‘ছেলেকে সুস্থ ফিরিয়ে দিন’ জিম্মি নাবিক সাব্বিরের মায়ের মিনতি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের ডাঙা ধলাপাড়া গ্রামের ছেলে সাব্বির হোসেন। গত সোমবার (১১ মার্চ) বিকেলে ফেসবুকে আপলোড দিয়েছিলেন যে বিষুব রেখা অতিক্রম করলাম। মাথা ন্যাড়া করে ছবি দিয়েছিলেন তিনি। এরপর মঙ্গলবার (১২ মার্চ) সকাল থেকেই তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায় বলে জানান বোন মিতু। 

একমাত্র ছেলের জিম্মির খবর শুনে বাবা হারুন অর রশিদ হাউমাউ করে কাঁদছেন। মা সালেহা বেগম বুক চাপড়িয়ে কাদঁছেন আর বিলাপ করছেন। ‘আমার একমাত্র ছেলেকে ‍সুস্থভাবে ফিরিয়ে দিন এবং মুক্ত করে আনেন’ বলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মিনতি জানাচ্ছেন তিনি।

সাব্বিরের বোন মিতু আক্তার ভাইয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছেন। তার ভাই যেন জিম্মি দশা থেকে মুক্ত হয়ে তাদের কাছে আবার ফেরত আসেন। গ্রামের লোকজন ও আত্মীয় স্বজনরা বাড়িতে এসে তাদের সান্ত্বনা দিচ্ছেন। জিম্মির খবর পেয়ে স্বজনরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সবাই। তাদের একটাই দাবি সরকার যেন দ্রুত সাব্বিরসহ সবাইকে মুক্ত করে আনে।

জানা যায়, ভারত মহাসাগড়ে জলদস্যুদের কবলে এমভি আব্দুল্লাহ নামক পণ্য বহনকারী জাহাজের ২৩ জন নাবিকের মধ্যে রয়েছেন সাব্বির হোসেন। পিতার নাম হারুনুর রশিদ। বাড়ি তিনি নাগরপুরের সহবতপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে এসএসসি পাস করেন। টাঙ্গাইলের কাগমারি এম এম আলী কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন চট্রগ্রাম মেরিন একাডেমিতে। সেখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করে ২০২২ সালের জুন মাসে এমভি আব্দুল্লাহ নামক পণ্য বহনকারী একটি জাহাজে মার্চেন্ট কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি নেন।

সাব্বিরের চাচাতো ভাই আহম্মেদ হোসেন রানা বলেন, সাব্বিররা এক ভাই এক বোন। তিনি অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করেছেন। তার বাবা কৃষিকাজ করে সংসার চালাতেন। বোনের বিয়ে হয়েছে। সাব্বিরের বাবা মস্তিস্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে প্যারাইলাইজড হয়ে শয্যাশায়ী। সাব্বিরের চাকরি হওয়ার পর তার মা শয্যাসায়ী স্বামীকে নিয়ে সহবপুর তার বাবার বাড়ি বসবাস করেন। সহবতপুরের ডাঙা ধলাপাড়া গ্রামে এখন আর কেউ থাকেন না। একমাত্র উপার্জনক্ষম সাব্বির। তার কিছু হয়ে গেলে তাদের আর চলার উপায় থাকবে না। সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, সাব্বিরসহ সবাইকে যেন জিম্মি দশা থেকে দ্রুত মুক্ত করে আনে।

সাব্বিরের একমাত্র বোন মিতু আক্তার বলেন, আমার ভাই এক মাস আগে বাড়ি এসেছিলেন। একদিন থেকেই তিনি চলে গেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে এমভি আব্দুল্লাহ জাহাজটি জলদস্যুদের কবলে পড়ার খবর পেয়ে আমরা সবাই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। আমার বাবা মা খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। তারা শুধু কেঁদেই চলেছেন। আমার একমাত্র ভাইয়ের কিছু হলে বাবা মাকে বাচাঁনো যাবে না। অতি দ্রুত আমার ভাইকে মুক্ত করে আনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

বিএনপি নেতা এ্যানি আটক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিএনপি নেতা এ্যানি আটক

বিএনপি নেতা এ্যানি আটক

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের সদস্যসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর এলিফেন্ট রোড এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

;

‘দেশে ধ্বংসযজ্ঞে জড়িত বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতা বিরোধী চক্র’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের শান্তি শৃঙ্খলা, রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জালমাল বিনষ্টে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে বিএনপি-জামায়াত ও স্বাধীনতা বিরোধী চক্র।

স্বাধীনতা বিরোধীচক্রের দেশবিরোধী এসব কর্মকাণ্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি (সুপ্রিম কোর্ট বার)।

সুপ্রিম কোর্ট বার মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সুপ্রিম কোর্ট বার। সংবাদ সম্মেলনে বার সম্পাদক শাহ মঞ্জুরুল হক দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ধ্বংসযজ্ঞের বিষয়ে তাদের অবস্থান তুলে ধরেন।

