জনগণের মতামতের ভিত্তিতে রি-এসেসমেন্টের আহ্বান জানালেন এমপি নাদেল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেট সিটি করপোরেশনের(সিসিক) ২৭টি ওয়ার্ডের হোল্ডিং সমূহের অ্যাসেসমেন্ট/রি-এসেসমেন্টের করারোপ বিষয়ে নাগরিকদবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২২ মে) রাতে নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারের হলে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, বর্তমান পরিষদ খুব আন্তরিকতার সাথে নাগরিকদের সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন। কর পরিশোধ করা নাগরিকদের দায়িত্ব। নিয়মিত কর পরিশোধ করলে সিটি কর্পোরেশন অনেক দূর এগিয়ে যাবে। তবে নাগরিকদের মতামতকে মূল্যায়ন করে সিসিক কর্তৃপক্ষকে যৌক্তিক এবং প্রাসঙ্গিক ও সহনীয় মাত্রায় কর ধার্য করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, সাহসিকতার সাথে হকারমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন নগর করতে পেরেছেন মেয়র আনোয়ারুজ্জান চৌধুরী। ঠিক একইভাবে হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে চলমান ইস্যুটি দ্রুততার সাথে সমাধান করতে পারবেন তিনি।

শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল আরও বলেন, মেয়র আনোয়ারুজ্জানের নেতৃত্বে সিলেটে উন্নয়ন হচ্ছে. এটা আমাদের স্বীকার করতে হবে। তার মাধ্যমে একটি স্মার্ট নগর হিসেবে সমগ্র বাংলাদেশের মধ্যে অন্যতম একটি নগর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে সিলেট।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, দ্রুত সময়ে মধ্যে কাউন্সিলরদের সাথে সাধারণ সভা করে একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা হবে। সিলেটের নাগরিকদের মতামতের ভিত্তিতে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান পরিষদ কাজ করবে।

মেয়র বলেন, আমরা এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো না যেটি নাগরিগদের জন্য কষ্টকর হয়। আমরা নাগরিকদের মতামতকে মূল্যায়ন করে সহনীয় মাত্রায় কর নির্ধারণ করবো।

মেয়র বলেন, বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাত ৯টায় জরুরি সাধারণ সভা আহ্বান করা হয়েছে। কাউন্সিলরদের সাথে আলোচনা করে এই বিষয়ে একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

সিসিক মেয়র বলেন, নাগরিক সেবা প্রদানে সিসিকের কোনো স্টাফ যদি অসদাচরণ করেন সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রঞ্জিত চন্দ্র সরকার, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রুমা চক্রবর্তী।

এসময় মতামত প্রদান করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আবু ফতেহ ফাত্তাহ, জাসদ নেতা অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, দৈনিক জালালাবাদের সম্পাদক মুক্তাবিসউন নূর, সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাহমিন আহমেদ, অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহিত চৌধুরী, গণদাবি পরিষদ নেতা মকসুদ আহমেদ, সমাজসেবী আবু তাহের, নুরুল ইসলাম দীনেশ, জেলা দোকান মালিক সমিতির সদস্য সচিব আব্দুর রহমান রিপন প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় সিলেট নগরীর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

   

দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে সর্বদা নিয়োজিত থাকব : সেনাপ্রধান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে সর্বদা নিয়োজিত থাকব। দুর্যোগ মোকাবিলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তার জন্য সরকার যে দায়িত্ব দেবে, সেই দায়িত্ব পালন করব। পাশাপাশি বিশ্বশান্তির জন্যও কাজ করবে সেনাবাহিনী।’

মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমরা উসকানিমূলক কিছু না করে সর্বদা প্রস্তুত আছি।’

রবিবার (২৩ জুন) দুপুরে বিদায়ি সেনাপ্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ তার দপ্তরে নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। তারপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে জেনারেল হিসাবে পদোন্নতির ব্যাজ পরিয়ে দেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।

বিকালে তিনি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। একই দিন বিদায়ি সেনাপ্রধানের বিদায়ের নানা আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

