মেহেরপুরে একই পরিবারের ৫ সদস্যসহ আক্রান্ত ১১



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মেহেরপুর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মেহেরপুর জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছেন। জেলার ৩ উপজেলার ৫৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১১ জন কোভিড-১৯ পজিটিভ। এর মধ্যে গাংনীর বাদিয়াপাড়া গ্রামের করোনাভাইরাস আক্রান্ত অবস্থায় পালিয়ে যাওয়া একই পরিবারের ৫ সদস্যও আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানান সিভিল সার্জন।

শনিবার (২৩ জুন) আক্রান্তদের মধ্যে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মচারী পরিবারের তিন জন আছেন।

এ নিয়ে আজ পর্যন্ত জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সদরে ৫ জন ও গাংনী উপজেলায় ছয় জন।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২২ জুন মেহেরপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক কর্মচারী কোভিড-১৯ পজিটিভ হন। উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তার নমুনা পরীক্ষা করায় জেলা প্রশাসন। তার বাড়ি লকডাউন করে পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করে স্বাস্থ্য বিভাগ। এর মধ্যে ওই কর্মচারীর স্ত্রী ও দুই পুত্র সন্তান আজ কোভিড-১৯ পজিটিভ।

এদিকে সদরে আজ আক্রান্ত ৫ জনের মধ্যে একজন হলো ইসলামী ব্যাংক মেহেরপুর শাখার কর্মকর্তা। অপরজন মল্লিকপাড়া এক নারী। এর আগে আক্রান্ত এক সেনা সদস্যর ভাবি তিনি। তার মাধ্যমে ওই নারী আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে গাংনী উপজেলায় আক্রান্ত ছয় জনের মধ্যে পাঁচ জন একই পরিবারের। ২১ তারিখে বাদিয়াপাড়া গ্রামে ঢাকা ফেরত একজন কোভিড-১৯ পজিটিভ হন। লকডাউন অবস্থায় ওই রাতেই তিনি পালিয়ে যান। তার সংস্পর্শে আসা পরিবারের লোকজনের নমুনা পরীক্ষায় আজ পাঁচ জন পজিটিভ এসেছে। গাংনী উপজেলায় আক্রান্ত অপরজনের বাড়ি তেরাইল গ্রামে। ৩০ বছর বয়সী ওই যুবক ২২ জুন ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরলে তাকে কোয়ারেন্টিন করে নমুনা সংগ্রহ করে স্বাস্থ্য বিভাগ।

মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা: নাসির উদ্দীন জানান, আজ আক্রান্ত শনাক্ত ১১ জনকে হোম আইসোলেশন করে বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। তাদের সংস্পর্শে আসা লোকজনকে কোয়ারেন্টিন পূর্বক নমুনা সংগ্রহ করা হবে।
প্রসঙ্গত, জেলায় মোট আক্রান্ত ৭২ জনের মধ্যে সদরে ৩৬ জন, গাংনীতে ৩০ জন ও মুজিবনগরে ৬ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২৩ জন। আর মৃত্যু ৫ জনের। বাকিরা আইসোলেশনে সুস্থ আছেন বলে সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে।

   

লক্ষ্মীপুরে সেপটিক ট্যাংকে নেমে বাড়ির মালিক-সুইপারের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে বাড়ির মালিক ও এক সুইপারের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম রাখালিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে এক জনের নাম জানা গেছে। তিনি হলেন বাড়ির মালিক রিয়াদ হোসেন। অপরজন সুইপার ছিলেন। তার নাম জানা যায়নি।

স্থানীয়য়া জানান, বিকেলে রাখালিয়া এলাকায় নুরুল হক পাটোয়ারী বাড়ির পাটোয়ারী ভিলার একটি সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নামেন সুইপার। পরিষ্কার করা অবস্থায় সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে তিনি আটকা পড়েন। পরে বাড়ির মালিক রিয়াদ উদ্ধার করতে গেলে দুইজনেরই মৃত্যু হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ট্যাংকের ভেতরে অক্সিজেনের অভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিন ফারুক মজুমদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে সেপটিক ট্যাংক ভেঙে মৃতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;

বৈশাখী মেলার নামে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দায়সারা আয়োজন, বলছেন নারী উদ্যোক্তারা



আবদু রশিদ মানিক, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা। মাত্র ১০টি স্টল দিয়ে অব্যবস্থাপনায় ভরা দায়সারা বৈশাখী মেলা আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। তাই তিনদিনের মেলা শেষ না হতেই বেশিরভাগ স্টল গুটিয়ে নিয়ে গেছে উদ্যোক্তারা। বৈশাখী মেলা নাম দিলেও বৈশাখী মেলার বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্য ছিলো না মেলায়।

রোববার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজারের পাবলিক লাইব্রেরির শহিদ দৌলত ময়দানে আয়োজিত মেলা প্রাঙ্গনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ১০টি স্টলের মধ্যে ৪টি স্টল দুপুরের মধ্যেই গুটিয়ে নিয়েছে। বাকি স্টলগুলোও গুটিয়ে নিচ্ছে উদ্যোক্তারা।

উদ্যোক্তারা জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন বৈশাখী মেলার নামে তাদের সাথে প্রতারণা করেছে।

ফাতেমা বুটিকস নামের প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী নারী উদ্যোক্তা ফাতেমা জান্নাত বার্তা২৪.কম-কে বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জাঁকজমকপূর্ণ হবে বলেছে বলে স্টল নিয়ে আমি বিপাকে পড়েছি। সকাল থেকে আমি এবং আমার স্বামীসহ ৫ জন মানুষ পরিশ্রম করেছি। ১ হাজার টাকার মাত্র বিক্রি হয়েছে। কিন্তু খাবার, গাড়িভাড়া খরচ হয়েছে ১ হাজার টাকারও বেশি। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন আয়োজন করেছে বলে বিশ্বাস নিয়ে মেলায় এসেছি। আমাদের সাথে একপ্রকার প্রতারণা করা হল।

