মৃত্যু শূন্য দিনে করোনায় আক্রান্ত ৩৪



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে কারও মৃত্যু না হলেও নতুন করে ৩৪ জনের দেহে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৫১ জনে। আর মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৯১ জন অপরিবর্তিত রয়েছে।

শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩৭ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ১৫ হাজার ৫৩৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা করা হয় ৪৬৯ জনের নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ০৮ শতাংশ।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দু’দিন করোনায় সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

   

নওগাঁর পত্নীতলায় ৪২ কেজি গাঁজাসহ আটক ২



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নওগাঁ
নওগাঁর পত্নীতলায় ৪২ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

নওগাঁর পত্নীতলায় ৪২ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

  • Font increase
  • Font Decrease

নওগাঁর পত্নীতলায় অভিযান চালিয়ে নারীসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৫। এসময় ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) ভোরের দিকে উপজেলার ঘোষনগর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। অভিযানের সময় আরও দুই জন পালিয়ে গেছে।

আটককৃতরা হলেন, ঘোষনগর এলাকার মৃত আজগর আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী (৭০) এবং মৃত মোজাফফর মিয়ার মেয়ে মনোয়ারা বেগম (৫০)। পলাতকরা হলেন মোহাম্মদ আলীর দুই ছেলে বকুল হোসেন (৪৪) ও আবু সাঈদ (৩৫)।

জানা যায়, আটককৃত আসামি মোহাম্মদ আলী ও মনোয়ারা বেগম চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তারা উভয়ে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে ঘোষনগর নিজ নিজ বসত বাড়িতে মজুদ করে রাখতো। এরপর সুযোগ বুঝে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করতো। আর মজুদকৃত অবৈধ মাদক বিক্রিতে বিশেষভাবে সহযোগিতা করতো মোহাম্মদ আলীর দুই ছেলে পলাতক আসামি বকুল ও সাঈদ। এভাবে তারা দীর্ঘদিন থেকে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে গত কয়েকদিন ধরে র‌্যাব এর গোয়েন্দা দল তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার ভোরের দিকে র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি চৌকস দল ঘোষনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ আলী ও মনোয়ারা বেগমকে আটক করে। এরপর তাদের দুজনের বসত বাড়ি তল্লাশি করে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এসময় মোহাম্মদ আলীর দুই ছেলে বকুল হোসেন ও আবু সাঈদ কৌশলে পালিয়ে যায়। আসামিদেরকে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পত্নীতলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

;

আজও ঢাকার রাস্তা ফাঁকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ ও বাংলা নতুন বছরকে কেন্দ্র করে টানা ছুটির ফাঁদে পড়েছে দেশ। পবিত্র ঈদ উল ফিতরকে সামনে রেখে লম্বা ছুটি উপভোগ ও পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে ঢাকা ছাড়ছেন লাখ লাখ মানুষ। ফলে অনেকটাই ফাঁকা হয়ে গেছে রাজধানী ঢাকা। সড়কেও নেই যানবাহনের চাপ। দেখা নেই রাজধানীর সড়কের সেই চিরচেনা যানজটেরও। নেই কর্মচঞ্চল মানুষের ছুটে চলা। ফলে আজও অনেকটাই নিষ্প্রাণ ‍রাজধানীর সড়ক।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর কল্যানপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদগেট, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার এবং বাংলামোটর ঘুরে ফাঁকা রাজধানীর এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর কোথাও নেই সেই চিরচেনা যানজট। সীমিত হারে চলাচল করছে যানবাহন। কিছু সময় পর পর আসছে গাড়ি। বিভিন্ন বাস পয়েন্টে গাড়ির জন্য অপেক্ষায় থাকছেন গন্তব্যগামী সাধারণ মানুষ। অধিকাংশ গণপরিবহনেই থাকছে যাত্রী সংকট, ফাঁকা পরে থাকছে আসনও। তবে যানজট বিহীন সড়কে চলাচলে সীমিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরে অনেকটা উচ্ছ্বাসিত ভাব প্রকাশ করছেন যাত্রীরা।

মুঠোফোন অপারেটরদের সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে গত চার দিনে (৬-৯ এপ্রিল) রাজধানী ছেড়েছেন ৫৭ লাখের মতো মুঠোফোন সিমধারী। এ হিসাবে এ সময়ে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা আরও বেশি হবে। গত বছর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক কোটির বেশি সিমধারী ঢাকা ছেড়েছিলেন। সিমধারী বলতে একেকজন মানুষকে বোঝানো হয়েছে (ইউনিক ইউজার)। তাঁদের সঙ্গে প্রবীণ নারী-পুরুষ ও শিশুরা থাকতে পারে, যারা মুঠোফোন ব্যবহার করে না। ফলে প্রকৃতপক্ষে কত মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন, সেই হিসাব পাওয়া কঠিন।

