সিরাজগঞ্জে ইভ্যালির রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে সমন জারি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান মোছা. শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগে করা মামলায় সমন জারি করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) কামারখন্দ থানা আমলী আদালতের বিচারক মো. আলমগীর হোসেন এ আদেশ দেন।

মামলার বাদী মো. রাজ সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার বাসিন্দা। তিনি গত ২৫ আগস্ট ২০২১ সালে বাদী হয়ে প্রতারণা ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগে মামলা করেন।

মামলা সুত্রে জানা যায়, মো. রাজ ইভ্যালি থেকে গত ৪ মে পণ্যের ক্রয়াদেশ দেন। ইভ্যালির নীতিমালা অনুযায়ী ক্রয়াদেশের ৭ থেকে ৪৫ কর্মদিবসের মধ্যে পণ্য সরবরাহ করার কথা। সে অনুযায়ী সময়সীমা অতিক্রম করলেও পণ্য ডেলিভারি দেওয়া হয়নি। পরে তিনি বাদী হয়ে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান মোছা. শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিরাজগঞ্জের ওপর দায়িত্ব দেন। আদালতে আদেশের প্রেক্ষিতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিরাজগঞ্জ ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান মোছা. শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে বাদীর আনীত অভিযোগ পেনাল কোডের ৪০৬/৪২০ ধারার অপরাধ প্রাথমিক ভাবে সত্যতা পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

কামারখন্দ থানা আমলী আদালতের বিচারক মো. আলমগীর হোসেন তদন্ত প্রতিবেদন আমলে গ্রহণ করে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন বিরুদ্ধে স্ব-শরীরে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন।

বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী মঞ্জরুল ইসলাম সোহাগ জানান, পিবিআই তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য -প্রযুক্তি ব্যবহার ও বাদীর প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রমাণ বিবেচনায় পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক ভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দন্ড বিধি আইনের ৪০৬/৪২০/৩৪ ধারার সত্যতা পেয়েছেন। বাদী তদন্ত প্রতিবেদনের প্রতি সন্তুষ্ট। মাননীয় আদালত অপরাধ আমলে গ্রহণ করে আসামিদের স্বশরীরে আদালতে হাজির হতে আদেশ দিয়েছেন।

   

ভারতে লোকসভা নির্বাচন: বুড়িমারী স্থলবন্দরে বন্ধ থাকবে আমদানি-রফতানি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বুড়িমারী স্থলবন্দর ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিন দিন আমদানি-রফতানি ও দুই দেশের পাসপোর্টধারীদের যাতায়াতে বন্ধ ঘোষণা করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ১৫ এপ্রিল একটি চিঠি ইস্যু করে। 

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানি ও দুই দেশের স্থলবন্দরের পুলিশ অভিবাসন চৌকি দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বুড়িমারী স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভারতে লোকসভা নির্বাচনের আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন রাজ্যে সাত দফায় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ৫৪৩টি আসনে এই নির্বাচন হবে। তাই বুড়িমারী স্থল বন্দরে ১৭ এপ্রিল থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দিন আমদানি-রফতানি ও দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে যথারীতি দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীরা চলাচল করতে পারবেন।

বুড়িমারী স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আহসান হাবিব পলাশ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আজ সকাল ৯টা থেকে ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তিন দিন আমদানি-রফতানি ও দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেন। আগামী ২০ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীরা অবাধে চলাচল করতে পারবেন।

এ ব্যাপারে বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনের (কাস্টমস) সহকারী কমিশনার (এসি) নাজমুল হাসান বলেন, ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তিন দিন আমদানি-রফতানি ও দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। তবে এখন পর্যন্ত তাদের থেকে কোন লিখিত চিঠি পাইনি। 

;

চিকিৎসা দিতে দেরি হওয়ায় চিকিৎসকের ওপর হামলা, গ্রেফতার ১



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চিকিৎসা দিতে দেরি হওয়ায় চিকিৎসকের ওপর হামলা, গ্রেফতার ১

