‘জাপান স্ট্রিট’ নামে বসুন্ধরা আবাসিকে রাস্তা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাপানের নামে বসুন্ধরা আবাসিকে রাস্তা

জাপানের নামে বসুন্ধরা আবাসিকে রাস্তা

  • Font increase
  • Font Decrease

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জাপানের নামে একটি রাস্তা উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ফিতা কেটে জাপান স্ট্রিট নামে এ রাস্তার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত নাও‌কি ই‌তো এবং বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান।

বসুন্ধরা আবাসিকের আই ব্লকে নির্মাণাধীন জাপানের ‘জেসিএক্স বিসনেজ টাওয়ারের’ সামনের রাস্তার এ নাম রাখা হয়েছে।

জাপানের রাষ্ট্রদূত নাও‌কি ই‌তো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশে সুষ্ঠু বিনিয়ো্গ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। আমি আর এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না।

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, সরকার সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিকে ঋণ দিচ্ছে। জাপানের উন্নয়ন সংস্থা জাইকাকে অনুরোধ করব, ২/৩ শতাংশ ঋণ দিয়ে আবাসন খাতে যেন ব্যবসা করে। এতে বাংলাদেশের আবাসন খাতের উন্নতি ঘটবে।

জেসিএক্স বিজনেজ টাওয়ারের প্রস্তাবিত নকশা

জাপানের স্থাপত্য নকশায় তৈরি জেসিএক্স বিজনেস টাওয়ার। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকে এই টাওয়ারটির তিনটি তলার নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। আরো দুটি তলার কাজ চলছে। ২০২০ সালের জুন মাসে ১৩ তলার এই টাওয়ারটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে বলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

জাপানের গ্রিড গ্রুপ ও বাংলাদেশের জেসম গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে এই বাণিজ্যিক টাওয়ারটিতে ৩৫০০ থেকে ১৯,৮০০ বর্গফুটের অফিস ও দোকানের জায়গা বিক্রি করা হবে। বসুন্ধরার আই ব্লকে ১১৩৬/এ, সোনিয়া সোবহান পঞ্চম এভিনিউতে এই স্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বসুন্ধরায় জাপান স্ট্রিট নামে রাস্তা

জেসিএক্স ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের কর্মকর্তা জানান, বিল্ডিংটিতে সেন্ট্রাল এয়ারকন্ডিশন থাকবে, যেখানে রয়েছে ভিআরএস এয়ারকন্ডিশন সিস্টেম। তিনটি বেজমেন্টে গাড়ি পার্কিং সুবিধাসহ স্থাপিত হবে সাতটি লিফট ও একজোড়া এস্কেলেটর। এটি দেশের বিল্ডিং কোড মেনে ভূমিকম্প সহনীয় স্থাপনা হিসেবে গড়ে উঠছে। দৃষ্টিনন্দন এই স্থাপনাটির অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে সোয়্যারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, স্মোক ডিটেক্ট উইথ ফায়ার ফাইটিং, ন্যানো টেকনোলোজি এসটিপি।

রাজশাহীতে আবারও ছড়াচ্ছে করোনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
রাজশাহীতে আবারও ছড়াচ্ছে করোনা

রাজশাহীতে আবারও ছড়াচ্ছে করোনা

  • Font increase
  • Font Decrease

 

রাজশাহীতে আবার করোনার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। সবশেষ শনিবার রাজশাহীতে ৭২টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের হার ২০ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গত এক সপ্তাহ ধরেই রাজশাহীতে করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে।

এরমধ্যে গত বৃহস্পতিবার নমুনা পরীক্ষায় এ জেলায় সংক্রমণের হার উঠে যায় ২৯ শতাংশে। এতে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে চিকিৎসা সংশ্লিষ্টদের মাঝে। তবে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা তেমন দেখা যাচ্ছে না। এখনও মাস্ক ছাড়াই চলাচল করছেন মানুষ। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের আরটি-পিসিআর ল্যাবের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার রাজশাহীর ৬৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে ১৮ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় সংক্রমণের হার ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। আর শুক্রবার জেলার ৭২টি নমুনা পরীক্ষায় পজিটিভ হয়েছে ১৫টি। সংক্রমণের হার ২০ দশমিক ৮৩ শতাংশ। শনিবার ৭২টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছেন ১৫ জন। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় এ দিন সংক্রমণের হার ২০ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

