যুগলের পেটের ভাত কেড়ে নিল ‘ধানের ব্লাস্ট রোগ’



মৃত্যুঞ্জয় রায়, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাতক্ষীরা
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সবাই যখন ইরি ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত। ঠিক তখনই যুগল মাথায় হাত দিয়ে জমির আলের উপর বসে আছে। এদিকে চোখ দিয়ে জলের ধারা বয়ে যাচ্ছে আর অপার দৃষ্টিতে ধানের দিকে তাকিয়ে একা একা বিরবির করে কি যেনো বলছেন। শুনতে কাছে যেতেই গলা ছেড়ে কান্না করে বলতে লাগলেন, সারাবছর কি খাবো? সমিতি থেকে লোন নিয়ে ইরি ধান করেছি। আশা ছিলো ধান ঝেড়ে ঝুড়ে বিক্রি করে লোন শোধ করবো। কিন্তু ধানে ‘ব্লাস্ট’ রোগে শেষ সব। ধান বাড়ি নিয়ে যাওয়া তো দূরে থাক শুধু খর গুলো শেষ সম্ভল। তিন মাসের শ্রম, কষ্ট সব পুড়ে ছাই। মনে হচ্ছে ধানের শীষে আগুন লেগেছে। কত ভালোই না ধান হয়েছিলো তাকালে যেন খিলখিল করে হাসতো বাতাসে। কিন্তু রাতারাতি ধানে পোকা লেগে সব কিছু শেষ।

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার কলাগাছি গ্রামে স্ত্রী পুত্রকে নিয়ে যুগলের সংসার। এই ইরি ধানই সারাবছর তাদের খাবার জোগায়। কিন্তু নতুন চালের ভাত খাওয়ার আগেই ধানে ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে সব শেষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, যুগলের জমির ধান সব চিটা হয়ে গেছে। ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে ধান গাছের পাতা আছে তবে ধানের ফল নেই। জমির বাঁধে যুগুল মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে আর তার একটু সামনে তার স্ত্রী ধানের অবশিষ্ট খর কাঁচি দিয়ে কাটছে। এদিকে তাদের ছোট্ট শিশুপুত্র আপন মনে একপাশে খেলা করছে।

যুগুলের স্ত্রী বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমাদের বলতে আর কিছু নেই। আমাদের এলাকায় একটাই ফসল হয় আর সেই ইরি ধানে আমরা মাইর খেলাম। কি খাবো না খাবো ভেবে পাচ্ছি না। একদিকে ঋণের বোঝা আর এদিকে পেটের জ্বালা। কিভাবে শোধ করবো ইরি ধান করা লোনের টাকা। এই ফসল ছাড়া আমাদের এদিকে আর কোনো ফসল হয় না। আমরা এই ফসলের উপর ভরসা করে থাকি। কিন্তু সেই ফসল আমাদের পেটের খাবার কেড়ে নিল।

ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে ধান গাছের পাতা আছে তবে ধানের ফল নেই

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ধানের ব্লাস্ট (Blast) একটি মারাত্মক ছত্রাকজনিত রােগ। পাইরিকুলারিয়া গ্রিসিয়া (Pyricularia grisea) নামক ছত্রাক দ্বারা হয়ে থাকে। হালকা মাটি বা বেলেমাটি যার পানি ধারণক্ষমতা কম সেখানে রােগ বেশি হতে দেখা যায়। জমিতে মাত্রাতিরিক্ত ইউরিয়া সার এবং প্রয়ােজনের তুলনায় কম পটাশ সার দিলে এ রােগের আক্রমণ বেশি হয়। দীর্ঘদিন জমি শুকনা অবস্থায় থাকলেও এ রােগের আক্রমণ হতে পারে। রাতে ঠান্ডা, দিনে গরম এবং শিশির থাকলে এ রােগের প্রকোপ বেড়ে যায়।

এদিকে কৃষি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধানের থোর অবস্থায় ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ধানের ফুল অবস্থায় ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা চলে গেলে; থোরের ভেতর ভ্রুণের গর্ভপাত হতে পারে। ফলে ধানের থোর থেকে ফুল বের হওয়ার পরপরই সাদা মরা অপরিপক্ক মন্জুরী দেখা যায়।

ধানের থোর বা ফুল অবস্থায় তাপমাত্রা যদি ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি চলে যায় তা হলেও ধান চিটা হয়ে যেতে পারে।

এছাড়া অনাকাঙ্খিত ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে ধানের থোর ও ফুল অবস্থায় আঘাতজনিত ইনজুরির কারণেও ধান সাদা চিটা হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ কোল্ড ইনজুরি বা হিট ইনজুরির কারণেও ধানের থোরের মধ্যে ভ্রুণের গর্ভপাত হয়ে ছড়ার আংশিক সাদা হয়ে মরা বের হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে ধান ক্ষেতে কোনো ওষুধ দিয়েও লাভ হয় না।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনাকাঙ্খিত ঝড়- শিলাবৃষ্টি, অসময়ে অতি শীত, অতি গরম ধান চাষে কৃষকদের নতুন নতুন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে।

