ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ভোগান্তি কমাতে তৎপর পুলিশ



আরিফুল ইসলাম, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, টাঙ্গাইল
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ মানে খুশি! ঈদ মানে আনন্দ! ঈদের আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করার জন্য নাড়ির টানে বাড়ি ফেরেন মানুষ। কিন্তু ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির আরেক নাম ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক দিয়ে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলসহ ২৬টি জেলার মানুষ চলাচল করেন। ফলে ঈদে বাড়তি পরিবহনের চাপ পড়ে মহাসড়কটিতে।

দুই ঈদের ছুটিতে এ মহাসড়কে যানজট ও ভোগান্তি নিত্যদিনের সঙ্গী। গত কয়েক বছর ধরে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ প্রশাসনের নানা উদ্যোগে স্বস্তিতেই বাড়ি ফিরেছেন ঘরমুখো মানুষ। এবারের ঈদেও নেওয়া হয়েছে নানান পদক্ষেপ।

ভোগান্তি দূর করতে উত্তরবঙ্গগামী গাড়িগুলো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ওয়ানওয়ে (একমুখী) চলাচল করবে। ঢাকাগামী যানবাহন বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে গোলচত্বর দিয়ে ভূঞাপুর হয়ে এলেঙ্গা প্রবেশ করবে। এতে করে যানজট অনেকটা কমে যাবে।

মহাসড়কে চলছে মেরামত কাজ, ছবি-বার্তা২৪.কম

সরেজমিন দেখা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা পর্যন্ত যানবাহনগুলো দ্রুতই আসতে পারে। কিন্তু এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়ক দুই লেন হওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু ১৩ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ চলমান। এলেঙ্গা থেকে ভূঞাপুর পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কেও রয়েছে একাধিক খানাখন্দ। সে কারণে ঢাকাবাহী যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় ১৫-২০ হাজার যানবাহন বঙ্গবন্ধু সেতু দিয় পার হয়। ঈদের সময় তা বেড়ে যায় তিনগুণ। মোটরসাইকেলের চাপ থাকে অনেক বেশি। ১৩-১৪ হাজার মোটরসাইকেল সেতু দিয়ে পার হয়। এতে সেতুর উভয় প্রান্তে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন ঘরে ফেরা মানুষ।

উত্তবঙ্গগামী ট্রাকচালক ইকবাল হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, চন্দ্রা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত আমাদের আসতে কোনো সমস্যা হয় না। কিন্তু এলেঙ্গা থেকে সেতু পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। গাড়ি ওভারটেকিং ও বিকল হওয়ার ফলে যানজট লেগে যায়।

উত্তরবঙ্গগামী বাসচালক শরিফ মিয়া বলেন, এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার রাস্তার কাজ চলছে। এ কারণে মহাসড়কে যানজট হবে। ঢাকা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেন। এলেঙ্গার পর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত দুই লেন হওয়াতে যানজটে পড়তে হয়। মহাসড়কে যানজট হলে ৭-৮ ঘণ্টা বসে থাকতে হয়।

বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে তেমন একটা যানজটে আটকা পড়ে থাকতে হয় না। তবে এবার এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত যানজটের আশঙ্কা করছি।

যাত্রী সুমন মিয়া বলেন, ঈদে যানজট হলে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় নারী ও শিশুদের নিয়ে। এলেঙ্গা পর্যন্ত ভালো মতো আসতে পারলেও এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে কয়েক বছর ধরে যানজট কিছুটা কম হয়।

যাত্রী জাবেদ বলেন, এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। এই কাজ যদি ঈদের সময় বন্ধ রাখে, তাহলে ভালো হয়।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঈদের সময় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেশি থাকে। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। ১৩ কিলোমিটার দুই লেন হওয়ায় সড়কে যানজট থাকে। একসঙ্গে এত গাড়ি রাস্তায় নামলে সমস্যা হবেই। অতিরিক্ত গাড়ির চাপের পাশাপাশি ফিটনেসহীন গাড়ি ও বেপরোয়া গাড়ি চলাচলই একটি বড় সমস্যা।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মীর মো. সাজেদুর রহমান জানান, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ রাখতে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে উত্তরবঙ্গমুখী যে লেনটি আছে, সেই ডাবল লেনটিকে ওয়ানওয়ে করা হবে।

এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে গোল চত্বর হয়ে যে সড়কটি ভূঞাপুর হয়ে আসছে, সেই সড়কটি ঢাকামুখী লেন হয়ে যানবাহন ঢাকা যাবে। ঈদের আগেই চার লেনের যে কাজ চলছে, তা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কের ৫ কিলোমিটারের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। সেই সড়ক দিয়েও যানবাহন চলাচল করতে পারবে। এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত আমাদের মোটরসাইকেল মোবাইল টিম থাকবে। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুতই রেকার দিয়ে সরানো যাবে, সেই ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল হক খান পাভেল জানান, ঈদে মানুষের নির্বিঘ্নে বাড়ি যাওয়া নিশ্চিত করতে এবং ঈদের আগে সেতু ও সেতুর সংযোগ সড়ক যানজটমুক্ত রাখতে নানা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ঈদে ঘরমুখো মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে বাড়ি যেতে পারে, সে জন্য সেতুর দু’পাশে ৯টি করে ১৮টি এবং মোটরসাইকেলের জন্য ২টি করে ৪টি টোল বক্স বসানো হবে।
স্বাভাবিক সময়ে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ১৮ থেকে ২০ হাজার যানবাহন চলাচল করে। সেতুতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সেই গাড়ি দ্রুত সরানোর জন্য দুটি রেকার প্রস্তুত রয়েছে। সেতুর মাঝে আমাদের লোক থাকবে। প্রতি ঈদে ১৩-১৫ হাজার মোটরসাইকেল সেতু দিয়ে পার হয়। গত ঈদ-উল আজহার সময় মোট ৫৯টি গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল, যার ৫৩টিই ঘটেছিলে সেতুর ওপর।

মহাসড়ক নিরাপদ রাখতে সচেষ্ট কর্তৃপক্ষ, ছবি- বার্তা২৪.কম

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন বলেন, এলেঙ্গা থেকে সেতু পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন একমুখী চলাচল করবে। এবার ঈদে ৭শ পুলিশ সদস্য ২৪ ঘণ্টা হাইওয়েতে পালাক্রমে ডিউটি পালন করবেন। সড়কে রেকার রাখা হবে।

তিনি বলেন, সড়কে যে কাজ চলছে, তা আমরা পরিদর্শন করেছি। যেখানে মেরামত করা দরকার, মেরামত করিয়েছি। যখনই আমরা প্রয়োজন মনে করবো, তখনই সড়ক একমুখী করে দেওয়া হবে।

যাত্রীরা যানজটে আটকা পড়লে মহাসড়কের পাশে পেট্রোল পাম্প, হোটেল রেস্তোরাঁগুলোতে যাতে শৌচাগার ব্যবহার করতে পারেন, সেজন্য তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ জন্য ২৫টি অস্থায়ী টয়লেট নির্মাণ করা হবে। ইফতার ও সেহরিতে যাতে অসুবিধা না হয়, সে জন্য এলেঙ্গা থেকে সেতু পর্যন্ত যানজটে আটকেপড়া মানুষদের পানি, শুকনা খাবার সরবরাহের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

   

ঈদের ছুটি শেষ, সোমবার খুলছে অফিস-আদালত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবিঃ সংগৃহীত

