মিয়ানমার সীমান্তে আর বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে না: আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: আনিসুজ্জামান দুলাল

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: আনিসুজ্জামান দুলাল

  • Font increase
  • Font Decrease

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আশা প্রকাশ করেছেন, মিয়ানমার সীমান্তে ইতিপূর্বে যে ধরণের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেই ধরণের পরিস্থিতির আর উদ্ভব হবে না।

একইসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের পক্ষে আর কোনো রোহিঙ্গাকে গ্রহণ কিংবা আশ্রয় দেওয়া সম্ভব নয়। আমাদের দেশে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছি। প্রতিবছর ৩৫ হাজার নতুন রোহিঙ্গা শিশু জন্মগ্রহণ করে, অর্থাৎ প্রতিবছর এই সংখ্যাটা বাড়ছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর সিআরবি শিরীষ তলায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত অমর একুশে বই মেলায় ‘মহান একুশে স্মারক সম্মাননা পদক’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যশেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই আশাবাদের কথা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেসব রোহিঙ্গাদের ইতিপূর্বে মানবিক কারণে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে, তাদেরকে কিভাবে ফেরত পাঠানো যায় আমরা সেটা নিয়েই কাজ করছি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সমস্ত রাষ্ট্রসমূহের সহায়তা কামনা করেছি, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে মিয়ানমারের সরকারের ওপর যাতে আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করা হয়। সেজন্য ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চায়নাসহ বিভিন্ন দেশের সাথে আমরা আলাপ আলোচনা করেছি।

মিয়ানমারের জান্তা সরকার সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে তারা আবারও অভিযান চালাবে, অনেক রোহিঙ্গা সীমান্তে অবস্থান নিয়েছে, সরকার এই পরিস্থিতি কিভাবে সামাল দেবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আপনারা জানেন ক’দিন আগে আমাদের প্রধানমন্ত্রী মিউনিখে সিকিউরিটি কনফারেন্সে গিয়েছিলেন, সেখানেও আমরা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের সাথে আলোচনা করেছি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের যে প্রতিনিধি দল আসছে, এটি আমাদের দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীরতর করার ক্ষেত্রে সহায়ক। সেখানে নিশ্চিতভাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আমরা আলোচনা করব।

তিনি বলেন, রাখাইনে অভিযান পরিচালনা করাটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, কিন্তু সেটির কারণে আমাদের এখানে উত্তেজনা ইতিপূর্বে তৈরি হয়েছে এবং সেখানকার মর্টারশেল আমাদের দেশে এসে পড়েছে, দুইজন নিহতও হয়েছে। ৩৩০ জনের মতো তাদের সেনা ও নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য আমাদের দেশে এসেছিল, তারা আবার তাদেরকে ফেরত নিয়ে গেছে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে সেটির প্রতিবাদ আমরা জানিয়েছি। সুতরাং আমরা আশা করব ইতিপূর্বে যে ধরণের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সেই ধরণের পরিস্থিতি আর উদ্ভব হবে না।

বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খাঁন বলেছেন গণতন্ত্র ফেরানোর আন্দোলনে সরকার পরিবর্তন অবশ্যই হবে - এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তন করতে হলে বিএনপিকে আগামী ২৯ সালের নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, তখন জনগণ যাদেরকে ভোট দিবে তারাই সরকার গঠন করবে। এতদিন ধরে বিএনপি যে আন্দোলন করেছে সব পরীক্ষায় তারা ফেল করেছে। এখন তারা আবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করুক, আরও বেশি করে পড়াশোনা করুক, তারপর আমরা দেখব তারা কি করে। অবশ্যই নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করার ক্ষেত্রে সরকার কাউকে বাধা দেবে না। কিন্তু বিএনপি ইতিপূর্বে আন্দোলনের নামে যে সহিংসতা নৈরাজ্য করেছে, সেগুলো আর করতে দেওয়া হবে না।

বই মেলার একুশে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করার পর ছাত্রলীগ প্রথম যে ১০ দফা দেয়, সেই ১০ দফার মধ্যে অন্যতম দফা ছিল বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করতে হবে এবং সেই ১০ দফার ভিত্তিতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তরুণ নেতা শেখ মুজিবসহ ছাত্র নেতারা জেলায় জেলায় সফর করেছিলেন। এই ইতিহাসগুলো অনুম্মোচিত রয়ে গেছিল, আজকে সেগুলো ধীরে ধীরে উম্মোচিত হচ্ছে। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই বঙ্গবন্ধু অনুধাবন করছিলেন পাকিস্তান রাষ্ট্র ব্যবস্থার মধ্যে বাঙালি জাতির মুক্তি নিহিত নেই।

