দেশীয় মাছ রক্ষায় পোড়ানো হলো নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

অবৈধভাবে চায়না দুয়ারী ও বের জাল দিয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত প্রায় ২০ হাজার মিটার জব্দকৃত জাল পুড়িয়ে ফেলেছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসন।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখি মারা নামক এলাকায় অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া টিম ও স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে এই অবৈধ জালগুলোকে জব্দ করা হয়।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং স্থানীয়দের সম্মুখে জব্দকৃত অবৈধ জাল ও চাঁই পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

এসময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা, অ্যানিমল লাভারস অফ পটুয়াখালী এর কলাপাড়া টিমের সদস্যরা, আনসার সদস্য, পুলিশ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ্যানিমল লাভারস অফ পটুয়াখালী সংগঠনের কলাপাড়া টিম লিডার মো: রাকায়েত হোসেন জানান, আমরা দীর্ঘদিন ধরে সমাজ সেবামূলক কাজ এর পাশাপাশি প্রাণীকূল নিয়ে কাজ করে আসছি। দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের কাছে সংবাদ ছিল, পাখি মারার এই খালটিকে কিছু প্রভাবশালীরা অবৈধ জাল দিয়ে দেশীয় মাছের উৎপাদন ব্যাহত করছে। পাশাপাশি খালটিকে দখল করে রাখছে। তাই আজকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন স্যারের প্রচেষ্টায় খালটিকে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, চায়না দুয়ারী মূলত মাছ ধরার এক ধরণের ফাঁদ। এই জালের বুননে একটি গিঁঠ থেকে আরেকটি গিঁঠের দূরত্ব খুব কম। যে কারণে এতে মাছ একবার ঢুকলে আর বের হতে পারে না। একে চায়না জাল, ম্যাজিক জাল এবং ঢলুক জাল নামেও ডাকা হয়। চায়না দুয়ারী ব্যবহারে দেশীয় প্রজাতির মাছ ও অন্য জলজ প্রাণী ধ্বংস হচ্ছে। তাই এটি একটি নিষিদ্ধ জাল। স

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, উপজেলার এই নীলগঞ্জ একটি উন্নত কৃষি প্রধান ইউনিয়ন। এখানে শত শত কৃষক এই খালের দুই পারে কৃষি কাজ করে থাকেন। কিন্তু কিছু অসাধু জেলেদের কারণে এবং অবৈধ জাল ব্যবহার করে তারা এই জলের প্রবাহ আটকিয়ে রাখছে। যাতে করে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। এই খালগুলো উন্মুক্ত রাখা এবং দেশীয় মাছ রক্ষার জন্য আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

   

বাঙালি জাতির শাশ্বত ঐতিহ্যের প্রধান অঙ্গ পহেলা বৈশাখ: রাষ্ট্রপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাঙালি জাতির শাশ্বত ঐতিহ্যের প্রধান অঙ্গ পহেলা বৈশাখ।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “শুভ নববর্ষ-১৪৩১’ পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির জীবনে একটি পরম আনন্দের দিন। আনন্দঘন এ দিনে আমি দেশে ও দেশের বাইরে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে জানাই বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।"

রাষ্ট্রপতি বলেন, বৈশাখের আগমনে বেজে উঠে নতুনের জয়গান। দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতাকে ভুলে সবাই জেগে ওঠে নব আনন্দে, নব উদ্যমে। ফসলি সন হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল, সময়ের পরিক্রমায় তা আজ সমগ্র বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে। পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি খুঁজে পায় নিজস্ব ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ।

তিনি বলেন, বৈশাখ শুধু উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের আত্মবিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রেরণা। বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মুক্তিসাধনায় পহেলা বৈশাখ এক অবিনাশী শক্তি। বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও গণতান্ত্রিক বিকাশে সংস্কৃতির এই শক্তি রাজনৈতিকতন্ত্রের চেতনাকে দৃঢ় ও বেগবান করে।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলে মিলে নাচ-গান, শোভাযাত্রা, আনন্দ-উৎসব, হরেক রকম খাবার ও বাহারি সাজে বৈশাখকে বরণ করে নেয় উৎসবপ্রেমী বাঙালি জাতি। নতুন বছরে যাত্রাপালা, পুতুলনাচ, লোকসংগীত, গ্রামীণ খেলাধুলা, মেলাসহ নানাবিধ বর্ণিল আয়োজন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয় আনন্দ ও সম্প্রীতির নতুন বার্তা।

