রইল বাকি এক!



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আর দুদিন পরেই তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচন। কিন্তু তার আগেই চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে দাঁড়ানো তিন প্রার্থীর দুজনেই পড়লেন ‘বিপদে’। তাঁদের মধ্যে শত কোটি টাকার ঋণ খেলাপি হওয়ায় প্রার্থী জসিম উদ্দিনকে অবিলম্বে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালত।

অন্যদিকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে একই উপজেলার আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু আহমেদ চৌধুরী জুনুর প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। এখন এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ‘টিকে’ আছেন প্রার্থী আহমেদ হোসেন ফকির।

জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুটি ব্যাংকের প্রায় ১১৮ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। একটি ব্যাংকের করা মামলায় এ ঋণখেলাপির বিরুদ্ধে দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা, গ্রেফতারি পরোয়ানা ও সম্পদ জব্দ করা—এই তিনটি আদেশ রয়েছে আদালতের। এরপরও প্রকাশ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় তাঁকে গ্রেফতারে চন্দনাইশ থানার ওসিকে এই নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৬ মে) চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালতের বিচারক মুজাহিদুর রহমান এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অর্থঋণ আদালতের বেঞ্চ সহকারী রেজাউল করিম।

গত ১৩ মে চট্টগ্রাম নির্বাচনী কার্যালয়ে চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের সময় দলবল নিয়ে হাজির হয়ে নির্বাচনে ১০০ লাশ ফেলে জিতবেন বলে হুমকি দেন আবু আহমেদ চৌধুরী। তাঁর সেই বক্তব্য ছড়িয়ে পড়লে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়। বিষয়টি নজরে আসলে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় রিটার্নিং কর্মকর্তা। রোববার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে এই শুনানি শেষে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান সচিব জাহাংগীর আলম।

জাহাংগীর আলম বলেন, দু’জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম জেলার চান্দনাইশ উপজেলা নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু আহমেদ চৌধুরী (ঘোড়া প্রতীক) উপস্থিত হন। তিনি অভিযোগের দফা অনুযায়ী জবাব দিয়েছেন। কমিশনও তা শুনেছে। শেষে তাঁর প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত দিয়েছে কমিশন।

চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন গত ১২ মে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, যুগ্ম সম্পাদক মো. আবু হেনা ফারুকী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার আরেক প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম চৌধুরী খোকন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। নির্বাচনের দৌড়ে এরপর ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু আহমদ চৌধুরী জুনু (ঘোড়া), জসিম উদ্দীন আহমদ (মোটর সাইকেল) এবং জোয়ারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আহমদ হোসেন ফকির (আনারস)। কিন্তু দুদিন আগে একজনকে গ্রেফতারের নির্দেশ ও অন্যজনের প্রার্থীতা বাতিল হওয়ায় মাঠে রইলেন কেবল আহমদ হোসেন ফকির। অবশ্য জুনুর সামনে হাইকোর্টে আপিলের মাধ্যমে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। আর গ্রেফতার হলেও নির্বাচন করতে বাঁধা নেই জসিমের সামনেও।

   

ভারী বৃষ্টিতে কুড়িগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতা, ভোগান্তি



কল্লোল রায়, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
ভারী বৃষ্টিতে কুড়িগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতা, ভোগান্তি

ভারী বৃষ্টিতে কুড়িগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতা, ভোগান্তি

  • Font increase
  • Font Decrease

গত কয়েকদিন ধরে কুড়িগ্রামে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টির কারণে জেলা শহরের অনেক স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা, ড্রেন গুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করায় প্রতিনিয়ত দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে মনে করছেন পৌরবাসী। তবে এই সমস্যা সমাধানে কাজ চলমান বলে জানিয়েছে পৌরসভার মেয়র কাজিউল ইসলাম।

রোববার(১৬ জুন) দুপুরে পৌরসভার একাধিক ওর্য়াডে সরেজমিনে দেখা যায় ড্রেনগুলোতে দীর্ঘদিনের প্লাস্টিক বর্জ্য,ময়লা আর্বজনা জমে থাকায় বৃষ্টির এসব পানি সহজে নামতে পারছে না। এর মধ্যে জেলা প্রশাসন কার্যালয়, ফায়ার সার্ভিস, হাসপাতাল পাড়া,শিক্ষা অফিস,রৌমারী পাড়া,গনপূর্ত অফিস,তালতলা, হরিকেশ কানিপাড়া,হাটিরপাড়,স্বাধীন পাড়া,পৌরবাজার এলাকা,মধুর মোড়, দাদামোড়সহ পৌর শহরের অনেক স্থানে রাস্তাঘাট ও বাসা-বাড়িগুলোতে বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
পৌরসভার রৌমারি পাড়ার বাসিন্দা নাজমুল হোসেন বলেন,’গত কয়েকদিনের বৃষ্টির পানি জমে রাস্তা দিয়ে চলাচল করা খুবই অসুবিধা হয়েছে। পৌরসভার উদাসীনতায় আমাদের মতো বাসিন্দাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’


