বিএনপিকে সাড়ে ৪ ঘণ্টা সমাবেশের অনুমতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপিকে সাড়ে ৪ ঘণ্টা সমাবেশের অনুমতি

বিএনপিকে সাড়ে ৪ ঘণ্টা সমাবেশের অনুমতি

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপিকে ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ওই দিন ২৬ শর্তে গোলাপবাগ মাঠে দুপুর ১২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সমাবেশ করতে পারবে দলটি।

শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এই অনুমতি দেয়। ডিএমপি কমিশনারের স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. তানভীর সালেহীন ইমন স্বাক্ষরিত অনুমতিপত্রে দেখা গেছে, সমাবেশের জন্য ২৬টি শর্ত দেওয়া হয়েছে বিএনপিকে।

শর্তগুলো হলো- অনুমতিপ্রাপ্ত স্থান ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে, স্থান ব্যবহারের অনুমতিপত্রে উল্লেখিত শর্তাবলি যথাযথভাবে পালন করতে হবে, গোলাপবাগ মাঠের ভেতরেই সমাবেশের যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে, ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক (দৃশ্যমান আইডি কার্ডসহ) নিয়োগ করতে হবে, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলের ভেতরে ও বাইরে উন্নত রেজুলেশনযুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি প্রবেশ পথে আর্চওয়ে স্থাপন করতে হবে এবং সমাবেশস্থলে আগতদের হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে চেকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে, নিজস্ব ব্যবস্থায় ভেহিক্যাল স্ক্যানারের মাধ্যমে সমাবেশস্থলে আসা সব যানবাহন তল্লাশির ব্যবস্থা করতে হবে।

নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে, গোলাপবাগ মাঠের বাইরে বা সড়কের পাশে মাইক সাউন্ড বক্স ব্যবহার করা যাবে না, গোলাপবাগ মাঠের বাইরে বা সড়কের পাশে প্রজেক্টর স্থাপন করা যাবে না, গোলাপবাগ মাঠের বাইরে রাস্তায় বা ফুটপাতে কোথাও লোক সমবেত হওয়া যাবে না, আজান, নামাজ ও অন্যান্য ধর্মীয় সংবেদনশীল সময় মাইক ব্যবহার করা যাবে না, ধর্মীয় অনুভূতির ওপর আঘাত আসতে পারে এমন কোনও বিষয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য দেওয়া বা প্রচার করা যাবে না, অনুমোদিত সময়ের মধ্যে সমাবেশের সার্বিক কার্যক্রম শেষ করতে হবে, সমাবেশ শুরুর দুই ঘণ্টা আগে লোকজন সমবেত হওয়ার জন্য আসতে পারবে, সমাবেশস্থলের আশপাশসহ রাস্তায় কোনও অবস্থাতেই সমবেত হওয়া, যান ও জন চলাচলে কোনও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না, পতাকা-ব্যানার-ফেস্টুন বহনের আড়ালে কোনও ধরনের লাঠিসোঁটা-রড ব্যবহার করা যাবে না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তা বিকৃত হয় এমন কার্যকলাপ করা যাবে না, রাষ্ট্রবিরোধী কোনও কার্যকলাপ ও বক্তব্য দেওয়া যাবে না, উসকানিমূলক কোনও বক্তব্য বা প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না, জনদুর্ভোগ তৈরি করে মিছিল সহকারে সমাবেশ স্থলে আসা যাবে না, পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থানে গাড়ি পার্কিং করতে হবে। মূল সড়কে কোনও গাড়ি পার্কিং করা যাবে না, সমাবেশস্থলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে, স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করে সমাবেশ পরিচালনা করতে হবে, উল্লেখিত শর্তাবলি যথাযথভাবে পালন না করলে তাৎক্ষণিকভাবে এই অনুমতির আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে ও জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ কোনও কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে এই অনুমতি আদেশ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

   

সরকারের কাছে মানুষের জীবনের মতো তুচ্ছ আর কিছু নেই: মান্না



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে মানুষের জীবনের মতো তুচ্ছ আর কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।

শনিবার (২ মার্চ) বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং ব্যাংক-অর্থনীতি ধ্বংসকারী ও অর্থ পাচারকারী সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করে। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ নাগরিক অধিকার আন্দোলন।

সভায় বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড প্রসঙ্গ তুলে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বেইলি রোড নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, সেটি দেখে আমি খুব অবাক হয়েছি, ব্যথিত হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ওই ভবনে একটি অগ্নি নির্বাপন যন্ত্রও ছিল না। এই লোকগুলোকে এত করে বলেছি, তারা সচেতন হয়নি। মানে উনি বোঝাতে চেয়েছেন, এই যে দুর্ঘটনা হলো, দোষ সব মানুষের যারা মরেছে, যারা এখানে দোকান, রেস্টুরেন্ট, ব্যবসা করেছে। উনি বলছেন, ওরা কথা শুনেনি, মানেনি, তাই মরেছে। কথার মানে কি তাই দাঁড়ায় না? এই ঘটনায় কি কোনো মামলা হতে পারে? আমি পত্রিকায় বিবৃতি দেখলাম, নগর পরিকল্পনাবিদ ও সমাজ নিয়ে যারা ভাবেন তারা বলেছেন, এটা একটি হত্যাকাণ্ড। এটা নিমতলীর সময় বলা হয়েছিল, এফ আর টাওয়ারের সময় বলা হয়েছিল। আমাদের দেশে মানুষের জীবনের মতো তুচ্ছ আর কিছু নেই অন্তত সরকারের কাছে।

