ত্রাণ তহবিলে ৩৫ লাখ টাকা দিলেন মেয়র সাদিক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরিশাল
মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ

মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বরিশাল নগরীর কর্মহীন ও অসহায় মানুষদের সহযোগিতায় ত্রাণ তহবিলে ৩৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে মেয়র হিসেবে দায়িত্বকাল থেকে এ পর্যন্ত পাওয়া সম্মানীসহ অন্যান্য ভাতার সব টাকাই ত্রাণ তহবিলে দেন তিনি।

এর আগে বিসিসির পক্ষ থেকে একটি ত্রাণ তহবিল গঠন করা হয়। করপোরেশন থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সোমবার মেয়রের নির্দেশে করোনায় নগরীর অসহায় মানুষদের সাহায্যে গঠন করা হয় বিসিসি ত্রাণ তহবিল। যার হিসাব নম্বর- STD-0100212748191, জনতা ব্যাংক বরিশাল কর্পোরেট শাখা।

এ তহবিলে মেয়র নিজে তার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত তার সম্মানী, জ্বালানি তেলের বিল ও অন্যান্য ভাতাদি থেকে প্রাপ্য ৩৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকা প্রদান করেন।

রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর মালিবাগে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার কাজ করছে।

বুধবার (২২ মার্চ) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার কারণে ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাসেল ফারুক বলেন, রাত ৯টার দিকে খবর আসে মালিবাগে সোহাগ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ও একটি ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আমাদের টিম গিয়ে কাজ করছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর আমাদের কাছে আসেনি।

এ বিষয়ে রামপুরা থানার পুলিশ জানায়, তারা দুর্ঘটনার বিষয়টি জানতে পেরেছেন। তবে এটি তাদের থানার অন্তর্ভুক্ত কি না বলা যাচ্ছে না। দুর্ঘটনাস্থল দুই থেকে তিনটি থানার সংযোগস্থল। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ কাজ করছে।

;

রমজানে বাজার কঠোর মনিটরিং করবে ডিএনসিসি: মেয়র আতিক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে অত্যাবশকীয় পণ্যসামগ্রীর মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহ স্বভাবিক রাখতে কঠোর মনিটরিং করবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) বলে জানিয়েছেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, বিশ্বের সব দেশে দেখেছি অন্য সময়ের তুলনায় বিভিন্ন উৎসবে বিশেষ করে ধর্মীয় উৎসবের সময় পণ্যদ্রব্যের দাম কমে যায়। কিন্তু আমাদের দেশে দেখা যায় উল্টো চিত্র।

এ বছর রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্যের অহেতুক দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বুধবার (২২ মার্চ) দুপুরে গুলশান ডিএনসিসির নগর ভবনে আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে অত্যাবশকীয় পণ্যসামগ্রীর মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহ স্বভাবিক রাখা এবং বাজার মনিটরিংসহ অন্যান্য বিষয়ে মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে মেয়র এ কথা জানান।

মেয়র বলেন, কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলামকে আহ্বায়ক করে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে একটি বাজার মনিটরিং কমিটি করা হবে। পুরো রমজান মাসজুড়ে এই কমিটি বাজারগুলো মনিটরিং করবে। রমজানে জনগণের যেন কোনো ভোগান্তি না হয় সেটি নিশ্চিত করা হবে।

এছাড়া আমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সহযোগিতা চাই। আপনারা দয়া করে ভেজালমুক্ত, সঠিক ওজন ও টাটকা পণ্য সরবরাহ করবেন।

মেয়র আরও বলেন, রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য জনসাধারণের অবগতির জন্য ডিএনসিসির সাতটি মার্কেটে মূল্য তালিকাসহ প্রতিটি (১০x৬) ফুট সাইজের ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন করে দেয়া হবে।

এছাড়াও প্রতিটি দোকানে প্রকাশ্যে মূল্য তালিকা টানিয়ে রাখতে হবে। নির্ধারিত মূল্যের বেশি মূল্যে পণ্য বিক্রি করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি বলেন, বাজারে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বাজারে প্রবেশের ও প্রস্থানের রাস্তাগুলোতে মালামাল রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির মালিকানাধীন মার্কেট ও কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ীদের সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা।

