চার বছরের উন্নয়নের গল্প শোনালেন মেয়র তাপস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দায়িত্বভার গ্রহণের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে বিগত দিনে ১২'শ কোটি টাকার অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

রোববার (১৯ মে) নগর ভবনে 'উন্নত ঢাকার উন্নয়ন অগ্রযাত্রার ৪ বছর' প্রতিপাদ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিগত ৪ বছরের সামগ্রীক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন।

শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, করোনা মহামারী সংকটকালে আমি দায়িত্বভার গ্রহণ করি। সিটি করপোরেশনের উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় সকল ক্ষেত্রে আমরা পরিবর্তন আনতে সক্ষম হই। বাসযোগ্য ঢাকা বিনির্মাণে বিগত চার বছরে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন খাতে বিদ্যমান অনিয়ম-দুর্নীতি দূর করে সুশাসন নিশ্চিত, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন সাধন, আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলসহ মাণ্ডা, শ্যামপুর, জিরানি ও কালুনগর খাল পুনরুদ্ধার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টিতে উদ্যোগ গ্রহণ, বছরব্যাপী সমন্বিত মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন, ঢাকার সচলতা আনয়নে বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন, দশকের পর দশক ধরে চলা দখল সাম্রাজ্যের অবসান ঘটানো, প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ-উদ্যান-কাঁচাবাজার, গণশৌচাগার প্রতিষ্ঠা, জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সর্বোপরি ঢাকার ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে ঢাকাকে বিশ্বের বুকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে নানাবিধ কর্মকাণ্ড পরিচালন ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং তা অব্যাহতভাবে চলমান রয়েছে।

সিটি করপোরেশনের আয় বৃদ্ধিসহ নিজস্ব অর্থায়নে অবকাঠামো নির্মাণ:

বিগত ৪ বছরে কোনো খাতে কোনো ধরনের কর বৃদ্ধি করা হয়নি জানিয়ে মেয়র বলেন, নির্বাচনের পর আমি ঢাকাবাসীর ওপর কোনো রকমের করের বোঝা না চাপিয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিগত ৪ বছরে আমরা কোনো খাতে কর বৃদ্ধি করিনি। বরং এ সময়ে ২৫টি নতুন খাত সৃষ্টি করা হয়েছে এবং ১৪টি নতুন খাত হতে আমরা রাজস্ব আদায় শুরু করেছি। ফলে করোনা মহামারীর মতো বৈশ্বিক সংকটের মাঝেও রাজস্ব আদায়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ইতিহাস সৃষ্টি করে চলেছে, যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

তিনি বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে করপোরেশনের রাজস্ব আদায় ছিল মাত্র ৫১৩ দশমিক ৯৬ কোটি টাকা, যা ২০২০-২১, ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ অর্থবছরে বেড়ে যথাক্রমে ৭০৩ দশমিক ৩১ কোটি, ৮৭৯ দশমিক ৬৫ কোটি ও ১০৩১ দশমিক ৯৭ কোটি টাকা হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের এপ্রিল মাস পর্যন্ত যে রাজস্ব আদায় হয়েছে তা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৫৪ কোটি টাকা বেশি।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সফলতা:

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সফলতা তুলে ধরে মেয়র তাপস বলেন, এক সময় ঢাকা শহরের অলিগলি হতে শুরু করে মূল সড়ক পর্যন্ত সর্বত্রই যত্রতত্র উপছে পড়া বর্জ্যে সয়লাব ছিল। কিন্তু বিগত ৪ বছরে আমরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে আমূল পরিবর্তন সাধন করেছি। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আধুনিকায়নে অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র অন্যতম একটি অনুষঙ্গ। কিন্তু বিগত ৫০ বছরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় মাত্র ২৪টি অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু আমি দায়িত্ব নেবার পর বিগত ৪ বছরে নতুন ৪১টি অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণ করেছি। বাকী ওয়ার্ডগুলোতেও অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কন্দ্রে নির্মাণে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে আধুনিকায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে জানিয়ে মেয়র তাপস বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আধুনিকায়নে বিগত ৪ বছরে নতুন ২৫টি ডাম্প ট্রাক ক্রয়, প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহকারী নিবন্ধন (PCSP), পুরাতন ৫টি অঞ্চলে চিকিৎসা-বর্জ্য সংগ্রহকারী নিবন্ধন করেছি। নতুন ৫টি অঞ্চলে চিকিৎসা বর্জ্য সংগ্রহকারী নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সর্বোপরি সূচি অনুযায়ী নিয়মিতভাবে বিভিন্ন সড়ক, অলিগলি ঝাড় দেওয়া ও রাতের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র হতে মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় ভাগাড়ে বর্জ্য স্থানান্তর নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন ১৫টি ডাম্প ট্রাক ও ১০টি পে- লোডার ক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে, সামষ্টিকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে আধুনিকায়ন নিশ্চিত হয়েছে। এতে করে শহরের সৌন্দর্য যেমন বেড়েছে তেমনি নগরবাসীকে এখন আর যত্রতত্র উপচে পড়া বর্জ্যের উৎকট গন্ধ পথ চলতে হয় না।

