শত বছরের পুরনো ঐতিহ্য নওগাঁর প্যারা সন্দেশ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নওগাঁ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিচিত্র খাবারের মধ্যে নওগাঁর প্যারা সন্দেশ বেশ সুপরিচিত। নওগাঁয় গেছেন আর এই সন্দেশের স্বাদ নেননি, এমন মানুষ খুব কম আছে। এই জেলায় যারা বেড়াতে আসেন তারা এই সন্দেশের স্বাদ নিতে ভোলেন না।

পুরোনো ঐতিহ্যেকে ধরে রেখে সামান্য মুনাফায় প্রায় শত বছর ধরে ভোজন প্রেমিদের চাহিদা মেটাচ্ছে নওগাঁর প্যারা সন্দেশ। স্বাদে-মানে অনন্য এই প্যারা সন্দেশের সাথে মিশে আছে শত বছরের পুরনো ইতিহাস। প্রথম দিকে শুধু পূজা মণ্ডপের দেব-দেবীর উপাসনার জন্যই এই সন্দেশ তৈরি করা হতো। পরবর্তীত সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুনের কারণে সন্দেশটি এখন বিখ্যাত মিষ্টান্ন হিসেবে পরিচিত।

বহু বছর আগে নওগাঁ শহরের কালীতলা এলাকায় বুড়াকালীমাতা মন্দিরের পাশে একটি মিষ্টির দোকান ছিল। সেই দোকানে ভোগের মিষ্টি বা দেবতার জন্য উৎসর্গ করা খাবার তৈরি করে বিভিন্ন মন্দিরে বিক্রি করতেন। মিষ্টি তৈরির কারিগর ছিলেন মহেন্দ্রী দাস নামের এক ব্যক্তি। ভারতের বিহার এলাকায় কোনো এক নবাবের মিষ্টি তৈরির কারিগর ছিলেন তিনি। নবাবের মৃত্যুর পর তিনি নওগাঁ শহরের কালীতলা এলাকায় বসবাস শুরু করেন। তিনিই প্রথম প্যারা সন্দেশের প্রচলন করেন।

মহেন্দ্রীর মৃত্যুর পর ছেলে ধীরেন্দ্রনাথ দাস দোকানে দায়িত্বে আসার পর মিষ্টি তৈরির কারিগর বিমল মোহন্তের দক্ষতা ও হাতের স্পর্শে প্যারা সন্দেশের সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। মালিকানা ও কারিগর পরিবর্তন হলেও সন্দেশ তৈরির প্রক্রিয়া ও স্বাদ রয়ে গেছে শত বছর আগের মতই। শুধু জেলায় নয়, জেলার বাইরেও এর সুনাম রয়েছে। দেশের গন্ডি পেরিয়ে ভারত, মালয়েশিয়া, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে এই সন্দেশ।

সন্দেশ তৈরির প্রধান উপকরন হলো দুধ ও চিনি। ছয় কেজি দুধের সঙ্গে এক কেজি চিনি মিশিয়ে তৈরি করা হয় এক কেজি প্যারা সন্দেশ। প্রতি কেজিতে ৬০ থেকে ৬৫ পিস হয়। যা বর্তমানে প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়।

কালিতলা এলাকার বাসিন্দা বিষ্ণু চৌধুরী বলেন, প্যারা সন্দেশ আমার কাছে সব থেকে ভালো মনে হয়েছে। এই সন্দেশের স্বাদও সঙ্গে অন্য কোনো সন্দেশের স্বাদের তুলনা হয় না।

হক মিষ্টান্ন ভান্ডারের ম্যানেজার নূর ইসলাম বলেন, আগে যে কারিগর ছিলেন, তিনি যারা মারা যাবার পর হাত বদল হতে হতে এখন আমরা সেই স্বাদ ধরে রেখে প্রথম স্থানে আছি। শুধু পূজা বা ঈদেই নয়, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেও নিয়ে যাওয়া হয় এই সন্দেশ।

নওগাঁ মিষ্টান্ন ভান্ডারের ম্যানেজার রিপন জানান,আমরা ৪২ বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী সন্দেশের ব্যবসা করে আসছি। পুরোনো স্বাদ ধরে রাখার জন্য চেষ্টা করি এবং আমাদের যে সকল কারিগর আছে তারা অনেক পুরোনো। তাদের নিরলস কাজের জন্য এই সন্দেশের স্বাদ এত বিখ্যাত। সবাই সন্দেশ তৈরি করতে পারে না।

   

মুজিবনগরে ব্যাংক কর্মচারীকে অজ্ঞান করে টাকা লুট!



