স্মার্ট ডাক সেবার যুগে ভাসানচর: পলক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার দুর্গম উপকূলীয় অঞ্চল ভাসানচরকে স্মার্ট ডাক সেবার আওতায় আনা হয়েছে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক রোববার (১৭ মার্চ) ভাসানচর সাব পোস্ট অফিস উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ১৩ হাজার একরের ভূখণ্ডটি ডাক সেবার আওতাভুক্ত হলো।

গত ১ মার্চ প্রতিমন্ত্রী ভাসানচর সফরকালে সেখানে কর্মরত সরকারি ও বেসরকারি সংস্থায় কর্মচারী –কর্মকর্তা সর্বোপরি স্থানীয় জনগণের স্মার্ট ডাক ও কুরিয়ার সেবার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি বিবেচনা করে একটি সাব পোস্ট অফিস প্রতিষ্ঠার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে আজ থেকে ভাসানচরে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মার্ট ডাক সেবার যাত্রা শুরু হয়।

এ উপলক্ষে স্মার্ট প্লাটফর্মে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিকনির্দেশনায় ভাসানচরের মানুষের স্মার্ট নাগরিক জীবনযাপন নিশ্চিত করতে টেলিটক ও অপর তিনটি মোবাইল অপারেটর এবং বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -১ এর মাধ্যমে আধুনিক টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্মার্ট ডাক সেবা চালু করে চরবাসীর জন্য ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, মাদার অব হিউম্যানেটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দশ লক্ষাধিক মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বে মানবতায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মিয়ানমারের এই সব বিপন্ন নাগরিকদের আশ্রয় ক্যাম্প হিসেবে ভাসানচর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনপদে রূপান্তরিত হয়েছে। এই জনপদে একটি সাব পোস্ট অফিস স্থাপন করা খুবই জরুরি ছিল।

তিনি আরও বলেন,ডাকঘরের বিস্তীর্ণ নেটওয়ার্ক, বিশাল অবকাঠামো ও জনবল ব্যবহার করে প্রত্যন্ত এলাকাসহ দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া আমাদের লক্ষ্য।

   

সন্ত্রাসীদের গুলিতে খুলনার আ.লীগ নেতাসহ ৩ জন গুলিবিদ্ধ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরের অভয়নগরে চায়ের দোকানে আড্ডার সময় হেলমেট পরা দুর্বৃত্তদের চালানো গুলিতে খুলনার এক আওয়ামী লীগ নেতাসহ তিন জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে উপজেলার রাজঘাট এলাকায় একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন- খুলনার ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা মোল্যা হেদায়েত হোসেন ওরফে লিটু (৫০), দামোদর গ্রামের বাসিন্দা যুবলীগ নেতা খায়রুজ্জামান সবুজ (৩২) এবং একই এলাকার যুবলীগ কর্মী নাছিম ভুঁইয়া (২৮)।

জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে আহতরা অভয়নগর উপজেলার রাজঘাটে এসে বাসস্ট্যান্ডের পাশে একটি চায়ের দোকানে চান পান করে আড্ডা দিচ্ছিলেন। রাত ৯টার দিকে মোটরসাইকেলে করে হেলমেট পরা দুই ব্যক্তি সেখানে এসে তিনজনকে লক্ষ করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। গুলির শব্দে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাদেরকে উদ্ধার করেন। এরপর তাদেরকে খুলনায় নিয়ে যাওয়া হয়। হেদায়েত হোসেনের পেটে, খায়রুজ্জামানের মুখে ও পেটে এবং নাছিম ভুঁইয়ার হাতে গুলি লেগেছে।

অভয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শুভ্র প্রকাশ দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কী কারণে এবং কারা গুলি করেছে, এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তিনজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

;

আজ চৈত্র সংক্রান্তি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চৈত্র মাসের শেষদিন আগামীকাল শনিবার, যা চৈত্র সংক্রান্তি নামে পরিচিত। বাংলা মাসের সর্বশেষ দিনটিকে সংক্রান্তির দিন বলা হয়।