নগর বাসীর জন্য বিগত ৪ বছরে ১০্টি উন্মুক্ত উদ্যান ও ১১টি খেলার মাঠা সংষ্কারের করা হয়েছে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত মাঠ ও গণপরিসর সৃষ্টির লক্ষ্যে আমরা প্রতিটি ওয়ার্ডে ১টি করে খেলার মাঠ বা উদ্যান প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিগত ৪ বছরে ১১টি খেলার মাঠ সংস্কার ও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ৫টি ওয়ার্ডে নতুন খেলার মাঠ প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি বিগত ৪ বছরে ১০টি উদ্যান প্রতিষ্ঠা করে তা জনগণের জন্য অবমুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এবং ৪টি মুক্তাঙ্গন উদ্যান প্রতিষ্ঠার কাজ চলমান রয়েছে। 

ওয়ার্ডভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম:

প্রতিটি ওয়ার্ডে সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র, গণশৌচাগার ও কাঁচাবাজার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, বিগত ৪ বছরে ৩টি সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রের সংস্কার সম্পন্ন হয়েছে ও ৬টি সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ১৫টি ওয়ার্ডে নতুন সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে এবং ৩৩টি ওয়ার্ডে নতুন সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মজীবী মানুষ বিশেষ করে নারীদের সুবিধার্থে প্রতিটি ওয়ার্ডে ন্যূনতম একটি করে গণশৌচাগার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। তারই ধারাবাহিকতায় বিগত ৪ বছরে ৩৬টি গণশৌচাগার নির্মাণ ও সংস্কার করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বর্তমানে ৫টি নতুন কাঁচাবাজার নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে এবং ৪টি ওয়ার্ডে নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ২টি কাঁচাবাজারের উর্ধ্বমূখী সম্প্রসারণ ও সংস্কার কাজ সমাপ্ত হয়েছে এবং ২টি কাঁচাবাজারের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ ও সংস্কার কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

মশা নিয়ন্ত্রণে যা করেছে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন :

সারা বছর মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় জানিয়ে মেয়র বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ঢেলে সাজাতে আমরা সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেই। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে ২০২০ সালের ৬ জুন আমরা বছরব্যাপী সমন্বিত মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করি। বর্তমানে সূচি অনুযায়ী সারাবছরই আমরা এই কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছি।

মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বেগবান করতে আমরা নতুন মশককর্মী নিয়োগ দেয়া হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, পূর্বে ৪২৪ জন মশককর্মী এই কার্যক্রম পরিচালনা করতো। বর্তমানে ১ হাজার ৫০ জন মশককর্মী ও মশক সুপারভাইজার নিয়মিতভাবে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। একইসাথে আমরা প্রয়োজনীয় যান-যন্ত্রপাতিও বৃদ্ধি করেছি।

তিনি বলেন, আমার দায়িত্বভার গ্রহণের পূর্বে ৫৫১টি ফগার মেশিন, ৪৩১টি হস্তচালিত মেশিন ও ১৭টি হুইলব্যারো মেশিন দিয়ে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। বিগত ৪ বছরে আমরা নতুন আরো ৫৩৫টি ফগার মেশিন, ৬০০টি হস্তচালিত মেশিন ও ২৯টি হুইলব্যারো মেশিন ক্রয় করেছি।

তিনি বলেন, পাশাপাশি কোন ওয়ার্ডে সপ্তাহে ১০ জনের বেশি ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হলে সে ওয়ার্ডকে লাল চিহ্নিত এলাকা (রেড জোন) ঘোষণা করে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, গত বছরের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আমরা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৯ হাজার ৭৬৪ জন ডেঙ্গু রোগী পেয়েছি। তখন সারাদেশে রোগী ছিল ২ লাখ ৭১ হাজার ১৭৫ জন। যা সারাদেশের মোট রোগীর মাত্র ৩ দশমিক ৬০ শতাংশ। ফলে সফলতার সাথে আমরা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি।

