প্রবাসীর ১৬ ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নেওয়ার সময় এসআই আটক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীর টাইগারপাস এলাকায় এক প্রবাসীর ১৬ ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের উপ-পরিদর্শককে (এসআই) আটক করা হয়েছে। এসময় ওই এসআইয়ের এক সোর্সকেও পুলিশ আটক করে।

রোববার (১৯ মে) দুপুর সোয়া ২টার দিকে নগরীর আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের দুই নম্বর গেট অংশ থেকে দুজনকে আটক করে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ।

আটক উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলাম খুলশী থানায় কর্মরত আছেন। আর মো. জাহেদ পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নগরীর টাইগারপাস এলাকায় এক ব্যক্তির কাছ থেকে স্বর্ণ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ধাওয়া দেন। ধাওয়া খেয়ে তারা আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের ওপরে উঠে যান। পরে খবর পেয়ে ফ্লাইওভারের ওপরে দুই নম্বর গেট অংশ থেকে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ দুজনকে স্বর্ণসহ আটক করে। এরপর তাদের খুলশী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমান চাকমা। তিনি বলেন, আমরা ওই এসআইকে তার এক সোর্সসহ আখতারুজ্জামান ফাইওভারের ওপর দুই নম্বর গেট অংশ থেকে আটক করেছি। ঘটনাস্থল যেহেতু খুলশী থানা এলাকায়, তাই দুজনকে খুলশী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. মোখলেসুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, পুলিশের এক এসআইসহ দুইজন খুলশী থানায় আটক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহর মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

   

শ্রমিকদের চাকরি নিশ্চিত হওয়ার পরই ভিসা: প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রদূত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উপসাগরীয় দেশগুলোতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের চাকরি নিশ্চিত হওয়ার পরই কেবল ভিসা ইস্যু করা হবে বলে জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান তিনি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আবদুল্লাহ খাসেফ আল-হুমুদি গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বলে সাংবাদিকদের জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এম নাঈমুল ইসলাম খান।

রাষ্ট্রদূতকে উদ্ধৃত করে প্রেস সচিব বলেন, 'সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন যে, তাদের জন্য এরইমধ্যে দেশটিতে চাকরির ব্যবস্থা আছে কি না নিশ্চিত হওয়ার পর তারা বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নেবে।

অবৈধ অভিবাসীদের বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবেশ করতে না দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত একমত হয়েছেন বলে জানান তিনি।প্রেস সচিব আরও বলেন, উভয় দেশ এ বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, বিনিয়োগসহ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার নতুন পথ খুঁজে বের করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী শিগগিরই ঢাকা সফর করবেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, আমাদের মধ্যে অত্যন্ত বিস্তৃত ও গভীর সম্পর্ক রয়েছে, তবে আমরা এটিকে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আগ্রহী।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে প্রতি মাসে প্রায় ২০ হাজার অভিবাসী সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাচ্ছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাস প্রতিদিন প্রায় ১০০০ ভিসা ইস্যু করছে যার মধ্যে ৫০০ জন সরাসরি এবং আরও ৫০০ এজেন্টের মাধ্যমে।

বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনাকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী।

কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণসহ বাংলাদেশে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন দেশটির রাষ্ট্রদূত।প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে বলেন, সব সেক্টরে গতি বাড়াতে কাজ করছে সরকার।

রাষ্ট্রদূত বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি কোম্পানি বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচলকে অ্যাডভান্স প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেম (এপিআইএস) সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে। মূল্য নিয়ে আলোচনায় প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের কাছে পাঠিয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব।

নিরাপত্তার কারণে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো এবং অন্যান্য দেশ এখন এয়ারলাইন্সগুলোকে ভ্রমণের আগে তাদের যাত্রীদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে বাধ্য করে। এটি অ্যাডভান্স প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন (এপিআই) নামে পরিচিত।

অ্যাডভান্স প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেম (এপিআইএস) মার্কিন শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা (সিবিপি) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বৈদ্যুতিক ডেটা ইন্টারচেঞ্জ সিস্টেম।

২০০৯ সালের মে থেকে শুরু করে, বেসরকারি বিমান পাইলটদেরও সিবিপিকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করতে হয়। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ১৮০ দিনের ‘স্বেচ্ছায় সম্মতির সময়কাল’ সহ এই নীতিমালা কার্যকর করা হয়েছিল।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীকে তার দেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত।

তিনি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম তাকে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

;