করোনার ডেলটা ধরনের সংক্রমণের সময় রাজশাহীতে প্রচুর মানুষ আক্রান্ত হন। অমিক্রন ধরনের সময়ও একই অবস্থা দেখা যায়। এরপর ধীরে ধীরে সংক্রমণের হার শূন্যে নেমে আসে। তাই বন্ধ করে দেওয়া হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিট। বন্ধ হয় করোনা রোগীদের জন্য নির্ধারিত নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রও (আইসিইউ)। কিন্তু জুনের প্রথম থেকেই দু’একজন করে আবার রোগী শনাক্ত হতে শুরু করেছে। এক সপ্তাহ ধরে বাড়ছে রোগী।

কিন্তু মানুষের মাঝে সচেতনতার কিছুই দেখা যাচ্ছে না। শহর ঘুরে দেখা গেছে, হাতে গোনা দু’একজন মানুষ ছাড়া কেউই এখন আর মাস্ক পরছেন না। সাধারণ মানুষ তো বটেই, সরকারি কর্মকর্তাদেরও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখা যাচ্ছে মাস্ক ছাড়াই। ঘন ঘন হাত ধোয়া কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের অভ্যাসও ভুলে গেছেন বেশিরভাগ মানুষ।

রামেক হাসপাতালের আইসিইউ-এর ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘কয়দিন হলো আমার মোবাইলটা বেশি বাজতে শুরু করেছে। মানে হচ্ছে আবার শুরু হয়ে গেছে। এবার কোথায় গিয়ে থামবে কে জানে! সরকারিভাবে কী পদক্ষেপ নিলো সেটা না ভেবে নিজের এবং প্রিয়জনের জীবন বাঁচানোর জন্য এখনই সবার সাবধান হয়ে যাওয়া উচিত।’

তিনি বলেন, ‘কয়দিন আগেই ভারতে সংক্রমণের হার ছিল ৪৫ শতাংশ। এটা ছিল আমাদের জন্য অশনি সংকতে। তাই যাঁরা এখনও তিন ডোজ টিকা গ্রহণ করেননি, তাদের দেরি করার কোন সুযোগ নেই। মাস্ক পরতে হবে। হাত ধোয়ার অভ্যাসটা আবার গড়ে তুলতে হবে। অবিলম্বে সকল প্রকার জনসমাগম পরিহার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।’

রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মো. ফারুক বলেন, ‘করোনা আবার বাড়ছে। এখনও আমরা টিকাদানে জোর দিচ্ছি। যারা টিকা নেননি, তারা যেন দ্রুত তিন ডোজই নেন আমরা সে আহ্বান জানাচ্ছি। রোগী বেড়ে গেলে হাসপাতালও আবার প্রস্তুত হবে। তবে মানুষকেও সচেতন হতে হবে।’

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, ‘মানুষের মাঝে সচেতনতা কম। যারা টিকা নিয়েছেন এবং শারীরীকভাবে সুস্থ তারা এবার আক্রান্ত হলেও খুব একটা সমস্যা হবে না। তারা বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিলেই হবে। কিন্তু আগে থেকেই যারা জটিল রোগে আক্রান্ত তাদের সমস্যা হবে। এখনও পর্যন্ত হাসপাতালে রোগী আসেনি। তবে যদি আসেও তার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রথমে তিনটি ওয়ার্ডে রোগী রাখার চিন্তাভাবনা আছে। তখন ওয়ার্ডগুলোর রোগীদের অন্যখানে সরানো হবে।’

;

চট্টগ্রামের পেনিনসুলাতে চলছে 'গ্র‍্যান্ড ঈদ এক্সিবিশন-২২'



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
চট্টগ্রামের পেনিনসুলাতে চলছে 'গ্র‍্যান্ড ঈদ এক্সিবিশন-২২'

চট্টগ্রামের পেনিনসুলাতে চলছে 'গ্র‍্যান্ড ঈদ এক্সিবিশন-২২'

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদুল ফিতরের রেশ কাটতে না কাটতেই কিছুদিন পরেই আসছে ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত ঈদুল আযহা। ঈদে কুরবানির পশুর পাশাপাশি আমাদের চাই নতুন জামা-কাপড় ও ঘর সাজানোর বিভিন্ন সরঞ্জামাদি। কিন্ত বাহিরে উচ্চমাত্রার গরম ও খরতাপে ঈদের কেনাকাটা অনেকটা দুর্বিষহ মনে হচ্ছে অনেকের কাছেই। যানজট এবং ভিড়ের মধ্যে শপিং মলে গাদাগাদি করে শপিং করা বেশ কষ্টকর। স্বস্তিদায়ক কেনাকাটার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যেই 'উদ্যোক্তা চট্টগ্রাম' আয়োজন করেছে 'গ্র‍্যান্ড ঈদ এক্সিবিশন ২০২২'

