যশোরে নিখোঁজের ৫ দিন পর অস্ত্রসহ ছাত্রদলনেতাকে আটক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, যশোর
ইব্রাহিম ও তার বন্ধু রিপনকে আটক করা হয়/ছবি: সংগৃহীত

ইব্রাহিম ও তার বন্ধু রিপনকে আটক করা হয়/ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোর সদর উপজেলা দেয়াড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন ও তার বন্ধু রিপন হোসেন নিখোঁজ হওয়ার ৫ দিন পর অস্ত্রসহ আটক হয়েছে র‌্যাব-৬ খুলনার সদস্যরের হাতে। র‌্যাবের দাবি, বাগানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে এক রাউন্ড গুলিভর্তি একটি ওয়ান শুটারগান এবং একটি রাম দাসহ তাদের আটক করা হয়।

এদিকে ইব্রাহিম হোসেনের পরিবারের দাবি, ১৩ জুন রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তাদেরকে উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আটক ইব্রাহিম হোসেন যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও নতুনহাট গ্রামের মাহবুব মোল্লার ছেলে। তার বন্ধু রিপনের বাড়ি সদর উপজেলার মেঘলা গ্রামে।

পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গত ১৩ জুন রাতে ঝিকরগাছার লাউজানি বাজারের একটি চায়ের দোকানের সামনে থেকে ওই দুইজনকে ধরে একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দেওয়া একদল লোক। এরপর যশোরে পুলিশ ও র‌্যাব অফিসে খোঁজ নিয়েও তার সন্ধান মেলেনি। সন্ধান না পেয়ে ১৬ জুন দুপুরে তার মা নূরজাহান বেগম ঝিকরগাছা থানায় একটি জিডি করেন। এছাড়া বৃহস্পতিবার তাদের সন্ধান চেয়ে ছাত্রদল স্মারকলিপি দেয় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে। বিকেলে এই বিষয়ে প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করতে এসে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।

মণিরামপুর থানার এস আই আজাদ জানান, র‌্যাব-৬ খুলনা কোম্পানি স্পেশাল কমান্ডের ওয়ারেন্ট অফিসার রিপন শিকদারের দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বুধবার দিনগত রাতে মণিরামপুর উপজেলার চিনাটোলা গ্রামের আসাদের বাড়ির পাশের বাগানে বসে ডাকাতির প্রস্তুতি চলছে-এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৬ খুলনার একটি টিম সেখানে অভিযান চালায়। তারা রাত দেড়টার দিকে এক রাউন্ড গুলিভর্তি একটি ওয়ান শুটারগান এবং একটি রাম দাসহ আটক করে ইব্রাহিম হোসেন এবং রিপন সরদারকে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাদেরকে মণিরামপুর থানায় সোপর্দ করে র‌্যাব। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র এবং ডাকাতি আইনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান বার্তা২৪.কমকে মামলার কথা নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার ইব্রাহিম ও তার বন্ধু রিপনকে আদালতে চালান দেওয়া হবে।

   

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। যথাসময়ে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ছেড়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার গোলাম রব্বানী।

এর আগে, বুধবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ঈদ স্পেশাল-৯ নামের একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ওই লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও বিকল্প আরও তিনটি লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে তিনি জানান।

স্টেশন মাস্টার গোলাম রব্বানী বলেন, সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে বিশেষ ট্রেনটি ছেড়ে যায়। সকাল ১০টার দিকে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারায় বিকট শব্দে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। তবে বিকল্প আরও তিনটি লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

যথাসময়ে বিকল্প লাইন দিয়ে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ছেড়ে গিয়েছে বলেও জানান তিনি। ট্রেনটি উদ্ধার করতে চট্টগ্রাম থেকে রওনা দিয়েছে উদ্ধারকারী দল।

লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধারের বিষয়ে চকরিয়ার স্টেশন মাস্টার এস এম ফরহাদ জানান, ইঞ্জিন ট্যুল ভ্যান কাছাকাছি চলে এসেছে। এটার উপর নির্ভর করছে কতক্ষণে সেকশন ক্লিয়ার হবে। তবে আশা করছি বিকেলের আগেই এই লাইনটিও স্বাভাবিক হবে।

;

পঞ্চগড়ে ট্রাক-ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পঞ্চগড়ে ট্রাক-ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪

পঞ্চগড়ে ট্রাক-ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪

  • Font increase
  • Font Decrease

পঞ্চগড়ের বোদা—দেবীগঞ্জ জাতীয় মহাসড়কে ট্রাক ও ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন পথচারী নারীসহ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো চার জন।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) সকালে জেলার বোদা উপজেলার চন্দনবাড়ি ইউনিয়নের কলাপাড়া নামক স্থানে মহাসড়কে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন বোদা পৌরসভার সদ্দার পাড়া গ্রামের সাফিরের স্ত্রী পথচারী নুরজাহান (৬০) ও একই উপজেলার মাজগ্রাম এলাকার মানিক ইসলামের ছেলে জাহিদ ইসলাম (২৫)।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, দেবীগঞ্জ থেকে পঞ্চগড়গামী একটি দ্রুতগামী ট্রাক ও বিপরীতমূখী একটি দ্রুতগামী ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধে। এসময় ঘটনাস্থলের পাশে থাকা একজন পথচারী নারীকে গাড়িগুলো চাপা দিলে ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করে। একই সময় মারা যায় ট্রলির চালক জাহিদ। এদিকে স্থানীয়দের সহায়তায় উভয় গাড়ির আহতের দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে আহতরা চিকিৎসাধীন রয়েছে।

;

কুষ্টিয়ায় বৃষ্টির জন্য ইস্তেস্কার নামাজ আদায়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

অসহনীয় তাপদাহে পুড়ছে দেশ। তীব্র তাপদাহ থেকে রক্ষা পেতে বৃষ্টির জন্য আহাজারি করছে দেশবাসী। তাই বৃষ্টির প্রত্যাশায় ইস্তেস্কার নামাজ আদায় করেছেন কুষ্টিয়ার মুসল্লিরা।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ খেলার মাঠে খোলা আকাশের নিচে এ নামাজ শেষে বৃষ্টির জন্য দোয়া করা হয়। বিশেষ দোয়াতে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজেদের পাপের জন্য অনুতপ্ত ও ক্ষমা চেয়ে বৃষ্টির জন্য আহাজারি করেন মুসল্লিরা।

এতে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৫ শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

নামাজ ও বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মুহাদ্দিস শারাফাত হোসাইন।

মাওলানা মুহাদ্দিস শারাফাত হোসাইন বলেন, মানুষের পাপের কারণে মহান আল্লাহ এমন অনাবৃষ্টি ও খরা দেন। বৃষ্টিপাত না হলে আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) সাহাবীদের নিয়ে খোলা ময়দানে ইস্তেস্কার নামাজ আদায় করতেন। সেজন্য তারা মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে পাপের তওবা করে এবং ক্ষমা চেয়ে দুই রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ইসতিসকার নামাজ তিন দিন আদায় করা সুন্নত।

প্রসঙ্গত, কালবৈশাখীর মৌসুমেও প্রায় এক মাস বৃষ্টির দেখা নেই। নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর শুকিয়ে গেছে। পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পানি উঠছে না অগভীর নলকূপ ও সেচ পাম্পে। তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে উঠছে। রোদে পুড়ে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের ফসল ।

নিন্ম আয়ের খেটে খাওয়া মানুষেরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। তবে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ ডায়রিয়াসহ গরমজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। কুমারখালী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ জানান, আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

;

লেখক পরিচয়ের আড়ালে ভয়ংকর শিশু পর্নোগ্রাফি তৈরি, টার্গেট পথশিশু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
লেখক পরিচয়ের আড়ালে ভয়ংকর শিশু পর্নোগ্রাফি তৈরি, টার্গেট পথশিশু

লেখক পরিচয়ের আড়ালে ভয়ংকর শিশু পর্নোগ্রাফি তৈরি, টার্গেট পথশিশু

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে আর্ন্তজাতকি শিশু পর্নোগ্রাফির চক্রের বাংলাদেশের মূলহোতা এবং তার সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সিটিটিসি’র স্পেশাল এ্যাকশন গ্রুপ বিভাগের এন্টি ইললিগ্যাল আর্মস রিকোভারী টিম।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের নাম: টি আই এম ফখরুজ্জামান ওরুফে টিপু কিবরিয়া, এবং তার সহযোগী মো. কামরুল ইসলাম ওরফে সাগর। তাদের থেকে রক হাজার শিশুর ২৫ হাজারের বেশি শিশু পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট, পর্নোগ্রাফি তৈরির সরঞ্জাম জব্দসহ একজন শিশু ভিকটিম উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান।

