হিট অ্যালার্টের মধ্যে ঝড়ের শঙ্কা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সারাদেশে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। এর জন্য সতর্কতামূলক হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এ অবস্থার মধ্যেই ঝড়ের পূর্বাভাসের কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার (২১ এপ্রিল) নদীবন্দরের জন্য দেওয়া এক সতর্কবার্তায় জানানো হয়, দেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, রোববার (২১ এপ্রিল) দুপুর ১টার মধ্যে সিলেটের বিভিন্ন এলাকার ওপর দিয়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি এবং বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

   

রুমায় কেএনএফ'র বিরুদ্ধে বম জনগোষ্ঠীর মানববন্ধন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বান্দরবান
রুমায় কেএনএফ'র বিরুদ্ধে বম জনগোষ্ঠীর মানববন্ধন

রুমায় কেএনএফ'র বিরুদ্ধে বম জনগোষ্ঠীর মানববন্ধন

  • Font increase
  • Font Decrease

বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতি, মসজিদে হামলা, টাকা-অস্ত্র লুটের ঘটনায় কেএনএফ বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়ে রুমায় মানববন্ধন করেছেন সাধারণ বম জনগোষ্ঠীরা।

বুধবার (২২ মে) রুমা বাজারে হরি মন্দিরে সামনে এই মানববন্ধনে কর্মসূচি পালিত হয়। এসময় হাতে ফেস্টুন ও ব্যানার নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী ও শিশুসহ শতাধিক সাধারণ বম জনগোষ্ঠীরা।

মানববন্ধনে বেথেল পাড়া সাবেক ইউপি সদস্য লাললুং থাং বম, ধর্মীয় পাজক রেভা পেকলিয়ান বম, নারী নেত্রী জিং ঠুয়াই বম, শিক্ষার্থী এসথার বমসহ অনেকেই বক্তব্যে রাখেন।

বক্তারা বলেন, কেএনএফ সন্ত্রাসীদের অপরাধমূলক কার্যকলাপের কারণে সাধারণ বম জনগোষ্ঠীর বাসিন্দারা বিভিন্ন সমস্যা সম্মুখীন হচ্ছে। সাধারণ বম জনগোষ্ঠী এখন ভয়ে নিজেদের বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছে। যারা অস্ত্রধারী ও দেশ বিরোধী, তাদের আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচারের দাবি জানান তারা। বম নিরীহ জাতিগোষ্ঠী যাতে স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারে সরকার প্রতি অনুরোধ করেন তারা।

ধর্মীয় পাজক রেভা পেকলিয়ান বম বলেন, কিছু পথভ্রষ্ট ও বিপথগামী কেএনএফ সদস্যদের কর্মকাণ্ডের জন্য সমস্ত বম জনগণকে দোষারোপ করা যাবে না। নিরপেক্ষ ও সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত ও চিহ্নিত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কোনো নিরপরাধ মানুষ যাতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে শাস্তিভোগ না করে সেদিকে নজর রাখতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

নারী নেত্রী জিং ঠুয়াই বম বলেন, আমরা সংঘাত চাই না। আমরা শান্তি, সম্প্রীতি ও স্বাধীনতায় বাঁচতে চাই।

উল্লেখ্য, বান্দরবানে গত ২ ও ৩ এপ্রিল রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতি, মসজিদে হামলা, টাকা-অস্ত্র লুটের ঘটনায় মামলায় অভিযুক্ত ‘কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)’র সংশ্লিষ্টতা থাকার অভিযোগে সমগ্র বান্দরবান জুড়ে যৌথ বাহিনীর চিরুনি অভিযান চলমান রয়েছে।

;

আনোয়ারুলকে হত্যার প্রমাণ মিলেছে: পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আনোয়ারুলকে হত্যার প্রমাণ মিলেছে: পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ

আনোয়ারুলকে হত্যার প্রমাণ মিলেছে: পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ

  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীমকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। বেশ কিছু প্রমাণের ভিত্তিতে এটিকে 'হত্যাকাণ্ড' বলছেন তাঁরা। যদিও তাঁর মরদেহ এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

বুধবার (২২ মে) এই ঘটনা নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। 

ওই সংবাদ সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মহাপরিদর্শক (সিআইডি) অখিলেশ চতুর্বেদী বলেছেন, বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীমের মরদেহ এখনো পায়নি পুলিশ। তবে কিছু প্রমাণের ভিত্তিতে তাঁরা মনে করছেন যে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) হাতে নিয়েছে বলেও জানান তিনি।

সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছি, যার ভিত্তিতে মনে করা হচ্ছে যে ওনাকে হত্যা করা হয়েছে।’