ছবিঃ সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পহেলা বৈশাখের ছুটি শেষে আগামীকাল সোমবার (১৫ এপ্রিল) খুলছে অফিস-আদালত, ব্যাংক-বিমা ও শেয়ারবাজার।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দেশে উদযাপিত হয় মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর। ঈদ উপলক্ষে ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিল (বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার) সরকারি ছুটি ছিল। ঈদের পর ১৩ এপ্রিল শনিবার সপ্তাহিক ও ১৪ এপ্রিল রোববার পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলা নববর্ষের ছুটি। ফলে ১০ তারিখ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত ছুটি কাটাচ্ছেন চাকরিজীবীরা। টানা পাঁচ দিন ঈদের ছুটি শেষে সোমবার অফিস পাড়ায় যোগ দেবেন কর্মজীবীরা।

তবে যারা ঢাকার বাইরে ঈদ করতে গেছেন তাদের অনেকে ঐচ্ছিক ছুটি নিয়েছেন। এদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অফিস আদালতে পুরোদমে কার্যক্রম শুরু হতে আরো কয়েকদিন লেগে যাবে। এছাড়া স্কুল-কলেজও আগামী সপ্তাহে খুলবে। তখন স্বাভাবিকরূপে ফিরবে রাজধানী ঢাকা।

এদিকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে প্রথমবারের মতো টানা ৬ দিন ছুটি কাটাচ্ছেন সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ৯ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ছুটি ঘোষণা করে সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)।

;

লক্ষ্মীপুরে সেপটিক ট্যাংকে নেমে বাড়ির মালিক-সুইপারের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে বাড়ির মালিক ও এক সুইপারের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম রাখালিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে এক জনের নাম জানা গেছে। তিনি হলেন বাড়ির মালিক রিয়াদ হোসেন। অপরজন সুইপার ছিলেন। তার নাম জানা যায়নি।

স্থানীয়য়া জানান, বিকেলে রাখালিয়া এলাকায় নুরুল হক পাটোয়ারী বাড়ির পাটোয়ারী ভিলার একটি সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নামেন সুইপার। পরিষ্কার করা অবস্থায় সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে তিনি আটকা পড়েন। পরে বাড়ির মালিক রিয়াদ উদ্ধার করতে গেলে দুইজনেরই মৃত্যু হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ট্যাংকের ভেতরে অক্সিজেনের অভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিন ফারুক মজুমদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে সেপটিক ট্যাংক ভেঙে মৃতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;

বৈশাখী মেলার নামে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দায়সারা আয়োজন, বলছেন নারী উদ্যোক্তারা



আবদু রশিদ মানিক, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা। মাত্র ১০টি স্টল দিয়ে অব্যবস্থাপনায় ভরা দায়সারা বৈশাখী মেলা আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। তাই তিনদিনের মেলা শেষ না হতেই বেশিরভাগ স্টল গুটিয়ে নিয়ে গেছে উদ্যোক্তারা। বৈশাখী মেলা নাম দিলেও বৈশাখী মেলার বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্য ছিলো না মেলায়।

রোববার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজারের পাবলিক লাইব্রেরির শহিদ দৌলত ময়দানে আয়োজিত মেলা প্রাঙ্গনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ১০টি স্টলের মধ্যে ৪টি স্টল দুপুরের মধ্যেই গুটিয়ে নিয়েছে। বাকি স্টলগুলোও গুটিয়ে নিচ্ছে উদ্যোক্তারা।

উদ্যোক্তারা জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন বৈশাখী মেলার নামে তাদের সাথে প্রতারণা করেছে।

ফাতেমা বুটিকস নামের প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী নারী উদ্যোক্তা ফাতেমা জান্নাত বার্তা২৪.কম-কে বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জাঁকজমকপূর্ণ হবে বলেছে বলে স্টল নিয়ে আমি বিপাকে পড়েছি। সকাল থেকে আমি এবং আমার স্বামীসহ ৫ জন মানুষ পরিশ্রম করেছি। ১ হাজার টাকার মাত্র বিক্রি হয়েছে। কিন্তু খাবার, গাড়িভাড়া খরচ হয়েছে ১ হাজার টাকারও বেশি। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন আয়োজন করেছে বলে বিশ্বাস নিয়ে মেলায় এসেছি। আমাদের সাথে একপ্রকার প্রতারণা করা হল।