আনার হত্যায় মিন্টু অর্থদাতা ও নির্দেশদাতা ছিলেন কিনা জানতে চাওয়া হবে: হারুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অর্থদাতা ও নির্দেশদাতা ছিলেন কিনা তা তদন্তে বের করা হবে। তদন্তে সুস্পষ্ট অভিযোগ না পেলে আমরা কাউকে ডাকি না।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেলে মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, কিলার শিমুল ভূঁইয়া ও গ্যাস বাবুর জবানবন্দীতে কিছু তথ্য উপাত্ত পেয়েছি। এ কারণে মিন্টুকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তাকে ব্যাপক আকারে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। সেই কারণে আমরা তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করি। পরে মিন্টুকে ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সাইদুল করিম মিন্টুকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে তিনি আসলে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কতটুকু জানেন। গ্যাস বাবুর মোবাইল কেন নেওয়া হলো সেটিও জিজ্ঞেস করা হবে। কিলার শিমুল ভূঁইয়া ঢাকায় আসার পর কেন মিন্টুর প্রতিনিধি গ্যাস বাবু তার সঙ্গে দেখা করলেন, জানতে চাওয়া হবে মিন্টুর কাছে।

টাকা-পয়সার লেনদেন সঠিক কিনা? গ্যাস বাবুর মোবাইল নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন কিনা? এছাড়া আক্তারুজ্জামান শাহীনের সঙ্গে কথা বলেছেন কিনা? সবকিছু সাইদুল করিম মিন্টুর কাছে জানতে চাওয়া হবে।

হারুন অর রশীদ বলেন, ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবু রিমান্ডে রয়েছে। গ্যাস বাবু স্বীকার করেছেন, আনার হত্যাকাণ্ডের মূল ঘাতকের সঙ্গে মিটিং এবং একাধিকবার দেখা করেছেন তিনি। আক্তারুজ্জামান শাহীনের পক্ষে কাজ করেছে শিমুল ভূঁইয়া, অন্যদিকে সাইদুল করিম মিন্টুর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছে গ্যাস বাবু।

গ্যাস বাবুর যে মোবাইল হারানোর কথা বলা হচ্ছে। মোবাইলগুলো মিন্টু নিয়েছেন কিনা? জানতে চাইলে ডিবিপ্রধান বলেন, গ্যাস বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রথমে জানিয়েছিলেন মোবাইল হারিয়ে যাওয়ায় তিনি জিডি করেছেন। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, মিন্টুর বুদ্ধিতে মোবাইল মিন্টুর কাছে দিয়ে তিনি থানায় হারানোর জিডি করেন।

হারুন বলেন, গ্যাস বাবু ও সাইদুল করিম মিন্টুকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে আমরা বিস্তারিত পরে জানাবো। প্রয়োজনবোধে আবারও শিমুল ভূঁইয়াকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

;

চবি রাজনীতি বিজ্ঞান সেমিনার কক্ষে উন্মুক্ত গ্রন্থাগার উদ্বোধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
চবি রাজনীতি বিজ্ঞান সেমিনার কক্ষে উন্মুক্ত গ্রন্থাগার উদ্বোধন

চবি রাজনীতি বিজ্ঞান সেমিনার কক্ষে উন্মুক্ত গ্রন্থাগার উদ্বোধন

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ঐতিহ্যবাহী রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের সেমিনার কক্ষে উন্মুক্ত গ্রন্থাগার উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১২ জুন) সকালে রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজের সভাপতিত্বে উন্মুক্ত গ্রন্থাগার উদ্বোধন করেন বরিষ্ঠ অধ্যাপক ড. ভূঁইয়া মো. মনোয়ার কবির। এতে উন্মুক্ত গ্রন্থাগারের কনসেপ্ট ও উপযোগিতা সম্পর্কে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. আনোয়ারা বেগম।

অধ্যাপক ড. ভূঁইয়া মো. মনোয়ার কবির বলেন, বর্তমানে গ্রন্থাগার ব্যবস্থাগুলো শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বিকাশের জন্য সহায়ক নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তালাবদ্ধ গ্রন্থাগারগুলো জ্ঞান অর্জনের আগ্রহকে কমিয়ে দেয়। তিনি বলেন, আমাদের গ্রন্থাগারগুলো ঐতিহ্যবাহী ও সমৃদ্ধ। কিন্তু এগুলো তালাবদ্ধ। এ ছাড়াও অনেক গ্রন্থাগারে নানা নিয়মকানুন থাকায় জ্ঞান অর্জনে বাধা সৃষ্টি করছে। এক্ষেত্রে উন্মুক্ত গ্রন্থাগার উদ্যোগ অগ্রগামী চিন্তার দৃষ্টান্ত, যা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপকারে আসবে।