পশ্চিমবঙ্গ সিআইডির প্রধান জানান, পূর্ব কলকাতার নিউ টাউন অঞ্চলে যে ফ্ল্যাটে আনোয়ারুল আজীম উঠেছিলেন, সেটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আবগারি দপ্তরের কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার রায়ের। সন্দীপের কাছ থেকে ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন আখতারুজ্জামান নামের এক ব্যক্তি। আখতারুজ্জামানই ওই ফ্ল্যাটে আনোয়ারুল আজীমের থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রহস্য উদঘাটনে কলকাতার নিউ টাউনের অভিজাত আবাসিক এলাকা সঞ্জীবনী গার্ডেনের ওই ফ্ল্যাটে আজ তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম

তল্লাশি চালিয়ে ওই ফ্ল্যাট থেকে কিছু পাওয়া গেছে কি না বা কোন রক্তের চিহ্ন শনাক্ত করা হয়েছে কি না সে ব্যাপারে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি এই কর্মকর্তা।

এ নিয়ে পুলিশের ফরেনসিক বিভাগ কাজ শুরু করেছে। তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আনোয়ারুল আজীমের সঙ্গে কয়েকজন ব্যক্তি এই ফ্ল্যাটে এসেছিলেন জানিয়ে অখিলেশ চতুর্বেদী বলেন, ‘কিন্তু তাঁরা কবে বেরিয়ে গেলেন, সে বিষয়ে আমরা তদন্তের স্বার্থে এখনই কিছু বলতে পারছি না। এটুকু বোঝা যাচ্ছে যে ১৩ মে উনি এখানে এসেছিলেন। তবে তার আগেও এসেছিলেন কি না, সেটা আমরা এখনো জানি না।’

আনোয়ারুল আজীমকে হত্যা করে দেহ খণ্ড খণ্ড করে ফেলা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও কিছু বলতে চাননি সিআইডি কর্মকর্তা অখিলেশ চতুর্বেদী।

উল্লেখ্য, গত ১২ মে আনোয়ারুল আজিম চিকিৎসার জন্য কলকাতায় যান। ১৮ মে কলকাতায় তার পরিচিত গোপাল বিশ্বাস পুলিশে একটি ডায়েরি করেন। সেখানে বলা হয়, আনোয়ারুল ১৩ মে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তারপর আর ফেরেননি। তিনি ফোন করে জানিয়েছিলেন, বিশেষ কাজে দিল্লি যাচ্ছেন। ১৫ মে তিনি মেসেজ করে জানান, দিল্লিতে আছেন। ১৭ তারিখ থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

বুধবার গোপাল বিশ্বাসকে উদ্ধৃত করে কিছু গণমাধ্যম জানায় যে, পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে জানানো হয়েছে, কলকাতার একটি ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ আনোয়ারুল আজিমের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।

;

এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধার হয়নি, তদন্ত চলছে: পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের নিখোঁজের ৮ দিন পর আজ (বুধবার) খবর ছড়াই, কলকাতায় এমপি আনারের খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ পাওয়া গেছে। তবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ মরদেহ পাওয়ার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছে। পুলিশ বলছে, ‘এখন পর্যন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়নি। আমরা কেসের তদন্ত শুরু করেছি।’

বুধবার (২২ মে) নিউটাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনস থেকে বেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের আইজি সিআইডি অখিলেশ চতুর্বেদী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়নি। আমরা কেসের তদন্ত শুরু করেছি। আমাদের কাছে যা তথ্য রয়েছে, তাতে ১৩ তারিখে তিনি এই ভবনে ঢুকেছিলেন। তবে এর আগে এসেছিলেন কি না সেটি আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিলেন। যদিও বিষয়টি এখনো তদন্তসাপেক্ষ।’

অখিলেশ চতুর্বেদী জানান, ‘মরদেহ টুকরো টুকরো করা হয়েছে বলে যে খবর ছড়িয়েছে, সে ব্যাপারে এখনই বলা সম্ভব নয়। ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফটোগ্রাফি সব টিমকে এই তদন্তে ইনভাইট করা হয়েছে। তারা খতিয়ে দেখছেন।’


পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দার ভাড়া করা ফ্লাটে ওঠেন এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার।

অখিলেশ চতুর্বেদী বলেন, যে ফ্ল্যাটটিতে ওই সংসদ সদস্য এসে উঠেছিলেন, সেটি সন্দীপ রায় নামে এক ব্যক্তির। তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আবগারি দফতরে কাজ করেন। তিনি ভাড়া দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা (প্রবাসী বাংলাদেশি) আখতারুজ্জামান নামে এক ব্যক্তিকে।