মেয়র আরও বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে যে কর্মপরিকল্পনা রয়েছে সেটি ২০০০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কেউই এরকম পরিকল্পনার উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। কিন্তু আমরা সেটি করেছি। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের কর্মপরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য এক হাজারেরও অধিক জনবল থাকা প্রয়োজন সেটি আমার রয়েছে। এই কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে প্রতিটি ওয়ার্ডে সকালে সাতজন এবং বিকেলে ছয়জন মশক-কর্মী গিয়ে যেখানে মশা বেশি থাকতো সেখানে ওষুধ ছিটাতো। প্রত্যেকটা ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর বাসায় আমার মশক-কর্মীরা গিয়েছে।

আগে কীটনাশকের মান নিয়ে কথা আসলেও এখন কিন্তু কীটনাশক নিয়ে আর কোনো কথা শোনা যায় না। আমরা কীটনাশকের মান ধরে রেখেছি। আমাদের সুশাসন নিশ্চিত হয়েছে বলেও জানান ডিএসসিসি মেয়র।

   

কালো টাকা সাদা করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ বিরোধীদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাজেটে ১৫ শতাংশ ট্রাক্স প্রদানের মাধ্যমে কালো টাকা বা অপ্রদর্শিত অর্থ সাদা করার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা। তারা বলেছেন, এতে সাধারণ সৎ ট্যাক্স দাতারা ক্ষুন্ন হবেন এবং ট্যাক্স দিতে চাইবেন না। যা দেশে বিরুপ প্রভাব ফেলবে।

রবিবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদের ২০২৪-২৫ বাজেট অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় তারা এই কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী।

অধিবেশনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন কোনো আশার বাণী নেই। বরং কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়ে নিয়মিত ট্যাক্স দাতাদের নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। আর যারা কর দেননি তাদের উৎসাহিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বৈধ পথে সকলেই ৩০-৩৫ শতাংশ ট্যক্স দেন। আর যারা দীর্ঘদিন ট্যাক্স দেননি, সেই কালো টাকা ১৫ শতাংশ ট্যাক্স দিয়ে অর্থ সাদা করে ফেলবেন। তাহলে কেন সাধারণ মানুষ নিয়মিত ট্যাক্স দেবে? এটা অনৈতিক, এর ফলে বহু মানুষ ট্যাক্স না দিয়ে এই সুযোগ নিবে।

তিনি বলেন, এই কালো টাকার দুই রকমের, এটা অর্জন করা অবৈধভাবে, সেটার জন্য সেটা প্রদর্শনও করা হয়নি। আর এক ধরনের বাটপারি করে ইনকাম করছে, তারাও ট্যাক্স দেননি। এদের মধ্যে বেশী কালো টাকা, অবৈধভাবে আয় করা টাকাকে বৈধ করার তীব্র বিরোধীতা করে তিনি তাদের শাস্তির দাবি জানান। এসময় তিনি মূল্যস্ফিতির জন্য সাধারণ মানুষের সমস্যার কথাও বলেন।

তিনি বলেন, রেমিটেন্স আমাদের অর্থনীতির একটা বড় চালিকা শক্তি। প্রায় ১ কোটি মানুষ বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা রেমিটেন্স পাঠায়। তার মধ্যে মালয়েশিয়া নিয়ে অনেক লেখালেখি হচ্ছে, তারা প্রতি মাসে ৪ হাজার কোটি টাকা, বছরে ৫১ হাজার কোটি পাঠান। অনেকে মনে করে এতো টাকা কেন আসবে, এটা নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। এ নিয়ে সিণ্ডিকেটও রয়েছে। ফলে রেমিটেন্স পাঠাতে তাদের সমস্যাও হচ্ছে, সেখানে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। তাই রেমিটেন্স যোদ্ধাদের অর্থ পাঠানো সুবিধা দেবার এবং ব্যাংকিং খাতে দুর্নীতি অর্থ পাচার ব্যাংক ডাকাতি ইত্যাদি বন্ধের দাবি জানান তিনি।

জাতীয় পার্টির আরেক সংসদ সদস্য এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাজেটে উচ্চবিত্তদের সুবিধা রাখা হয়েছে। আর মধ্যবিত্তরা চাপের মধ্যে পড়বেন। বাজেটের বিভিন্ন নীতি গরীবদের পক্ষে যায়নি।

তিনি বলেন, সিগারেটের দাম তেমন না বাড়ানোয় সরকারের আয় কমে যাবে। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব, কিন্তু সবখানেই দুর্নীতি, যদিও বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও চিকিৎসাসেবা পাচ্ছে না।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে। মেগা প্রকল্প ঋণ নেওয়া হচ্ছে, তার বিশাল অংশ বাইরের ঠিকাদার ইঞ্জিনিয়াররা নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশে তরুন সমাজকে এ বিষয়ে দক্ষ করতে হবে।

