বরিশালে আসামি ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে এএসআই ক্লোজড



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরিশাল
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মাদকসহ দুজনকে আটকের পর একজনকে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আবু সালেহকে ক্লোজ করা হয়েছে।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজওয়ান আহেমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, একটি অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে আর তদন্তের স্বার্থেই প্রশাসনিক কারণে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আবু সালেহকে আগৈলঝাড়া থানা থেকে ক্লোজ করে জেলা পুলিশ লাইন্স এ সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গৈলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম টিটু বলেন, মাদকসহ দুজনকে আটকের পরে একজনকে ছেড়ে দেওয়ার কথা শুনেছি। মাদক বহন ও সেবন একই অপরাধ। মাদকের বিরুদ্ধে কেউ সুপারিশ করলে তাকেও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

বরিশাল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরনদী সার্কেল) শারমিন সুলতানা রাখি জানান, এএসআই আবু সালেহ যদি মাদকসহ আটক করে কাউকে ছেড়ে দিয়ে থাকেন, তবে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই নিয়মানুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

   

সিলেটে হোটেল থেকে ১০ নারী-পুরুষ আটক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটের অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ ১০ নারী-পুরুষকে আটক করেছে সিলেট মহানগর ডিবি পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশিদ চত্বরের তিতাস আবাসিক হোটেল থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকদের মধ্যে ৭ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী রয়েছেন।

আটকের বিষয়টি শনিবার রাতে নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

এ ব্যাপারে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকায় ১০ নারী-পুরুষকে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

;

আশুলিয়ায় গণধর্ষণের শিকার পোশাক শ্রমিক: গ্রেফতার ৫



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সাভারের আশুলিয়ায় নারী পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ৫ আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব- ৪)। এ ঘটনায় পলাতক রয়েছে আরও ২ আসামি।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে গ্রেফতারকৃতদের আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করে র‍্যাব ৪। এর আগে শুক্রবার ( ২৩ ফেব্রুয়ারি) আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নারী। পরে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ৫ আসামিকে গ্রেফতার করে র‍্যাব ৪।

গ্রেফতারকৃতরা হল, মনিরুল ইসলাম ওরফে পাপ্পু (২৫), আহসান আহম্মেদ রায়হান (২২), রফিকুল মিয়া (২২), আরাবি হুসাইন শান্ত (১৯), মো. জুয়েল (২২)। পলাতক আসামিরা হল, সাগর ওরফে লিটন (২২) ও মো. তুহিন (২৩)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী নারী ও তার এক বান্ধবীকে নিশ্চিন্তপুর স্কুল মাঠে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায় সাগর ওরফে লিটন। সেখানে তাকে কুপ্রস্তাব দেয় পাপ্পু। পরে পাপ্পু ও রায়হান তাকে ধর্ষণ করে এবং বাকিরা সহায়তা করে। পরে রফিকুল মিয়া ধর্ষণের চেষ্টা করলে ভুক্তভোগীর ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এসে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে। পরে র‍্যাবের কাছে অভিযোগ দিলে অভিযান চালিয়ে ৫ আসামিকে গ্রেফতার করে র‍্যাব।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন্স) নির্মল কুমার দাস বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান আছে। অভিযুক্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। গ্রেফতারকৃতদের আগামীকাল আদালতে পাঠানো হবে।

 

;

বিদেশ থেকে স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করে স্বামী, ঘাতক গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ড, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের উত্তর পাট্টা গ্রামে গৃহবধূ রোজিনা আক্তার আরজিনা (৩০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত মোঃ শিহাব শেখ (৪৫) নামের এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পাংশা মডেল থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

শনিবার(২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা পুলিশ।

গ্রেফতার মোঃ শিহাব শেখ পাংশা উপজেলার বাজেয়াপ্ত বাগলী গ্রামের হেকমত আলী শেখের ছেলে। নিহত রোজিনা আক্তার ওরফে আরজিনা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের উত্তর পাট্টা গ্রামের দুবাই প্রবাসী লিটন শেখের স্ত্রী।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোজিনার স্বামী দুবাই প্রবাসী। রোজিনা তার ছেলে রাসেল (১২) ও রাকা (৬) কে নিয়ে পাংশার পাট্টায় তার স্বামীর বাড়িতে থাকতো। রোজিনা তার ছেলেকে গত ৮ই ফেব্রুয়ারি রাত ১০ টার দিকে তার স্বামীর বাড়িতে ঘুমিয়ে পড়ে এবং তার মেয়ে অন্য বাড়িতে দাদা-দাদির কাছে ছিলো।

