‘জায়গাটিকে খুবই নিজের বলে মনে হয়’



বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি ঢাকা সফর করে গেছেন ভারতের বাংলাদেশ লাগোয়া মেঘালয় প্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী স্নিয়াভলং ধরের নেতৃত্বে ৬৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। ঢাকায় মেঘালয় তথা পূর্ব ভারতের অধিবাসীদের কাছে পরম শ্রদ্ধেয় স্বাধীনতা সংগ্রামী খাসিয়া বীর ইউ তিরৎ সিংয়ের ভাস্কর্য উন্মোচনের কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা প্রতিনিধি দলটি পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের জেলখানা পরিদর্শন করেন, যেখানে একসময় কারাবন্দী ছিলেন তিরৎ সিং।

পরে প্রতিনিধি দল ঢাকার আহসান মঞ্জিল জাদুঘরও পরিদর্শন করেন। আহসান মঞ্জিল চত্বরে বার্তা২৪.কম-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রতিনিধি দলের প্রধান মেঘালয়ের উপ-মুখ্যমন্ত্রী স্নিয়াভলং ধর পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের নানা প্রসঙ্গে কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে তিনি ‘জায়গাটিকে খুবই নিজের বলে মনে হয়’ উল্লেখ করে বাংলাদেশের সঙ্গে মেঘালয়ের নাগরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য তাঁর প্রাদেশিক সরকারের আগ্রহের কথাও তুলে ধরেন।

রিপন রেজার ক্যামেরায় স্নিয়াভলং ধরের এই সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছেন পরিকল্পনা সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম ও স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ইশতিয়াক হুসাইন।

বার্তা২৪.কম: এবার মেঘালয় সরকারের এই প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফরের সম্পর্কে জানতে চাই… 

স্নিয়াভলং ধর: বাংলাদেশে আমাদের এবারের সফর মেঘালয়ের জনগণের জন্য নানা কারণেই বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত এজন্য যে, ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনামলে আমাদের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী ‘খাসিয়া বীর’ ইউ তিরৎ সিং ঢাকাতে বন্দি অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন, তাঁর প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানাতে পেরেছি। এই সফর আমাদের জনগণের আবেগকে স্পর্শ করেছে। বাংলাদেশের সরকার ও ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনকে আমরা মেঘালয় ও ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য।


বার্তা২৪.কম: মেঘালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের স্থলসীমা রয়েছে। রাজধানীর ঢাকার সবচেয়ে কাছের ভারতীয় রাজ্য মেঘালয়। ব্যবসা ও পর্যটনে ক্ষেত্রে এ সুযোগকে কিভাবে কাজে লাগাতে পারি আমরা?

স্নিয়াভলং ধর: নি:সন্দেহে বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের মধ্যে একটি শক্তিশালী বন্ধন রয়েছে। বিশেষ করে ব্যবসার ক্ষেত্রে। আমাদের মধ্যে অনেক কিছু আমদানি-রপ্তানি হচ্ছে। আপনারা জানেন, বহু বাাংলাদেশি মেঘালয়ে ঘুরতে যান। আমরা সব সময় এদেশের মানুষকে মেঘালয়ে স্বাগত জানাই। আবার আমাদের মানুষেরা এখানে আসেন। আমরা এই আসা-যাওয়া আরও সহজ করতে পর্যটন নীতিমালা করতে চাই; যাতে দু’দেশের মানুষেরই উপকৃত হয়। এরই অংশ হিসেবে এখন মেঘালয় ও বাংলাদেশের মধ্যে অনেক বিষয়ে আলোচনা করছি। কারণ বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা মেঘালয়ে তাদের ব্যবসা বিস্তৃত করছে। আমরা চাইছি, এই ব্যবসায়িক সম্পর্ক কিভাবে আরো জোরদার করা যায়।

বার্তা২৪.কম: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও মুক্তিসংগ্রামের চেতনা এই সম্পর্ক উন্নত করতে কি প্রভাব ফেলতে পারে…

স্নিয়াভলং ধর: আমাদের অনেক ক্ষেত্রেই অভিন্ন ঐতিহ্য রয়েছে। সেটা সংস্কৃতিগত ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের আলোকে একটি গভীর সংযোগ রয়েছে বাংলাদেশ আর মেঘালয়ের মধ্যে। আমরা এই পরম্পরাকে কাজে লাগাতে চাই। খাসিয়া বীর তিরৎ সিংয়ের ঢাকার স্মৃতি দেখতে আমাদের এই সফর তারই অংশ। সেই সঙ্গে আমরা সাংস্কৃতিক কর্মসূচি বিনিময়ের পরিকল্পনা করছি।

বার্তা২৪.কম: বাংলাদেশ-মেঘালয়ের জনগণের সম্প্রীতি বাড়াতে গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা কিভাবে দেখেন…

স্নিয়াভলং ধর: প্রতিবেশী দেশের জনগণের পারস্পারিক যোগাযোগ বাড়াতে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। লক্ষ্য করে দেখবেন, ঢাকায় তিরৎ সিংয়ের এই মেমোরিয়াল উম্মোচনের সংবাদটি গণমাধ্যমের মাধ্যমেই গণমানুষ জানতে পারছে। আমি নিজেও মনে করি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নে; বিশেষ করে নাগরিক সম্পর্ক গভীর করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অব্যাহত থাকা জরুরি।

বার্তা২৪.কম: বর্তমান বাংলাদেশ ঘুরে দেখার পর এখন আপনার অনুভূতি কেমন?