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মেহেরপুর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার শিবপুরে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংক থেকে টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে ব্যাংক কর্মচারী সাগর শেখকে (২৭) অজ্ঞান করে টাকা লুট করে পালিয়ে যায় অজ্ঞাত দুই জন। অসুস্থ অবস্থায় সাগর শেখকে মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ডাচ বাংলা ব্যাংকের শিবপুর গলাকাটা বাজারে বিপ্লব হোসেন এজন্টে হিসেবে ব্যাংক পরিচালনা করে আসছেন।

সোমবার দুপুরে ব্যাংক কর্মচারী সাগর শেখ কাজ করছিলেন। এসময় অজ্ঞাতরা ব্যাংকে প্রবেশ করে তাকে অজ্ঞান করে। আশেপাশের লোকজন টের পাওয়ার আগেই তারা ব্যাংক থেকে টাকা লুটে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, ঘটনার আগে তারা ব্যাংকে অজ্ঞাত দুজনকে প্রবেশ করতে দেখেছিলেন। তবে তারাই যে এ ঘটনার সাথে জড়িত তা নিশ্চিত নন কেউ। তাদের প্রবেশের কিছুক্ষণ পরে সাগরকে অজ্ঞান দেখেন স্থানীয়রা।

ব্যাংক এজেন্ট বিপ্লব হোসেন জানান, স্থানীয়রা সাগরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ব্যাংকের সিসিটিভি ক্যামেরা ও ইন্টারনেট সংযোগ বিছিন্ন পেয়েছেন তিনি। অজ্ঞাত ডাকাতরা এ সংযোগগুলো বিছিন্ন করে ডাকাতি করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কত টাকা লুট হয়েছে জানতে বিপ্লব হোসেন বলেন, প্রতিদিন ব্যাংকে অনেক টাকা থাকে। এর সাথে প্রতিদিনের লেনদেনের আরও টাকা থাকে। তাই টাকার অংকের সঠিক হিসেবে দিতে পারেননি তিনি।

মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আসাদুজ্জামান জানান, ব্যাংক কর্মচারীর শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে। চোখ খুলে তাকাচ্ছে কিন্তু তার চেতনা ফেরেনি। তাকে কিছু খাইয়ে অজ্ঞান করা হয়েছে না চোখে চেতনানাশক স্প্রে করা হয়েছে তা নিশ্চিত হতে সময় লাগবে।

মুজিবনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজ্জল দত্ত জানান, খরব পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হাসপাতালে ভর্তি কর্মচারী সুস্থ হলে তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। তবে পুলিশের তদন্ত শুরু হয়েছে।

;

স্কুল শিক্ষককে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন: গ্রেফতার ৩



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
স্কুল শিক্ষককে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন: গ্রেফতার ৩

স্কুল শিক্ষককে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন: গ্রেফতার ৩

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরে চোর অপবাদ দিয়ে স্কুল শিক্ষক আক্তার হোসেন বাবুকে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বেঁধে প্রকাশ্যে লাঠি দিয়ে পেটানোর ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে তাদেরকে লক্ষ্মীপুর আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠায় পুলিশ। তারা হলেন শহীদ আলম, সাইমন হোসেন ও তার ভাই শ্রাবন।

গ্রেফতার শহীদ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল মান্নানের ছেলে, সাইমন ও শ্রাবন একই এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে।

পুলিশ জানায়, রোববার (১৪ এপ্রিল) রাতে ভুক্তভোগী আক্তারের ভাই মাসুদুর রহমান মাসুদ বাদী হয়ে সুমন ওরফে প্যাঁচা সুমনসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। রাতেই পৌর শহরের সমসেরাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করে।