ফাতেমা জান্নাতের মতো অন্যান্য নারী উদ্যোক্তাদেরও একই অবস্থা। সবাই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসনের উপর।

সালসাস কালেকশন এন্ড ফুডস এর নারী উদ্যোক্তা শামিমা আক্তার মিনা বলেন, কোনরকম দায়সারা আয়োজন করে আমাদের হয়রানি করা হলো। এত কষ্ট করে সকল জিনিসপত্র নিয়ে মেলায় আসলাম কিন্তু প্রথমদিনের যে অবস্থা কাল থেকে আর মেলায় আসতে পারব না। রাত ৮টা পর্যন্ত স্টল খোলা রাখার কথা থাকলেও কোন লাইটের ব্যবস্থা করা হয়নি। এছাড়া সাংস্কৃতিক আয়োজন আজকেই শেষ করে দিয়েছে। মঞ্চও গুটিয়ে নিয়েছে। তাহলে মেলা কিভাবে চলবে বলেন!

হোমাইরাস রেসিপির আরেক নারী উদ্যোক্তা সুরা খাতুন বলেন, ৩ দিনের জন্য খাবার তৈরি করে মেলায় এসেছি। এখন প্রথম দিনেই মেলা শেষ। সব খাবার নষ্ট হয়ে যাবে। পিঠাপুলি থেকে শুরু করে নানান খাবার এনেছিলাম। সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকলে হয়তো মেলা ভালোমতো চলতো।

নববর্ষ উদযাপন এবং মেলা কমিটির সদস্য কক্সবাজার জেলা খেলঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আয়োজনটা কিছুটা দায়সারা মনে হয়েছে। মেলাটা যদিও একদিনের তবে নারী উদ্যোক্তারা ৩ দিন না হলে মেলায় অংশগ্রহণ করে না বলেই ৩ দিনের করা হয়েছে কিন্তু আমরা চেয়েছিলাম ৩ দিনই সাংস্কৃতিক আয়োজন করতে ভাগ করে করে আলাদা সংগঠনের মাধ্যমে। কিন্তু জেলা প্রশাসনের হয়তো নানা সংকটের কারণে এটা করা হয়নি।

বিষয়টি কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিভীষণ কান্তি দাশ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন শুধু স্টল করে দিয়েছে কিন্তু বিসিক তাদের নিয়ে এসেছে। আর মেলা তো রাতের আগেই শেষ হয়ে যাবে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী।

;

নতুন সম্ভাবনা ও আশা নিয়ে এসেছে বাংলা নতুন বছর: পরিবেশ ও বন মন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
নতুন সম্ভাবনা ও আশা নিয়ে এসেছে বাংলা নতুন বছর: পরিবেশ ও বন মন্ত্রী

নতুন সম্ভাবনা ও আশা নিয়ে এসেছে বাংলা নতুন বছর: পরিবেশ ও বন মন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, নতুন সম্ভাবনা ও আশার রঙিন স্বপ্ন নিয়ে এসেছে বাংলা নতুন বছর। নতুন ভবিষ্যতকে নতুনভাবে বরণ করে নিতে হবে। অতীতের ভুলভ্রান্তি পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হবে ভবিষ্যৎ সুন্দরের দিকে। সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

রোববার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে একুশে টেলিভিশনের ২৫ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা: সামন্ত লাল সেন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আরমা দত্ত এবং একুশে টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

সাবের চৌধুরী বলেন, অনেকের শ্রম, অনেকের মেধা ও অনেকের ত্যাগের বিনিময়ে একটি প্রতিষ্ঠান জনপ্রিয়তা অর্জন করে। অনেক ঘাত-প্রতিঘাত মোকাবিলা করে, অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে একুশে টেলিভিশন জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

মন্ত্রী এসময় দেশের পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে একুশে টেলিভিশনের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি একুশে টেলিভিশনের সাথে সম্পৃক্ত সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

 

;