স্বামীর অগোচরে প্রেমিকের সাথে ঘুরতে গিয়ে প্রাণ গেল শেফার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পটুয়াখালী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রেমিকের সাথে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মোসা. শেফা আক্তার নামে এক নার্সিং শিক্ষার্থীর।

মঙ্গলবার (২১ মে) সন্ধ্যায় শেফা তার প্রেমিকের সাথে মোটরসাইকেলে ঘুরতে গেলে শাখারিয়া বাস স্ট্যান্ডের এলাকায় তার প্রেমিকের মোটরসাইকেলের পিছন থেকে পড়ে যান। পরবর্তীতে প্রেমিক মো. টিটু তাকে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মোসা. শেফা আক্তার পটুয়াখালীর গাজী মনিবুর রহমান নার্সিং কলেজের বিএসসি ইন নার্সিং এর ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী। শেফার স্বামী একজন পুলিশ সদস্য।

ঘুরতে যাওয়ার আগে শেফা তার রুমমেটকে বলে যান, তিনি তার বান্ধবীর সাথে সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন। তিনি পটুয়াখালী ছোট চৌরাস্তা সংলগ্ন এক ভাড়া বাসায় থেকে সাবলেট থাকতেন।

প্রেমিক মো. হাচনাত টিটু বর্তমানে মির্জাগঞ্জ উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব পদে নিয়োজিত আছেন। সে কয়েক বছর আগে বিবাহ করেন তার বর্তমানে একটি সন্তানও রয়েছে।

মো. হাচনাত টিটু পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড নলদোয়ানী গ্রামের মৃত হাবিব শিকদারের ছেলে।

টিটুকে বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পটুয়াখালী সদর থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ -এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া। ময়নাতদন্ত শেষে মৃতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আর এই ঘটনায় প্রেমিক টিটুকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

   

ওয়াহিদা রহমানের পলায়ন ঠেকাতে ইমিগ্রেশনে দুদকের চিঠি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাস্টমসের সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে সেজন্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. শাহ আলম শেখ স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এতথ্য জানা যায়।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে আইন বহির্ভূতভাবে একক নির্বাহী সিদ্ধান্তে ১৬টি নথিতে চার মোবাইল কোম্পানির ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা অপরিশোধিত সুদ মওকুফ করে সরকারের আর্থিক ক্ষতি করায় কাস্টমস কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, চারটি মোবাইল কোম্পানির স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার ওপর ভ্যাট প্রযোজ্য হওয়ায় তা মেনে নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে যথাসময়ে ১৮৯ কোটি ৭৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার কথা জানায় । কিন্তু তারা নির্ধারিত কর মেয়াদে ওই অর্থ পরিশোধ না করায় ভ্যাট আইন অনুযায়ী সুদের পরিমাণ হয় ১৫২ কোটি ৮৯ লাখ ৩৯০ টাকা। আইন অনুসারে সুদ আদায়ের জন্য কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী অতি দ্রুত সুদের হিসাব করার নির্দেশ দেন।

সুদ হিসাবে সরকারের পাওনা অর্থের মধ্যে গ্রামীণ ফোনের কাছে ৫৮ কোটি ৬৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬৯৭ টাকা, বাংলালিংকের কাছে ৫৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫১ টাকা, রবির কাছে ১৪ কোটি ৯৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং এয়ারটেলের কাছে ২০ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ৯৫২ টাকা রয়েছে। পরবর্তীকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩ থেকে ৫ মাস পর ভিন্ন আদেশে ওই সুদ মওকুফ করে দেন ওয়াহিদা রহমান।

;

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খাগড়াছড়ি
কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

  • Font increase
  • Font Decrease

খাগড়াছড়ির রামগড় পাহাড় অঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে আবু মিয়া নামের এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকাল ১১টার দিকে গবেষণা কেন্দ্রের টাওয়ার টিলা এলাকা থেকে ঐ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত আবু মিয়া রামগড় উপজেলার ১নং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড নুরপুর এলাকার মৃত আমির হোসেন এর ছেলে। সে দীর্ঘদিন যাবত কৃষি গবেষণায় নিয়মিত শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিল।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন জানান, ‘‘গতকাল বুধবার সকাল ১০টা থেকে টাওয়ার টিলা পোস্টে কাজে যান গবেষণার কেন্দ্রের শ্রমিক আবু মিয়া। দুপুরের পর থেকে সে নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে বাগান কর্তৃপক্ষ খোঁজাখুঁজি শুরু করে। আজ সকালে জঙ্গলে মরদেহ পাওয়া যায়’’

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার পর মরদেহ ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল শেষে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

;