ফাতেমা জান্নাতের মতো অন্যান্য নারী উদ্যোক্তাদেরও একই অবস্থা। সবাই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসনের উপর।

সালসাস কালেকশন এন্ড ফুডস এর নারী উদ্যোক্তা শামিমা আক্তার মিনা বলেন, কোনরকম দায়সারা আয়োজন করে আমাদের হয়রানি করা হলো। এত কষ্ট করে সকল জিনিসপত্র নিয়ে মেলায় আসলাম কিন্তু প্রথমদিনের যে অবস্থা কাল থেকে আর মেলায় আসতে পারব না। রাত ৮টা পর্যন্ত স্টল খোলা রাখার কথা থাকলেও কোন লাইটের ব্যবস্থা করা হয়নি। এছাড়া সাংস্কৃতিক আয়োজন আজকেই শেষ করে দিয়েছে। মঞ্চও গুটিয়ে নিয়েছে। তাহলে মেলা কিভাবে চলবে বলেন!

হোমাইরাস রেসিপির আরেক নারী উদ্যোক্তা সুরা খাতুন বলেন, ৩ দিনের জন্য খাবার তৈরি করে মেলায় এসেছি। এখন প্রথম দিনেই মেলা শেষ। সব খাবার নষ্ট হয়ে যাবে। পিঠাপুলি থেকে শুরু করে নানান খাবার এনেছিলাম। সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকলে হয়তো মেলা ভালোমতো চলতো।

নববর্ষ উদযাপন এবং মেলা কমিটির সদস্য কক্সবাজার জেলা খেলঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আয়োজনটা কিছুটা দায়সারা মনে হয়েছে। মেলাটা যদিও একদিনের তবে নারী উদ্যোক্তারা ৩ দিন না হলে মেলায় অংশগ্রহণ করে না বলেই ৩ দিনের করা হয়েছে কিন্তু আমরা চেয়েছিলাম ৩ দিনই সাংস্কৃতিক আয়োজন করতে ভাগ করে করে আলাদা সংগঠনের মাধ্যমে। কিন্তু জেলা প্রশাসনের হয়তো নানা সংকটের কারণে এটা করা হয়নি।

বিষয়টি কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিভীষণ কান্তি দাশ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন শুধু স্টল করে দিয়েছে কিন্তু বিসিক তাদের নিয়ে এসেছে। আর মেলা তো রাতের আগেই শেষ হয়ে যাবে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী।

;

নতুন সম্ভাবনা ও আশা নিয়ে এসেছে বাংলা নতুন বছর: পরিবেশ ও বন মন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
নতুন সম্ভাবনা ও আশা নিয়ে এসেছে বাংলা নতুন বছর: পরিবেশ ও বন মন্ত্রী

নতুন সম্ভাবনা ও আশা নিয়ে এসেছে বাংলা নতুন বছর: পরিবেশ ও বন মন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, নতুন সম্ভাবনা ও আশার রঙিন স্বপ্ন নিয়ে এসেছে বাংলা নতুন বছর। নতুন ভবিষ্যতকে নতুনভাবে বরণ করে নিতে হবে। অতীতের ভুলভ্রান্তি পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হবে ভবিষ্যৎ সুন্দরের দিকে। সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

রোববার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে একুশে টেলিভিশনের ২৫ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা: সামন্ত লাল সেন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আরমা দত্ত এবং একুশে টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

সাবের চৌধুরী বলেন, অনেকের শ্রম, অনেকের মেধা ও অনেকের ত্যাগের বিনিময়ে একটি প্রতিষ্ঠান জনপ্রিয়তা অর্জন করে। অনেক ঘাত-প্রতিঘাত মোকাবিলা করে, অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে একুশে টেলিভিশন জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

মন্ত্রী এসময় দেশের পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে একুশে টেলিভিশনের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি একুশে টেলিভিশনের সাথে সম্পৃক্ত সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

 

;

চুয়াডাঙ্গায় দুই নারীর আত্মহত্যা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গায় দুই নারীর আত্মহত্যা

চুয়াডাঙ্গায় দুই নারীর আত্মহত্যা

  • Font increase
  • Font Decrease

চুয়াডাঙ্গায় বিষপান করে দুই নারী আত্মহত্যা করেছেন।

রোববার (১৪ এপ্রিল) পৃথক সময়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। ওই দুই নারী হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের মো. জুয়েলের স্ত্রী মমতাজ বেগম (৩৮) ও একই উপজেলার সরিষাডাঙ্গা গ্রামের আবু বক্করের স্ত্রী নিলুফা খাতুন (৪০)। তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেকেন্দার আলী।

পুলিশ জানায়, রোববার সন্ধ্যায় ছয়ঘরিয়া গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপান করেন মমতাজ বেগম। বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাখেন। এর কিছুক্ষণ পরেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, বিষপান করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন নিলুফা খাতুন নামের এক নারী। রোববার (১৪ এপ্রিল) মধ্যরাত আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়। এর আগে গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরিষাডাঙ্গা গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপান করেন তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেকেন্দার আলী জানান, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের কারণে তারা আত্মহত্যা করেছে বলে মনে হয়েছে। ওই দুই নারীর ময়নাতদন্ত শেষে লাশ তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

;