আবহমান বাংলার চিরায়িত বিভিন্ন ঐতিহ্যকে ধারণ করে আসছে এই চৈত্র সংক্রান্তি। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরাতনকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন। মনে করা হয়, চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত আয়োজন। তাই চৈত্র সংক্রান্তি হচ্ছে বাঙালির আরেক বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব।

চৈত্র সংক্রান্তির প্রধান উৎসব চড়ক।

চড়ক গাজন উৎসবের একটি প্রধান অঙ্গ। এ উপলক্ষে গ্রামের শিবতলা থেকে শোভাযাত্রা শুরু করে অন্য গ্রামের শিবতলায় নিয়ে যাওয়া হয়। একজন শিব ও একজন গৌরী সেজে নৃত্য করে এবং অন্য ভক্তরা নন্দি, ভৃঙ্গী, ভূত-প্রেত, দৈত্য-দানব সেজে শিব-গৌরীর সঙ্গে নেচে চলে।

চৈত্র সংক্রান্তির মাধ্যমে পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়ে আগামী রবিবার (১৪ এপ্রিল) সফলতা ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় দেখা দেবে নতুন ভোর। পুরনো বছরের সব জরাজীর্ণতা মুছে ফেলে রবিবার বাঙালি মিলিত হবে পহেলা বৈশাখের সর্বজনীন উৎসবে।

জরাজীর্ণতা, ক্লেশ ও বেদনার সব কিছুকে বিদায় জানানোর পাশাপাশি সব অন্ধকারকে বিদায় জানিয়ে আলোর পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার থাকবে গোটা জাতির।

এছাড়া চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে নানা ধরনের মেলা ও উৎসব হয়। হালখাতার জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাজানো, লাঠিখেলা, গান, সংযাত্রা, রায়বেশে নৃত্য, শোভাযাত্রাসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উদযাপিত হয় চৈত্র সংক্রান্তি।

 

;

দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আসুন, নতুন বছরে অতীতের সকল ব্যর্থতা-দুঃখ-গ্লানি পিছনে ফেলে সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করি। আগামী রোববার (১৪ এপ্রিল) সারাদেশে উদযাপিত হবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।

পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে তিনি আজ বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বার্তায় (ভিডিও) দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন,
প্রিয় দেশবাসী,
আসসালামু আলাইকুম।
বর্ষ পরিক্রমায় আবারও আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে নতুন বছর। আপনারা যারা দেশে-বিদেশে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের সকল ভাইবোনকে জানাই বঙ্গাব্দ ১৪৩১-এর শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ।
প্রধানমন্ত্রী কবি সুফিয়া কামালের ভাষায় উচ্চারণ করে বলেন:
‘পুরাতন গত হোক! যবনিকা করি উন্মোচন
তুমি এসো হে নবীন! হে বৈশাখ! নববর্ষ!
এসো হে নতুন।”
শুভ নববর্ষ।

;

সিলেটের চা বাগানের সৌন্দর্যে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা



মশাহিদ আলী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ভ্রমণ প্রেয়সী মানুষের পাদচারণায় মুখরিত সিলেটের পর্যটন স্পটগুলো। প্রতিবারের মতো এবারও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পহেলা বৈশাখের টানা ছুটিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে সিলেটের চা-বাগানগুলো। পরিবার পরিজন, বন্ধু বান্ধব মিলে ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করতে এক স্থান অন্য স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা। চা-বাগানের দৃশ্য দেখে কেউ বইয়ের পাতায় চা-বাগানের ছবি থেকে বেশি সুন্দর বলে মন্তব্য করেছেন আর কেউই কবিতার পঙক্তি ও গানের মাধ্যমে চা বাগান নিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করছেন।

শুক্রবার (১২এপ্রিল) ঈদের দ্বিতীয় দিন ও সরকারি ছুটির তৃতীয় দিনে সিলেটের মালনীছড়া চা-বাগান ও লাক্কাতুরা ন্যাশনাল টি ও তারাপুর চা-বাগানে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়।স্বজনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সিলেটে এসেছেন অনেকেই।

