পিরোজপুরে সুপেয় পানির তীব্র সংকট



তরিকুল ইসলাম, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পিরোজপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পিরোজপুরে দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির তীব্র সংকট। প্রতি ঘণ্টায় ১০ লক্ষ লিটার পানির চাহিদা থাকলেও শোধন হচ্ছে মাত্র দুই থেকে আড়াই লক্ষ লিটার। পরিশোধনে তীব্র ঘাটতি থাকায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

পিরোজপুর দেড়’শ বছরের পুরাতন মহাকুমা হলেও জেলার মর্যাদা পায় ১৯৮৭ সালে। ২’শ বছর আগেও পিরোজপুরের জনগণকে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য বিভিন্ন এলাকায় নির্ধারিত পুকুর ও নলকুপ ছিল। সময়ের ব্যবধানে জনগণের চাহিদা পূরণের জন্য পিরোজপুর জনস্বাস্থ্য বিভাগ ১৯৮৩ সালে সুপেয় পানির জন্য চালু করে পানি শোধনাগার। এবং সেখান থেকে শুরু করা হয় পানি সরবরাহ। শুরুতে প্রতি ঘণ্টায় উৎপাদন হত প্রায় ৫০ হাজার লিটার। সময়ের ব্যবধানে উৎপাদন বেড়ে আড়াই লক্ষ লিটারে দাঁড়ালেও চাহিদার তুলনায় তা খুবই সামান্য। ফলে চাহিদাকৃত পানি পরিশোধনে অক্ষম ও পুরানো মেশিন দিয়ে পানি সরবারহ করায় গ্রাহক দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে। ফলে সুপেয় পানির চাহিদা পূরণ করতে সাধারণ মানুষকে দূরদূরান্তে যেতে হয়। তাছাড়া পানি সংকটের প্রভাব পড়ছে মানুষের আর্থিক অবস্থার ওপরও।


স্থানীয়রা বলেন, পানি নিয়ে সমস্যা র্দীঘদিনের। আগে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে পানি পাওয়া যেত, কিন্তু র্বতমানে ৩০ মিনিটের বিেশ পানি পাওয়া যায় না। যা আমাদরে জন্য র্পযাপ্ত নয়। প্রচুর পরমিাণে মানুষ পানির অভাবে কষ্ট করছে। পর্যাপ্ত পানি না পাওয়ায় দূরদূরান্ত থেকে পানি আনা হয়। আগে আমরা দশ বারো কলস পানি পেতাম, সেখানে বর্তমানে আমরা পানি দুই এক কলসের বেশি পাই না। তীব্র গরমে পানির জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। পানরি অভাব পূরণ করার জন্য নতুন একটা প্লান দরকার। তাহলে আমরা পানির সমস্যা থেেকে মুক্তি পাবো।

পিরোজপুর জনস্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত সরকার বলেন, এ মৌসুমে খাল বিল শুকিয়ে যাওয়ায় পানির সরবারাহ কমে যায়। ফলে দেখা দেয় পানির সংকট। ফলে পানি সমস্যার সমাধানে নেয়া হয়েছে উদ্যোগ। চলছে একটি প্রোজেক্টের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া।


পিরোজপুর পৌর সভার লক্ষাধিক বাসিন্দার জন্য প্রতি ঘণ্টায় ১০ লক্ষ লিটার পানির চাহিদা রয়েছে। আর উৎপাদন হচ্ছে মাত্র দুই থেকে আড়াই লক্ষ লিটার।

   

যানজট নিরসনে উড়বে স্পিকার যুক্ত ড্রোন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

হাইওয়ে পুলিশ প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, সড়কে অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি যানজট নিরসনে স্পিকার যুক্ত ড্রোন ক্যামেরা উড়বে আকাশে। দুর্ঘটনা এড়াতে খোলা ট্রাকে বা বাসের ছাদে যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে থাকবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী জানিয়েছেন ।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুরে সাভারের বাইপাইল মোড় এলাকায় নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন তিনি। এর আগে ঢাকা-আরিচা মহাসড়েকসহ বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখেন তিনি।