তিনি আরও বলেন, রাজপথের বিজয়, জনগণের বিজয় বোঝার মতো ক্ষমতা আওয়ামী লীগ হারিয়ে ফেলেছে। একদিন এই পরিস্থিতি বদলাবে। সেই বদলানোর জন্যই আমরা কাজ করছি। সেই দিন সমাগত। সামনে মানুষ নিজেরা বাঁচার তাগিদে ভোট, ভাত ও গণতন্ত্রের দাবিতে রাজপথে নামবে। সেই লড়াই হবে চূড়ান্ত।

বাংলাদেশ নাগরিক অধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ইঞ্জি. মোফাজ্জল হোসেনের সঞ্চালণায় প্রতিবাদ সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাড. সৈয়দ এহসানুল হুদা। আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এ জেড খান মো. রিয়াজ উদ্দিন নসু, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমতুল্লাহ, আলমগীর হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম, তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মনিরুজ্জামান মনির, কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ আব্দুল্লাহ আল বাকি, যুব জাগপার সভাপতি মীর আমির হোসেন আমু, মৎস্যজীবী দলের সদস্য ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রমুখ।

;

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের দায় সরকার এড়াতে পারে না: প্রিন্স



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বেইলি রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় অর্ধশত মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, এই মর্মান্তিক মৃত্যুর দায় সরকার এড়াতে পারে না। বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ড এবং অসংখ্য মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু প্রমাণ করে সরকার রাষ্ট্রীয় প্রশাসনকে কতটা অক্ষম এবং ভঙ্গুরে পরিণত করেছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) বিকালে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার গাঙীনা বাজার ও ধারা বাজারে গণ সংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, বিদ্যুৎ খাতে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে সরকারের লোকেরা নিজেদের পকেট ভরে সেই লুটপাটের দায় জনগণের ওপর চাপাতে বিদ্যুৎ এর মূল্য বৃদ্ধি করছে। জনগণের নির্বাচিত সরকার নয় বলেই জনগণের চরম দুঃসময়ে তারা বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির মতো গণবিরোধী পদক্ষেপ নিতে পারে।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ,গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি নতুন বছরে ডামি সরকারের ডামি উপহার। সরকারের এই ডামি উপহার বিরাজমান অর্থনৈতিক সঙ্কটকে আরও তীব্র করবে। জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বৃদ্ধি পাবে। এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধগতিতে জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য আসলাম মিয়া বাবুল, হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহ, সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ,বিএনপি নেতা আলী আমজাদ দিপু, মোতালেব হোসেন, উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আব্দুল আজিজ খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সদস্য মোতালেব হোসেন, বিএনপি নেতা মোরশেদ খান, হালুয়াঘাট উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান, সহ-সভাপতি আবুল কাশেমসহ প্রমুখ।

;

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাসির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৭ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে নতুন সভাপতি হিসেবে রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নাসির উদ্দীন নাসিরকে মনোনীত করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

কমিটির অন্যান্যরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, দপ্তর সম্পাদক মোহা. জাহাঙ্গীর আলম এবং প্রচার সম্পাদক শরিফ প্রধান শুভ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের নেতৃত্বাধীন বিদ্যমান কমিটি বিলুপ্ত করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের ৭ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আংশিক কমিটির অনুমোদন করা হলো। নবগঠিত এই আংশিক কমিটিতে রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি এবং নাসির উদ্দীন নাসিরকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

 

;

ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি সাহস, সাধারণ সম্পাদক শিপন



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ কমিটিতে সভাপতি পদে মনোনীত হয়েছেন গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন নাহিদুজ্জামান শিপন।

শুক্রবার (১ মার্চ) বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিজ্ঞপ্তিতে একইসাথে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদেরও নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাবি শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ বি এম ইজাজুল কবির রুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিদ্যমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি দেওয়া হয়েছে।

নতুন এ কমিটির সভাপতি গণেশ সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য বিদায়ী কমিটিতে ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১০-১১ শিক্ষা বর্ষের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনিও সংগঠনটির সদ্য বিদায়ী কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া নবগঠিত এ কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মাসুম বিল্লাহ, সহ-সভাপতি পদে আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন শাওন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শামীম আক্তার শুভ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নূর আলম ভুইয়া ইমনকে মনোনীত করা হয়েছে।

;