কালো টাকা সাদা করার যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তার সমালোচনা করে তিনি বলেন এর ফলে সাধারণ করদাতারা কর দিতে চাইবে না। তাই ওই প্রম্তাব থেকে সরে আসতে হবে।

দেশের অর্থ বিদেশে পাঁচার করেছে, তাদের চিহ্নিত করে অর্থ ফেরৎ ও তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ।

তিনি সার্বভৌম এই পার্লামেন্টে কীভাবে কালো টাকা সাদা করা সুযোগ দেয় তার সমালোচনা করেন। তিনি অর্থ পাচার, দুর্ণীতি, ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নিয়ে না দেওয়াসহ অর্থ আত্মস্বাদকারীদের চিহ্নিত ও শাস্তির দাবি করেন।

আরেক স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দীন বলেন, সম্প্রতি সঙ্কটগ্রস্থ ব্যাংকের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, এই সঙ্কটগ্রস্থ ব্যাংকগুলোকে সলভেন্ট ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু কার্যকারী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বিধায় এই সঙ্কটগ্রস্থ ব্যাংকগুলোর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, গ্রাহকরা তাদের সব টাকা তুলে নিয়ে গেছে। এর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের এই হটকারী সিদ্ধান্তের নিন্দা জানা তিনি।

সোহরাব উদ্দীন বলেন, বাজেটে অপ্রদর্শিত অর্থ প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রী যে ১৫ শতাংশ ট্যাক্স দিয়ে সাদা করার কথা বলেছেন। তাতে উদ্দেশ্য সাধিত হবে না। ১৫ শতাংশ ট্যাক্স দিয়ে কেউ এ অপ্রদর্শিত টাকা প্রদর্শন করবে না, অতীতে ১০ শতাংশ ছিল তাতেও কিন্তু তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, যদি এটা ৫ শতাংশ ট্যাক্স করা যায় তাহলে দেশে যে বিপুল পরিমান অপ্রদর্শিত অর্থ আছে তা প্রদর্শন করবে, অর্থমন্ত্রীর যে উদ্দেশ্য তা সাধিত হবে। তাই বিপুল পরিমান টাকা সাদা করতে আমি ৫ শতাংশ ট্যাক্স ধার্য্য করার জন্য অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো।

তিনি বলেন, দেশে উন্নয়ন দ্রুত গতিতে চলছে, কিন্তু তাতে সমস্যা হচ্ছে দুর্নীতি। দুর্নীতি বেড়ে গেছে এর লাগাম টানা যদি না যায় তাহলে উন্নয়নের গতি হ্রাস পাবে। আজকে এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে দুর্নীতি নেই। ব্যাংকেও প্রচণ্ড অর্থ নয়ছয় হচ্ছে, দুর্নীতি বেড়ে গেছে, ব্যাংকের যে পদস্থ কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যান তারাই আজ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। এদের কোনো বিচার হয়নি।

;

‘সেনানিবাস না থাকলে কক্সবাজার দখল করে নিত আরাকান আর্মি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারে সেনানিবাস না থাকলে এতো দিনে ওই এলাকা মিয়ানমারের আরাকান আর্মি দখল করে নিত বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার।

রবিবার (২৩ জুন) রাতে জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন কক্সবাজার-৩ আসনের এই সংসদ সদস্য। তিনি সংসদের হুইপও।

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী জেলা কক্সবাজার-৩ আসনের (কক্সবাজার সদর, রামু ও ঈদগাঁও উপজেলা) এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘মিয়ানমারের আরাকান আর্মি সশস্ত্র লড়াই করছে। আমার নির্বাচনী এলাকা থেকে মাত্র দুই কিলোমিটারের মধ্যে তাদের অবস্থান। প্রধানমন্ত্রী সেনানিবাস না দিলে আজ কক্সবাজার অনিরাপদ হয়ে যেত। এতো দিনে তারা দখল করে ফেলত। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছেন সেনানিবাসের জন্য। আমাদের রক্ষিত করেছেন।’

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি দেশটির জান্তা সরকার উৎখাতে লড়াই করছে। তারা রাখাইন রাজ্যের বেশির ভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়ে আজ সংসদে সাইমুম সরওয়ার আরও বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা নিয়ে একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিষদ গঠন করতে হবে। তাহলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাড়বে, ভারতের নিরাপত্তা বাড়বে।

;

