নিজ এলাকায় সামীম মোহাম্মদ আফজালের দাফন সম্পন্ন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) সাবেক মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজালের মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের নিজ এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) বাদ জুমা জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার তারুয়া গ্রামের নিজ এলাকার পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়। এর আগে তারুয়া গ্রামে মরহুমের নিজ প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মাঠে তার তৃতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে জানাজায় ইমামতি করেন, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা এহসানুল হক জিলানী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী মো. নাজিমুল হায়দার, ইসলামী ফাউন্ডেশনের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপ-পরিচালক মো. শাহ আলম, আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাবেদ মাহমুদ, ইসলামী ফাউন্ডেশনের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সহকারি পরিচালক কাজী মো. জাবেদ হোসেন, আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান, তারুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিছ হাসান, মরহুমের ভাতিজা জিএম তানিম ও নাসিম দিদার প্রমুখ।

এছাড়াও জানাজায় সীমিত পরিসরে এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট আলেমগণ অংশ নেন। নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে মা, বাবা ও ছেলের কবরের পাশে দাফন করা হয়।

এসময় তার কবরে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরীর পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক প্রদান করা হয়। এমপির পক্ষে পুষ্পস্তবক প্রদান করেন আশুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শাহীন সিকদার।

প্রসঙ্গত. সামীম মোহাম্মদ আফজাল (৬৫) বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকায় ইন্তেকাল করেছেন। বৃহস্পতিবার অসুস্থতা বৃদ্ধি পেলে ঢাকার শ্যামলী সেন্ট্রাল হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মারা যান তিনি। ইন্তেকালের সময় তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর । তিনি স্ত্রী এবং এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সামীম মোহাম্মদ আফজাল ১১ বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি তিন দফায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান। গত ৩০ ডিসেম্বর মেয়াদ শেষে তিনি অবসরে চলে যান। এর আগে তিনি বিচার বিভাগে কর্মরত ছিলেন।