তিনি বলেন, ২০১৬ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। জাতীয় সংস্কৃতির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতি হিসেবে বাঙালির জন্য পরম গৌরব ও মর্যাদার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ও আদর্শের অন্যতম ভিত্তি ছিল দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ। সেই চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ জীবনে সহবন্দিদের নিয়ে নববর্ষ উদ্যাপন করেছিলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, "পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে উদার হতে শিক্ষা দেয় এবং জাতীয়তাবাদে অনুপ্রাণিত হয়ে বিশ্বমানবের সঙ্গে মিশে যাওয়ার শক্তি জোগায়। এই উদারনৈতিক চেতনাকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আদর্শ এবং রাষ্ট্রভাষা চেতনার বহ্নিশিখা অন্তরে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ হোক আজকের দিনে সকলের অঙ্গীকার।"

তিনি বলেন, "সকল অশুভ ও অসুন্দরের ওপর সত্য ও সুন্দরের জয় হোক। ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর হোক, নতুন বছর জাতীয় ও ব্যক্তিজীবনে নিয়ে আসুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি – এ প্রত্যাশা করি।"

;

ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর রাঙামাটি



আলমগীর মানিক, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটি। ঈদের ছুটিতে প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমি রাঙামাটিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। রূপ বদলানো হ্রদ-পাহাড় আর মেঘ মিতালীর অপরূপ দৃশ্য-সমৃদ্ধ রাঙামাটির নান্দনিক দৃশ্য দেখার পর্যটকরা ছুটে এসেছেন। এতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য সামগ্রীর বেচা-বিক্রিও বেড়েছে।

হোটেল মোটেল ও সরকারি বিশ্রামাগারগুলোতে দেখা গেছে পর্যটকে ঠাসা। রাঙামাটির বিখ্যাত ঝুলন্ত সেতু, পলওয়েল পার্ক, ডিসি বাংলো এলাকায় পর্যটকদের উপস্থিতি অন্যান্য দিনের তুলনায় বহুগুণ বেড়ে গেছে। শহরের পর্যটন স্পটগুলো এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। পর্যটকের আগমনে প্রতিদিনই রাঙামাটির অর্থনীতিতে যোগ হচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব।


রাঙামাটির পর্যটন সংশ্লিষ্ট্যরা জানিয়েছেন, লম্বা ছুটি, হ্রদ-পাহাড় আর পাহাড় ছোঁয়া মেঘের টানে রাঙামাটিতে পর্যটকদের ভিড় বেড়ে গেছে। পার্ক, ঝুলন্ত ব্রিজসহ দর্শনীয় স্থানগুলো লোকে লোকারণ্য। কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই নেই। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা-বাণিজ্য বেড়েছে। যানবাহন, ট্যুরিস্ট বোট, হাউজ বোটগুলোর ব্যবসাও ভালো হচ্ছে। সার্বিক বিবেচনায় পাহাড়ের পর্যটন ব্যবসা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। শহর জুড়ে পর্যটকদের আনাগোনা বহুগুণ বেড়ে গেছে। রেস্টুরেন্টগুলো পর্যটকদের মধ্যে খাবার বিক্রি করতে ব্যস্ত সময় পার করছে। শহরের বেশিরভাগ হোটেল-মোটেলগুলো বুকিং রয়েছে।

সুদূর রাজধানী, নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাঙামাটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকরা জানিয়েছেন, প্রকৃতির রূপ কত সুন্দর হয় সেটি রাঙামাটিতে বেড়াতে না আসলে বুঝতে পারতাম না। দেশে এত সুন্দর জায়গা আছে এখানে না এলে জানতাম না। তাই মনকে সতেজ রাখতে পাহাড়ি জনপদে ছুটে এসেছি। খুব ভাল লাগছে রাঙামাটি। এদিকে রাঙামাটির পর্যটনের উন্নয়নে এ শহরকে আরও বেশি ঢেলে সাজানো উচিত। তাহলে মানুষ বিদেশে বেড়াতে না গিয়ে এ শহরে বেড়াতে আসবে বলেও জানিয়েছেন পর্যটকরা।

রাঙামাটি হোটেল মালিকরা জানিয়েছেন, টানা ছুটিতে রাঙামাটিতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। ব্যবসা করতে পারায় ব্যবসায়ীরা খুব খুশি।