অতিরিক্ত আইজিপি শাহাবুদ্দিন খান বলেন, ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে। যানজট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সড়কের পাশের গরুর হাট ও সড়কের চলমান উন্নয়ন কাজের কারণে যেন যানজটের সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ নজরদারি রয়েছে। এছাড়া ঈদযাত্রায় সড়কের যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। স্পিকারযুক্ত ড্রোন ব্যবহার করে যেখানে প্রয়োজন আমরা নির্দেশনা দিচ্ছি। রেকার, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। সেই সাথে এবারও মহাসড়কে হঠাৎই বিকল হয়ে যাওয়া যানবাহন মেরামতের জন্য মেকানিক্যাল টিম রাখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কোথায় কোথায় যানজটের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে সেগুলো চিহ্নিত করেছি। প্রতিবারের ন্যায় এবারও কিন্তু আমরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। হাইওয়ে পুলিশ স্পেশালিস্ট ইউনিট সড়ক মহাসড়কে নিরাপত্তার জন্য ট্র্যাফিক ম্যানেজমেন্টের জন্য প্রস্তুত। এছাড়াও আমাদের জেলা পুলিশ রয়েছে, মেট্রোপলিটন রয়েছে অন্যান্য সংস্থাগুলো রয়েছে। সবাই মিলে আমরা এখন মাঠ পর্যায়ে আছি। প্রয়োজন বুঝে সেখানে স্পেশাল ব্যবস্থা নিয়েছি, নজরদারির ব্যবস্থা নিয়েছি। যা যা প্রয়োজন আমরা যেমন ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করেছি, গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে সাব কন্ট্রোল তৈরি করা হয়েছে।

এসময় হাইওয়ে ও ঢাকা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

;

ওয়াহিদা রহমানের পলায়ন ঠেকাতে ইমিগ্রেশনে দুদকের চিঠি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাস্টমসের সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে সেজন্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. শাহ আলম শেখ স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এতথ্য জানা যায়।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে আইন বহির্ভূতভাবে একক নির্বাহী সিদ্ধান্তে ১৬টি নথিতে চার মোবাইল কোম্পানির ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা অপরিশোধিত সুদ মওকুফ করে সরকারের আর্থিক ক্ষতি করায় কাস্টমস কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, চারটি মোবাইল কোম্পানির স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার ওপর ভ্যাট প্রযোজ্য হওয়ায় তা মেনে নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে যথাসময়ে ১৮৯ কোটি ৭৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার কথা জানায় । কিন্তু তারা নির্ধারিত কর মেয়াদে ওই অর্থ পরিশোধ না করায় ভ্যাট আইন অনুযায়ী সুদের পরিমাণ হয় ১৫২ কোটি ৮৯ লাখ ৩৯০ টাকা। আইন অনুসারে সুদ আদায়ের জন্য কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী অতি দ্রুত সুদের হিসাব করার নির্দেশ দেন।

সুদ হিসাবে সরকারের পাওনা অর্থের মধ্যে গ্রামীণ ফোনের কাছে ৫৮ কোটি ৬৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬৯৭ টাকা, বাংলালিংকের কাছে ৫৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫১ টাকা, রবির কাছে ১৪ কোটি ৯৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং এয়ারটেলের কাছে ২০ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ৯৫২ টাকা রয়েছে। পরবর্তীকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩ থেকে ৫ মাস পর ভিন্ন আদেশে ওই সুদ মওকুফ করে দেন ওয়াহিদা রহমান।

;

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খাগড়াছড়ি
কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