এর আগে জেনারেল শফিউদ্দিন সকালে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সেনাকুঞ্জে তাকে বিদায়ি গার্ড অব অনার জানানো হয়। সেখানে তিনি গাছের চারা রোপণ করেন। সেনাসদরে দায়িত্ব হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতার পর উভয়ে ফটোসেশনে অংশ নেন।

তারপর প্রথা অনুযায়ী বিদায়ি সেনাপ্রধান পুষ্পসজ্জিত খোলা জিপে আরোহণ করেন। সেনাবাহিনীর অফিসাররা রশি দিয়ে টেনে নিয়ে যান। এ সময় রাস্তার উভয় পাশ থেকে কর্মকর্তারা ফুল দিতে থাকেন। তিনি অনেকটা আবেগাপ্লুতভাবে সেগুলো গ্রহণ করেন।

সাংবাদিকদের নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘প্রথমে আমি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এটা একটা গুরুদায়িত্ব। সবাই দোয়া করবেন যাতে সুন্দরভাবে সেই দায়িত্ব পালন করতে পারি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওনার সঙ্গে আমি কাজ করেছি। তার সঙ্গে আমার কাজের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত ভালো। আমি যখনই যে সিদ্ধান্ত চেয়েছি; তিনি অত্যন্ত দ্রুত সেই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু আমাদের একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই। সব শহীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। কারণ, তারা তাদের সোনালি দিনগুলো আমাদের জন্য উৎসর্গ করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী সিভিল পাওয়ারের সহায়তায় কাজ করে থাকে। দুর্যোগ মোকাবিলায় যখন সরকার আমাদের দায়িত্ব দেবে, তখন আমরা সেই দায়িত্ব পালন করব। বিশ্বশান্তির জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে সর্বদা নিয়োজিত থাকব।’

তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীকে সব সময় সুশৃঙ্খল রাখতে আমি কাজ করে যাব। ট্রেনিং আমরা সব সময় করছি। ট্রেনিংটা যেন জারি থাকে, সেটা দেখব। সেনাবাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে চ্যালেঞ্জিং দায়িত্ব পালন করছে। দেশ ও জাতি গঠনে যখনই আমাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে; তখনই আমরা সেই দায়িত্ব পালন করব।’

মিয়ানমারের সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে নতুন সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমরা এনগেইজড সব দেশের সঙ্গে। মিয়ানমারের সঙ্গেও আমরা এনগেইজড। দেশটিতে আমাদের ডিফেন্স অ্যাটাশে আছেন। তারা (মিয়ানমার) নিজেদের দেশেই একটা গৃহযুদ্ধের মধ্যে আছে। আমার মনে হয় না যে, এ মুহূর্তে তারা অ্যাগ্রেসিভ কিছু করবে। তারপরও সেনাবাহিনী সব সময় প্রস্তুত আছে। নৌবাহিনী টহল বাড়িয়েছে। বর্ডার গার্ডও প্রস্তুত আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মিয়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা ছাড়া আমাদের আর কোনো অমীমাংসিত ইস্যু নেই। আমরা চাই, তারা রোহিঙ্গাদের ফেরত নিয়ে যাক। এছাড়া তাদের প্রতি আমাদের কোনো বিদ্বেষ কিংবা অন্য কোনো ধরনের সমস্যা আমি দেখি না। শান্তিপূর্ণ উপায়ে রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা কখনো হতাশ নই।’

;

`চট্টগ্রামে তামাক চাষের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের উদ্বুদ্ধ করতে হবে'



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেছেন, এখানে (চট্টগ্রাম) যেন তামাকের চাষ না হয় সে লক্ষ্যে মাননীয় স্থানীয় সাংসদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান ও জনপ্রতিনিধিদেরকে সম্পৃক্ত করে এলাকার জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

