ইউরোপ পাঠানোর নামে প্রতারণা, জড়িত বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিমানবন্দরের বিশেষ প্রবেশের অনুমতি ব্যবহার করে কখনো ট্যুরিস্ট আবার কখনো ভুয়া ভিসায় ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশসহ সেনজেনভুক্ত দেশগুলোতে লোক পাঠানোর নামে অভিনব প্রতারণা করে আসছে একটি চক্র। ১৬ থেকে ১৮ লাখ টাকায় বিদেশে পাঠানোর ফাঁদ পাতা এই চক্রের সঙ্গে জড়িত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা। চক্রটি গত দেড় বছরে আড়াই শতাধিক মানুষকে ইউরোপ পাঠানোর নামে প্রতারণা করেছে। চক্রের দুই মূলহোতাসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

চক্রের মাধ্যমে বিদেশে গিয়ে অনেকেই গ্রেফতার হয়েছেন। শূন্য হাতে দেশে ফিরলেও ভাগ্য বদলের আশায় বিদেশে যাওয়া অনেকেই বিভিন্ন দেশে জেল খেটেছে, কেউ এখনো রয়েছেন জেলেই।

ডিবি পুলিশ বলছে, আদালতের নির্দেশে এক দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে গ্রেফতারদের। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ৩ যাত্রী স্বীকার করেছে ১৬ থেকে ১৮ লাখ টাকা দালালদেরকে দিয়ে এই অবৈধ পথে ফ্রান্স, ইতালি এবং গ্রিসে যাচ্ছিলেন তারা।

দুই হোতার বক্তব্যে উঠে এসেছে বাংলাদেশ বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কারো কারো এই চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে ২ নম্বর ঢাকা টার্মিনাল-২ দিয়ে অবৈধভাবে জাল ভিসা দিয়ে তিনজনকে বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছিলো চক্রের সদস্যরা। বিষয়টি টের পেয়ে বিমানবন্দর আর্ম পুলিশের (এপিবিএন)'র সদস্যরা তাদেরকে কৌশলে নজরদারিতে রেখে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) খবর দেয়। তথ্য পেয়ে এপিপিএনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যৌথ অভিযানে চালিয়ে চক্রের দুই হোতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ও মোহাম্মদ কবির হোসেন ও চক্রের মাধ্যমে বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া ৩ যাত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। যাত্রীরা হলেন- জানে আলম, সাব্বির মিয়া, সম্রাট সওদাগর।

অভিযানে চক্রের দুই সদস্যের কাছ থেকে তিনটি পাসপোর্ট, ৩টি জাল ভিসা, ৪টি এনআইডি, বিমানবন্দরে প্রবেশের স্পেশাল পাসের কার্ড, ৪টি এটিএম কার্ড, ৫টি মোবাইল, ৩টি ই-টিকেট, ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা সংশ্লিষ্ট জাল ডকুমেন্ট, ১টি ড্রাইভিং লাইসেন্স, নগদ ১৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।


বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবিতে নিজ কার্যালয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মানবপাচারকারী চক্রের খপ্পরে পড়ে লাখ লাখ টাকা খোয়াচ্ছে সাধারণ মানুষ। আমরা অনেকবারই বলেছি। বিভিন্ন পন্থায় তারা মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ করে সেনজেন ভিসাভুক্ত ইউরোপিয়ান দেশগুলোতে যাবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এজন্য সক্রিয় রয়েছে দালাল চক্র। এক সময় দেখা যেতো নৌ পথে লিবিয়া বা ইউরোপিয়ান দেশ ইতালিতে যাবার পথে অনেকে মারা যেতেন। অনেকে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হতেন। এরপর জেল খাটতেন। কেউ কেউ কাজও পেয়ে যেতেন। এখন এ পন্থায় ইউরোপ যাবার পথ কঠিন হচ্ছে।

