বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের সম্প্রসারণ চায় কানাডা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের সম্প্রসারণ চায় কানাডা বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু

রোববার (১৯ মে) সচিবালয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কানাডার ইন্দো-প্যাসি‌ফিক বা‌ণিজ্য প্রতি‌নি‌ধি পল থো‌পিলের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।সাক্ষাৎ শেষে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী একথা জানান।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশে (এলডিসি) উত্তরণ হতে যাচ্ছে। বাজার সুবিধা পেতে বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট নেগোসিয়েশন আজ শুরু হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে আসিয়ান দেশগুলোর সাথে সম্পর্কোন্নয়নে কাজ করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

ইন্দো-প্যাসি‌ফিক বা‌ণিজ্য প্রতি‌নি‌ধি পল থো‌পিল বাংলাদেশের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশ-কানাডার মধ্যকার সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। বিনিয়োগকারী কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগে আগ্রহী করতে বাংলাদেশের সাথে চুক্তি সম্পন্ন করতে চায় কানাডা। অবকাঠামোগত প্রকল্প, সাইবার নিরাপত্তা একইসাথে তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী কানাডা। ক্যানোলা তেল রফতানি হতে পারে এদেশে, এ তেলের ফ্যাক্টরি এখানে স্থাপন হলে তেল প্রক্রিয়া করা আরও সহজ হবে বলে জানান তিনি।

এসময় বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকলস, কমার্সিয়াল কাউন্সিলর দেবরা বইয়েস, এশিয়া-প্যাসিফিক ভাইস-প্রেসিডেন্টের চিফ স্টাফ ব্র‍্যাড কোয়েল, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (ডিজি) খন্দকার মাসুদুল আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নাহিদ আফরোজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আজ সকালে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট নেগোসিয়েশনের প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে। এসময় দু'দেশের বাণিজ্যিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নেগোসিয়েশন হবে, যা শেষ হবে বৃহস্পতিবার (২৩ মে)।

   

ভবনের মাঝখানে যুবকের লাশ, পাশে মিলল চুরি হওয়া ২ মোবাইল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ভবনের মাঝখানে যুবকের মরদেহ

ভবনের মাঝখানে যুবকের মরদেহ

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার আলকরণ এলাকায় দুইটি ভবনে মাঝ থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, চুরি করে পালাতে গিয়ে ভবন থেকে পড়ে তার মৃত্যু হতে পারে।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় আলকরণ এলাকায় থেকে স্থায়ীদের খবরে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে এখনো তার পরিচয় জানতে পারিনি পুলিশ।

জানা গেছে, আজ বিকেলের দিকে ওই এলাকায় মরদেহের পচা গন্ধা পায় স্থানীয়রা। পরে খোঁজ করে দেখে বন্ধন টাওয়ার ও আলকরণ টাওয়ার নামে দুইটি বহুতল ভবনের মাঝামাঝি খালি স্থানে আটকে আছে এক যুবক। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। ওই স্থান থেকে গত ২২ জুন রাতে বন্ধন টাওয়ারে একটি কক্ষ থেকে চুরি হওয়া দুটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের ধারণা, ঘটনার দিন চুরির ঘটনা টের পেলে ভবনে বসবাসরতদের চিৎকারে পালিয়ে যায় চোরের দল। চুরি করতে এসে পালিয়ে যাওয়ার সময় ভবনের পড়ে মৃত্যুবরণ করে যুবকটি।

ভবনটির মালিক নিজাম হাসান বলেন, সন্ধ্যায় এক রকম পচা গন্ধা পাওয়া যায় বিল্ডিংয়ের আশপাশে। পরে দেখা যায় দুই বিল্ডিংয়ে মাঝখানে আটকে আছে এক যুবক। পরে স্থানীয় কাউন্সিলরকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ সদস্য এসে মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। আমার বিল্ডিং থেকে গত পরশুদিন রাতে দুই মোবাইল চুরি হয়। তারা দুইজন ছিল। মনে হয় একজন পালিয়ে যেতে পারলে অন্যজন ডিশের তার দিয়ে নামার সময় দুই বিল্ডিংয়ের মাঝখানে পড়ে যায়।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস.এম ওবায়েদুল হক বলেন, মরদেহটি দুই বিল্ডিংয়ের লোহার নেটের সাথে আটকানো ছিল। মরদেহ উদ্ধার করে চমেক মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঐ যুবকের নাম পরিচয় শনাক্ত করতে কাজ অব্যাহত আছে। গত ২২জুন রাতে সেখানে একটি ভবনে চুরির ঘটনা ঘটে। মরদেহের সাথে চুরি হওয়া মোবাইল দুইটিও পাওয়া যায়। ধারণা হচ্ছে, চুরি করা পালাতে গিয়ে হয়ত পড়ে মারা গেছে।