রোববার (২৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য ও কর্তৃত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, সুস্থ-সবল জাতি গঠনে অবশ্যই তামাক বর্জন করতে হবে। তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা বাস্তবায়নে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সচেতনতা সভার আয়োজন করতে হবে। এক সময় কুষ্টিয়া অঞ্চলে তামাক চাষ হতো। সেটি ধীরে ধীরে পাহাড়ের দিকে চলে যাচ্ছে। পাহাড়ে জনসমাগম কম বা পাহাড়ে লোকজন কম যায়, সে জন্য লোকচক্ষুর আড়ালে পাহাড়ে তামাকের চাষ হচ্ছে। খাগড়াছড়ির অনেক জায়গায় তামাকের চাষ হচ্ছে। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী, রাউজানসহ পাহাড়ি এলাকায় যেন তামাকের চাষ হতে না পারে, এখানকার লোকজন তামাক চাষে যাতে উদ্বুদ্ধ না হয় সে লক্ষ্যে সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসি ল্যান্ডদেরকে নিয়মিত তদারকি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সহযোগিতায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন করতে সরকার যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন এখন দৃশ্যমান হওয়ার কারণে পাবলিক প্লেসে ধূমপান করার প্রবণতা অনেকটা কমে এসেছে। প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেখলে অনেকে বাধা দেয়। এ বিষয়ে প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রাখতে হবে। উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা কমপ্লেক্স ধূমপানমুক্ত রাখতে হবে। ধূমপানে উদ্বুদ্ধকরণে বিজ্ঞাপন বা সাইনবোর্ড দেখলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নিয়মিত মোবাইল কোর্টের পাশাপাশি ধূমপানের বিরুদ্ধেও মোবাইল কোট পরিচালনা করতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্দেশ দেন ডিসি।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, তামাকের ব্যবহার কতটুকু কমাতে পেরেছি জানি না, তবে আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে তামাকে ব্যবহার ২৫ শতাংশ কমিয়ে আনতে হবে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী পুরুষ ধূমপায়ীর হার ১৮ শতাংশ ও নারী দশমিক ৮ শতাংশ। উন্নত বিশ্বে নারীদের মধ্যে তামাকের ব্যবহারের প্রবণতা বেশি। বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে যেন ধূমপায়ীর প্রবণতা বৃদ্ধি না পায় সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। রাউজান উপজেলাকে সম্পূর্ণ তামাকমুক্ত ও ধূমপানমুক্ত করতে উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জনপ্রতিনিধিরা মিলে সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। এ ধরনের অ্যাকশন প্ল্যান নিয়ে অন্যান্য উপজেলা কাজ শুরু করেন তাহলে আমরা নিশ্চিত উল্লেখযোগ্যভাবে ধূমপান কমানো সম্ভব।

মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বলেছেন, ধূমপান বা তামাকজাত পণ্য স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তামাকের কারণে মানুষ একদিকে ব্রংকাইটিস, হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ক্যান্সারসহ মারাত্মক জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, অন্যদিকে কমে যাচ্ছে আয়ুষ্কাল। এর পরও মানুষ সচেতন হয় না। ধূমপায়ীর কারণে অধূমপায়ীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জাতিকে সুস্থ-সবল রাখতে হলে অবশ্যই তামাক বর্জন করতে হবে। তামাক ও তামাক জাতীয় দ্রব্য থেকে বিরত থাকতে শুধু শিক্ষার্থী নয়, সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সচেতন করতে হবে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। এ লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনকে সাথে নিয়ে ধূমপানের বিরুদ্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষার্থী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মসহ সবাইকে তামাকের ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। ধূমপায়ীদের পরিবারে অভাব-অনটন থাকে। আমরা ধূমপান বর্জন করব ও অন্যকে বর্জন করতে উৎসাহিত করবো।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) একেএম গোলাম মোর্শেদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াজেদ চৌধুরী অভি, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমডিসি ডা. মোহাম্মদ নুরুল হায়দার, এমওসিএস ডা. মোহাম্মদ নওশাদ খান, সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সকল সহকারী কমিশনার (ভূমি), জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

;

