ছোট্ট ওমরকে এমনভাবে মারতে পারলেন?



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
ছোট্ট ওমরকে এমনভাবে মারতে পারলেন?

ছোট্ট ওমরকে এমনভাবে মারতে পারলেন?

  • Font increase
  • Font Decrease

দুই বছরের ওমর ফারুক। গোলগাল মিষ্টি চেহেরা। দেখলেই আদর করতে ইচ্ছে করবে যে কারও। সেই একরত্তি বাচ্চাটাকেই দেয়ালে আছড়ে মেরে ফেললেন পাষণ্ড মো. ইয়ামিন। লোমহর্ষক এই ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড এলাকায়।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) সকালে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন নগর পুলিশের বন্দর জোনের উপকমিশনার শাকিলা সোলতানা।

এর আগে, শনিবার (৯ ডিসেম্বর) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ নগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী রোডের পকেট গেট এলাকা থেকে ইয়ামিনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ইয়ামিন শিশুটির মায়ের তৃতীয় স্বামী। আর নির্মম মৃত্যুর শিকার ফারুক ছিল তার মায়ের দ্বিতীয় স্বামীর সন্তান। তাই তার মাকে বিয়ে করলেও আগের সংসারের ছেলেকে সহ্য করতে পারতেন না ইয়ামিন। মায়ের অগোচরে শিশুটিকে সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে নির্যাতন করতেন ইয়ামিন। একপর্যায়ে তাকে দেয়ালে আছড়ে মেরেই ফেললেন।

ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হোসেন জানান, রওশনের ছেলেকে ইয়ামিন কোনোভাবেই সহ্য করতে পারতেন না। বিষয়টি আবার রওশন বুঝতে পারতেন না। তিনি যথারীতি ছেলেকে ইয়ামিনের কাছে রেখে কারখানায় কাজে চলে যেতেন। ৬ ডিসেম্বর রওশন কাজে যাওয়ার পর ইয়ামিন শিশুটির গায়ে সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়েছিলেন। সেটি বুঝতে পারেননি রওশন। পরদিন ইয়ামিন শিশুটিকে ধাক্কা দিলে দেয়ালের সঙ্গে লেগে মাথার পেছনে গুরুতর আঘাত পায়।

ওইদিন বিকেলে রওশন আরা বাসায় ফিরে সন্তানকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত ইয়ামিনকে সঙ্গে নিয়ে শিশুটিকে প্রথমে মা ও শিশু হাসপাতালে এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। শিশুটির অবস্থার অবনতি হতে থাকলে তার আইসিইউ সাপোর্টের প্রয়োজন হয়। চমেক হাসপাতালে আইসিইউ বেড খালি না থাকায় ওমর ফারুককে বেসরকারি হলি হেলথ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মারা যায় ফারুক।

ওসি বলেন, শনিবার সকালে মৃত ওমর ফারুককে হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ইয়ামিন তার দাফনের ব্যবস্থা করছিলেন। তখন রওশন আরা চিৎকার করে কান্না শুরু করেন এবং ছেলের মৃত্যুর জন্য ইয়ামিনকে দায়ী করতে থাকেন। তখন প্রতিবেশীরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ইয়ামিনকে আটক করে।

এ ঘটনায় রওশন আরা ইপিজেড থানায় ইয়ামিনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। গ্রেফতার মো. ইয়ামিনের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়। ইয়ামিন রঙ মিস্ত্রির কাজ করেন।

মৃত্যুর পর ছোট্ট ওমরের কয়েকটা ছবি তুলেছেন স্থানীয়রা। মুখে যেন তখনো লেগে আছে হাসি। নীরব-নিথর শরীরের এখানে ওখানে ছোপ ছোপ কালো দাগ। এই দাগ সিগারেটের ছ্যাঁকের!

