন্ধের নির্দেশ আইজিপির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মামলায় সাজার হার বাড়ানো ও সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা দিতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

রবিবার (৩ মার্চ) সকালে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৪-এর শেষ দিনের প্রথম অধিবেশনে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মেলনে আইজিপি এ নির্দেশনা দেন। তিনি বর্তমানে মামলার সাজার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ ছাড়া চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশের সব ইউনিটের সদস্যদের নিষ্ঠার সঙ্গে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

আইজিপি বলেন, ‘পুলিশ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ফলে পুলিশের কাছে জনগণের প্রত্যাশার মাত্রা বেড়েছে।’

জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জন-আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. কামরুল আহসান। স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ও এ সম্মেলন-সংক্রান্ত উপকমিটির সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম।

এ সময় র‍্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারকরণ, সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী পুলিশিং ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়।

;

বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: লাশের ডিএনএ পরীক্ষায় লাগতে পারে দীর্ঘ সময়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিনকজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে দুজনের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গের হিমাগারে রয়েছে। লাশের ময়নাতদন্ত শেষে সংগ্রহ করা হয়েছে ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড)। ডিএনএ পরীক্ষার ফল আসার পরই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে লাশ।

তবে এক্ষেত্রে লাগতে পারে দীর্ঘ সময়। এক থেকে ৬ মাসও লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে সহসাই স্বজনরা বুঝে পাচ্ছেন না লাশ দুটি।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ল্যাবে লাশের ডিএনএ পরীক্ষা হচ্ছে। ল্যাব সূত্র বলছে, আলামতের ওপর নির্ভর করে কত সময় লাগবে। তবে পোড়া লাশের ডিএনএ সময়সাপেক্ষ।

সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা মাত্র ডিএনএ পরীক্ষার কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। উনাদের (লাশের) রিলেটিভসের ডিএনএ স্যাম্পল নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কিছু জটিলতা আছে, এজন্য অনেক সময় লাগতে পারে।’

কেমন সময় লাগবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। আলামতের ওপর নির্ভর করে। ব্লাড থেকে আলামত নিলে সময় কম লাগে। তবে দাঁত ও হাড় থেকে সময় বেশি লাগে। আমাদের কাজের প্রচুর চাপ, সক্ষমতারও বিষয়ও আছে। সব মিলে ১ মাসও লাগতে পারে আবার ৬ মাসও লাগতে পারে।’

লাশ হস্তান্তরের দায়িত্বে থাকা ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট একেএম হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, ‘ডিএনএ পরীক্ষা শেষে অবশিষ্ট লাশ দুটি স্বজনদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে। টেকনিক্যাল বিষয় হওয়ায় এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কত সময় লাগবে তা বলা যাচ্ছে না।’

বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিনকজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় ৪৬ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে ৪৪ জনের লাশ হস্তান্তর করা হয়। অবশিষ্ট দুটি লাশের দাবিদার দুই পরিবার। যার একটি রাজধানীর রামপুরার বনশ্রীর বাসিন্দা আলহাজ নজরুল ইসলামের ছেলে নাজমুল হোসেনের বলে দাবি করেছে পরিবার। পরিবারটির দাবি অনুযায়ী ঘটনার সময় নাজমুলরা চার বন্ধু মিলে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে খেতে যান।

অন্য লাশটি হলো সাংবাদিক অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর। নাজমুল হোসেনের লাশ পুড়ে বিকৃত হলেও অভিশ্রুতির লাশ অক্ষত রয়েছে। অভিশ্রুতির বাবা দাবি করা সবুজ শেখ জানান, নিহতের নাম অভিশ্রুতি শাস্ত্রী নয়, বৃষ্টি খাতুন। তাদের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসার বনগ্রামে। তবে রমনা কালীমন্দির কর্তৃপক্ষ দাবি করে অভিশ্র“তি হিন্দু ধর্মাবলম্বী তার নাম অভিশ্রুতি শাস্ত্রী।

ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উৎপল বড়ুয়া বলেন, ‘ধর্মসংক্রান্ত জটিলতা দেখা দেওয়ায় ওই নারীর লাশের ডিএনএ পরীক্ষার পর আদালতের মাধ্যমে সঠিক দাবিদারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

রবিবার (৩ মার্চ) দুপুরে ঢামেক মর্গে গিয়ে কথা হয় এক মর্গ সহকারীর সঙ্গে। তিনি জানান, শনিবার লাশ দুটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পুলিশকে দিয়েছেন। পরে লাশ দুটি মর্গের কোল্ড স্টোরেজে রাখা হয়েছে।

;

যারা সিন্ডিকেট করে দ্রব্যমূল্য বাড়ায় তারা দেশদ্রোহী : নাছিম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি বলেছেন, ‘যারা মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি মুনাফা লাভ করে, তারা দেশবিরোধী ও দেশদ্রোহী।’

তিনি বলেন, ‘সব ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত নয়। যারা সিন্ডিকেট করে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে মানুষকে কষ্ট দেয়, তাদের বিপক্ষে আমরা সব সময় সোচ্চার। তাদের হাত থেকে বাংলাদেশের মানুষকে রক্ষা করা দরকার। যারা মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি মুনাফা করে তারা দেশবিরোধী ও দেশদ্রোহী।’

নাছিম রবিবার (৩ মার্চ) মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শহীদ ফারুক ইকবালের ৫৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মৌচাক চৌরাস্তা মোড়ে স্থাপিত শহীদ ফারুক ইকবাল স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকার আন্তরিকভাবে দ্রব্যমূল্য কমানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আন্তরিকতার কোনও অভাব নেই। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে সারাবিশ্বে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় জিনিসপত্রের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ কষ্টে আছে এটি আমরা স্বীকার করে নিয়েই দ্রব্যমূল্য কমানোর চেষ্টা করছি। যারা মানুষের দুঃখ কষ্টকে নিয়ে রাজনীতি করে মানুষকে বিপদগামী করতে চায় তাদের হাত থেকেও দেশের মানুষ মুক্তি পেতে চায়।’

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে নাছিম বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ফৌজদারি অপরাধ করায় পুলিশ দেখলে ভয় পায়। এটা খুব স্বাভাবিক বিষয়। এদের নেতারা আবার বড় বড় কথা বলে। তারা বলে পুলিশ ছাড়া আসলে নাকি তারা আওয়ামী লীগকে দেখিয়ে দিবে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি পুলিশকে ভয় পায় বলে বারবার পুলিশের উপর দোষ চাপায়। যারা অপরাধী তারাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে।’

;