পঞ্চগড়ে করোনা আক্রান্ত ২ ভাগ রোগীই সুস্থ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পঞ্চগড়
আক্রান্তরা সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরছেন/ছবি: সংগৃহীত

আক্রান্তরা সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরছেন/ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পঞ্চগড়ের ৫ উপজেলার ৪৩টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গত ১৭ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন মোট ৬৯ দিনে এ পর্যন্ত ১৩২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৯১ জন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। সুস্থ ৯১ জনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বার নমুনার রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের ছাড়পত্র দিয়েছেন।

শুক্রবার (২৬ জুন) ওই ৯১ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর সুস্থ হওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন পঞ্চগড় সিভিল সার্জন ডা. ফজলুর রহমান।

বর্তমানে জেলায় ৪০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গছে। তাদের মধ্যে ৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী পঞ্চগড় করোনা ডেডিকেডেট হাসপাতালে অবস্থান করলেও বাকিরা সবাই নিজ নিজ বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া করোনা আক্রান্ত ও সুস্থতার হার পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, করোনা আক্রান্ত ৩ ভাগ রোগীর মধ্যে ইতোমধ্যে ২ ভাগ রোগীই সুস্থ হয়েছেন। তবে আক্রান্ত বাকি ৪১ জন রোগী শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছে। তাদের সবাইকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ চিকিৎসাসহ প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করছে।

জানা গেছে, পঞ্চগড়ে যারা আক্রান্ত হয়েছে তারা বেশিরভাগ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছিলেন। তাছাড়া স্থানীয়ভাবেও অনেকে আক্রান্ত হয়েছেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ১৭ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত জেলার ৫ উপজেলায় বিভিন্ন জেলা থেকে ফেরত ও স্থানীয় বাসিন্দাসহ মোট ২ হাজার ৭৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে দিনাজপুর এম মেডিকেল হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে প্রেরণ করলে তার মধ্যে ১ হাজার ৯৯৬টি নমুনার ফলফল পাওয়া যায়। তাদেরও মধ্যে ১৩২ জনের নমুনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এর মধ্যে এ পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে যে ৩ জন মারা গেছেন তারা সবাই বৃদ্ধ ছিলেন। এর মধ্যে ২ জনের মৃত্যুর পর করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানায় স্বাস্থ্য বিভাগ।

পঞ্চগড় সিভিল সার্জন ডা. ফজলুর রহমান জানান, গত ৬৯ দিনে জেলার বিভিন্ন এলাকার মোট করোনা আক্রান্ত ১৩২ জন রোগীর মধ্যে আজ পর্যন্ত ৯১ জন রোগীকে সুস্থ ঘোষণা করে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ৪১ জন রোগীকে স্বাস্থ্য বিভাগ প্রতিনিয়ত চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া চিকিৎসাধীন সকল রোগীদের নিয়মিত খোঁজ খবর, পরামর্শ ও চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের সকল দিক নির্দেশনা, পরামর্শ ও নিয়মকানুন মেনে চলার পর তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছে। আমরা আশাবাদী বাকিরও সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবে।

   

ডিএনসিসির সঙ্গে চীনের আনহুই প্রদেশের সমঝোতা স্মারক সই



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এবং চীনের আনহুই প্রদেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) গুলশান ডিএনসিসি নগরভবনের সম্মেলন কক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ডিএনসিসি'র সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক এবং আনহুই প্রদেশের ফরেন অ্যাফেয়ারস বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল ইয়াং জায়োলিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ও চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, 'চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। আজকের এই চুক্তির ফলে দুই দেশের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এর ফলে দুই সিটির মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হবে। এই চুক্তির ফলে দুই শহর একে অপরকে অর্থনৈতিক ও কারিগরি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন বিষয়ে জ্ঞান বিনিময় ও সহযোগিতা করবে। দুই সিটির উত্তম কার্যক্রমগুলো শেয়ার করা হবে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে যে কোনো ধরণের সহযোগিতা করতে পারবে আনহুই প্রদেশ। অন্য দিকে ডিএনসিসির উত্তম কার্যক্রমগুলোও শেয়ার করতে পারবে।'

মেয়র বলেন, 'চীন দূতাবাসের সাথে ডিএনসিসি দীর্ঘদিন ধরে যৌথভাবে কাজ করছে। গত বছর চীন দূতাবাসের সহযোগিতায় বনানী কড়াইল বস্তিতে বসবাসকারী নারীদের মাঝে অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। গত রমজান মাসেও চীন দূতাবাসের সহযোগিতায় মিরপুর ভাসানটেক বস্তিতে এক হাজার পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। ডিএনসিসি'র বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পটিও বাস্তবায়ন করছে চীনের একটি প্রতিষ্ঠান। আজকের এই নতুন চুক্তিতে ডিএনসিসি'র সাথে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।'

এ সময় অন্যান্যের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি'র প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগে. জেনা. মো. মঈন উদ্দিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগে. জেনা. ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফিদা হাসান ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