   

সিরাজগঞ্জে মেডিকেল কলেজ শিক্ষকের গুলিতে শিক্ষার্থী আহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে আরাফাত আমিন তমাল নামের এক শিক্ষার্থীকে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিচার চেয়ে মেডিকেলের সকল শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য আইনশৃক্ষা বাহিনী কাজ করছে।

সোমবার (৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন আইটেম ক্লাস চলাকালীন সময়ে এ ঘটনা ঘটে।

কলেজের শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, ডা. রায়হান শরিফ বিভিন্ন সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের কুপ্রস্তাব ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসতেন। এ বিষয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এমনিক ডা. রায়হান শরিফ কমিউনিটি মেডিসিনের শিক্ষক হওয়া স্বত্তেও তার নিজস্ব ক্ষমতা দেখিয়ে ফরেনসিক বিভাগে তিনি ক্লাস নিয়ে থাকেন। ক্লাস চলাকালীন সময় ছাড়াও প্রায় সময়ই তিনি পিস্তল নিয়ে চলাফেরা করতেন।

আজ বিকেলে ক্লাস চলাকালীন সময়ে দেশিয় পিস্তল দিয়ে হঠাৎ করে ক্লাসের সময় শিক্ষক ৮ম ব্যাচের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ৩য় বর্ষের ছাত্র আরাফাত আমিন তমালকে গুলি করে। তার চিৎকারের সবাই এগিয়ে আসলে ডা. রায়হান শরিফকে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। আহত অবস্থায় তমালকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে ওই শিক্ষকের বিচার চেয়ে মেডিকেলের ছাত্র-ছাত্রীরা আন্দোলন করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আজ ভাইভা চলাকালীন ৪৫ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে শিক্ষক রায়হান শরিফ তমালের ডান পেয়ে গুলি করেন। ওই শিক্ষকের শাস্তি দাবিতে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দেয়। পরে তমালকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলহাজ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ওই শিক্ষক প্রতিদিন ক্লাসে পিস্তল নিয়ে আসতেন। আজ বিকেল ৫টার দিকে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষক রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে গুলি ছোড়ে। এ সময় গুলিতে আহত হন শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন। এ ঘটনার পর ওই শিক্ষককে হেফাজতে নেয়া হয়েছেন।

;

শত বছরের পুরনো ঐতিহ্য নওগাঁর প্যারা সন্দেশ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নওগাঁ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিচিত্র খাবারের মধ্যে নওগাঁর প্যারা সন্দেশ বেশ সুপরিচিত। নওগাঁয় গেছেন আর এই সন্দেশের স্বাদ নেননি, এমন মানুষ খুব কম আছে। এই জেলায় যারা বেড়াতে আসেন তারা এই সন্দেশের স্বাদ নিতে ভোলেন না।

পুরোনো ঐতিহ্যেকে ধরে রেখে সামান্য মুনাফায় প্রায় শত বছর ধরে ভোজন প্রেমিদের চাহিদা মেটাচ্ছে নওগাঁর প্যারা সন্দেশ। স্বাদে-মানে অনন্য এই প্যারা সন্দেশের সাথে মিশে আছে শত বছরের পুরনো ইতিহাস। প্রথম দিকে শুধু পূজা মণ্ডপের দেব-দেবীর উপাসনার জন্যই এই সন্দেশ তৈরি করা হতো। পরবর্তীত সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুনের কারণে সন্দেশটি এখন বিখ্যাত মিষ্টান্ন হিসেবে পরিচিত।

বহু বছর আগে নওগাঁ শহরের কালীতলা এলাকায় বুড়াকালীমাতা মন্দিরের পাশে একটি মিষ্টির দোকান ছিল। সেই দোকানে ভোগের মিষ্টি বা দেবতার জন্য উৎসর্গ করা খাবার তৈরি করে বিভিন্ন মন্দিরে বিক্রি করতেন। মিষ্টি তৈরির কারিগর ছিলেন মহেন্দ্রী দাস নামের এক ব্যক্তি। ভারতের বিহার এলাকায় কোনো এক নবাবের মিষ্টি তৈরির কারিগর ছিলেন তিনি। নবাবের মৃত্যুর পর তিনি নওগাঁ শহরের কালীতলা এলাকায় বসবাস শুরু করেন। তিনিই প্রথম প্যারা সন্দেশের প্রচলন করেন।

মহেন্দ্রীর মৃত্যুর পর ছেলে ধীরেন্দ্রনাথ দাস দোকানে দায়িত্বে আসার পর মিষ্টি তৈরির কারিগর বিমল মোহন্তের দক্ষতা ও হাতের স্পর্শে প্যারা সন্দেশের সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। মালিকানা ও কারিগর পরিবর্তন হলেও সন্দেশ তৈরির প্রক্রিয়া ও স্বাদ রয়ে গেছে শত বছর আগের মতই। শুধু জেলায় নয়, জেলার বাইরেও এর সুনাম রয়েছে। দেশের গন্ডি পেরিয়ে ভারত, মালয়েশিয়া, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে এই সন্দেশ।