সরেজমিনে সিলেটের মালনীছড়া, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সামনে লাক্কাতুরা ন্যাশনাল টি ও তারাপুর চা বাগান ঘুরে দেখা গেছে, চা বাগানগুলোর উঁচু-নিচু, আঁকা-বাঁকা পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা। কেউ একতারা হাতে নিয়ে গান গাইছেন। কেউবা কবিতা আবৃত্তি করছেন। আবার অনেকেই সুন্দর মুহূর্তটি স্মরণীয় করে রাখতে মুঠোফোনে ও ডিএসএলআর ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করতে দেখা যায়।

সিলেটের লাক্কাতুরা চা বাগানে গিয়ে কথা হয় বরিশাল থেকে আসা চন্দনা বিশ্বাসের সঙ্গে। বরিশালে একটি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্বে রয়েছেন।

বইয়ের চিত্র থেকে বাস্তবে সিলেটের চা-বাগানগুলো অনেক অনেক সুন্দর ও স্বর্গীয় সৌন্দর্যে ভরপুর বলে দাবি করে চন্দন বিশ্বাস বলেন, এত সুন্দর চা-বাগান আর কখনো দেখা হয়নি। এই প্রথম সিলেটে ঘুরতে এসেছি। চা-বাগান ঘুরে দেখে খুব ভালো লাগছে। এক কথায় অপূর্ব। মনে হচ্ছে প্রকৃতি যেন ঢেলে দিয়েছে। তাই আমি সবাইকে আহ্বান করছি সিলেটের চা বাগান দেখতে আসার জন্য।

সুনামগঞ্জ থেকে বেড়াতে আসেন আরেক পর্যটক আমিনুল ইসলাম। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, এখানকার সবুজ প্রকৃতির আর রূপ লাভণ্যতায় বিমুগ্ধ হয় পর্যটক দর্শনার্থীরা। এখানে ঘুরতে এসে আমরা বন্ধুবান্ধব সবাই অত্যন্ত খুশি। পরিবার পরিজন নিয়ে এখানে ঘুরতে পারার মতো পরিবেশ রয়েছে।

ভোলা থেকে সিলেটে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী বিশ্বদেব বারই বলেন, সিলেটে এমন একটি জায়গায় যা কোনো কবিতা বা বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায় না। প্রকৃতির কাছাকাছি না এলে বুঝা যায় না প্রকৃতি সুন্দর। আসলে সৃষ্টিকর্তা এতো সুন্দর প্রকৃতি তৈরি করে দিয়েছেন তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এই যে ঈশ্বর প্রদত্ত চমৎকার প্রকৃতি আর এই প্রকৃতি মনে হয় সিলেট ছাড়া আমরা আর কোথাও পাবো না।

সিলেট নগরীর বাসিন্দা ইমদাদুল হক বলেন, শহরের কোলাহল থেকে বেরিয়ে এসে খুব ভালো লাগছে। বিভিন্ন সময় আমরা অনেক জায়গায় যেতে চাইলেও নিরাপত্তা জনিত কারণে পরিবার পরিজন নিয়ে যেতে পারি না। তবে এখানকার পরিবেশ অত্যান্ত ভালো। তবে আরেকটু বেশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিলে ভালো হবে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ করবো এখানে নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য। কারণ প্রায় সময় শুনা যায় অনেক ঘটনা ঘটে থাকে।

পর্যটন কেন্দ্রে নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের পক্ষে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিনোদন কেন্দ্রের ভেতরে না থাকলেও কেন্দ্রগুলোর বাইরে আমাদের পুলিশ সব সময় থাকে। কারো কোনো সমস্যা হলে আমাদেরকে জানালে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়াও তাৎক্ষণিক কোনো অভিযোগ থাকলে স্থানীয় থানার ওসি বা ৯৯৯ এ কল দিয়ে অভিযোগ জানানোর জন্য আহবান জানান।

;