ওপারে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ আর কালো ধোঁয়ায় এপারে আতঙ্ক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নাফ নদীর ওপার থেকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে আবারও তীব্র বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ ভেসে আসছে। সেই সঙ্গে স্পষ্ট কালো ধোঁয়া দেখছেন সীমান্তের বাসিন্দারা।

শনিবার (২ মার্চ) সকাল ৬টা থেকে উপজেলার হোয়াইক্যংয়ের ও হ্নীলা ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী মিয়ানমার এলাকায় থেমে থেমে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন সীমান্ত এলাকা বাসিন্দারা। এসময় মিয়ানমারের অভ্যন্তরে আগুনের কালো ধোঁয়াও দেখেছেন তারা।

নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় মিয়ানমার সরকারী বাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মিদের সঙ্গে চলছে সংঘর্ষ। হোয়াইক্যং ও হ্নীলা সীমান্তের পূূর্বে মিয়ানমার কুমিরহালি, নাইচদং, কোয়াংচিগং, শিলখালী, নাফপুরা এই গ্রামগুলোতে চলছে সংঘর্ষ। টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং থেকে শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত ৫৪ কিলোমিটার নাফনদীতে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা টহল বৃদ্ধি করেছে।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী বলেন, আজ সকাল থেকে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। একই সাথে আগুনের কালো ধোঁয়াও দেখা যায়। মিয়ানমারে কয়েকটি এলাকায় হয়তো আগুন জ্বলছে। কালো ধোঁয়া মানে অশনিসংকেত। ২০১৭ সালেও কালো ধোঁয়া দেখা গিয়েছিল। এই সময় রোহিঙ্গাদের ঢল আসছিল। তারপরও আমরা রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সজাগ আছি।

হ্নীলা এলাকার বাসিন্দা তারেক মাহমুদ রনি বলেন, ২০১৭ সালের পর আবারও দাউদাউ আগুনে পুড়ছে মিয়ানমারের আরকান রাজ্য। কয়েকদিন ধরে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। সীমান্তের কাছাকাছি বাসিন্দারা অনেক আতঙ্কে আছেন।

হোয়াইক্ষং এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, ভোর থেকে উনছিপ্রাং সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলি হচ্ছে। কালকেও বিমান থেকে হামলা হয়েছে। সীমান্তের বাসিন্দাদের নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

হোয়াইক্যং কান্জর পাড়া দেলোয়ার হোসেন বলেন, হোয়াইক্যং উনচিপ্রাং পুলিশ ফাঁড়ির পূর্বে সীমান্তে মিয়ানমান ওপার থেকে শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটের পর থেকে ভয়ঙ্কর শব্দে কেঁপে উঠছে সীমান্ত এলাকা। সেটি থেমে থেমে ভোর ৫টা পর্যন্ত চলে।

এ বিষয়ে কোস্ট গার্ড চট্রগ্রাম পূর্বজোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তাহসিন রহমান বলেন, মিয়ানমারে চলমান যুদ্ধের কারণে সীমান্তের নাফনদে আমাদের টহল চলমান রয়েছে। নতুন করে বাংলাদেশে কোন অনুপ্রবেশকারীকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

   

সিইসির সুযোগ-সুবিধা বাংলা ভাষায় আইনে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) আইন, ২০২৪ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ইংরেজিতে থাকা অধ্যাদেশটি বাংলা ভাষায় আইনে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত আইন অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সচিব আরও জানান, ১৯৮৩ সালের একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য কমিশনারদের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। সামরিক সরকারের আমলের যেসব অধ্যাদেশ বর্তমানে প্রযোজ্য বলে বিবেচিত হবে সেগুলোকে আইনে রূপান্তর করার বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে। তারই আলোকে নতুন আইনটি করা হচ্ছে।

সরকার এ অধ্যাদেশটি বাংলা ভাষার আইনে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই আলোকে তৈরি করা আইনের খসড়াটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে বলে জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারপতির সমান সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের সমান সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন নির্বাচন কমিশনার। নতুন আইনে বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। আগে যেসব সুযোগ- সুবিধা দেওয়ার বিধান ছিল এখনও সেটাই বহাল রাখা হয়েছে।