চট্টগ্রাম বইমেলাকে আন্তর্জাতিকীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, ঢাকা এবং পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, আগরতলা, আসামসহ তাদের গুনীজন এবং প্রকাশকদের ডেকে আনতে হবে, তখন এই মেলার আন্তর্জাতিকীকরণ হবে। ইংল্যান্ডে ইংরেজি ভাষায় যখন কোন বই প্রকাশিত হয়, সেটি একইসাথে নিউইয়র্ক, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডেও হয়। কিন্তু আমাদের দেশে সেটি হয় না। কলকাতায় একটি বই প্রকাশিত হলে সেটি একইসাথে ঢাকা কিংবা চট্টগ্রামে একসাথে হয় না।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অমর একুশে বইমেলা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক কাউন্সিলর ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম। সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন নাট্যকলায় সম্মাননা পাওয়া শিশির দত্ত, কবিতায় সম্মাননা পাওয়া আবসার হাবীব।

এবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) একুশে স্মারক সম্মাননা পদক ও সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন: মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা আন্দোলনে শহীদ সাইফুদ্দিন খালেদ চৌধুরী (মরণোত্তর), শিল্প উন্নয়ন ও সমাজসেবায় মো. নাছির উদ্দিন (মরণোত্তর), চিকিৎসায় প্রফেসর ডা. মো. গোফরানুল হক, নাট্যকলায় শিশির দত্ত, সংস্কৃতিতে শ্রেয়সী রায়, শিক্ষায় প্রফেসর প্রদীপ ভট্টাচার্য, সংবাদপত্র শিল্পের বিকাশ ও মানোন্নয়নে সুপ্রভাত বাংলাদেশ সম্পাদক রুশো মাহমুদ, সাংবাদিকতায় জসীম চৌধুরী সবুজ, ক্রীড়ায় জাকির হোসেন লুলু, স্বল্পদের্ঘ্য চলচিত্র নির্মাণ ও গবেষণায় শৈবাল চৌধুরী, লোকসাহিত্য ও গবেষণায় শামসুল আরেফীন, প্রবন্ধে শামসুদ্দিন শিশির, কবিতায় আবসার হাবীব ও ভাগ্যধন বড়ুয়া, শিশু সাহিত্যে ছড়াকার অরুণ শীল ও শিবু কান্তি দাশ।

   

মহেশখালী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান থাকবেন প্রধানমন্ত্রী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারের ‘মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৪’ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বোর্ডের প্রধান হিসেবে থাকবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী।

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়িতে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি কর্তৃপক্ষ গঠন করছে সরকার। বুধবার (১৭ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি আরও বলেন, মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক জোন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গভীর সমুদ্র বন্দর, মৎস্য আহরণ, ভূমি ব্যবস্থাপনাসহ অনেকগুলো বিষয় এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। সেখানকার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ যুক্ত রয়েছে। মন্ত্রণালয়গুলো এখন আলাদা আলাদাভাবে এ কাজগুলো করছে। সমন্বিতভাবে এসব কাজ করতে আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, খসড়া অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বোর্ডের প্রধান হিসেবে থাকবে প্রধানমন্ত্রী। এ বোর্ডে অর্থমন্ত্রীসহ কয়েকজন মন্ত্রীকে নিয়ে ১৭ সদস্য থাকবে। কর্তৃপক্ষের মূল কাজ হবে নির্ধারিত এলাকায় ভূমি ব্যবহারের মাস্টারপ্ল্যান করা এবং তা বাস্তবায়নসহ বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য ৫৫ হাজার ৯৬৮ একর জমি থাকবে এর আওতায়। কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় হবে কক্সবাজার।

;

মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৬৫, আহত ১২২৮



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মার্চ মাসে ৫৫২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৬৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১২২৮ জন।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মার্চের দুর্ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

মার্চে রেলপথে ৩৮টি দুর্ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং ৮৬ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া, নৌ-পথে ৭টি দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত ও ১৭ জন নিখোঁজ হয়েছেন।

এসময় মোট দুর্ঘটনার ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ ছিল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা। ১৮১টি দুর্ঘটনায় ২০৩ জন নিহত এবং ১৬৬ জন আহত হয়েছেন।

সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ১২ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১৮৩ জন চালক, ৮২ জন পথচারী, ৮২ জন পরিবহন শ্রমিক, ৩১ জন শিক্ষার্থী, ৭ জন শিক্ষক, ১০৯ জন নারী, ৭০ জন শিশু, ৩ জন চিকিৎসক, ১ জন মুক্তিযোদ্ধা এবং ৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে।

মোট দুর্ঘটনার ৫৭ দশমিক ৪২ শতাংশ গাড়িচাপা দেওয়ার ঘটনা, ১৭ দশমিক ২১ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২১ দশমিক ৭৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ২ দশমিক ৮৩ শতাংশ বিবিধ কারণে এবং ০.৭২ ট্রোন-যানবাহনের সংঘর্ষে ঘটে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, মার্চ মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৩৪ দশমিক ৬০ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ১৭ দশমিক ২১ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ৩৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে।

এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.১৮ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০.৭২ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, প্রকাশিত এই তথ্য দেশে সংঘঠিত সড়ক দুঘর্টনার প্রকৃতচিত্র নয়। এটি কেবল গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য। দেশে সংঘঠিত সড়ক দুঘর্টনার একটি বড় অংশ প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত গণমাধ্যমে স্থান পায় না।

;

এনডিসি কোর্সের প্রতিনিধি দলের এফবিসিসিআই কার্যালয় পরিদর্শন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) মতিঝিল কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) কোর্স ২০২৪-এর উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল।

কোর্স কারিকুলামের অংশ হিসেবে এফবিসিসিআই পরিদর্শনে আসেন তারা।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকালে এয়ার ভাইস মার্শাল এ এস এম ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস এবং প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, নেপাল, চীন, কাতার, ওমান, কুয়েত, কেনিয়া, তানজানিয়া, দক্ষিণ সুদান, নাইজেরিয়া, জাম্বিয়া, সৌদি আরব, জর্দান, মালি প্রভৃতি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এফবিসিসিআই পরিদর্শনে আসেন।

সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এফবিসিসিআইয়ের হেড অব পিআর অ্যান্ড কমিউনিকেশনসের তানজিদ বসুনিয়ার পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রতিনিধি দলের প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ এস এম ফখরুল ইসলাম। তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান মো. আমিন হেলালী।

পরে এফবিসিসিআইয়ের অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এফবিসিসিআইয়ের চলমান কার্যক্রম ও কর্মপরিকল্পনার ওপর আলোকপাত করেন এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

এ সময় তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। ২০২৬ সালে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নতুন যাত্রাপথে পদার্পণ করবে, সম্ভাবনার পাশাপাশি যেখানে থাকবে বহু চ্যালেঞ্জ। সেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আমাদের অর্থনীতিকে বহুমুখীকরণ, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করতে হবে। এ সব বিষয় বিশেষভাবে বিবেচনায় নিয়ে সরকারের অন্যতম অংশীজন হিসেবে বেসরকারিখাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

মো. আমিন হেলালী বলেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, সমৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এনডিসি কোর্স ২০২৪-এর চৌকস সদস্যবৃন্দ তাদের শক্তি ও বুদ্ধিমত্তার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করবে।

এ সময় কোর্সে অংশ নেওয়া বিদেশি সদস্যদের নিজ নিজ দেশের জনগণ এবং সরকারের কাছে বাংলাদেশকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

এনডিসি প্রতিনিধিদলের প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ এস এম ফখরুল ইসলাম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় এফবিসিসিআইয়ের কার্যক্রম ও উদ্যোগের ভূঁয়সী প্রশংসা করেন।

এফবিসিসিআই কার্যালয় পরিদর্শন, সংগঠনটির কার্যক্রম, কর্মকৌশল এবং পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা এনডিসি প্রশিক্ষণার্থীদের জ্ঞানকে আরো সমৃদ্ধ করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত আলোচনায় এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি মো. মুনির হোসেন বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকার এবং বেসরকারিখাতের মধ্যে এ ধরনের যোগাযোগ অব্যাহত রাখা জরুরি।

এফবিসিসিআই নেতৃবৃন্দ এবং এনডিসি কোর্সের সদস্যদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অনুষ্ঠান শেষ করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এম এম খায়রুল কবির।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী, হাজী হাফেজ মো. হারুন-অর-রশিদ, মো. ইসহাকুল হোসেন সুইট, এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব মো. আলমগীর, এফবিসিসিআইয়ের সেফটি কাউন্সিলের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মোহাম্মদ শহিদ উল্লাহসহ অন্যান্যরা।

;

গণপূর্তমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিলার।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর দফতরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদের আদিবাসী ককাস গঠন ও ককাসের কার্যক্রম পরিচালনায় ইউএনডিপির সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আলোচনা হয়। আদিবাসী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়নে স্টিফেন লিলার আদিবাসী ককাসকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। এছাড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনসাধারণের উন্নয়নে প্রচার- প্রচারণা, ক্যাম্পেইন পরিচালনা, জনসাধারনের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি, ইতিবাচক আন্দোলন গড়ে তোলা ইত্যাদি বিষয়ে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎ শেষে আলোচনার বিষয় সম্পর্কে মন্ত্রী সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। আদিবাসী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কোন কার্যক্রম গ্রহণে বিদ্যমান আইনের কোন পরিবর্তন প্রয়োজন হবে না বলে তিনি জানান।

;