সিটিটিসি প্রধান জানান, গ্রেফতারকৃত ফকরুজ্জামান এক সময়কার খুব জনপ্রিয় শিশু সাহিত্যিক। সে টিপু কিবরিয়া নামে পরিচিত। টিপু কিবরিয়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৭ সালে বাংলায় স্মাতক এবং ১৯৮৮ সালে স্মাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৯১ সালে সেবা প্রকাশনীর মাসিক “কিশোর পত্রিকা”য় সহকারী সম্পাদক পদে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। তিনি ফ্রিল্যান্স আলোকচিত্রী হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি শিশু সাহিত্য রচনা করতেন। তার অর্ধ শতাধিক এর উপরে বই রয়েছে যার বেশিরভাগই সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত।

তিনি আরও জানান, ২০০৫ সাল থেকে শিশু পর্নোগ্রাফি উৎপাদন ও বিতরণে জড়ায় টিপু কিবরিয়া। দীর্ঘদিন এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার পর ২০১৪ সালে সিআইডির কাছে গ্রেফতার হন এবং তার নামে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়। ২০২১ সালে জেল  থেকে মুক্তি পেয়ে পুনরায় সাহিত্য নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরে টিপু কিবরিয়া। “একশো এক” নামে একটি কবিতার বই প্রকাশ করে। একই সঙ্গে, সাহিত্য চর্চার আড়ালে পুনরায় শিশু পর্নোগ্রাফির সেই পুরনো পথেই হাঁটতে শুরু করে টিপু কিবরিয়া।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে ছিন্নমূল ছেলে পথশিশুদের ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি কন্টেন্ট বানায়। সে নিজে গুলিস্তান, সোহরাওয়ার্দি উদ্যান সহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে সাংবাদিক বেশে ছিন্নমূল ছেলে পথশিশুদের সামান্য কিছু অর্থের লোভ দেখিয়ে নিজের বাসায় ডেকে এনে তার নিজের ক্যামেরার সাহায্যে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গির নগ্ন ছবি, শরীরের বিভিন্ন গোপনাঙ্গের ছবি তোলে এবং ভিডিও করে। নিজের বাসা ছাড়াও বিভিন্ন পার্কের নির্জন ঝোপ ঝাড়ে এই ছিন্নমূল ছেলে শিশুদের একই প্রক্রিয়ায় অশ্লীলছবি ও ভিডিও ধারণ করে। এই ছিন্নমূল ছেলে শিশুদের সংগ্রহ করার জন্য তার কয়েকজন সহযোগীও রয়েছে। যাদের মধ্যে একজন সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিকভাবে তার ব্যবহৃত ডিভাইসগুলো হতে প্রায় ২০ জন পথশিশুর ছবি ভিকটিম হিসেবে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

পরবর্তীতে এই অশ্লীল ছবিগুলো বিভিন্ন নিষিদ্ধ ও পর্নোগ্রাফির ওয়েবসাইটে আপলোড করে। এ সকল ওয়েবসাইট গুলো বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষগুলোর একধরণের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যার অধিকাংশ সদস্য মূলত উন্নত বিশ্বের মানসিক বিকারগ্রস্থ নাগরিকরা। এই ওয়েবসাইটগুলো থেকেই টিপু কিবরিয়ার আপলোড করা ছবিগুলো দেখে অনেক বিকৃত রুচির ব্যক্তিরা তার সাথে যোগাযোগ করে। তারা টিপু কিবরিয়ার কাছে ছেলে শিশুদের বিভিন্ন রকমের অশ্লীল ছবির চাহিদা দেয় এবং টিপু কিবরিয়া অর্থের বিনিময়ে ছিন্নমূল ছেলে পথশিশুদের ব্যবহার করে তাদের চাহিদা চরিতার্থ করে।

আসাদুজ্জামান বলেন, 'অভিযান পরিচালনার সময় তার বাসায় তার ব্যবহৃত ডেস্কটপটি পরীক্ষা করে দেখা যায় সে MEGA এবং Totanota নামক দুইটি এনক্রিপ্টেড এপস এর মাধ্যমে তার ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ করে। এ পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে ইতালি, অস্ট্রেলিয়া ও জর্মানির নাগরিকসহ প্রায় ২০/২৫ টি Totanota ও MEGA আইডি সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। যারা এসব আইডি দিয়ে মূল হোতা টিপু কিবরিয়ার সাথে শিশু পর্নোগ্রাফির বিভিন্ন কনটেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করতো।'

সিটিটিসি প্রধান আরও জানান, তার ব্যবহৃত ক্যামেরা, পিসি ও ক্লাউড স্টোরেজ থেকে প্রাথমিকভাবে প্রায় ২৫ হাজার পর্নোগ্রাফির উদ্দেশ্যে তোলা স্থির চিত্র ও প্রায় ১ হাজার ভিডিও কনটেন্ট এর সন্ধান পাওয়া গেছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

;