উন্নয়নের গতি থামিয়ে রাখার সুযোগ নেই: তাজুল ইসলাম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, আমাদের অনেক ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। আমাদের আর্থিক অবস্থা দুর্বল ছিল। উন্নয়নের মূলস্রোতে নিয়ে আসতে আমাদের শিল্পায়ন করতে হয়েছে, গড়ে তোলা হয়েছে শিল্প কারখানা। উন্নয়নের এই গতি থামিয়ে রাখার সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকালে হোটেল সোনারগাঁওয়ে গ্রান্ড বলরুমে বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে বহু অংশীজনের পরামর্শ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে উপস্থিত সুধীবৃন্দের প্রতি এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বায়ু দূষণ শুধু আমাদের নিজস্ব ভৌগলিক সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আমরা যদি আমাদের নিজ ভৌগলিক সীমানা দূষণ মুক্ত করি তবুও আমাদের বায়ু দূষণমুক্ত হবে না। কারণ সারাবিশ্বে যেভাবে যুদ্ধ হচ্ছে, প্রতিনিয়ত দূষণ হচ্ছে সেগুলো বিভিন্ন উপায়ে আমাদের পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তারপরও আমাদের অভ্যন্তরীণ দূষণের হার বেশি। এ ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করার সুযোগ নেই। 

মন্ত্রী আরও বলেন, শিল্পোন্নত দেশগুলো কোনোরকম জবাবদিহিতা ছাড়াই অতিমাত্রায় শিল্পায়ন করে পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। পুরো বিশ্বকেই উন্নত দেশগুলো দূষিত করে তাদের উন্নত অবস্থা সৃষ্টি করেছে। এখন তারা উপলব্ধি করছে তাদের শিল্পায়নের ফলে পরিবেশের ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে তা মোকাবিলা করতে হবে।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার যে স্বপ্ন আমরা দেখছি তার জন্য আমরা সবাই কাজ করছি। কৃষিক্ষেত্রে নিত্যনতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, শতভাগ বিদ্যুতায়ন অর্জিত হয়েছে, নিত্যনতুন প্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হচ্ছে।

উন্নয়নের গতির সঙ্গে পরিবেশ তথা বায়ু দূষণ রোধ জরুরি উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, এজন্য নানা রকম আইন, বিধি মালা আছে। এসব আইনের যথাযথ ব্যবহার ও বাস্তবায়ন খুবই জরুরি। আমাদের মনে রাখতে হবে বায়ু দূষণ রোধ করতে না পারলে আমরা সবাই ভুক্তভোগী হবো। এজন্য সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। ঠিকমতো আইন মেনে চলে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে সবার মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হলে বায়ু দূষণ রোধে আমরা অনেকটাই এগিয়ে যাবো।

পরিশেষে বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে তিনি মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি উপস্থিত সুধীবৃন্দের প্রতি ব্যক্তিগত পর্যায়ের উদ্যোগ গ্রহণের উদাত্ত আহবান জানান এবং কর্মশালার আয়োজক স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং বিশ্বব্যাংককে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের ইম্প্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ্ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস্ (আইইউপিএইচপিএস) প্রজেক্টের আয়োজনে উক্ত কর্মশালায় সভাপতিত্বে করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইবরাহিম। এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মেয়র মো. রেজাউল করিম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, গাজীপুর সিটি করপোরেশন মেয়র জায়েদা খাতুনসহ আরও অনেকে৷

;

সিলেটে লেগুনা-বাস মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত-২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটের বিশ্বনাথে লেগুনা-বাস মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকাল ৭টার দিকে সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কের লামাকাজী এলাকায় সিরাজপুর কাজীবাড়ীর পশ্চিমে সাহেবনগর পয়েন্ট সংলগ্ন পূর্বে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

এতথ্য নিশ্চিত করেছেন জয়কলস হাইওয়ে থানার (ওসি) আব্দুল কবীর।

নিহতরা হলেন- সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জের পাইকাপন এলাকার বদরুল আলমের ছেলে শিব্বির আহমেদ (৪২) ও কৌসর আলমের ছেলে শাহিন মিয়া (২৮)। এ ঘটনায় আহত হন লেগুনা গাড়ির চালক নাইম (১৮)। তিনি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মোল্লারগাঁও কলকলি এলাকার ময়নুল হকের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কের লামাকাজীর সিরাজপুর কাজীবাড়ীর পশ্চিমে সাহেবনগর পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় সিলেটগামী লেগুনার সঙ্গে সুনামগঞ্জগামী শ্যামলী বাসের মুখামুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে লেগুনার চালকসহ তিনজন মারাত্মক আহত হন।

স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক আহতদের উদ্ধার করে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎকসাধীন অবস্থায় মারা যান তারা।

;