;

নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনে কার্যকর পদক্ষেপের পরামর্শ সংসদীয় কমিটির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, অনলাইন বা আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) টেলিভিশন ও অনলাইন রেডিওর নিবন্ধন প্রদানের ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে।

বুধবার (২২ মার্চ) কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু’র সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ বৈঠকে প্রাথমিক সংসদীয় কমিটি এ পরামর্শ দেয়।

কমিটির সদস্য তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, বেগম সিমিন হোসেন (রিমি), মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, মো. মুরাদ হাসান ও খ. মমতা হেনা লাভলী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

সোশ্যাল মিডিয়া পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বৈধভাবে নিবন্ধিত হওয়ার পর, তাদের কার্যক্রম চালাতে হবে বলেও সুপারিশ করে কমিটি।

এতে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রদর্শিত অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে সংগ্রহ করে সারাদেশে প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কমিটি বাংলাদেশ বেতারের অর্গানোগ্রামের নথি দ্রুত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছে। সংসদীয় কমিটির ১১তম বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়।

কমিটি দ্য সেন্সরশিপ অব ফিল্মস অ্যাক্ট, ১৯৬৩ (সংশোধিত ২০০৬) সময়োপযোগী করে তোলার জন্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন আইন’ প্রণয়নের ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে।

তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. হুমায়ুুন কবির খন্দকার, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক (ডিজি), প্রেস ইনফরমেশন বিভাগের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, বাংলাদেশ টেলিভিশনের ভারগ্রাপ্ত মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ, মন্ত্রণালয়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

;

সংশোধনী ছাড়া প্রস্তাবিত গণমাধ্যমকর্মী আইন পাস নয়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে গণমাধ্যমকর্মী আইন বিষয়ে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) আয়োজিত অংশীজন সংলাপে বক্তারা।

রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে গণমাধ্যমকর্মী আইন বিষয়ে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) আয়োজিত অংশীজন সংলাপে বক্তারা।

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রস্তাবিত গণমাধ্যমকর্মী আইনটি অসম্পূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার-বিজেসি’র নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট সাংবাদিকরা।

তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ওই আইনের বিতর্কিত ধারাগুলো সংশোধনী ছাড়া তা সংসদে পাস করতে দেয়া হবে না। কারণ সংশোধনী ছাড়া আইনটি পাস হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত করাসহ সংবাদপত্রের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করবে।অধিকার খর্ব করার মতো আপত্তিকর ধারাগুলো সংশোধন করা হলে এই আইন পাসে কোন আপত্তি থাকবে না বলেও জানান তারা। সংবাদমাধ্যমের অধিকাংশ মালিক সাংবাদিকদের যৌক্তিক সুযোগ-সুবিধা দিতে চান না বলেই তারা এই আইনের বিরোধিতা করছেন।

বুধবার (২২ মার্চ) রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে গণমাধ্যমকর্মী আইন বিষয়ে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) আয়োজিত অংশীজন সংলাপে তারা এসব কথা বলেন। সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিজেসির নির্বাহী মিল্টন আনোয়ার।

এসময় তিনি প্রস্তাবিত আইনের বিভিন্ন অসঙ্গতি ও অস্পষ্ট দিকগুলো তুলে ধরে বলেন, প্রস্তাবিত আইনে গণমাধ্যমকর্মীর যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তা অসম্পূর্ণ। সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত স্থায়ী, অস্থায়ী, ফ্রিল্যান্স সব ধরনের ব্যক্তিকে এই আইনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে ৷