   

ক্রীড়া অঙ্গনে ক্রিকেট এগিয়েছে, ফুটবলও এগোতে পারত: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্ব ক্রীড়া অঙ্গনে আমাদের ক্রিকেট এগিয়ে গেলেও ফুটবল সন্তোষজনকভাবে আগায়নি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে তেজগাঁওয়ের ঢাকা জেলা কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নবগঠিত যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্যদের পরিচিতি সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের তার ক্রীড়ামন্ত্রী থাকার কথা স্মরণ করে বলেন, আমি যখন ক্রীড়ামন্ত্রী তখনই বাংলাদেশ ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। তখনই বিশ্বকাপে গিয়ে ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের কত শক্তিশালী দলকে হারায়। দুইটা বিজয় ছিল, একটা স্কটল্যান্ডের সঙ্গে আরেকটা পাকিস্তানের সঙ্গে। ওই সময় বাংলাদেশ ক্রিকেটে টেস্ট মর্যাদা পেয়েছে। তখনই আমাদের প্রতিবন্ধীরা বিদেশে গিয়ে ২০টি স্বর্ণপদক নিয়ে আসে। আমাদের ক্রীড়া নিয়ে হতাশ হবার কারণ নেই।

তিনি বলেন, ক্রিকেট তো আমাদের অনেক এগিয়েছে। খেলায় উত্থানপতন আছেই। কখনো ভাল খেলবে, কখনো খারাপ হবে। আমি বলব, মোটামুটি সন্তোষজনক। ফুটবলটা আরও এগোতে পারত। বিশ্বকাপে যখন আইসল্যান্ডের মতো দল খেলছে তখন ভাবি, আইসল্যান্ড! আইসল্যান্ডও বিশ্বকাপে খেলে, আমরা পারি না। আমাদের এশিয়াতেই আছে সাউথ কোরিয়া ও জাপান। এছাড়া ইরান মাঝে মাঝে যায়। সৌদি আরবও কখনো কখনো যায়। মিশরও যায় কিন্তু আমরা যেতে পারি না।

;

পিরোজপুরে সুপেয় পানির তীব্র সংকট



তরিকুল ইসলাম, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পিরোজপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পিরোজপুরে দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির তীব্র সংকট। প্রতি ঘণ্টায় ১০ লক্ষ লিটার পানির চাহিদা থাকলেও শোধন হচ্ছে মাত্র দুই থেকে আড়াই লক্ষ লিটার। পরিশোধনে তীব্র ঘাটতি থাকায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

পিরোজপুর দেড়’শ বছরের পুরাতন মহাকুমা হলেও জেলার মর্যাদা পায় ১৯৮৭ সালে। ২’শ বছর আগেও পিরোজপুরের জনগণকে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য বিভিন্ন এলাকায় নির্ধারিত পুকুর ও নলকুপ ছিল। সময়ের ব্যবধানে জনগণের চাহিদা পূরণের জন্য পিরোজপুর জনস্বাস্থ্য বিভাগ ১৯৮৩ সালে সুপেয় পানির জন্য চালু করে পানি শোধনাগার। এবং সেখান থেকে শুরু করা হয় পানি সরবরাহ। শুরুতে প্রতি ঘণ্টায় উৎপাদন হত প্রায় ৫০ হাজার লিটার। সময়ের ব্যবধানে উৎপাদন বেড়ে আড়াই লক্ষ লিটারে দাঁড়ালেও চাহিদার তুলনায় তা খুবই সামান্য। ফলে চাহিদাকৃত পানি পরিশোধনে অক্ষম ও পুরানো মেশিন দিয়ে পানি সরবারহ করায় গ্রাহক দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে। ফলে সুপেয় পানির চাহিদা পূরণ করতে সাধারণ মানুষকে দূরদূরান্তে যেতে হয়। তাছাড়া পানি সংকটের প্রভাব পড়ছে মানুষের আর্থিক অবস্থার ওপরও।


স্থানীয়রা বলেন, পানি নিয়ে সমস্যা র্দীঘদিনের। আগে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে পানি পাওয়া যেত, কিন্তু র্বতমানে ৩০ মিনিটের বিেশ পানি পাওয়া যায় না। যা আমাদরে জন্য র্পযাপ্ত নয়। প্রচুর পরমিাণে মানুষ পানির অভাবে কষ্ট করছে। পর্যাপ্ত পানি না পাওয়ায় দূরদূরান্ত থেকে পানি আনা হয়। আগে আমরা দশ বারো কলস পানি পেতাম, সেখানে বর্তমানে আমরা পানি দুই এক কলসের বেশি পাই না। তীব্র গরমে পানির জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। পানরি অভাব পূরণ করার জন্য নতুন একটা প্লান দরকার। তাহলে আমরা পানির সমস্যা থেেকে মুক্তি পাবো।