স্নিয়াভলং ধর: যখনই আমি বাংলাদেশে আসি এই জায়গাটিকে খুবই নিজের বলে মনে হয়। বাংলাদেশের ক্রমাগত এগিয়ে যাওয়া আমাদের দারুণভাবে আনন্দিত করে। এখানে যতগুলো কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি সব জায়গাতে আমাকে ও আমার প্রতিনিধি দলকে উঞ্চ সবংর্ধনা দেওয়া হয়েছে। আমরা অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। এর জন্য এদেশের মানুষ ও সংশ্লিষ্ট সবাই অনেক ধন্যবাদ জানাই। 

   

মাদারীপুরে এক্সপ্রেসওয়েতে বাস উল্টে নিহত ১, আহত ১০



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম, মাদারীপুর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মাদারীপুরের শিবচরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রীবাহী বাস উল্টে গোলাম রহমান শিকদার নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মাদারীপুরের শিবচরের বন্দরখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারীপুরের শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাকিল আহমেদ।

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ইউনিক পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় যাচ্ছিল। বাসটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক্সপ্রেসওয়ের মাদারীপুরের শিবচরের বন্দরখোলা এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় গোলাম রহমান শিকদার নামে এক যাত্রী। এ সময় আহত হন ১০ জন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় কয়েকটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করা ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ।

ওসি মো. শাকিল আহমেদ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 

;

বিশেষ ট্রেনের ২ বগি লাইনচ্যুত, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার যোগাযোগ বন্ধ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
কক্সবাজারগামী বিশেষ ট্রেনের ২ বগি লাইনচ্যুত

কক্সবাজারগামী বিশেষ ট্রেনের ২ বগি লাইনচ্যুত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী বিশেষ ট্রেন (ঈদ স্পেশাল) লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ৯ টা ৪০ মিনিটের দিকে কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারা জংশনে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার গোলাম রব্বানী।

তিনি বলেন, ডুলাহাজারা জংশনে কক্সবাজারগামী ঈদ স্পেশাল ট্রেনের ২ টি কোচ লাইনচ্যুত হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনটি উদ্ধার করার জন্য উদ্ধারকারী দল রওয়ানা দিয়েছে।

ডুলাহাজারা থেকে তীব্র গরমের মধ্যে বাসে সবাই কক্সবাজারে ফিরে এসেছে বলে জানান যাত্রীরা।

ঈদ স্পেশাল ট্রেনের যাত্রী সায়ন্তন ভট্টাচার্য বলেন, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে ঈদ স্পেশাল ট্রেনে করে নিজ বাড়িতে ফিরছিলাম। ট্রেনটি ডুলাহাজারা স্টেশনে লাইনচ্যুত হয়। তীব্র গরমের মধ্যে সব যাত্রীরা বাসে ফিরে যাচ্ছে। আমরাও বাসেই কক্সবাজারে চলে আসি। ট্রেনটি ঠিক হতে হয়তো সারাদিন লেগে যেতে পারে।

;

র‌্যাবের নতুন মুখপাত্র হলেন কমান্ডার আরাফাত ইসলাম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছেন কমান্ডার আরাফাত ইসলাম। তিনি কমান্ডার খন্দকার আল মঈনের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) তাকে দায়িত্ব দিয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক এএসপি ইমরান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত র‌্যাব ১১ জন মুখপাত্র পেয়েছে। আরাফাত ১২তম মুখপাত্র হলেন।

দীর্ঘ তিনবছর মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করা মঈন গত বৃহস্পতিবার নিজ বাহিনীতে ফেরত যান। এর আগে তিনি ২০২১ সালের ২৫ মার্চ র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক হন।

জানা গেছে, কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বর্তমানে র‌্যাব-১৩-এর অধিনায়ক (সিও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গতবছরের জানুয়ারিতে তিনি ব্যাটালিয়নের দায়িত্ব পান। ২০২২ সালে তিনি প্রেষণে র‌্যাবে আসেন। নৌবাহিনীর এই কর্মকর্তা ১৯৯৫ সালে বাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই এক্সিকিউটিভ ব্রাঞ্চে কমিশন লাভ করেন। পেশাগত জীবনে আরাফাত ইসলাম নেভিগেশন অ্যান্ড ডাইরেকশনের ওপর স্পেশালাইজেশন সম্পন্ন করেন। এছাড়া তিনি আবহাওয়াবিদ্যায় উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

পেশাগত জীবনে তিনি নৌবাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), কোস্টগার্ডসহ বিভিন্ন বাহিনীতে চাকরির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে লেবানন এবং সাউথ সুদানে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। পেশাগত দক্ষতা প্রদর্শনের মাধ্যমে তিনি নৌবাহিনী প্রধানের প্রশংসা, ফোর্স কমান্ডার’স কমেন্ডেশনসহ নৌ উৎকর্ষতা পদক (এনইউপি) এবং প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড মেডেল (পিসিজিএম) এ ভূষিত হন। তাছাড়া পৃথিবীর পাঁচটি মহাদেশের প্রায় ৩৪টি দেশ ভ্রমণ করেছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ও দুই কন্যা সন্তানের জনক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম।

;

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ২৭



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ২৭

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ২৭

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ২৭ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ। মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ছয়টা থেকে বুধবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদেরকে আটক করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫১০ পিস ইয়াবা, ১০ কেজি ৪০০ গ্রাম ৪০ পুরিয়া গাঁজা, ১৫১ গ্রাম হেরোইন ও ৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জা‌নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

ডিএমপির নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এ অ‌ভিযান প‌রিচালনা করা হয়েছে বলে জানানো হয়। সেই সঙ্গে আটককৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৩টি মামলা রুজু হয়েছে বলেও জানানো হয়।

;