পৌরবাজারের ক্রেতা জুয়েল রানা বলেন,’বাজারের পাশের ড্রেনটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে আছে। পৌরসভার লোকজন এসব দেখে না। ৩ দিন ধরে রাস্তায় বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতার কারণে চলতে লোকজনের কষ্ট হচ্ছে।

সাংস্কৃতিক কর্মী শ্যামল ভৌমিক বলেন,’পৌর শহরের বৃষ্টির পানি গুলো নামতো পৌরসভার ঈদগাহের নালা দিয়ে এটি ভরাটের কারণে পানিগুলো আর নামতে পারছে না ফলে এমন জলজটের সৃষ্টি হয়েছে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ১৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী দু'দিন ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।


কুড়িগ্রাম পৌরসভার মেয়র কাজিউল ইসলাম বলেন,’শহরের ড্রেনগুলোতে বৃষ্টির পানি বেশি থাকায় পানি ধীরে ধীরে নামছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ চলমান রয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন,’ স্থায়ীভাবে শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে সমন্নয় করে কাজ করা হবে। আশা করছি দ্রুত এ বিষয়টির সমাধান হবে।

;

চুয়াডাঙ্গায় রেললাইনে ফাটল, ধীরগতিতে চলছে ট্রেন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চুয়াডাঙ্গা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চুয়াডাঙ্গায় রেললাইনে আকষ্মিক ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে করে দুর্ঘটনা এড়াতে ওই স্থান দিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে ট্রেন।

রোববার (১৬ জুন) বেলা ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলার উথলী ঘোড়ামারা রেলগেটের অদূরে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল রেললাইনের ওপর লাল কাপড় টাঙিয়ে মেরামতের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

উথলী রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার স্বপন বিশ্বাস বার্তা২৪.কমকে জানান, রেললাইন ফাটলের বিষয়টি প্রথমে উথলী ঘোড়ামারা রেলগেটের গেটম্যানের নজরে আসে। তিনি দ্রুত আমাদেরকে জানান। এরপরই ঘটনাস্থলে লাল কাপড় টাঙিয়ে মেরামতের কাজ শুরু হয়। এতে ফাটল স্থান দিয়ে ধীরগতিতে ট্রেন চলাচল করছে।

চুয়াডাঙ্গা স্টেশন মাস্টার মিজানুর রহমান বলেন, উথলীতে রেললাইনে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে খবর পেয়েছি। ফাটল অংশ কেটে বাদ দিয়ে লাইনের মেরামত চলছে৷ বর্তমানে ঘটনাস্থল দিয়ে ১০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করছে। এতে ঈদ যাত্রায় ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটবে না বলে তিনি জানান।

এর আগে চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি একই স্থানে রেললাইনে ফাটল দেখা দিয়েছিল। ওই সময় উথলী রেলস্টেশনের দায়িত্বরত স্টেশন মাস্টার আবু সাঈদ জানিয়েছিলেন, অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে রেললাইনে ফাটলের ঘটনা ঘটতে পারে।

;

ঈদের দিন বৃষ্টি হবে!



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪
বৃষ্টি / ছবি: বার্তা২৪

বৃষ্টি / ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

দরজায় কড়া নাড়তে নাড়তে অবশেষে চলেই এলো ঈদুল আজহা। আজ বাদে কাল (১৭ জুন) উদযাপিত হবে ২০২৪ সালের কোরবানির ঈদ। তবে ঈদের এই আনন্দের মধ্যে পানি ঢালার সংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস।

সোমবার( ১৭ জুন) ঈদের দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ রোববার থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। রাজধানী ঢাকাতেও ঈদের দিন শেষ বিকাল বা সন্ধ্যায় রয়েছে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা। আষাঢ়ের প্রারম্ভে ঈদ হওয়ায় সবার মধ্যে একটা কৌতূহল কাজ করছিল, কেমন থাকবে কোরবানির ঈদের দিন আবহাওয়া! আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন বিভাগে কম বেশি মধ্যম ভারী বর্ষণ থেকে অধিক ভারী বৃষ্টি এবং বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

অধিদপ্তর উপ-পরিচালক ওমর ফারুক বলেন, ‘বর্ষার শুরুতে দেশের সব অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। তাই ঈদের দিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় একেক রকম আবহাওয়া থাকতে পারে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী,দেশের ঈদের দিন তিন বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া অন্য বিভাগগুলোরও কোনো কোনো অঞ্চলে কম-বেশি বৃষ্টি থাকতে পারে।’