;

চট্টগ্রামে মাদক মামলায় যুবকের ৬ বছর কারাদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশীর থানার একটি মাদক মামলায় মো. শুক্কর আলী প্রকাশ ইউসুফ (২৮) নামের এক যুবককে ৬ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞার আদালত এই রায় দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি নগরীর খুলশী থানার কুসুমবাগ আবাসিক এলাকার আল সিরাজ টাওয়ার থেকে মো. শুক্কর আলী প্রকাশ ইউসুফকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৭ । এ সময় শুক্কর আলীর বাসার ফ্লোরের বিছানার নিচ থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর তৎকালীন এসসিপিও মো. হারুন অর রশীদ বাদী হয়ে খুলশী থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৯ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে আদালত একই বছরের ১৯ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ইয়াবা মামলায় আসামি মো. শুক্কর আলী প্রকাশ ইউসুফের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৬ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন, পরে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

;

কেএনএফ'র আরও ২ সদস্য কারাগারে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, বান্দরবান
কেএনএফ'র আরও ২ সদস্য কারাগারে

কেএনএফ'র আরও ২ সদস্য কারাগারে

  • Font increase
  • Font Decrease

বান্দরবানে রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতি, মসজিদে হামলা, টাকা-অস্ত্র লুটের ঘটনায় কেএনএফ সন্দেহে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক আরও ২ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে বান্দরবান চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নাজমুল হোসাইনের আদেশের প্রেক্ষিতে কারাগারে পাঠানো হয় তাদের।

আসামিরা হলেন, বান্দরবান সদরের ৪নং সুয়ালক ইউপির ৬নং ওয়ার্ড ফারুক পাড়া এলাকার লাল টুয়ান বমের ছেলে টাইসন বম (২৩) ও সানকিম বমের ছেলে ভান খলিয়ান বম (৩৭)।

আদালতের জিআরও বিশ্বজিত সিংহ জানান, থানচিতে ব্যংক ডাকাতির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই জন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ পর্যন্ত মোট ৬৪ কেএনএফ সদস্য ও একজন চাঁদের গাড়ীর চালকসহ মোট ৬৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ২০ জন নারী রয়েছেন।

বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে প্রকাশ্যে ব্যাংক লুটের পর বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ ও সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় এ পর্যন্ত ৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

;

সিরাজগঞ্জে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন

সিরাজগঞ্জে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের পটভূমি ও তাৎপর্যের উপর ভিত্তি করে “মুজিবনগর দিবস" এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) জেলা প্রশাসন আয়োজনে সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের শহিদ এ.কে. শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন-সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ড. জান্নাত আরা হেনরী তালুকদার৷

এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে সরকারের অগ্রগণ্য অবদান রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকালে প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে বহিঃবিশ্বে যোগাযোগ স্থাপন ও যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে "মুজিব নগর সরকার" গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বেই বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু হয়। আর এরই ধারাবাহিকতায় গঠিত হয় মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ এই দিনেই শপথ গ্রহণ করেন।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী ও বঙ্গবন্ধুর পক্ষে তারা মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেন। আমাদের নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে এবং তাদেরকে প্রকৃত ইতিহাস জানাতে হবে। বাঙালি জাতির প্রকৃত ইতিহাস জানলে আজকের শিশুরা দেশ প্রেমিক হয়ে উঠবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া, সিরাজগঞ্জ স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গণপতি রায়, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট কে. এম. হোসেন আলী হাসান, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. আব্দুস সামাদ তালুকদার, সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু ইউসুফ সূর্য, মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক আলী, মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল মতিন মুক্তা, মুক্তিযোদ্ধা ফজলার রহমান ফজলু, মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম শফি, মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব আলী প্রমুখ।

এসময়ে অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, মুক্তিযোদ্ধাগণ, আওয়ামী লীগ ও তার বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সুধীজন, গুণীজন এবং প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

;