;

জল্লাদ শাহজাহানের মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া নেই এলাকাবাসীর



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নরসিংদী
ছবি: জল্লাদ শাহজাহান

ছবি: জল্লাদ শাহজাহান

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের আলোচিত জল্লাদ শাহজাহান আর নেই। এই সংবাদটি মিডিয়া জগতে যতটা আলোচিত হয় আর তুলনায় আলোচনা বা প্রতিক্রিয়া নেই এলাকাবাসীর। সোমবার (২৪ জুন) ভোর সাড়ে পাঁচটায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে মারা যান দেশের আলোচিত জল্লাদ শাহজাহান। জল্লাদ শাহজাহানের প্রতিবেশী ও স্বজন এবং স্থানীয় গজারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এস এম আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি আরো জানান, জল্লাদ শাজাহান আমাদের নিকট আত্মীয়, তিনি জেল থেকে মুক্তির পর বাড়িতে দুই চারবার আসেন, এছাড়া বেশিরভাগ সময় ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ভাড়া বাসা করে বসবাস করেন। সর্বশেষ তিনি ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

সোমবার (২৪ জুন) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে শাজাহান বুকের ব্যথা অনুভব করে। এ সময় বাড়ির মালিক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে শাজাহান ইন্তেকাল করেন বলে খবর পাওয়া যায়। জল্লাদ শাজাহান মৃত্যুর খবরে তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর পলাশে স্থানীয়দের মাঝে তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

মৃত্যুর সংবাদ শুনে গ্রামের বাড়িতে তার স্বজনরা রাত দশটায় জানাজা নামাজের সময় নির্ধারণ করে কবরের খনন কাজ শেষ করেন। তবে শাহজাহানের মরদেহ হাসপাতাল থেকে আনতে হলে ময়নাতদন্তের পর আনতে হবে বিধায় আজ রাত জানাজা নামাজ দাফন কাজ সম্পন্ন নয় বলে জানান শাহজাহানের স্বজন এস এম আলমগীর।

শাজাহানের মৃত্যুতে এলাকাবাসী জানান, জল্লাদ শাহজাহান ছোট্টবেলা থেকেই এলাকা ছাড়া থাকায় এলাকার অনেকেই তাকে চেনেন না বা জানেন না, এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন কারা ভোগের পর সম্প্রতি মুক্তি পেয়ে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় দেশের আলোচিত ব্যক্তিদের ফাঁসি দিয়ে সারাদেশে আলোচিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন

;

জামিনে মুক্তি পেলেন আলোচিত পাপিয়া



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
ছবি: শামীমা নূর পাপিয়া

ছবি: শামীমা নূর পাপিয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হলেন আলোচিত শামীমা নূর পাপিয়া। সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে তিনি কারাগার থেকে বের হন। বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন।

তিনি বলেন, বিকেলে পাপিয়ার জামিনের সব কাগজপত্র কারা কর্তৃপক্ষের হাতে পৌঁছে। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে তাকে কুমিল্লা কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কুমিল্লা কারাগারে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছে কিনা? এমন প্রশ্নে জেল সুপার বলেন, আমাদের নজরে এমন কিছু পড়েনি।

জানা যায়, ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জাল টাকা বহন এবং অবৈধ টাকা পাচারের অভিযোগে পাপিয়াসহ চারজনকে গ্রেফতার করে র‍‍্যাব। এরপর তাদের কাছ থেকে ৭ টি পাসপোর্ট, দুই লাখ ১২ হাজার টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ জাল টাকা, ৩১০ ভারতীয় রুপি, ৪২০ শ্রীলঙ্কান মুদ্রা, ১১ হাজার ৯১ মার্কিন ডলার এবং সাতটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারের পর কাশিমপুর কারাগারে ছিলেন পাপিয়া। সেখানে এক নারী বন্দির ওপর নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। পরে ২০২৩ সালের ৩ জুলাই শামীমা নূর পাপিয়াকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কুমিল্লা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

;

দুর্নীতির মচ্ছব বন্ধে বিশেষ কমিশন গঠন করুন: মেনন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দুর্নীতির বিস্তার রোধ করা না গেলে ‘হিমশৈলের ধাক্কায় দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির সলিল সমাধি’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।

তিনি বলেন, দুর্নীতির মচ্ছব বন্ধ করতে এখনই বিশেষ কমিশন গঠন করুন।

সোমবার (২৪ জুন) দ্বাদশ জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ সব কথা বলেন রাশেদ খান মেনন।