  • Font increase
  • Font Decrease

খাগড়াছড়ির রামগড় পাহাড় অঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে আবু মিয়া নামের এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকাল ১১টার দিকে গবেষণা কেন্দ্রের টাওয়ার টিলা এলাকা থেকে ঐ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত আবু মিয়া রামগড় উপজেলার ১নং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড নুরপুর এলাকার মৃত আমির হোসেন এর ছেলে। সে দীর্ঘদিন যাবত কৃষি গবেষণায় নিয়মিত শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিল।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন জানান, ‘‘গতকাল বুধবার সকাল ১০টা থেকে টাওয়ার টিলা পোস্টে কাজে যান গবেষণার কেন্দ্রের শ্রমিক আবু মিয়া। দুপুরের পর থেকে সে নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে বাগান কর্তৃপক্ষ খোঁজাখুঁজি শুরু করে। আজ সকালে জঙ্গলে মরদেহ পাওয়া যায়’’

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার পর মরদেহ ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল শেষে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

;

উন্নয়নের গতি থামিয়ে রাখার সুযোগ নেই: তাজুল ইসলাম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, আমাদের অনেক ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। আমাদের আর্থিক অবস্থা দুর্বল ছিল। উন্নয়নের মূলস্রোতে নিয়ে আসতে আমাদের শিল্পায়ন করতে হয়েছে, গড়ে তোলা হয়েছে শিল্প কারখানা। উন্নয়নের এই গতি থামিয়ে রাখার সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকালে হোটেল সোনারগাঁওয়ে গ্রান্ড বলরুমে বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে বহু অংশীজনের পরামর্শ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে উপস্থিত সুধীবৃন্দের প্রতি এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বায়ু দূষণ শুধু আমাদের নিজস্ব ভৌগলিক সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আমরা যদি আমাদের নিজ ভৌগলিক সীমানা দূষণ মুক্ত করি তবুও আমাদের বায়ু দূষণমুক্ত হবে না। কারণ সারাবিশ্বে যেভাবে যুদ্ধ হচ্ছে, প্রতিনিয়ত দূষণ হচ্ছে সেগুলো বিভিন্ন উপায়ে আমাদের পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তারপরও আমাদের অভ্যন্তরীণ দূষণের হার বেশি। এ ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করার সুযোগ নেই। 

মন্ত্রী আরও বলেন, শিল্পোন্নত দেশগুলো কোনোরকম জবাবদিহিতা ছাড়াই অতিমাত্রায় শিল্পায়ন করে পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। পুরো বিশ্বকেই উন্নত দেশগুলো দূষিত করে তাদের উন্নত অবস্থা সৃষ্টি করেছে। এখন তারা উপলব্ধি করছে তাদের শিল্পায়নের ফলে পরিবেশের ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে তা মোকাবিলা করতে হবে।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার যে স্বপ্ন আমরা দেখছি তার জন্য আমরা সবাই কাজ করছি। কৃষিক্ষেত্রে নিত্যনতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, শতভাগ বিদ্যুতায়ন অর্জিত হয়েছে, নিত্যনতুন প্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হচ্ছে।

উন্নয়নের গতির সঙ্গে পরিবেশ তথা বায়ু দূষণ রোধ জরুরি উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, এজন্য নানা রকম আইন, বিধি মালা আছে। এসব আইনের যথাযথ ব্যবহার ও বাস্তবায়ন খুবই জরুরি। আমাদের মনে রাখতে হবে বায়ু দূষণ রোধ করতে না পারলে আমরা সবাই ভুক্তভোগী হবো। এজন্য সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। ঠিকমতো আইন মেনে চলে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে সবার মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হলে বায়ু দূষণ রোধে আমরা অনেকটাই এগিয়ে যাবো।

পরিশেষে বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে তিনি মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি উপস্থিত সুধীবৃন্দের প্রতি ব্যক্তিগত পর্যায়ের উদ্যোগ গ্রহণের উদাত্ত আহবান জানান এবং কর্মশালার আয়োজক স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং বিশ্বব্যাংককে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের ইম্প্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ্ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস্ (আইইউপিএইচপিএস) প্রজেক্টের আয়োজনে উক্ত কর্মশালায় সভাপতিত্বে করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইবরাহিম। এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মেয়র মো. রেজাউল করিম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, গাজীপুর সিটি করপোরেশন মেয়র জায়েদা খাতুনসহ আরও অনেকে৷

;