সরকারি দফতরগুলোতে ৫ বছরে সাড়ে তিন লাখ পদে নিয়োগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি দফতরগুলোতে গত ৫ বছরে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ২৩৭ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিয়োগকৃতদের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০ হাজার ২৬৪ জন নিয়োগ পেয়েছেন।

মন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সর্বোচ্চ চট্টগ্রাম থেকে এক হাজার ৩৪১ জন, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ঢাকায় এক হাজার ২৩৫, সর্বনিম্ন বান্দরবান থেকে ৩৪ জন, দ্বিতীয় সর্বনিম্ন জনপ্রশাসন মন্ত্রীর জেলা মেহেরপুর থেকে ৬৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য উম্মে কুলসুম স্মৃতির প্রশ্নের জবাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আবদুর রহমান সংসদকে জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের অধীন প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান, মহাখালী থেকে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির ১৫টি মারাত্মক সংক্রামক রোগের ১৭ ধরনের টিকা উৎপাদন করা হয়ে থাকে। এসব টিকা প্রান্তিক খামারিদের মাঝে সরকার নির্ধারিত ভর্তুকি মূল্যে বিতরণ করা হয়ে থাকে। সরকার টিকার সহজলভ্যতা অর্জনে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩২ কোটি ৮৬ লাখ ৭৪ হাজার ডোজ গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির টিকা উৎপাদন ও তা প্রান্তিক খামারিদের মাঝে বিতরণ করেছে।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এইচ এম বদিউজ্জামানের প্রশ্নের জবাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী জানান, উপকূলীয় এলাকার জেলেসহ সারা দেশে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৮ লাখ ৩ হাজার ৪১৮ জন। এর মধ্যে ১৪ লাখ ২০ আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে।

 

   

মহেশখালী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান থাকবেন প্রধানমন্ত্রী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারের ‘মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৪’ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বোর্ডের প্রধান হিসেবে থাকবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী।

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়িতে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি কর্তৃপক্ষ গঠন করছে সরকার। বুধবার (১৭ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি আরও বলেন, মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক জোন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গভীর সমুদ্র বন্দর, মৎস্য আহরণ, ভূমি ব্যবস্থাপনাসহ অনেকগুলো বিষয় এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। সেখানকার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ যুক্ত রয়েছে। মন্ত্রণালয়গুলো এখন আলাদা আলাদাভাবে এ কাজগুলো করছে। সমন্বিতভাবে এসব কাজ করতে আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, খসড়া অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বোর্ডের প্রধান হিসেবে থাকবে প্রধানমন্ত্রী। এ বোর্ডে অর্থমন্ত্রীসহ কয়েকজন মন্ত্রীকে নিয়ে ১৭ সদস্য থাকবে। কর্তৃপক্ষের মূল কাজ হবে নির্ধারিত এলাকায় ভূমি ব্যবহারের মাস্টারপ্ল্যান করা এবং তা বাস্তবায়নসহ বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য ৫৫ হাজার ৯৬৮ একর জমি থাকবে এর আওতায়। কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় হবে কক্সবাজার।

;

মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৬৫, আহত ১২২৮



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মার্চ মাসে ৫৫২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৬৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১২২৮ জন।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মার্চের দুর্ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

মার্চে রেলপথে ৩৮টি দুর্ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং ৮৬ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া, নৌ-পথে ৭টি দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত ও ১৭ জন নিখোঁজ হয়েছেন।

এসময় মোট দুর্ঘটনার ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ ছিল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা। ১৮১টি দুর্ঘটনায় ২০৩ জন নিহত এবং ১৬৬ জন আহত হয়েছেন।

সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ১২ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১৮৩ জন চালক, ৮২ জন পথচারী, ৮২ জন পরিবহন শ্রমিক, ৩১ জন শিক্ষার্থী, ৭ জন শিক্ষক, ১০৯ জন নারী, ৭০ জন শিশু, ৩ জন চিকিৎসক, ১ জন মুক্তিযোদ্ধা এবং ৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে।

মোট দুর্ঘটনার ৫৭ দশমিক ৪২ শতাংশ গাড়িচাপা দেওয়ার ঘটনা, ১৭ দশমিক ২১ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২১ দশমিক ৭৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ২ দশমিক ৮৩ শতাংশ বিবিধ কারণে এবং ০.৭২ ট্রোন-যানবাহনের সংঘর্ষে ঘটে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, মার্চ মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৩৪ দশমিক ৬০ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ১৭ দশমিক ২১ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ৩৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে।

এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.১৮ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০.৭২ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, প্রকাশিত এই তথ্য দেশে সংঘঠিত সড়ক দুঘর্টনার প্রকৃতচিত্র নয়। এটি কেবল গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য। দেশে সংঘঠিত সড়ক দুঘর্টনার একটি বড় অংশ প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত গণমাধ্যমে স্থান পায় না।

;

এনডিসি কোর্সের প্রতিনিধি দলের এফবিসিসিআই কার্যালয় পরিদর্শন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) মতিঝিল কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) কোর্স ২০২৪-এর উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল।

কোর্স কারিকুলামের অংশ হিসেবে এফবিসিসিআই পরিদর্শনে আসেন তারা।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকালে এয়ার ভাইস মার্শাল এ এস এম ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস এবং প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, নেপাল, চীন, কাতার, ওমান, কুয়েত, কেনিয়া, তানজানিয়া, দক্ষিণ সুদান, নাইজেরিয়া, জাম্বিয়া, সৌদি আরব, জর্দান, মালি প্রভৃতি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এফবিসিসিআই পরিদর্শনে আসেন।

সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এফবিসিসিআইয়ের হেড অব পিআর অ্যান্ড কমিউনিকেশনসের তানজিদ বসুনিয়ার পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রতিনিধি দলের প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ এস এম ফখরুল ইসলাম। তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান মো. আমিন হেলালী।

পরে এফবিসিসিআইয়ের অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এফবিসিসিআইয়ের চলমান কার্যক্রম ও কর্মপরিকল্পনার ওপর আলোকপাত করেন এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

এ সময় তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। ২০২৬ সালে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নতুন যাত্রাপথে পদার্পণ করবে, সম্ভাবনার পাশাপাশি যেখানে থাকবে বহু চ্যালেঞ্জ। সেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আমাদের অর্থনীতিকে বহুমুখীকরণ, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করতে হবে। এ সব বিষয় বিশেষভাবে বিবেচনায় নিয়ে সরকারের অন্যতম অংশীজন হিসেবে বেসরকারিখাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

মো. আমিন হেলালী বলেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, সমৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এনডিসি কোর্স ২০২৪-এর চৌকস সদস্যবৃন্দ তাদের শক্তি ও বুদ্ধিমত্তার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করবে।

এ সময় কোর্সে অংশ নেওয়া বিদেশি সদস্যদের নিজ নিজ দেশের জনগণ এবং সরকারের কাছে বাংলাদেশকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

এনডিসি প্রতিনিধিদলের প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ এস এম ফখরুল ইসলাম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় এফবিসিসিআইয়ের কার্যক্রম ও উদ্যোগের ভূঁয়সী প্রশংসা করেন।

এফবিসিসিআই কার্যালয় পরিদর্শন, সংগঠনটির কার্যক্রম, কর্মকৌশল এবং পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা এনডিসি প্রশিক্ষণার্থীদের জ্ঞানকে আরো সমৃদ্ধ করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত আলোচনায় এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি মো. মুনির হোসেন বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকার এবং বেসরকারিখাতের মধ্যে এ ধরনের যোগাযোগ অব্যাহত রাখা জরুরি।

এফবিসিসিআই নেতৃবৃন্দ এবং এনডিসি কোর্সের সদস্যদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অনুষ্ঠান শেষ করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এম এম খায়রুল কবির।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী, হাজী হাফেজ মো. হারুন-অর-রশিদ, মো. ইসহাকুল হোসেন সুইট, এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব মো. আলমগীর, এফবিসিসিআইয়ের সেফটি কাউন্সিলের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মোহাম্মদ শহিদ উল্লাহসহ অন্যান্যরা।

;

গণপূর্তমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিলার।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর দফতরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদের আদিবাসী ককাস গঠন ও ককাসের কার্যক্রম পরিচালনায় ইউএনডিপির সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আলোচনা হয়। আদিবাসী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়নে স্টিফেন লিলার আদিবাসী ককাসকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। এছাড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনসাধারণের উন্নয়নে প্রচার- প্রচারণা, ক্যাম্পেইন পরিচালনা, জনসাধারনের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি, ইতিবাচক আন্দোলন গড়ে তোলা ইত্যাদি বিষয়ে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎ শেষে আলোচনার বিষয় সম্পর্কে মন্ত্রী সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। আদিবাসী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কোন কার্যক্রম গ্রহণে বিদ্যমান আইনের কোন পরিবর্তন প্রয়োজন হবে না বলে তিনি জানান।

;