অজ্ঞাতনামা আসামিরা গত ৮ই ফেব্রুয়ারি রাত ১০ টা থেকে ৯ই ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৬ টার মধ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে রোজিনাকে হত্যা করে পাট্টা এলাকার ওসমান মোল্লার বাঁশ বাগানে দক্ষিণপাশে আম বাগানে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রোজিনার বাবা আবজাল খাঁ বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

পরে জেলা পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখে তদন্ত শুরু করে এবং গত ২৪ ফেব্রুয়ারি হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত মোঃ শিহাব শেখকে গ্রেফতার করে।

জেলা পুলিশ আরও জানায়, রোজিনার সাথে তার দুবাই প্রবাসী স্বামী লিটন শেখের পারিবারিক কলহ ছিলো। এছাড়াও রোজিনার স্বামীর একাধিক পরকিয়া ছিলো। এ বিষয়টি রোজিনা জানার পর তাদের মধ্যে আরও ঝামেলা শুরু হয়। মাঝেমধ্যেই লিটন শেখ তার স্ত্রী রোজিনাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। এ কারণে রোজিনা তার ছেলে ও মেয়েকে বাবা বাড়িতেও চলে গিয়েছিল। পরে রোজিনা তার স্বামীর বাড়িতে আবার ফিরে আসে। এরপর লিটন শেখ দুবাই চলে যায়। সে দুবাইতে গিয়ে তার স্ত্রী কে হত্যার পরিকল্পনা করে। লিটন তার স্ত্রী রোজিনাকে হত্যা করার জন্য স্থানীয় শিহাব শেখ নামের এক ব্যাক্তিকে দুই লাখ টাকার বিনিময়ে ঠিক করে। শিহাব লিটনের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা গ্রহণ করে। পরে আসামি শিহাব ও সহযোগীরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রোজিনা কে সুকৌশলে তার বাড়ি থেকে বের করে এনে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে ও গাছের ডাল দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা নিশ্চিত করে মরদেহ বাগানে ফেলে রেখে যায়।

এ বিষয় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মুকিত সরকার বলেন, হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত শিহাব নামের এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে দুই লাখ টাকার বিনিময়ে রোজিনাকে হত্যা করে। পরে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি শিহাবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আজ আদালতে পাঠানো হলে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় এবং হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

;

পবিত্র রমজানে অসহায় মানুষের সহায়তায় বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষিতে আসন্ন পবিত্র রমজানে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। 

তিনি বলেন, ‘আর কিছুদিন পরই আসছে পবিত্র রমজান মাস। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটের জন্য দেখা দিয়েছে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি। এ প্রেক্ষিতে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে আমি বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। পরম করুণাময় সকল সংঘাত-সংকট থেকে বিশ্ববাসীকে রক্ষা করুন।’

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ‘পবিত্র শবে বরাত’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি একথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি পবিত্র শবে বরাত মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত মহিমান্বিত ও বরকতময় এক রজনী উল্লেখ করে এ উপলক্ষে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মাহে রমজান ও সৌভাগ্যের আগমনী বারতা নিয়ে পবিত্র লায়লাতুল বরাত আমাদের মাঝে সমাগত। উপমহাদেশে শবেবরাত প্রধানত সৌভাগ্যের রজনী হিসাবে পালিত হয়। পবিত্র এ রজনী আল্লাহ্ তা’য়ালার বিশেষ অনুগ্রহ ও ক্ষমা লাভের অপার সুযোগ এনে দেয়। ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। মানুষের ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তির জন্য ইসলামের সুমহান আদর্শ আমাদের পাথেয়।

শবে বরাতের এই পবিত্র রজনীতে আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর দরবারে অশেষ রহমত ও বরকত কামনার পাশাপাশি দেশের অব্যাহত অগ্রগতি, কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর ঐক্যের প্রার্থনা জানাই। সৌভাগ্যমণ্ডিত পবিত্র শবে বরাতের পূর্ণ ফজিলত আমাদের ওপর বর্ষিত হোক।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘পবিত্র শবে বরাত সকলের জন্য রহমত, বরকত, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনুক, মহান আল্লাহর দরবারে এ প্রার্থনা করি।’

;