মিন্টুকে বহিষ্কারের দাবি আজীমকন্যা ডরিনের



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের এমপি আনোয়ারুল আজীমের মেয়ে ডরিন বলেছেন, ‘পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জেনেছি বাবা হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু। একজন খুনির জায়গা আওয়ামী লীগে হতে পারে না। তাকে এখনই দল থেকে বহিষ্কার করা হোক। সেইসঙ্গে বাবার খুনের সঙ্গে জড়িত কালীগঞ্জে মিন্টুর অনুসারীদেরও আইনের আওতায় আনা হোক।’

রবিবার (২৩ জুন) বিকালে কালীগঞ্জ বাস টার্মিনালে আয়োজিত আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও এমপি আজীম হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে এ সময় মঞ্চে কান্নায় ভেঙে পড়েন ডরিন।

তিনি বলেন, ‘বাবা পরিবারকে বেশি সময় দিতেন না। তিনি সারাদিন এলাকার মানুষের কল্যাণে ছুটে বেড়াতেন। মৃত মানুষের জানাজায় যেতেন। বাবা হত্যার পর আজকের এই প্রতিবাদ সভায় আপনাদের উপস্থিতি দেখেই বুঝতে পারছি তিনি কতটা জনপ্রিয় ছিলেন। আপনাদের ভালবাসায় বাবা এই আসনে তিনবার এমপি হয়েছেন। আজ রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকারে তাকে খুন হতে হয়েছে। বাবার খুনিদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন-উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান ওদু, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শিবলী নোমানী, কালীগঞ্জ পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলাম আশরাফ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুজ্জামান রাসেল, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন সোহেল প্রমুখ।

;

বিভক্ত কমলনগর উপজেলা আ.লীগ, পাল্টাপাল্টি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম লক্ষ্মীপুর
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দলীয়ভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রাজু।

যে কারণে রবিবার (২৩ জুন) আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পাল্টাপাল্টি পালন করেছে এ দুই নেতা। এ নিয়ে সাধারণ নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জানা গেছে, গেল জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র (ঈগল) প্রার্থীর সমর্থনকে কেন্দ্র করে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পী গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রাজুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের অন্য আরেকটি অংশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফরিদুন নাহার লাইলী।

দলীয় নেতা-কর্মীরা জানান, রবিবার বিকালে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পৃথক পৃথক আলোচনা সভার আয়োজন করে সভাপতি নিজাম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রাজু। পৃথক আয়োজনের মাধ্যমে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের বিভক্তি প্রকাশ্যে আসে। এভাবে চলতে থাকলে দলে বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে বলে জানান তারা।

জানা গেছে, উপজেলা সভাপতি নিজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের সামনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন।

ওই সভার প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক রাখা হয়েছে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পীকে। তিনি সংসদ সদস্য আবদুলল্লহ আল মামুনের একান্ত সহকারীর (পিএস) দায়িত্বে রয়েছেন।

এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে আরেকটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রাজু নেতৃত্বে আয়োজিত ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফরিদুন নাহার লাইলীর নাম রাখা হয়। যদিও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।

ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইস্কান্দার মির্জা শামিম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সফিক উল্লাহ বাংলা নেতা, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আহসান উল্লাহ হিরণ, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারেফ হোসেন রাসেল, সদস্য আব্দুল আহাদ দিদার, কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক সালা উদ্দিন দোলন, রামগতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, ছাত্রলীগ নেতা তানজুর রহমান রুবেলসহ প্রমুখ।

এ বিষয়ে জানতে রবিবার রাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিনের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।

সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রাজু বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের অনুষ্ঠান একটিই হয়েছে। সেটা আমার নেতৃত্বে হয়েছে দলীয় কার্যালয়ের সামনে হয়েছে। এতে দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিল। কিন্তু, হাজির হাট ইউনিয়ন পরিষদের সামনে যে অনুষ্ঠান হয়েছে, সেটি আমাদের দলীয় অনুষ্ঠান ছিল না। স্বতন্ত্র এমপির (আবদুল্লাহ আল মামুন) নিজস্ব অনুষ্ঠান ছিল। তিনি আমাদের দলের এমপি নন৷ ওই অনুষ্ঠান প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পি। আওয়ামী লীগের দলীয় অনুষ্ঠান হলে যুবলীগ নেতা কিভাবে আহ্বায়কের দায়িত্ব পান?

তিনি দাবি করেন, দলে কোন গ্রুপিং নেই। সভাপতি নিজাম উদ্দিন স্বতন্ত্র এমপির নির্বাচন করেছেন। তাই তিনি আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠানে আসেননি।

;