এ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

রাশেদ খান মেনন বলেন, আমি দেশের সর্বগ্রাসী দুর্নীতি সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। বিএনপি আমলে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে পাঁচ পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করেছি। বিএনপি আমলের দুর্নীতির বিশ্ব সূচকে আমাদের সেই কলঙ্ক দূর হলেও ওই সূচকে বাংলাদেশ এখনো শীর্ষ ১০-এর মধ্যে রয়েছে। বরং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির সম্প্রতি যে চিত্র বেরিয়ে আসছে, তা দেশের ভাবমূর্তি কেবল নয়, সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জনমনে অনাস্থা সৃষ্টি করছে। এ কথা এখন আর অস্বীকার করার উপায় নেই যে, সাবেক পুলিশ প্রধান ও সেনা প্রধানের দুর্নীতির চিত্র ‘হিমশৈলের ক্ষুদ্র উপরিভাগ’ মাত্র।

এখনই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে দুর্নীতির এই বিস্তার রোধ করা না গেলে হিমশৈলের ধাক্কায় দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির সলিল সমাধি হবে। দুর্নীতির এই মচ্ছব বন্ধ করতে এখনই বিশেষ কমিশন গঠন করুন। দুর্নীতিবাজদের অর্থ সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও বিচার করে কঠিনতম শাস্তি দিন। ঋণখেলাপি অর্থ আত্মসাৎকারীদের জন্য ‘ট্রাইব্যুনাল গঠন’ করুন।

সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, আমি জানি, উন্নয়নের বেদনা আছে। সেই বেদনা যদি চোখের সামনে দেশের সম্পদ লুট করার কারণে হয়, তবে সেটা গ্রহণ করা যায় না। ওই লুটের টাকাকে ‘যখন সাদা করার জন্য সৎ উপায়ে অর্জিত অর্থের চেয়ে অর্ধেক কর দিয়ে সাদা করার প্রস্তাব করা হয়’, তখন সেটা সততার জন্য তিরস্কার ও অসততার জন্য পুরস্কারের শামিল হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি বলেন, এ সম্পর্কে যে সব যুক্তি দেওয়া হচ্ছে, তা কেবল আশার নয়, এ প্রসঙ্গে সরকারের অতীত অবস্থানের বিপরীত। খালেদা জিয়ার জন্য যেটা অনৈতিক, বর্তমানেও সেটা অনৈতিক। আশা করি, অর্থমন্ত্রী এই প্রস্তাব প্রত্যাহার করে সংসদকে এর দায়ভার থেকে রেহাই দেবেন।

সংসদ সদস্য মেনন বলেন, এক নিষ্ঠুর অলিগার্করা দেশের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে। সেই অলিগার্কির স্বার্থ রক্ষার্থে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনা যায়নি। দ্রব্যমূল্যের ক্রমবর্ধমান ঊর্ধগতি, দুর্নীতি, অর্থপাচার, ব্যাংকিংখাতে লুট ও নৈরাজ্য এবং খেলাপি ঋণের বিশাল পাহাড় দেশের অর্থনীতিকে ভঙ্গুর অবস্থায় উপনীত করেছে।

এর থেকে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাই ছিল বর্তমান সময়ের জরুরি কর্তব্য। কিন্তু সেই লক্ষ্যে বাজেটে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যায় না।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের যে নির্বাচনি ইশতেহারের কথা বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, তার থেকে বাজেট প্রস্তাবনা যোজন যোজন দূরে এবং সাংঘর্ষিক। বাজেটে মূল্যস্ফীতি সম্পর্কে বৈশ্বিক সংকটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেই একই বৈশ্বিক সংকটে শ্রীলঙ্কা, ভারত মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনতে পারলেও বাংলাদেশ পারছে না কেন, সে কথা বলার প্রয়োজন ছিল। অর্থমন্ত্রী অবশ্য বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে আগামী ৬ মাসের মধ্যে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনার আশা দিয়েছেন। আমরা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করবো। ৬ মাস পর এই সংসদে এ ব্যাপারে পর্যালোচনা উত্থাপনের জন্য আমি প্রস্তাব করছি।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বলেন, মূল্যস্ফীতির অভিঘাত সাধারণ মানুষকেই বহন করতে হয়। এর ফলশ্রতিতে যে বিষয়টি সাধারণ মানুষকে সর্বাপেক্ষা পীড়িত করছে, তা হচ্ছে উচ্চ দ্রব্যমূল্য। আমি সংসদে কাউকে কাউকে ঢোক গিলে বলতে শুনেছি, মানুষ কষ্টে আছে। মানুষ শুধু কষ্টে নেই, তাদের সঞ্চয় ভেঙে খেতে হচ্ছে। খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা কমিয়ে দিতে হচ্ছে!

;