এছাড়া একই সময়ে ঢাকায় প্রবেশ করা মুঠোফোন সিমধারীর সংখ্যা ২৩ লাখের বেশি।

অপারেটরদের সূত্রে জানা গেছে, গত চার দিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুঠোফোন সিমধারী ঢাকা ছেড়েছেন গতকাল ৯ এপ্রিল, ১৯ লাখের মতো। এদিন ছিল ঈদুল ফিতর ও পয়লা বৈশাখের সরকারি ছুটি শুরু হওয়ার আগে শেষ কার্যদিবস। সড়ক, রেল ও নৌপথে ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। একই দিন ঢাকায় প্রবেশ করেন সাড়ে চার লাখের বেশি মানুষ।

অপারেটরদের সূত্রে জানা যায়, ৬ ও ৭ এপ্রিল ঢাকা ছেড়েছিলেন ২০ লাখের বেশি মুঠোফোন সিমধারী। এ সময় ঢাকায় প্রবেশ করেছেন সাড়ে ৯ লাখের বেশি সিমধারী ব্যক্তি। আর মাঝখানে ৮ এপ্রিল ঢাকা থেকে বের হওয়া ও ঢাকায় প্রবেশ করা সিমধারীর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৭ লাখের বেশি ও ৫ লাখের মতো।

ঈদ উপলক্ষে ১০ এপ্রিল থেকে সরকারি ছুটি শুরু হয়। কিন্তু ঈদ উপলক্ষে গেল সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) থেকেই মানুষ ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন। এরপর শুক্র ও শনিবার দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি এবং মাঝে রবিবার পবিত্র শবে কদরের ছুটি পড়ে। পবিত্র ঈদুল ফিতরে এবার লম্বা ছুটি রয়েছে। মূল ঈদের ছুটি ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিল। এর পরদিন, অর্থাৎ ১৩ এপ্রিল শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। তার পরদিন রবিবার পয়লা বৈশাখের ছুটি। এতে টানা পাঁচ দিন ছুটি নিশ্চিত।

এদিকে পরিবহনবিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো. হাদীউজ্জামানের ২০২৩ সালের একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, ঈদের আগের চার দিনে ঢাকা ছাড়েন ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ। সে হিসাবে ঈদের সময় প্রতিদিন গড়ে বাড়ি যান ৩০ লাখ মানুষ।

গত বছর ঈদুল ফিতরের সময়ে ঈদের আগে পাঁচ দিনে এক কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছেড়েছিলেন।

;

হাসপাতালে কাটল যাদের ঈদ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, কম
হাসপাতালে কাটল যাদের ঈদ

হাসপাতালে কাটল যাদের ঈদ

  • Font increase
  • Font Decrease

আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। পরিবার-প্রিয়জন নিয়ে উৎসবে মেতে উঠেছে দেশবাসী। তবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য এবার ঈদে ছুটি মেলেনি সংবাদমাধ্যমকর্মী, শহরের পরিচ্ছন্নতাকর্মী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসকর্মী, কারাগারে দায়িত্বরত, হাসপাতাল, পরিবহনকর্মীর অনেকেই। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মীদেরও মেলেনি এবার ঈদের ছুটি। পেশাগত দায়িত্ব পালন করলেও কেউ কেউ একপ্রকার বাধ্য হয়েই এবার ঈদে ছুটি কাটিয়েছেন হাসপাতালের বেডে।

অসুস্থতায় কাবু হয়ে ঈদ বিসর্জন দিতে হয়েছে তাদের। পরিবার-প্রিয়জনরা ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করলেও হাসপাতালের বেডে শুয়ে ঈদ উপভোগ না করার যন্ত্রণায় কেঁদেছে অনেকেই।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদের দিনে প্রায় ৪৯৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন রোগীর আত্মীয়রা ঈদের দিন সেমাই ও খাবার নিয়ে দেখতে আসলেও বেশিরভাগ রোগী ও পরিবারের দিন কেটেছে বিষাদে। রেস্টুরেন্ট থেকে কেনা খাবার অথবা হাসপাতালের খাবারেই ঈদ কেটেছে অসহায় অনেক রোগীর।

রিকশাচালক মান্নান হোসেন তাদের একজন। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের ১২৭ নং ওয়ার্ডের চিকিৎসাধীন তিনি। ঠান্ডা জ্বর নিয়ে গত ৪ এপ্রিল ভর্তি হয়েছেন হাসপাতালে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির অসুস্থতায় স্ত্রী ও দুই ছেলে মেয়েও পড়ে আছেন হাসপাতালে। ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা নার্স জানালেন ঠান্ডা জ্বর থেকে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি।