সন্দেশ তৈরির প্রধান উপকরন হলো দুধ ও চিনি। ছয় কেজি দুধের সঙ্গে এক কেজি চিনি মিশিয়ে তৈরি করা হয় এক কেজি প্যারা সন্দেশ। প্রতি কেজিতে ৬০ থেকে ৬৫ পিস হয়। যা বর্তমানে প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়।

কালিতলা এলাকার বাসিন্দা বিষ্ণু চৌধুরী বলেন, প্যারা সন্দেশ আমার কাছে সব থেকে ভালো মনে হয়েছে। এই সন্দেশের স্বাদও সঙ্গে অন্য কোনো সন্দেশের স্বাদের তুলনা হয় না।

হক মিষ্টান্ন ভান্ডারের ম্যানেজার নূর ইসলাম বলেন, আগে যে কারিগর ছিলেন, তিনি যারা মারা যাবার পর হাত বদল হতে হতে এখন আমরা সেই স্বাদ ধরে রেখে প্রথম স্থানে আছি। শুধু পূজা বা ঈদেই নয়, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেও নিয়ে যাওয়া হয় এই সন্দেশ।

নওগাঁ মিষ্টান্ন ভান্ডারের ম্যানেজার রিপন জানান,আমরা ৪২ বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী সন্দেশের ব্যবসা করে আসছি। পুরোনো স্বাদ ধরে রাখার জন্য চেষ্টা করি এবং আমাদের যে সকল কারিগর আছে তারা অনেক পুরোনো। তাদের নিরলস কাজের জন্য এই সন্দেশের স্বাদ এত বিখ্যাত। সবাই সন্দেশ তৈরি করতে পারে না।

;

রংপুর পলিটেকনিকে শিক্ষার্থীদের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১০



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে মাঠে মাদকদ্রব্য সেবনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। গুরুতর আহত ২ শিক্ষার্থীকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ভেতরের মাঠে এঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শাহজাহান কবীর ছাত্রাবাসের একদল শিক্ষার্থী মাদকসেবন করছিল। এতে কলেজের অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কলেজের শাহজাহান কবীর ছাত্রাবাসের ছাত্রদের বিকাল ৪টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাঠি, ব্যাট, স্ট্যাম্প দিয়ে তারা একে ওপরের উপরে চড়াও হয়। এ ঘটনায় মামুন মিয়া ও প্রতীক হাসান গুরুতর আহত হলে তাদের কলেজের অ্যাম্বুলেন্সে করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর মধ্যে মামুনের অবস্থা বেশি গুরুতর।

আহত শিক্ষার্থী প্রতীক হাসান ও কম্পিউটার বিভাগের সপ্তম সেমিস্টারের ফারুক মিয়া বলেন, কলেজ হোস্টেলের ছাত্ররা কলেজে বেপরোয়া আচরণ করে আসছে। তারা কলেজে অবাধে মাদকসেবন করে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করছে। আমরা তাদের বাধা দিলে গেলে তারা লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের মারধর করে।

রংপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, রোববার শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছিল। সোমবার উভয়পক্ষের সংঘর্ষে একজন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ছাত্রদের বিকাল ৪টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলেজের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

;

যুবলীগ নেতাকে মারধরের মামলায় উপজেলা চেয়ারম্যান কারাগারে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের ভালুকায় যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবিরকে মারধরের মামলায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৮ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক রওশন জাহান এ আদেশ দেন।

আদালত পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম বলেন, চার্জশিট দাখিলের দিন মামলার প্রধান আসামি আবুল কালাম আজাদ স্থায়ী জামিন আবেদন করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবির বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে একজন মুক্তিযোদ্ধার দেওয়া একটি পোস্ট শেয়ার দিয়েছিলাম। সেটিকে কেন্দ্র করে ২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সিডস্টোর বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উপজেলা চেয়ারম্যানের নির্দেশে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। ওই ঘটনায় আমার দায়ের করা মামলায় জামিন নিতে গেলে আদালত জামিন না মুঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন। আমি আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

;