সাপাহারে আমের হাটের রাস্তায় জমা পানি, ঘটছে দুর্ঘটনা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নওগাঁ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নওগাঁর সাপাহার জেলার বৃহত্তর আমের হাট। সকালে থেকে সন্ধ্যা অব্ধি আম কেনাবেচায় মুখরিত হয়ে উঠে রাস্তার দুপাশ। দূর-দূরান্ত থেকে প্রান্তিক আম চাষিরা সকাল থেকে বিভিন্ন পরিবহনযোগে বিভিন্ন জাতের আম আনছেন হাটে। প্রায় ১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিশাল হাট এখন জমজমাট কিন্তু একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তার দুপাশে জমছে পানি, এতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন গাড়ি চালকরা।

রোববার (২৩ জুন) সরেজমিনে বিকেলের দিকে সাপাহার আম বাজারে গিয়ে দেখা যায় আম চাষিরা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক, ট্রলি,ভ্যানযোগে আমের হাটে আম এনে পাইকারদের জন্য অপেক্ষা করছে রাস্তার দুপাশে। পানি ও কাদা জমে থাকার কারনে প্রধান সড়ক থেকে নিচে গাড়ি নামালেই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে আমভর্তি যানবাহন। ভোগান্তির কারণে অতি শীঘ্রই রাস্তার দুপাশ সংস্কারের আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় ও আম ব্যবসায়ীরা।

গাড়ি চালক আব্দুর রহমান বলেন, আমি প্রতিদিন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সাপাহার বাজারে কৃষকদের আম নিয়ে আসি যতক্ষন না আমগুলো বিক্রি হচ্ছে ততক্ষন রাস্তার পাশে গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করতে হয়। আজকে গাড়িটা রাস্তার ধারে একটু নামাতেই ছিটকে দূরে পড়ে যাই, ভাগ্যে ভালো তাই তেমন ক্ষতি হয়নি। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তার দুপাশে কাদা-পানি জমে থাকে এতে আমাদের খুব সাবধানে চলাফেরা করতে হয়। অতি দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ও রাস্তার দুপাশ মেরামত করলে আমাদের সবার জন্য সুবিধা হবে।

পোরশা উপজেলার মোখলেছুর রহমান জানান, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তার দুপাশে পানি জমে থাকে মাঝেমধ্যে দেখি গাড়িগুলো পড়ে যায় বিষয় টা দেখতেও খারাপ লাগে। হাটের যারা দায়িত্বে আছেন তাদের জরুরীভাবে রাস্তা মেরামত করে দেওয়া উচিত।

শরিয়তপুর থেকে আসা আম ব্যবসায়ী জুয়েল বলেন, আমি আমের পাইকারী ব্যবসায়ী এখান থেকে আম কিনে বিভিন্ন অঞ্চলে আম পাঠাই। আমি বিগত কিছুদিন ধরে খেয়াল করলাম সামান্য পানি জমলেই কাদা হয়ে যাচ্ছে রাস্তা ধার এতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে গাড়িগুলো। যেহেতু এই হাটে লক্ষ লক্ষ টাকার আম কেনাবেচা হয় সেক্ষেত্রে রাস্তার ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকা দরকার। এখানে আড়তদার সমিতি আছে, আম থেকে অনেক টাকা তারা কমিশন পায় সে টাকা থেকেও তো রাস্তার দু পাশে মেরামত করে দেয়া যায়। যারা গাড়ি নিয়ে আম বিক্রি করতে আসছেন তাদের জন্যেও সুবিধা হবে রাস্তা ভালো থাকলে। রাতের বেলা আরো বেশি দের্ঘটনা ঘটার সম্ভবনা থাকে।

এ বিষয়ে সাপাহার উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুদ হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, বিষয়টি অবগত হলাম আমি হাটের ইজারাদারকে বলে দিচ্ছি তারা মেরামত করে দিবে।

;

সৈয়দপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কিশোরের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীর সৈয়দপুরে পাম্পের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মিঠু মিয়া (১৭) নামে কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২৩ জুন) সকালে বাঙালিপুর ঘরঘড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোর ওই এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে গোসল করতে গিয়ে পানির পাম্পে সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছিটকে পড়ে যায়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত কর বলেন, এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

;