সংলাপে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) চেয়ারম্যান ও মাছরাঙা টিভির বার্তাপ্রধান রেজওয়ানুল হক রাজা বলেন, গণমাধ্যমের অংশীজনেরা ঐক্যবদ্ধভাবে এখনো এই আইনের বিষয়ে কোন সংশোধনী প্রস্তাব দিতে পারিনি। অন্যদিকে অংশীজনদের বড় অংশ হচ্ছে মালিকপক্ষ। তারা এই আইন না করার ব্যাপারে অবস্থান নিয়েছে। আমরা এই আইনের পক্ষে। কারণ গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিতে এই আইন প্রয়োজন। তবে প্রস্তাবিত আইনের সংশোধন ছাড়া এই আইন পাস হলে তা সংবাদমাধ্যমের এগিয়ে যাওয়ার পথকে বাধাগ্রস্ত করবে। একই সাথে প্রস্তাবিত গণমাধ্যমকর্মী আইনের ৫৪ ধারা কমিয়ে আনা জরুরি বলেও জানান তিনি।

বিজেসির সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ বলেন, গণমাধ্যমকর্মী আইনটি এখনো পাস হয়নি। প্রস্তাবের পর্যায়ে রয়েছে। আইনটি এভাবে পাস হলে আগামী বহু বছর আমাদের জীবন, পেশা এবং সাংবাদিকতা নিয়ন্ত্রণ করবে। তাই এই আইনের অসঙ্গতি এবং অসম্পূর্ণতা সম্পর্কে আমাদের এখনই কথা বলতে হবে। যেহেতু কর্মী দুর্বল হলেই মিডিয়া দুর্বল হয়। তাই দুর্বল মিডিয়া তৈরির অংশ হিসেবে এই আইনটি ব্যবহৃত হবে।

আলোচনায় স্টেকহোল্ডারদের মতামত গ্রহণ করে সাংবাদিকবান্ধব আইন তৈরির পরামর্শ দেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত। তিনি জানান, প্রস্তাবিত আইনের ১২ ধারায় বলা হয়েছে, কোন গণমাধ্যমে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত কর্মী থাকলে যারা অতিরিক্ত তাদের ছাঁটাই করা যাবে। কিন্তু অতিরিক্ত কর্মীর ব্যাখ্যা আইনের কোথাও নেই। ফলে এই বিধান চাকরির নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এডিটরস গিল্ডের সভাপতি মোজাম্মেল বাবু বলেন, নতুন আইনে সাংবাদিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার সংরক্ষিত করতে হবে। গণমাধ্যমকর্মী আইন যত বড় হবে, বিপদ তত বাড়বে। আইনের প্রথম ধারাতেই থাকতে হবে যে, এই আইনকে অবশ্যই ডিজিটাল ও ডাটা সিকিউরিটি অ্যাক্টের আওতামুক্ত রাখতে হবে। প্রস্তাবিত আইনে ৫৪টি ধারা রয়েছে। এটাকে ১০-১৫ ধারার মধ্যে কীভাবে আনা যায়, সেটা ভাবতে হবে।

গ্লোবাল টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, গণমাধ্যমকর্মী আইনের লক্ষ্য গণমাধ্যমকর্মীদের কল্যাণ, চাকরির শর্ত ও কর্মপরিবেশসহ গণমাধ্যমকর্মীদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া। কিন্তু প্রস্তাবিত আইনে এমন কিছু ধারা রয়েছে, যার ফলে গণমাধ্যমকর্মীরা বিভিন্নভাবে নিগ্রহের শিকার হবেন। রাষ্ট্র ও সরকারের নিজের বিকাশের স্বার্থে এই আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কার জরুরি। এই আইনের সংশোধনী আদায়ে সম্মিলিত ও সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব ও নাগরিক টিভির বার্তা প্রধান দীপ আজাদ বলেন, সংবাদমাধ্যমের মালিকপক্ষ আইনটি না করার ব্যাপারে সেতুমন্ত্রীকে বলেছেন। কিন্তু আমরা আইনটি চাই। তবে এই আইনের বেশকিছু ধারায় সংশোধন প্রয়োজন। অন্যথায় সংবাদমাধ্যমকে দুর্বল করবে এই আইন। তাই সংশোধনী ছাড়া এই আইন পাসের বিপক্ষে আমাদের অবস্থান।

এছাড়া সংলাপে এ্যাটকো, এডিটরস গিল্ড, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, রিপোর্টার্স ইউনিটি, সাব এডিটরস কাউন্সিল, টিসিএ এবং প্রডিউসারস এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিসহ সংবাদমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

;