অতিরিক্ত কমিশনার হারুন বলেন, এখন দালাল চক্রের সদস্যরা নতুন কৌশল ব্যবহার কিরছে। তারা বাংলাদেশ বিমানের সিকিউরিটি ম্যান, কুয়েত এয়ারওয়েজের বুকিং সহকারী, কিছু জনশক্তি রপ্তানি প্রতিষ্ঠান ও ট্রাভেল এজেন্সিসহ দক্ষ কম্পিউটার অপারেটর মিলে শক্তিশালী একটি চক্র গড়ে উঠেছে। এই চক্রটি ট্যুরিস্ট ভিসার কথা বলে সেনজেন ভিসাভুক্ত দেশে কোনো রকম পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এরপর পৌঁছে গেলে আর ফেরত আসতে হবে না এই বলে কারো কারো কাছ থেকে ১৬ থেকে ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

গোয়েন্দা প্রধান বলেন, চক্রটির কাজ হচ্ছে, বিমানবন্দরে কোনো রকমে ঢুকিয়ে দেওয়া। ট্রাভেল এজেন্সি টিকিট করে দেয়। ইউরোপিয়ান কোনো দেশের যাবার জন্য সে টিকিট পেয়ে বিমানবন্দরে ঢোকে। বোর্ডিং আনতে গেলে বাংলাদেশ বিমানের সিকিউরিটি ম্যান ও কুয়েত এয়ারওয়েজের বুকিং সহকারী তখন দেখে। তারা তো বায়াস্ট। তারা বলে সব ঠিক আছে। ইমিগ্রেশনেও চেক করা হয় না। বিদেশগামী ভুক্তভোগীরা কিছু না বুঝে ভুয়া বোর্ডিং কার্ড নিয়ে বিমানে উঠে চলে যায়।

হারুন বলেন, এভাবে ফাস্ট ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ থেকে তারা উড়াল দিলেও অনেক সময় তারা মধ্যবর্তী স্থানে ট্রানজিট পয়েন্টে আটক হয়, কখনো সর্বশেষ ফ্রান্স, জার্মান অথবা ইউরোপের ডেস্টিনেশনেও গিয়ে আটক হন। কারণ এসব জায়গায় চেক করতে গিয়ে দেখে ভুয়া। তখন কাউকে দেশে পাঠায়। কাউকে কাউকে জেলে পাঠায়। যারা জেলে যায় তারা পরবর্তীতে কেউ কেউ কাজও পেয়ে যায়। চক্রের সদস্যরা এই সুযোগটি নেয়। বলে মামলা করে জেল থেকে ছুটে বের হতে পারবেন।

 

   

চিকিৎসকের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে আল্টিমেটাম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চিকিৎসকের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি

চিকিৎসকের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের পটিয়া ও নগরের দুই চিকিৎসকের ওপর হামলায় জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা না হলে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালনের আল্টিমেটাম দিয়েছে বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান সমিতি।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি ডা. মোহাম্মদ শরীফ বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন চিকিৎসকরা। একের পর এক চিকিৎসকের ওপর হামলা ঘটনা ঘটলেও উপযুক্ত বিচার না হওয়ার কারণে চিকিৎসকদের ওপর হামলা বেড়েই চলছে।

চিকিৎসকদের ওপর যে হামলাগুলো হচ্ছে, এর অন্যতম কারণ হলো বিচারহীনতার সংস্কৃতি। একটা ঘটনার যদি বিচার না হয়, অপরাধীরা যদি ছাড় পেয়ে যায়, তাহলে সন্ত্রাসীরা আরো দুঃসাহস দেখাবে।

'সার্বিকভাবে চিকিৎসকরা কর্মক্ষেত্রে খুবই অনিরাপদ। চিকিৎসকদের সুরক্ষায় শক্তিশালী একটা আইন হোক। চিকিৎসকদের মধ্যে যদি নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উৎকণ্ঠা কাজ করে, তাহলে তাদের কাছ থেকে কখনোই ভালো চিকিৎসাসেবা আমরা আশা যাবে না। ফলে রোগীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।'

তিনি আরও বলেন, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে চিকিৎসকদের উপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শান্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। পটিয়া ও মেডিকেল সেন্টারের ঘটনায় আসামিদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেফতার করা না হলে সর্বাত্মক কর্মবিরতির মতো কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।