রোববার (৩ জুলাই) বিকেলে শহরের পেনিনসুলা হোটেলের ডালিয়া হলে উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে এই পণ্য প্রদর্শনী। সবার জন্য বিনামূল্যে প্রবেশ ও উন্মুক্ত থাকবে এই প্রদর্শনী। ২ দিনব্যাপী এই জমকালো প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.রেজাউল করিম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন করোনা প্রতিরোধক বুথের উদ্ভাবক ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় উপ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক  হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর।

প্রদর্শনীতে থাকছে পোশাক, গহনা, ঘর সাজানোর আনুষাঙ্গিক এবং লাইফস্টাইল ব্র‍্যান্ড সহ বিভিন্ন পণ্যের সমাহার। ৪০+ প্রিমিয়াম ব্র‍্যান্ড নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে এই প্রদর্শনী।

এই আয়োজনের উল্লেখযোগ্য দিক হলো, অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তার মধ্যে বেশিরভাগই নারী উদ্যোক্তা। উদ্যোক্তাদের  সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উক্ত প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ এবং সারা বছরের জন্য গ্রাহক তৈরির সুযোগ করে দিয়েছে 'উদ্যোক্তা চট্টগ্রাম' আয়োজিত এই প্রদর্শনী।

এই প্রদর্শনীর সহযোগী হিসেবে আছে ' উইমেন্স কনসেপ্ট, ইভেন্ট পার্টনার 'লামোর ইভেন্ট প্ল্যানার', ফুড পার্টনার ' দ্যা গ্রাব-বক্স', মিডিয়া পার্টনার 'সি-প্লাস টিভি' এবং নিউজ পার্টনার হিসেবে আছে 'দৈনিক আজাদী '।

;

ক্যাব যুব গ্রুপের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি আবু হানিফ, সম্পাদক অংসাহ্লা মার্মা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ক্যাব যুব গ্রুপের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি আবু হানিফ, সম্পাদক অংসাহ্লা মার্মা

ক্যাব যুব গ্রুপের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি আবু হানিফ, সম্পাদক অংসাহ্লা মার্মা

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের ছাত্র ও তরুণ সমাজের মাঝে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত, নিত্যপণ্যে মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, মানসম্মত শিক্ষা, চিকিৎসা, তথ্য প্রযুক্তি, আর্থিক লেনদেন, জীবন ও জীবিকার সাথে যুক্ত সেবা সার্ভিসের অব্যবস্থাপনারোধসহ ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতে কর্মরত সেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন “ক্যাব যুব গ্রুপের চট্টগ্রাম মহানগর” কমিটি গঠিত হয়েছে। চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের স্নাতকত্তোর শেষ বর্ষের ছাত্র আবু হানিফ নোমান সভাপতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শেষ বর্ষের নিলয় বর্মন সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পোর্ট সিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের  স্নাতক ২য় বর্ষের ছাত্র অংসাহ্লা মার্মা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে।

রোববার (০৩ জুলাই) ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ে ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ অধিবেশনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, ক্যাব যুব গ্রুপের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি চৌধুরী কে এন এম রিয়াদ, ক্যাব ডিপিও শম্পা কে নাহার ও জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি মোঃ শাকিলুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক আমজাদুল হক আয়েজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সুজন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মেশকাত, প্রচার সম্পাদক এমদাদুল ইসলাম, সহ-প্রচার সম্পাদক রাসেল উদ্দীন, দপ্তর সম্পাদক প্রণব কুমার দাশ, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ শাহরিয়ার আলম তৌসিফ, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক মোবাশ্বের হোসেন জামি, সহ-স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক শাহরিয়ার নুর শিশির, আইন সহায়তা সম্পাদক মিনা আক্তার, অর্থ সম্পাদক সাজু দাশ, সহ-অর্থ সম্পাদক ইব্রাহিম ফারুক, যুব ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাদিয়া ইয়াসমিন, সহ-যুব ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক উম্মে হাবিবা মীম, তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল কাসেম, সহ-তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার সরকার, গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক তাহমিদুল হাসান, সহ-গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক আবু সাঈদ মোঃ নোমান।

সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বক্তারা বলেন, তরুণ জনগোষ্ঠি, আজকে যারা ছাত্র ও যুব, আগামীতে তারাই পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দেশের দায়িত্ব নিবে। কিন্তু তারা যদি সমাজে চলমান অনিয়ম, ভোগান্তি, প্রতারণা ও সমস্যাগুলি সম্পর্কে সম্যক অবহিত না হয়, তাহলে পেশাগত জীবনে অথবা ব্যক্তিগত জীবনে এই সমস্যাগুলি থেকে উত্তরণের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বেগ পেতে হবে। তাই দেশের তরুণ জনগোষ্ঠিকে দেশ ও জাতিগঠনমুলক স্বেচ্ছাসেবী সমাজ পরিবর্তন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা জরুরি। তারই অংশ হিসাবে ভোক্তা অধিকার, খাদ্যে ভেজাল বিরোধী অভিযান ও ধুমপানের বিরোধী প্রচারনা কর্মকাণ্ডে তরুণ জনগোষ্ঠিকে সম্পৃক্ত করতে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্যাব যুব গ্রুপ গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়।

বক্তারা আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে সবকটি আন্দোলনে তরুন সমাজ নেতৃত্ব প্রদান করলেও ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থে তরুণদেরকে ব্যবহার করে একটি গোষ্টি নিজেদের ফায়দা হাসিলের কারনে তরুন সমাজ বিভ্রান্ত হয়ে দেশে ও জাতি গঠনমুলক কাজ থেকে বিমুখ হয়ে আছে। সেকারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পাড়া মহল্লায় এখন আর সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চর্চা ও স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ গুলি বিকশিত হচ্ছে না। যার কারণে তরুণরা বিপথগামী হচ্ছে। অন্যদিকে কর্পোরেট সংস্কৃতির আগ্রাসনে পড়াশুনা শেষ না করতেই তরুণদের নানা লোভনীয় অফার দিয়ে খণ্ডকালীন চাকরি দেয়া হলেও পরক্ষণে তার জবনিকা ঘটে। পরবর্তীতে এর সর্বশেষ পরিণতি হয় অকালে সম্ভাবনাময় অনেক জীবন নষ্ট হয়। 

;

যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আহবান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহবান

যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহবান

  • Font increase
  • Font Decrease

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারি সফর শেষে পর্তুগাল থেকে আজ সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে বিমানবন্দরের লাগেজ বেল্ট এরিয়াতে অপেক্ষমান যাত্রীদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের অভিযোগ শোনেন। তিনি এসময় ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত নির্দিষ্ট লাগেজ বেল্টের পাশে লাগেজের জন্য প্রায় দুঘন্টা অপেক্ষমান যাত্রীদের দুর্ভোগের সত্যতা দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের সাথে যোগাযোগ করলে ব্যবস্থাপক লাগেজ বেল্ট এরিয়াতে আসেন এবং লাগেজ আসতে দেরি হওয়ার বিষয়টি দ্রুত সমাধানের বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসময় লাগেজের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়াসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের কথা বলেন। এ সময় বিমানবন্দরে দায়িত্বরত কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সম্প্রতি ইউরোপের কয়েকয়টি দেশে সরকারি সফরকালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করে এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে অনেক কষ্ট করেন এবং তাদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় করছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, প্রবাসী বাংলাদেশিসহ অন্যান্য বিমানযাত্রীরা বিমানবন্দরে লাগেজ সংগ্রহের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে থাকেন— যাত্রীদের জন্য এটা অত্যন্ত পীড়াদায়ক। দীর্ঘ বিমানযাত্রার ক্লান্তি নিয়ে সম্মানিত যাত্রীদের এধরণের দুর্ভোগের জন্য মূলত বিমানবন্দরে আমাদের অব্যবস্থাপনাই দায়ী বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কন্সুলার সেবাসহ অন্যান্য সেবার মান উন্নয়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে প্রবাসীরা এগুলোর সুফল পেতে শুরু করেছেন। কিন্তু একইসাথে বিমানবন্দরে প্রবাসীদের দুর্ভোগ লাঘবেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি উপস্থিত যাত্রীদের আশ্বস্ত করে বলেন, যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং আশা করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অচিরেই দুর্ভোগ লাঘবে পদক্ষেপ নিবেন।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলীকে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করলে বিমান প্রতিমন্ত্রী যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে এবং সেবার মান বৃদ্ধির বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে যাত্রীদের মালামাল কয়েক পর্যায়ে স্ক্যানিং প্রক্রিয়া বর্তমানে সহজীকরণের পদক্ষেপ নেয়ার প্রশংসা করেন এবং এজন্য বিমান প্রতিমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ জানান।

;