পিরোজপুর জনস্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত সরকার বলেন, এ মৌসুমে খাল বিল শুকিয়ে যাওয়ায় পানির সরবারাহ কমে যায়। ফলে দেখা দেয় পানির সংকট। ফলে পানি সমস্যার সমাধানে নেয়া হয়েছে উদ্যোগ। চলছে একটি প্রোজেক্টের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া।


পিরোজপুর পৌর সভার লক্ষাধিক বাসিন্দার জন্য প্রতি ঘণ্টায় ১০ লক্ষ লিটার পানির চাহিদা রয়েছে। আর উৎপাদন হচ্ছে মাত্র দুই থেকে আড়াই লক্ষ লিটার।

;

নরসিংদীতে দু’গ্রুপের গুলি বিনিময়, আহত ১০



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নরসিংদী
নরসিংদীতে দু’গ্রুপের গুলি বিনিময়, আহত ১০

নরসিংদীতে দু’গ্রুপের গুলি বিনিময়, আহত ১০

  • Font increase
  • Font Decrease

নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালীতে সরকারি প্রকল্পের বালুর ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময়. গুলি ও টেটাবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে ১০ জন।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) ভোরে আলোকবালীর খোদাদিলায় যুবলীগ কর্মী জাকির হোসেন ও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জয়নাল আবেদিন গ্রুপের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, কুতুব উদ্দিন (৩৫), আব্দুল্লাহ (১৬), তৈয়ব মিয়া (১৮)। বাকিদের নাম জানা যায়নি।

জাকির গ্রুপের নেপথ্যে রয়েছে ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি এড, আসাদ উল্লাহ এবং জয়নাল আবেদিন গ্রুপে রয়েছে ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দীপু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বজলুর রহমান ফাহিম।

জানা যায়, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মেঘনা নদী ও তার শাখা নদীর নাব্যতা বৃদ্ধিতে নদী থেকে বালু উত্তোলন গত দুই মাস আগে শুরু হয়। প্রকল্প অনুযায়ী এসব বালু নদীর পাশে রাখার কথা হলেও প্রভাব বিস্তার করে আলোকবালী ইউনিয়নের সাতপাড়া ও খোদাদিলাসহ বিভিন্ন গ্রামের ফসলী জমি, পুকুর, ডুবাসহ বিভিন্ন স্থান ভরাট করা হচ্ছে। আর এসব ভরাট করা বালুর জন্য প্রতি শতাংশ জায়গা ভরাটের জন্য জয়নাল আবেদিন ও ইউপি চেয়ারম্যান গ্রুপকে ১০-১৫ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে।

ফলে, জাকির গ্রুপ তাদের ভাগ না পাওয়া ও পূর্ব আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিরোধ থেকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তাছাড়া আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জাকির গ্রুপ এলাকার বাহিরে ছিল। পুনরায় গ্রুপটি এলাকায় প্রবেশ করতে চাইলে বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে উভয় গ্রুপের সংঘর্ষ হয় এবং উভয় গ্রুপের অন্তত ১০ জন টেটাবিদ্ধ ও গুলিবিদ্ধ হয়। এদের মধ্যে কুতুব উদ্দিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।

নরসিংদী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীর আহমেদ জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বিরোধ রয়েছে। জাকির গ্রুপ এলাকায় প্রবেশ করতে চাইলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। খোদাদিলা গ্রামটি অনেক বড়। এক দিকে ধাওয়া করলে অন্য দিক দিয়ে পালাচ্ছে। খবর পেয়ে ভোর থেকে আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

;

নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা

নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় এক শিশুকে (১২) ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মো. শাহজালাল (৪৮) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বুধবার (২২ মে) নির্যাতিত শিশুর বাবা বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেন। এর আগে, গত ৫ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শাহজালাল উপজেলার ২নং কেশারপাড় ইউনিয়নের বীরকোট গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, শিশুটি রাত সাড়ে ৯টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটিকে মুখ চেপে ধরে বাড়ির পিছনে বাগানে নিয়ে যায়। এরপর জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। মেয়েকে দেখতে না পেয়ে ভিকটিমের মা টর্চ লাইট নিয়ে খুঁজতে বের হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিষয়টি আঁচ করতে পেরে কৌশলে পালিয়ে যায়।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর বাবার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। তবে পরবর্তীতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;