হোটেল পরিচালক সুমন জানিয়েছেন, আমাদের এখানে পর্যটকদের উপস্থিতি বেড়েছে এবং প্রায় সবগুলো রুম বুকিং হয়ে গেছে।

রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানিয়েছেন, টানা সরকারি ছুটি থাকায় রাঙামাটিতে পর্যটকদের সংখ্যা বেড়ে গেছে। কয়েকদিনে জেলায় কয়েক লাখ পর্যটকের সমাগম হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, পর্যটন মোটেলগুলো শতভাগ বুকিং রয়েছে। আগামীকালও বুকিং আছে। খুব ভাল লাগছে পর্যটকদের উপস্থিতিতি বেড়ে যাওয়ায়। তবে করোনার সংক্রমণ এড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটকদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে যোগ করেন পর্যটন করপোরেশনের এ ম্যানেজার।

রাঙামাটির পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ-বিপিএম (বার) জানিয়েছেন, রাঙামাটিতে আগত ট্যুরিস্টদের জন্য জেলা পুলিশের পাশাপাশি ট্যুরিস্ট পুলিশের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। স্পর্শকাতর পর্যটন কেন্দ্রগুলোতেও বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে পর্যটকরা নিরাপদে ছুটি উপভোগ করতে পারে।

;

রংপুরে জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ আটক ৭



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
রংপুরে জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ আটক ৭

রংপুরে জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ আটক ৭

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরে জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতাসহ সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

এর আগে গতকাল শুক্রবার (১২ এপ্রিল) রাতে সদর উপজেলার সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়নের পালিচড়া বাজারের অনুসন্ধানী ক্লাব থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, ওই এলাকার হেফাজার মিয়ার ছেলে ও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান শ্রাবণ (৩৫), বকসি পাড়ার আলহাজ্ব খালেদ হোসেন লাইজুর ছেলে যুবদল নেতা হাসিব বাবু (৩২), বাবু মিয়ার ছেলে গোলাম রাব্বানী (৪০), রাজু মিয়ার ছেলে আল আমিন (২২), মৃত আফজাল মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪৫), মৃত কাশেম মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৫০) ও মৃত আবু বক্করের ছেলে রফিকুল ইসলাম।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুল রশিদ জানান, সদর উপজেলার সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়নের পালিচড়া বাজারের অনুসন্ধানী ক্লাবে নিয়মিত জুয়ার আসর বসত। শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ক্লাবটিতে অভিযান চালিয়ে ওই এসময় আটককৃতদের কাছ থেকে ৩ সেট তাস ও নগদ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের পর আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

;

লক্ষ্মীপুরে প্লাটিনাম জয়ন্তীতে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে প্লাটিনাম জয়ন্তী উদযাপন করেছে লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শনিবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শুরুতে জাতীয় সংগীত, পতাকা উত্তোলন ও বেলুন উড়িয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।

পরে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সংবর্ধনা অনুষ্ঠান, মধাহ্নভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ সহ নানা আয়োজন ছিল বিদ্যালয় মাঠে। প্রবীণ ও নবীন শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় মাঠে এসে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

অনুষ্ঠানের ফাঁকে কেউ কেউ দলবদ্ধ হয়ে ছবি তুলেছেন, কেউ আবার আড্ডায় গল্পে মেতেছেন। কারো বয়স আশির ঊর্ধ্বে। আবার কারো বয়স ষাট-সত্তরের মধ্যে। বিদ্যালয়ের পুনর্মিলনীতে সবাই একসঙ্গে হয়েছেন বিদ্যালয় মাঠে। একে অপরের সঙ্গে পুরনো দিনের স্মৃতিচারণ করেন।


বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নাছির উদ্দিন রাজুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের কিংবদন্তী নেতা ও সাবেক এমএলএ বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেদ মোহাম্মদ আলী। উদ্বোধক ছিলেন বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামাল উদ্দিন।

বক্তব্য রাখেন- লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাইন উদ্দিন পাঠান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমানসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কৃতি শিক্ষার্থীদেরকে সম্মাননা প্রদান করা হবে।

১৯৪৭ সালে ভবানীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ১৫০০ শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের প্লাটিনাম জয়ন্তী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বলে আয়োজকরা জানায়।

;