চিকিৎসা দিতে দেরি হওয়ায় চিকিৎসকের ওপর হামলা, গ্রেফতার ১

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের পটিয়ায় চিকিৎসা সেবা দিতে দেরি হওয়ার অভিযোগে একটি বেসরকারি হাসপাতালের দায়িত্বরত এক চিকিৎসককে মারধরের মামলায় রফিক হাসান (৪৬) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাতে পটিয়া পৌর সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১১ এপ্রিল রাতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত এক আওয়ামী লীগ নেতাকে পটিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। চিকিৎসা দিতে দেরি হওয়ার অভিযোগে দায়িত্বরত চিকিৎসক রক্তিম দাশ (২৯) ওপর এ হামলা করা হয়। এসময় ঐ চিকিৎসককে মেরে আহত করা হয়।

এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (১২ এপ্রিল) ঈদের দিন রাতে পটিয়া জেনারেল হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক এস এইচ খাদেমী প্রকাশ বাহাদুর বাদি হয়ে পটিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোহাম্মদ মুকুল, মোহাম্মদ টিপু ও পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সৈয়দসহ আরও অজ্ঞাত ১০/১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজহারে বলা হয়েছে, বুধবার (১০ এপ্রিল) রাত পৌনে ১১ দিকে সাইফুল্লাহ পলাশ (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে আহত অবস্থায় পটিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার নেওয়া হয়। এ সময় জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. রক্তিম দাশ আহত সাইফুল্লাহ পলাশকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে পরবর্তী চিকিৎসার জন্য অপারেশন রুমে নেন। অপারেশন রুমে যেতে দেরি হওয়ায় ডা. রক্তিম দাশকে হাসপাতালেই মারধর করা হয় এবং সরঞ্জাম ভাঙচুর করা হয়।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার রাতে পটিয়া জেনারেল হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকের উপর হামলার ঘটনাটির সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত করে রফিক হাসান নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। আজ তাকে চিকিৎসকের উপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদেরকে গ্রেফতার করতে পুলিশ কাজ করছে। খুব শিগগির আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

;

চিকিৎসকের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে আল্টিমেটাম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চিকিৎসকের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি

চিকিৎসকের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের পটিয়া ও নগরের দুই চিকিৎসকের ওপর হামলায় জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা না হলে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালনের আল্টিমেটাম দিয়েছে বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান সমিতি।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি ডা. মোহাম্মদ শরীফ বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন চিকিৎসকরা। একের পর এক চিকিৎসকের ওপর হামলা ঘটনা ঘটলেও উপযুক্ত বিচার না হওয়ার কারণে চিকিৎসকদের ওপর হামলা বেড়েই চলছে।

চিকিৎসকদের ওপর যে হামলাগুলো হচ্ছে, এর অন্যতম কারণ হলো বিচারহীনতার সংস্কৃতি। একটা ঘটনার যদি বিচার না হয়, অপরাধীরা যদি ছাড় পেয়ে যায়, তাহলে সন্ত্রাসীরা আরো দুঃসাহস দেখাবে।

'সার্বিকভাবে চিকিৎসকরা কর্মক্ষেত্রে খুবই অনিরাপদ। চিকিৎসকদের সুরক্ষায় শক্তিশালী একটা আইন হোক। চিকিৎসকদের মধ্যে যদি নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উৎকণ্ঠা কাজ করে, তাহলে তাদের কাছ থেকে কখনোই ভালো চিকিৎসাসেবা আমরা আশা যাবে না। ফলে রোগীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।'

তিনি আরও বলেন, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে চিকিৎসকদের উপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শান্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। পটিয়া ও মেডিকেল সেন্টারের ঘটনায় আসামিদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেফতার করা না হলে সর্বাত্মক কর্মবিরতির মতো কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।

পরে চিকিৎসকদের ওপর হামলার বিষয়ে নিয়ে কথা বলে বিএমএ নেতা ও স্বাচিপ চট্টগ্রামের সভাপতি ডা. শেখ শফিউল আজম।

তিনি বলেন, আমার নিরাপত্তাহীনতার ভুগছি। চিকিৎসকরা অনিরাপদ থাকলে চিকিৎসা সেবা ব্যহত হবে। আমরা এমন ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছি, পাশাপাশি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বেসরকারি হাসপাতাল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. লিয়াকত আলী খান, ডা. আবুল কাসেম মাসুদ, ডা. আরিফুল আমিন, ডা. রেজাউল করিম, ডা. মনিরুল ইসলাম, ডা. মনিউজ্জামান, প্রমুখ।