;

চুয়েট শিক্ষার্থীদের চাপা দেওয়া বাসের চালক গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
বাসের চালক গ্রেফতার

বাসের চালক গ্রেফতার

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) দুই শিক্ষার্থীকে চাপা দিয়ে মেরে ফেলা বাসের চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

চুয়েট শিক্ষার্থীদের চাপা দেওয়ার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত বাসচালকের নাম মো. তাজুল ইসলাম। তার বাড়ি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার পৌরসভার উত্তর ঘাটচেক এলাকায়।

বাসচালক গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা) আবু তৈয়ব মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বলেন, চুয়েটের দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় জড়িত বাসচালককে নগরের কোতোয়ালি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে, গত সোমবার (২২ এপ্রিল) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা জিয়ানগর এলাকায় শাহ আমানত পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় নিহত হন চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শান্ত সাহা ও একই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের তৌফিক হোসাইন।

এছাড়াও আহত হন একই বর্ষের জাকারিয়া হিমু। এ ঘটনার পর চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার তৃতীয় দিনের মতো শিক্ষার্থীদের অবরোধ চলমান রয়েছে।

;

রাজবাড়ীতে হিট স্ট্রোকে মারা গেলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,রাজবাড়ী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে হিট স্ট্রোকে মো. নুর ইসলাম (৭৫) নামের অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৪ এপ্রিল) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে মারা যান তিনি।

তার বাড়ি উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে। তিনি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক।

মৃতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৪ এপ্রিল) বেলা ১০টার দিকে প্রচন্ড গরমে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নুর ইসলাম। পরিবারের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে প্রথমে তার মাথায় পানি ঢালেন। অবস্থা আরো খারাপ হলে তাকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসা শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যে তিনি মারা যান।

গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শরিফুল ইসলাম বলেন, তীব্র গরমে হিট স্ট্রোকে নুর ইসলাম নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।এছাড়াও তার ডায়বেটিস জনিত রোগ ছিলো। 

;

দেশে ফিরলেন মিয়ানমারে আটকা পড়া ১৭৩ জন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরেছেন ১৭৩ বাংলাদেশি। বুধবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর ১টায় তারা কক্সবাজার শহরের নুনিয়ার ছড়া ঘাটে এসে পৌঁছে।

এরআগে, মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) মিয়ানমারের সিতওয়ে বন্দর থেকে বাংলাদেশে জলসীমার উদ্দেশে রওনা হয় জাহাজ চিন ডুইন। বাংলাদেশি জাহাজে করে মিয়ানমার জলসীমা থেকে নুনিয়াছড়া ঘাটে আনার পর একে একে তাদেরকে জাহাজ থেকে নামানো হয়।

বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় হস্তান্তর প্রক্রিয়ার জন্য তৈরি করা অস্থায়ী তাবুতে নেওয়া হয় ১৭৩ বাংলাদেশিকে। সেখানে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতসহ বিজিবি ও কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া পুরো প্রক্রিয়াটিতে সকাল থেকেই উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য, জাতীয় সংসদের হুইপ ও কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জাহাজে ফেরা ১৭৩ জন বাংলাদেশির মধ্যে ১২৯ জন কক্সবাজারের, ৩০ জন বান্দরবানের এবং রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, রাজবাড়ী, নরসিংদী, নীলফামারী জেলার একজন করে বাসিন্দা আছেন। এর মধ্যে ৩ জন নারীও আছেন।

জানা যায়, বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্রুত ও সহজে ফেরত আনার পরিকল্পনায় মিয়ানমারে থাকা বাংলাদেশি দূতাবাস দেশটির বিভিন্ন কারাগারে বন্দী ১৪৪ জনকে যাচাই-বাছাই করে। পরে যাদের কারাভোগের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে বা ক্ষমা পেয়েছেন তাদেরকে সিতওয়ে কারাগারে আনতে উদ্যোগ নেয়।

পাশাপাশি আরও ২৯ জন যাচাই করা বাংলাদেশি নাগরিক, যারা এখনো কারাভোগরত কিংবা বিচারাধীন। তাদেরও মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি মিয়ানমারের কাছে তুলে ধরে বাংলাদেশ। যার ভিত্তিতে সাজা মওকুফ করে তাদেরও সিতওয়ে কারাগার থেকে দেশে আনা হয়েছে আজকে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই বাছাই শেষে আজকেই ১৭৩ জনকে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দিবে।

রাখাইন রাজ্যে সংঘাতের কারণে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হওয়া মিয়ানমারের প্রতিরক্ষা বাহিনীর ২৮৫ সদস্যকে নিয়ে ২৫ এপ্রিল ফিরে যাবে চিন ডুইন জাহাজটি।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ৩ অক্টোবর দুই দেশের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মিয়ানমারে কারাভোগ শেষ করা ২৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে পাঠানো হয়।

;