ঈদ কেমন কেটেছে মান্নান ও তার পরিবারের জানতে চাইলে মান্নান বলেন, ভাগ্য বদলের জন্য ভোলা থেকে ঢাকা আসছি। রিকশা চালিয়ে সংসার চলে। এবার ঈদে বাচ্চাটারে কিছু কিনে দিতে পারিনি। মেডিকেলেই কাটল সব। টাকাপয়সা জমানো ছিল সব গেছে। ঈদ আমাগো গরিবের এমনিতে নাই, তার ওপর অসুস্থ।।

মান্নানের স্ত্রী আশরিফা বেগম বলেন, স্বামী অসুস্থ থাকলে কি বউয়ের ঈদ থাকে? এক সপ্তাহ থেকে হাসপাতালে এভাবেই আমাদের ঈদ গেছে।

আরেক রোগী শহিদুল ইসলাম। শ্বাসকষ্ট নিয়ে এসেছেন হাসপাতালে। ছেলেমেয়েরা দেখে গেছেন ঈদের দিন বিকালে। তবে ঈদের নামাজ আদায় করতে না পেরে কিছুটা বিষণ্ণ তিনি।

শহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদের নামাজটাই তো আসল। রোজা রাখতে পারিনি, নামাজটাও গেল। হাসপাতালে ঈদ কাটানো কি ভালো? ভালো না তো। কিন্তু কী করব কিছু তো করার নাই।

এদিকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের রোগীদের সেবা দিতে এবার ছুটি পাননি সেখানে দায়িত্বে থাকা ১২৩ জন নার্স। পরিবারে সময় দেওয়ার বিপরীতে তাদের ঈদ কেটেছে রোগীদের সেবা করে। দায়িত্ব পালনে তাদের ঈদ আনন্দ অনেকটা বিলীন হলেও মানুষের সেবা করতে পেরে খুশি তারাও।

মিফতাফি তাবাসসুম নামের এক নার্স বলেন, দেখেন মানুষের সেবা করা মহৎ কাজ। এই আশায় এসেছি সেবা করার জন্য। ঈদ তো একদিনের জন্য। তবে এই সেবা আমার প্রতিদিনের কাজ। আফসোস পরিবার পাশে নেই, তবে খারাপ কাটেনি।

সিমরান আক্তার সীমা নামের আরেক নার্স বলেন, পরিবারের সাথে আমাদের ঈদ খুব একটা কাটানো হয় না। দায়িত্ব পালনে অনেক ঈদ একা কাটাতে হয়েছে। তবে আক্ষেপ নাই। পরিবারের কয়েকজন মানুষের বিপরীতে অনেক মানুষের সেবা করতে পেরেছি।

হাসপাতালটিতে শতাধিক নার্স ও রোগীর পাশাপাশি ৭ জন ডাক্তার। এছাড়া প্রায় ২৫ জন সাপোর্ট স্টাফ ছুটি পাননি এবার ঈদে। অন্য সবার মত তাদেরও ঈদ কেটেছে মানুষের সেবা নামের দায়িত্ব পালন করেই।

;

নীলফামারীতে ছেলের বিয়ের দিনে বাবার মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
নীলফামারীতে ছেলের বিয়ের দিনে বাবার মৃত্যু

নীলফামারীতে ছেলের বিয়ের দিনে বাবার মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীতে ছেলের বিয়ের দিনে অসুস্থ হয়ে নুর আমিন (৫০) নামে এক চা বিক্রেতা মারা গেছেন।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) রাতে শহরের প্রগতি পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নুর আমিন শহরের বড় বাজারে চা বিক্রি করতেন।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে নীলফামারীর সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আব্দুল খালেকের মেয়ের সঙ্গে চা বিক্রেতা নুর আমিনের ছেলে সোহাগ ইসলামের বিয়ে সম্পন্ন হয়। শুক্রবার রাতে বিয়ের বাকি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ছেলের বউকে ঘরে তোলার কথা ছিল। এ কারণে সবধরনের প্রস্তুতিও শেষ করেন নুর আমিন। বাড়িতেও আত্মীয় স্বজনে ভরপুর। সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা দ্রুত নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মুহূর্তেই আনন্দের বাড়িতে নেমে আসে বিষাদের ছায়া।

নীলফামারী পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর রত্না রানী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে উনাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ছেলের বিয়ের দিনে হঠাৎ বাবার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকার শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

;