সম্পাদক বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বার কার্যকরী কমিটির এক জরুরি সভা গতকাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যগণ স্বাধীনতা বিরোধী চক্র মৌলবাদী শক্তি সারাদেশে যে অরাজকতা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে তার নিন্দা জ্ঞাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।

শাহ মঞ্জুরুল হক বলেন, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা, রাষ্ট্রীয় সম্পদ জানমাল বিনষ্টে বিএনপি জামায়াত ও স্বাধীনতা বিরোধীচক্র সারাদেশে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। এতে মেট্রোরেল, সেতু ভবন, ডাটা সেন্টার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও অসংখ্য রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করা হয়।

তিনি বলেন, দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তারা দেশ ও জনগণের জানমালের ক্ষতি করে বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করতে তৎপর। দেশের জনগণ এই চক্রান্ত ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ।

সুপ্রিম কোর্ট বার সম্পাদক আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বার দেশের জনগণের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় সম্পদ, আইনশৃঙ্খলা ও জনজীবন রক্ষায় বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, এই ধ্বংসযজ্ঞ ও সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও সাজা নিশ্চিত করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক সিনিয়র এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. রমজান আলী শিকদার, সহ-সভাপতি ড. দেওয়ান মো. আবু ওবাঈদ হোসেন সেতু, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ নূরুল হুদা আনছারী, সিনিয়র সহ-সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, সহ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির পল্লব, সদস্য রাশেদুল হক খোকন উপস্থিত ছিলেন।

;

চুয়াডাঙ্গায় সাপের কামড়ে দুই কিশোরের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল/ছবি: বার্তা২৪.কম

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল/ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় বৃদ্ধি পেয়েছে সাপের প্রকোপ। গত এক রাতে সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে দুই কিশোরের।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তারা।

নিহতরা হলো- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ গ্রামের জয়দেব পালের ছেলে দেবাশীষ পাল (১৩) ও একই উপজেলার ভুলটিয়া গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে বাকপ্রতিবন্ধী রাজন হোসেন (১৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিঙ্গেদহের দেবাশীষ পাল বুধবার রাতে তাদের শোবার ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। রাত আড়াইটার দিকে একটি বিষধর সাপ তার হাতে কামড় দেয়। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে তাকে ওঁঝা ও পরে সদর হাসপাতালে নেয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, একই রাতে সদর উপজেলার ভুলটিয়া গ্রামে বাকপ্রতিবন্ধী রাজন হোসেন (১৫) ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। রাত ৩টার দিকে একটি বিষধর সাপ তার নাকে কামড় দেয়। তাকেও প্রথমে ওঁঝার কাছে নিয়ে ঝাড়ফুঁক করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাজমুস সাকিব বলেন, সাপের কামড়ে দুই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। সাপে কামড়ানোর পর অনেক দেরিতে তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা।

;

গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোন স্থান নেই: শেখ তাপস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস

  • Font increase
  • Font Decrease

গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থায় নাশকতা ও সহিংসতার কোন স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ৩টায় সেগুনবাগিচা সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রে ‘স্বাধীনতা বিরোধী দুষ্কৃতিকারীদের সাম্প্রতিক তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ ফজলে নূর তাপস এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি, বিএনপি-জামায়াত চক্র ধ্বংসলীলা চালিয়ে, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য সৃষ্টি করে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উৎখাত করার অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্র করেছে। যার ফলে দেশের সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। তারা দেশের সম্পদ নষ্ট করেছে। তাদেরকে ঢাকাবাসী ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছি। তারা গণতান্ত্রিক ধারা ভুলুণ্ঠিত করে সন্ত্রাসের পথ বেঁছে নিয়েছে। তাদেরকে গণতন্ত্রের ধারায় ফিরে আসার আহবান জানাই। গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোন স্থান নেই। গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে না এলে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নাশকতার জন্য তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারকে অনুরোধ জানাই।

নাশকতার ধারা অব্যাহত রাখলে ভবিষ্যতে সহিংসতাকারী ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টকারীদেরকে নির্মূল করা হবে বলে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস হুঁশিয়ার দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য আ.ফ.ম. বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীরা রক্তের হোলি খেলায় মেতে উঠেছে। যে কারণে আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে কারফিউ জারি করা হয়েছে। যার ফলে মেহনতী মানুষ, দিনমজুর, সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে। তাই, সাধারণ মানুষের কষ্ট নিবারণ করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

সকল অশুভ শক্তিকে ঐকবদ্ধভাবে মোকাবিলার ঘোষণা দিয়ে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, সন্ত্রাসী বাহিনীকে প্রতিহত করতে গিয়ে আমাদের অনেক নেতা-কর্মী আহত হয়ে আইসিউতে আছে। তারা ট্রেনিং দিয়ে প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসে ঢাকায় জড়ো করেছে। কিন্তু আমরা পরাজিত হইনি। আমরা সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করেছি। অচিরেই এদের খুঁজে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সকল অশুভ শক্তিকে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোকাবিলা করব, প্রতিহত করব।

২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্য সামগ্রীতে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল ও ১ কেজি লবণ রয়েছে।

;