গত ১১ এপ্রিল রাতে পটিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক রক্তিম দাশ ওপর এ হামলা করে দুর্বৃত্তরা। এর দুই দিন পর ১৪ এপ্রিল সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে স্বজনদের হামলা শিকার হন ওই হাসপাতালের চিকিৎসক রিয়াজ উদ্দিন শিবলু।

;

মদপানের অনুমতি ছিল না তাদের, বারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ডিবি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মদপানের অনুমতি ছিল না তাদের

মদপানের অনুমতি ছিল না তাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরের ক্যাফে সেলেব্রিটা বারের সামনে মদ খেয়ে কয়েকজন নারী মিলে এক নারীকে মারধরের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেফতারকৃতরা হলো- শারমিন আক্তার মিম (২৪), ফাহিমা ইসলাম তুরিন (২৬) ও নুসরাত আফরিন।

ডিবি বলছে, মারামারির ঘটনায় গ্রেফতার নারীদের মদপানের লাইসেন্স ছিল না। তারা অবৈধভাবে অতিরিক্ত মদ করে মাতাল হয়ে মারামারিতে জড়ান। সেলেব্রিটা বার নারীদের কাছে অবৈধভাবে মদ বিক্রি করায় তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবে গোয়েন্দা পুলিশ।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন- ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, আমরা এই নগরে সবাই বাস করি। আর নগরে বাস করতে গেলে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। মদ খাওয়ার জন্য কোনো পুরুষ বা নারীর লাইসেন্স থাকলে বৈধ লাইন্স বার থেকে মদ পান করতে পারে। একে আইনগত কোনো বাধা নেই। কিন্তু গত পহেলা বৈশাখের রাতে গুলশানের মতো একটি এলাকা যেখানে অভিজাত পরিবারের বসবাস। সেখানে তারা মদ পান করেছেন, কারো কোনো লাইসেন্স ছিল না। লাইসেন্সহীন কারো কাছে বার কর্তৃপক্ষ মদ বিক্রি করতে পারে না। তাদের উচিত ছিল এই সকল নারীদের মদ লাইসেন্স পরীক্ষা করা। এমন কি এই নারীদের কাছে অতিরিক্ত পরিমাণে মদ বিক্রি করেছেন। যা পান করে মাতাল, বেসামাল হয়ে গেলেন। বারের লোকজনের উচিত ছিল বেসামাল নারীদের নিয়ন্ত্রণ করা। এই নারীরা বার থেকে বের হয়ে রাস্তায় গিয়ে প্রকাশ্যে মারামারিতে জড়ালেন। যা গুলশানের বাসিন্দারা দেখলেন। তারা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিলেন।

গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান আরও বলেন, আমি মনে করি আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ এ ভিডিও দেখে ভাববে শহরের রাস্তায় নারীরা মাতলামি করবে, মারামারি করবে, এটা কোনো অভিভাবকই মেনে নিতে পারবেন না। এই সকল নারীরা কারো না কারো সন্তান। তাদের অভিভাবকদের উচিত মেয়েরা কোথায় যায়, কী করে সেদিকে খেয়াল রাখা। আজকে এই নারীরা বারে গিয়ে মদ পান করে এমন কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছেন। যে মেয়েকে তারা মেরেছে সেই মেয়েটিও মাতাল ছিল। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী একটি অভিযোগ করেছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। যে বারগুলো লাইসেন্স ছাড়া মদ বিক্রি করেছে তাদের বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নিবো।

ভুক্তভোগী নারী রিতা আক্তার সুস্মি বলেন, আমি ও আমার এক বন্ধু মিলে খাবার খেতে ওই রেস্তরাঁয় যাই। খাওয়ার এক পর্যায়ে টয়লেটে যাওয়ার জন্য গিয়ে দেখি চারজন মেয়ে একসঙ্গে টয়লেট প্রবেশ করেছে। বিষয়টি রেস্তরাঁর ম্যানেজারকে বলি। তারা মেয়েদের বের করে দেয়। পরবর্তীতে আমি রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার সময় তারা আমার ওপর হামলা করে।

সুস্মি আরও বলেন, আমাকে চড় থাপ্পড় দিতে পারতো। কিন্তু রাস্তার মধ্যে আমার কাপড় খুলে ফেলে আমাকে মারধর করে। আমি তাদের সঠিক বিচার চাই। কারণ রাস্তায় একজন মেয়ে হয়ে আরেকজন মেয়ের কাপড় খুলে ফেলতে পারে না।

;