ওমর ফারুক আরও বলেন, ‘ঈদের দিন, অর্থাৎ ১৭ জুন দেশের রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় বৃষ্টিপাত হবে। একই সাথে চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বইতে পারে। সাথে হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে অনেক ভারী বর্ষণ হতে পারে।’

ঈদের দিন বৃষ্টি না হলে তাপমাত্রার কেমন থাকবে এই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ঈদের দিন সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকতে পারে।’

ঈদের এই শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে নানারকম ব্যস্ততা কাজ করছে দেশবাসীর মধ্যে। কাল সারাদেশে পশু কুরবানি করা হবে। এমন মুহূর্তে বৃষ্টি হলে, তা পশুর বর্জ্য অপসারণে ইতিকর প্রভাব ফেলতে পারবে।  

;

খুলনায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খুলনা
খুলনায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

খুলনায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর হাটে শেষ মুহূর্তে ব্যাপক ভিড়। তীব্র গরমকে উপেক্ষা করে মহানগরীর প্রতিটি হাটেই বেচাকেনা জমজমাট।

রোববার (১৬ জুন) সকাল থেকেই কোরবানির হাটে পশু কেনার জন্য আগ্রহী ক্রেতারা ভিড় করতে শুরু করেন। 

ক্রেতারা প্রতিটি গরু, ছাগল বা কোরবানির পশু পরিদর্শন করে দামদর ঠিক করছেন। বিক্রেতাদেরও ব্যস্ততা তুঙ্গে। কারণ একদিকে পশু বিক্রি, অন্যদিকে ক্রেতাদের সন্তুষ্টি বজায় রাখা, উভয়ই তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

খুলনা সিটি করপোরেশন পরিচালিত মহানগরীর জোড়া গেট এলাকার পশুর হাটে সাতক্ষীরা তালা উপজেলা থেকে আসা মো. এবাদুল গাজী নামের এক গরু বিক্রেতা জানালেন, ‘সকাল থেকে ক্রেতাদের চাপ বাড়ছে। গরু দেখার পর দরদাম নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। আমাদেরও কষ্ট কম নয়, কিন্তু আমরা খুশি যে কোরবানির পশু বিক্রি করতে পারছি।’

খুলনা মহানগরীর টুটপাড়া এলাকা থেকে আগত মোঃ সজল মৃধা নামের এক ক্রেতা বললেন, ‘কোরবানির জন্য ভালো পশু বেছে নিতে চাই। ত্যাগের মহিমায় আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি দেয়।”

খুলনার অধিকাংশ কোরবানির পশুর হাটে পশু চিকিৎসকদের উপস্থিতি দেখা যায়। তারা প্রতিটি পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন, যা ক্রেতাদের জন্য আশ্বাস প্রদান করে। কোরবানির হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনও তৎপর। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবক দল কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

পশুর হাটে সাধারণত চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের পশু পাওয়া যাচ্ছে। গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া সবই রয়েছে। বিশেষ করে এ এলাকায় গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ক্রেতারা সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান গরু বেছে নিচ্ছেন। ক্রেতাদের মতে, কোরবানির পশু যেন নির্দিষ্ট মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হয় সেটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ হাটে আসা মোহাম্মদ ইমরান হোসেন মিয়া নামের আরেক ক্রেতা জানালেন, “আমি প্রতি বছর কোরবানি দেয়। এটি আমার জন্য এক ধরনের আত্মিক প্রশান্তি এনে দেয়। আমরা সব সময় ভালো পশু বেছে নিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোরবানি দিয়ে থাকি।” অন্যদিকে যশোর মনিরামপুর থেকে আসা খামারি মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম বলেন, “কোরবানির সময় আমাদের বিক্রি অনেক বেড়ে যায়। সারাবছর আমরা এই সময়ের জন্য অপেক্ষা করি।”

সিটি কর্পোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, চলতি মাসের ১০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে কোরবানির পশুর হাট শুরু হয়। ২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছর কোরবানি ঈদের আগে এ হাটের আয়োজন করে থাকে সিটি কর্পোরেশন। তবে এ হাট জমতে শুরু করে ঈদের দুদিন আগে থেকে। শনিবার থেকে এ হাটে দায়িত্বরত সব কর্মকর্তা কর্মচারীদের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। ২০২৩ সাল এ হাটে ৪ হাজার ৮৯টি গরু, ১ হাজার ৯শ ১১টি ছাগল এবং ২০টি বিক্রি হয়েছিল ভেড়া। সিটি কর্পোরেশন হাসিল আদায় করেছিল প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ।

;