পরে চিকিৎসকদের ওপর হামলার বিষয়ে নিয়ে কথা বলে বিএমএ নেতা ও স্বাচিপ চট্টগ্রামের সভাপতি ডা. শেখ শফিউল আজম।

তিনি বলেন, আমার নিরাপত্তাহীনতার ভুগছি। চিকিৎসকরা অনিরাপদ থাকলে চিকিৎসা সেবা ব্যহত হবে। আমরা এমন ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছি, পাশাপাশি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বেসরকারি হাসপাতাল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. লিয়াকত আলী খান, ডা. আবুল কাসেম মাসুদ, ডা. আরিফুল আমিন, ডা. রেজাউল করিম, ডা. মনিরুল ইসলাম, ডা. মনিউজ্জামান, প্রমুখ।

গত ১১ এপ্রিল রাতে পটিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক রক্তিম দাশ ওপর এ হামলা করে দুর্বৃত্তরা। এর দুই দিন পর ১৪ এপ্রিল সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে স্বজনদের হামলা শিকার হন ওই হাসপাতালের চিকিৎসক রিয়াজ উদ্দিন শিবলু।

;

মদপানের অনুমতি ছিল না তাদের, বারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ডিবি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মদপানের অনুমতি ছিল না তাদের

মদপানের অনুমতি ছিল না তাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরের ক্যাফে সেলেব্রিটা বারের সামনে মদ খেয়ে কয়েকজন নারী মিলে এক নারীকে মারধরের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেফতারকৃতরা হলো- শারমিন আক্তার মিম (২৪), ফাহিমা ইসলাম তুরিন (২৬) ও নুসরাত আফরিন।

ডিবি বলছে, মারামারির ঘটনায় গ্রেফতার নারীদের মদপানের লাইসেন্স ছিল না। তারা অবৈধভাবে অতিরিক্ত মদ করে মাতাল হয়ে মারামারিতে জড়ান। সেলেব্রিটা বার নারীদের কাছে অবৈধভাবে মদ বিক্রি করায় তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবে গোয়েন্দা পুলিশ।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন- ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, আমরা এই নগরে সবাই বাস করি। আর নগরে বাস করতে গেলে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। মদ খাওয়ার জন্য কোনো পুরুষ বা নারীর লাইসেন্স থাকলে বৈধ লাইন্স বার থেকে মদ পান করতে পারে। একে আইনগত কোনো বাধা নেই। কিন্তু গত পহেলা বৈশাখের রাতে গুলশানের মতো একটি এলাকা যেখানে অভিজাত পরিবারের বসবাস। সেখানে তারা মদ পান করেছেন, কারো কোনো লাইসেন্স ছিল না। লাইসেন্সহীন কারো কাছে বার কর্তৃপক্ষ মদ বিক্রি করতে পারে না। তাদের উচিত ছিল এই সকল নারীদের মদ লাইসেন্স পরীক্ষা করা। এমন কি এই নারীদের কাছে অতিরিক্ত পরিমাণে মদ বিক্রি করেছেন। যা পান করে মাতাল, বেসামাল হয়ে গেলেন। বারের লোকজনের উচিত ছিল বেসামাল নারীদের নিয়ন্ত্রণ করা। এই নারীরা বার থেকে বের হয়ে রাস্তায় গিয়ে প্রকাশ্যে মারামারিতে জড়ালেন। যা গুলশানের বাসিন্দারা দেখলেন। তারা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিলেন।

গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান আরও বলেন, আমি মনে করি আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ এ ভিডিও দেখে ভাববে শহরের রাস্তায় নারীরা মাতলামি করবে, মারামারি করবে, এটা কোনো অভিভাবকই মেনে নিতে পারবেন না। এই সকল নারীরা কারো না কারো সন্তান। তাদের অভিভাবকদের উচিত মেয়েরা কোথায় যায়, কী করে সেদিকে খেয়াল রাখা। আজকে এই নারীরা বারে গিয়ে মদ পান করে এমন কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছেন। যে মেয়েকে তারা মেরেছে সেই মেয়েটিও মাতাল ছিল। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী একটি অভিযোগ করেছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। যে বারগুলো লাইসেন্স ছাড়া মদ বিক্রি করেছে তাদের বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নিবো।