তিনি বলেন, ‘গত ২০ মে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই কেসটিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করার একটি নির্দেশ আসে। এরপর আজ ২২ তারিখে আমাদের কাছে একটি তথ্য আসে যে, তাকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। এরপরে আমাদের পুলিশ এই ফ্ল্যাটটিকে শনাক্তকরণ করে। কারণ এখানেই তাকে শেষবার দেখা গিয়েছিল। পরবর্তী বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে আরও তদন্ত চলছে। সিআইডি এই তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছে।’

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নিউটাউন এলাকায় সঞ্জিভা গার্ডেনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারকে হত্যা করা হয়েছে। ঘরের ভেতর রক্তের ছাপ পাওয়া গেছে বলে বুধবার (২২ মে) হঠাৎ খবর ছড়ায়।

সঞ্জীবা গার্ডেনসের আশপাশে পুরোটাই বস্তি অঞ্চল। তার মাঝে অবস্থিত অভিজাত আবাসিক ভবনটি। সেখানেই শেষবারের মতো জীবিত অবস্থায় দেখা গিয়েছিল এমপি আনারকে। আজ দিনভর সেখানে তল্লাশি চালায় কলকাতা ও রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল। তারা সন্দেহভাজন কয়েকজনকে গ্রেফতারও করে। যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সঞ্জীবা গার্ডেনসের খোঁজ পেয়েছিল পুলিশ।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার দর্শনা-গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি তার ভারতীয় ঘনিষ্ঠ বন্ধু পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বরানগর থানার মলপাড়া লেনের বাসিন্দা স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল বিশ্বাসের বাড়িতে ওঠেন। পরদিন ১৩ মে দুপুরে চিকিৎসককে দেখানোর উদ্দেশে বেরিয়ে যান। কিন্তু সন্ধ্যায়় ফেরার কথা থাকলেও তিনি আর ফিরে আসেননি। উল্টো দিল্লি গিয়ে সেখান থেকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠিয়ে জানান, তাকে আর ফোন করতে হবে না। দরকার হলে তিনি তাকে (গোপাল বিশ্বাস) ফোন করবেন। কিন্তু এরপর থেকে আর কোনোভাবেই তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। স্বাভাবিকভাবে উৎকণ্ঠা ছড়ায় তার বাংলাদেশের বাসায়। পাশাপাশি গোপাল বিশ্বাসও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। এরপরই কোনও উপায় না দেখে গত ১৮ মে শনিবার বরানগর থানায় একটি নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন গোপাল বিশ্বাস।

জিডিতে গোপাল বিশ্বাস লিখেছেন, গত ১৩ মে দুপুর দেড়টার পর ডাক্তার দেখানোর কথা বলে আমার বাড়ি থেকে বের হয়ে যান আনোয়ারুল আজীম আনার। যাওয়ার সময় বলে যান, দুপুরে খাবো না, সন্ধ্যায় ফিরে আসবো। যাওয়ার সময় নিজে গাড়ি ডেকে বরাহনগর বিধান পার্ক কলকাতা পাবলিক স্কুলের সামনে থেকে গাড়িতে উঠে চলে যান। এরপর তিনি সন্ধ্যায় বরাহনগর থানার অন্তর্গত মণ্ডলপাড়া লেনে বাড়িতে না ফিরে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করেন, আমি বিশেষ কাজে দিল্লি যাচ্ছি। গিয়ে ফোন করবো, তোমাদের ফোন করার দরকার নেই।

গোপাল বিশ্বাস মিসিং ডায়েরিতে আরও লিখেছেন, গত ১৫ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করে জানান, আমি দিল্লি পৌঁছালাম, আমার সঙ্গে ভিআইপিরা আছে, ফোন করার দরকার নেই।

;

নরসিংদীতে প্রতিপক্ষের হামলায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নরসিংদী
নরসিংদীতে প্রতিপক্ষের হামলায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নিহত

নরসিংদীতে প্রতিপক্ষের হামলায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নিহত

  • Font increase
  • Font Decrease

নরসিংদীর রায়পুরায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রচারণায় যাওয়ার সময় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুমন মিয়াকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ প্রার্থী রুবেল ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

বুধবার (২২ মে) বিকেলে উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নের মিরেরকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের বেশ কয়কজন আহত হয়েছে।

সন্ধ্যায় আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমনকে রায়পুরা তুলাতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

মো. সুমন মিয়া চরসুবুদ্ধি ইউপি চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন নাসুর ছেলে ও রায়পুরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তালা প্রতীকের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন।

নরসিংদীর সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুরা সার্কেল) আফসান আল-আলম ঘটনার সততা নিশ্চিত করে বলেন, ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুমন মিয়া উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নে গণসংযোগ করতে যান। এসময় তার প্রতিপক্ষ প্রার্থী রুবেল ও তার সমর্থকরা হামলা করে। পরে স্থানীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর উপজেলাজুড়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে বলে জানান তিনি।

;