জানা গেছে, শুক্রবার (১২ এপ্রিল) রাতে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আইয়ুব আলীর পুল এলাকায় শিক্ষক আক্তারের ওপর বর্বর এ নির্যাতন চালানো হয়েছে। তিনি সদর হাসপাতালে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আক্তার লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের লাহারকান্দি এলাকার মৃত লকিয়ত উল্যাহর ছেলে ও ঢাকার ক্যামব্রিজ স্কলারর্স স্কুলের শিক্ষক।

আক্তারের পরিবার সূত্র জানায়, ঈদের ছুটিতে আক্তার বাড়িতে বেড়াতে এসেছে। ঘটনার দিন সন্ধ্যার পর আইয়ুব আলীর পুল এলাকায় তিনি ছোট ভাই মাসুদের বাড়িতে দাওয়াতে যান। সেখান থেকে আসার পথে পেঁচা সুমন, সাইমন হোসেন, অটোরিকশা চালক আলাউদ্দিন আলো, মমিন উল্যাহ ও শ্রাবনসহ কয়েকজন তাকে মলম পার্টি অপবাদ দিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে হাত-পা বেঁধে ফেলে। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা টাকা ও মোবাইলফোন নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে তাকে জনসম্মুখে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে তারা।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, শিক্ষককে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত এজাহারনামীয় ৩ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অন্য আসামিদের গ্রেফতার করতে অভিযান চলছে।

;

উপজেলা নির্বাচন: ফুলগাজী ও পরশুরামে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২১ জন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফেনী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরামে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে বিভিন্ন পদে ২১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে ফুলগাজী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একইভাবে পরশুরাম উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

জেলা নির্বাচন দপ্তর সূত্র জানায়, ফুলগাজী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল আলিম মজুমদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন মজুমদার, জাফর উল্ল্যাহ মজুমদার।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মাহাবুবুল হক কালা, পরিমল চন্দ্র রায়, অনিল বনিক, আবদুর রহিম পাটোয়ারী, সাইফুদ্দিন মজুমদার। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মঞ্জুরা আজিজ, সাজেদা আক্তার এবং মাহাফুজা আক্তার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

পরশুরাম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ মজুমদার, বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন মজুমদার এবং বক্সমাহমুদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হাশেম চৌধুরী।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এম সফিকুল হোসেন মহিম, ইকরামুল করিম মজুমদার, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আবদুর রসুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নজরুল ইসলাম রিটু। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বর্তমান উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সামছুন নাহার পাপিয়া, নিলুফা ইয়াসমিন মজুমদার।

রিটানিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, উভয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৭ এপ্রিল, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১৮ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে, আপিল নিষ্পত্তি ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ হবে এবং ভোট গ্রহণ হবে আগামী ৮ মে।

;

উপজেলা নির্বাচন: হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে চেয়ারম্যান পদে ৮ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপে লালমনিরহাটের দুই উপজেলা হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামে চেয়ারম্যান পদে ৮ জন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন।

হাতীবান্ধা উপজেলায় আলোচিত জামায়াত নেতা হাবিবুর রহমান সাতাসহ মোট ৫ জন চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। আর পাটগ্রাম উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়পত্র দাখিল করেছেন ৩ জন।

হাতীবান্ধায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু, বর্তমান চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন, জামায়াত নেতা হাবিবুর রহমান সাতা, মজিবুল আলম সাদাত ও তার স্ত্রী শাহানা ফেরদৌস সীমা।

এদিকে হাতীবান্ধা উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে জেলা বিএনপির অন্যতম নেতা শামসুজ্জামান সেলিমসহ মোট ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মহিলা দলের আহবায়ক মাকতুফা রহমান বেলিসহ মোট ৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

পাটগ্রাম উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বাবুল, ওয়াজেদুল ইসলাম শাহীন ও রেজাউল করিম রাজ্জাক মনোনয়ন দাখিল করেছেন।

পাটগ্রাম উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পৌর বিএনপির সাবেক সভানেত্রী লতিফা আক্তারসহ মোট ৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে।

;