ভুক্তভোগী নারী রিতা আক্তার সুস্মি বলেন, আমি ও আমার এক বন্ধু মিলে খাবার খেতে ওই রেস্তরাঁয় যাই। খাওয়ার এক পর্যায়ে টয়লেটে যাওয়ার জন্য গিয়ে দেখি চারজন মেয়ে একসঙ্গে টয়লেট প্রবেশ করেছে। বিষয়টি রেস্তরাঁর ম্যানেজারকে বলি। তারা মেয়েদের বের করে দেয়। পরবর্তীতে আমি রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার সময় তারা আমার ওপর হামলা করে।

সুস্মি আরও বলেন, আমাকে চড় থাপ্পড় দিতে পারতো। কিন্তু রাস্তার মধ্যে আমার কাপড় খুলে ফেলে আমাকে মারধর করে। আমি তাদের সঠিক বিচার চাই। কারণ রাস্তায় একজন মেয়ে হয়ে আরেকজন মেয়ের কাপড় খুলে ফেলতে পারে না।

;

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নজরে রাখতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলে ইরানের নজিরবিহীন হামলার পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিয়ে মন্ত্রিসভার সকল সদস্য ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে তীক্ষ্ণ নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন এ কথা জানান।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ইসরায়েলে ইরানের হামলার পর এর প্রতিক্রিয়া মোকাবিলায় যার যার খাত, সবাইকেই প্রস্তুত থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে বাণিজ্য কিংবা অর্থনীতির কথা সুনির্দিষ্ট করে বলেননি তিনি। সবাইকেই প্রস্তুতি নিতে বলেছেন এবং এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন। ক্রাইসিস তৈরি হলে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যেতে পারে, তখন কী করা যায়, সেসব বিষয়ে পরিকল্পনা রাখতে বলেছেন।

;

চিকিৎসকের পোশাক পরিবর্তনের ভিডিও ধারণ, দোষীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, জামালপুর
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের পোশাক পরিবর্তনের ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবি করার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

যৌন হয়রানির প্রতিবাদে ও আসামিদের শাস্তির দাবিতে এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. জাকারিয়া জাকি, ডা. মোহনা দেব তৃষা, শিক্ষার্থী কামরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, গত ৬ এপ্রিল হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কোয়ার্টারে এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসক তার পোশাক পরিবর্তনের সময় পার্শ্ববর্তী নার্সদের কোয়ার্টারের ছাদ থেকে হাসপাতালে কর্মরত নার্স রেহেনা পারভীনের ছেলে নাইমুর রহমান অংকন (২০) ভিডিও ধারণ করে।

পরে ধারণকৃত সেই ভিডিও আরেক নার্স রত্না খাতুনের ছেলে ইমরুল হাসান আলিফ (১৮), হাসপাতালের স্টাফ ফজলুল হকের ছেলে জাকারিয়া হোসেন বেনজির (২৪) ও তাদের বন্ধু ইসলামপুর উপজেলার আমিনুল ইসলামের ছেলে আরাফাতের সাথে অনলাইনে শেয়ার করে।

এরপর থেকে ওই ইন্টার্ন চিকিৎসকের কাছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও অন্যান্য ইন্টার্ন চিকিৎসদের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে এক লাখ পঞ্চাশ টাকা চাঁদা দাবি করে, অন্যথায় ভিডিওটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয় তারা।

পরবর্তীতে গত ৯ এপ্রিল ভূক্তভোগী ওই ইন্টার্ন চিকিৎসক পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে পুলিশ তাৎক্ষণিক ওই চার যুবককে হাসপাতালের কোয়ার্টার থেকে আটক করে।

প্রথামিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ভিডিও ধারণ করার বিষয়টি শিকার করলে গত ১০ এপ্রিল থানায় মামলা দায়ের করেন যৌন হয়রানির শিকার ওই ইন্টার্ন চিকিৎসক।

পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এই ঘটনায় দোষীদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ইন্টার্ন চিকিৎসদের নিরাপত্তার দাবি জানান বক্তারা।

;