অধ্যাপক ড. আনোয়ারা বেগম বলেন, বই পড়াকে সহজ করতে আমরা এই উদ্যােগ নিয়েছি, যা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। শিক্ষার্থীরা যখনই সময় পাবে, বই পড়বে, বই পড়ার আনন্দ উপভোগ করবে। তবে এই উন্মুক্ত গ্রন্থাগার ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের বইয়ের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।

রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ বলেন, প্রতিটি সভ্যতাতে গ্রন্থাগার ছিল অপরিহার্য প্রতিষ্ঠান। আমি যতদূর জানি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এটিই প্রথম উন্মুক্ত গ্রন্থাগার। এই লাইব্রেরির সাথে নিবিড়ভাবে সংযুক্ত থাকার ফলে শিক্ষার্থীরা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রণোদনা পাবে বলে আশা করা যায়।

;

ধামরাইয়ে অটোচালক হত্যা, গ্রেফতার ৪ ছিনতাইকারী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ধামরাইয়ে অটোচালক হত্যা, গ্রেফতার ৪ ছিনতাইকারী

ধামরাইয়ে অটোচালক হত্যা, গ্রেফতার ৪ ছিনতাইকারী

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা জেলার ধামরাইয়ে কালাম বিশ্বাস (২৬) নামে এক অটোরিকশা চালক হত্যার ঘটনায় চার ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুরের দিকে সাভারের নবীনগর এলাকায় র‌্যাব-৪ এর সিপিসি-২ নবীনগর ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- ঢাকার শান্ত মনি দাস ওরফে বিচ্ছু শান্ত (১৯), বিজয় মনি দাস (২০), শ্রীকান্ত কর্মকার (২০) ও বিশ্বনাথ মনি দাস বিশু (২০)।

নিহত কালাম বিশ্বাস টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ধুপুরিয়া এলাকার বাসিন্দা। স্ত্রীসহ ঢাকার সাভারের উত্তরপাড়া খালেক মার্কেটের পাশে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি।

র‍্যাব জানায়, গত ৯ জুন ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের পশ্চিম বাড়িগাঁও এলাকায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মরদেহটি অটোচালক কালাম বিশ্বাসের বলে শনাক্ত করা হয়। জানা যায়, তিনি গত ১০-১২ বছর ধরে পরিবারসহ সাভারে বসবাস করছিলেন। ওই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ধামরাই থানায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তে নেমে ধামরাই ও মানিকগঞ্জ থেকে হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা ও অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‍্যাব জানায়, গত ৮ জুন দুপুরের দিকে গ্রেফতার শান্ত বাইক কেনার জন্য বাসা থেকে বের হয়ে বিশু ও বিজয়ের সঙ্গে দেখা করে। অল্প টাকায় বাইক কেনা যাবে না বিধায় তারা অটোরিকশা ছিনতাই করে বিক্রি করবে বলে পরিকল্পনা করে। এক পর্যায়ে তারা পূর্ব পরিচিত অটোরিকশা চালক কালামকে লক্ষ্যবস্তু করে। তাকে মাদক সেবন করিয়ে সুইচ গিয়ারের ভয় দেখিয়ে ছিনতাই করবে বলে পরিকল্পনা করে। এ অনুযায়ী তারা কালামের অটোরিকশা রিজার্ভ ভাড়া করে পার্কে ঘুরতে যাবে বলে জানায়। সেদিন রাতের দিকে বাড়িগাঁও পশ্চিমপাড়া নির্জন জায়গায় এলে পূর্বপরিকল্পনানুযায়ী তারা ভুক্তভোগীকে অচেতন করে ও শান্তর কাছে থাকা সুইচ গিয়ার দিয়ে গলায় ও বুকে ছুরিকাঘাত করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে।

এছাড়া মরদেহ আড়াল করতে সেটি খড় দিয়ে বিজয় আর বিশু অটোরিকশা নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তাদের অপর সহযোগী শ্রীকান্তের সহায়তায় সেটি গোপন করে। আলামত উদ্ধারে র‍্যাবের অভিযান চলছে বলে জানানো হয়।

র‍্যাব-৪ সিপিসি ২ এর কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান বলেন, গ্রেফতাররা সাভার বাজার ও ধামরাই এলাকার চুরি, ছিনতাই এবং মাদক সেবন করে থাকে।

গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

;