চোটে কিউই সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে নেই ওয়ার্নার



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে খেলতে পারবেন না অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। কুচকির চোটের ফলে ক্যারিয়ারের শেষ দ্বি-পাক্ষিক সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি খেলা হচ্ছে না তার।

ক্রিকেটের বড় দুই ফরম্যাট টেস্ট এবং ওয়ানডেকে বিদায় জানিয়েছিলেন আরও আগেই। স্বল্প পরিসরের ক্রিকেটটি তার বেশি পছন্দের ও সেটিই চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের হয়ে এই ফরম্যাট থেকেও বিদায় নিয়ে নিবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তাই তো কিউইদের বিপক্ষে এই সিরিজটি খেলে শেষ করার আগ্রহ ছিল ওয়ার্নারের।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও একাদশে ছিলেন না ৩৭ বছর বয়সী এই অজি ব্যাটার। চোট থেকে সেরে উঠতে বেশিদিন লাগবে না বলে জানিয়েছে ম্যানেজমেন্ট। সবকিছু ঠিক থাকলে ও নতুন কোনো চোটের দেখা না পাওয়া গেলে আসন্ন আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থাকবেন ওয়ার্নার।

   

কিউইদের বিপক্ষে সহজ জয় পেল পাকিস্তান



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে ভেস্তে গিয়েছিল। গতকাল রবিবার রাতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে রাওয়ালপিন্ডিতে মাঠে নেমেছিল দু’দল। যেখানে পাকিস্তানের বোলিং নৈপুণ্যে মাত্র ৯০ রানেই গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। ফলস্বরূপ ৪৭ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নেয় পাকিস্তান।

দলের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৩৪ বলে অপরাজিত ৪৫ রানের ইনিংস খেলেছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান, যা তাদের জয়কে আরও সহজ করেছে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম তিন হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করে রেকর্ড গড়লেন রিজওয়ান। আগের রেকর্ডটি যৌথভাবে ছিল বিরাট কোহলি ও বাবরের কাছে। তাদের ছাড়িয়ে ৭৯ ম্যাচেই এই কীর্তিতে পৌঁছালেন রিজওয়ান।

এদিন টসে জিতে শুরতে কিউইদের ব্যাটিংয়ে পাঠান বাবর। পাকিস্তান জাতীয় দলের জার্সি গায়ে প্রায় চার বছর আবারও মাঠে নেমেছিলেন মোহাম্মদ আমির। বল হাতে নেমেই দেখালেন নিজের ঝলক। তিন ওভার বল করে দুটি উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি, বিনিময়ে হজম করেছেন মাত্র ১৩ রান। এছাড়াও বাকি বোলাররাও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। পাকিস্তানের বোলিং নৈপুণ্যে ১৯তম ওভারে মাত্র ৯০ রানের খাতা বন্ধ হয় নিউজিল্যান্ডের।

সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খায় পাকিস্তান, প্রথম ওভারেই সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার সাইম আইয়ুব। অধিনায়ক বাবরও বেশিক্ষণ উইকেটে টিকে থাকতে পারেননি। তবে রিজওয়ানের ব্যাট হেসেছে এদিন। তার অপরাজিত ৪৫ রানের মাধ্যমে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।

এই জয়ের মাধ্যমে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল পাকিস্তান। আর সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় একই মাঠে নামবে দু’দল।

;

মেসির জোড়া গোল ও অ্যাসিস্টে মায়ামির জয়



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গতরাতে ন্যাশভিলের বিপক্ষে মেজর লিগ সকারের ম্যাচে মাঠে নেমেছিল ইন্টার মায়ামি। ম্যাচটি দেখে অনেকেরই মনে পড়বে এক দশক আগের বার্সেলোনার কথা। সেসময়ের স্কোয়াডের মেসি, সুয়ারেজ, বুস্কেতস বার্সার জয়ে প্রতিনিয়তই ভূমিকা পালন করতেন। মায়ামিতে এসেও তার ব্যতিক্রম ঘটছে না। তাদের সম্মিলিত নৈপুণ্যে ন্যাশভিলেকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে মায়ামি।

এদিন লিওনেল মেসি করেছেন জোড়া গোল। মেসির একটি গোলের অ্যাসিস্ট করেছেন তার পুরোনো বন্ধু ও সাবেক বার্সা সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ। আবার মেসির অ্যাসিস্ট থেকে হেডের মাধ্যমে গোল করেছেন সের্হিও বুস্কেতস। মায়ামির এই জয়ের রাতটিতে যেন ছিল সাবেক বার্সেলোনা খেলোয়াড়দের জয়জয়কার।

যদিও ম্যাচের শুরুতেই আত্মঘাতী গোল হজম করে ধাক্কা খায় মায়ামি। ম্যাচের ২য় মিনিটেই ফ্র্যাংকো নেগ্রির পায়ে বল লেগে নিজেদের জালেই বল জড়ায় মায়ামি। তবে তার কিছুক্ষণ পরেই দলকে সমতায় ফেরান মেসি। সুয়ারেজের বাড়ানো বল দুর্দান্তভাবে ন্যাশভিলের জালে প্রবেশ করান বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা।

বিরতির আগে মেসির ক্রসে আলতো করে মাথা লাগিয়ে বল জালে প্রবেশ করান বুস্কেতস। এগিয়েগিয়ে প্রথমার্থ শেষ করে মেসির দল। ম্যাচের বাকি সময় আরও বেশকিছু আক্রমণ করলেও ব্যবধান বাড়াতে পারছিল না মায়ামি। তবে ম্যাচের শেষভাগে যেয়ে ৮১তম মিনিটে ন্যাশভিলের ডিফেন্ডারের ভুলে পেনাল্টির সুযোগ পায় মায়ামি। সুযোগটি ভালমতোই কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি আদায় করে নেন মেসি। ফলে দাপুটে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইন্টার মায়ামি।

এ নিয়ে এমএলএসের চলতি আসরে মায়ামির হয়ে ৭ গোল করলেন মেসি। আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকার দুইয়ে আছেন তিনি। ৮ গোল নিয়ে শীর্ষে আছেন রিয়াল সল্ট লেকের ক্রিস্টিয়ান আরাঙ্গো। 

;

চেলসিকে হারিয়ে এফএ কাপের ফাইনালে সিটি



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তিন রাত আগেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে হতাশাজনক হারের স্বাদ পেতে হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটিকে। রিয়াল মাদ্রিদের কাছে টাইব্রেকারে হেরে ইউসিএলের স্বপ্নভঙ্গ হয় পেপ গার্দিওলার দলের। ট্রেবল জেতার আশা ভেস্তে যাওয়ার পর সিটির সামনে এখন লক্ষ্য প্রিমিয়ার লিগ এবং এফএ কাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরা।

লক্ষ্যের উদ্দেশ্যে বেশ দৃঢ় মনোবল নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে সিটিয়ানরা। শনিবার রাতে এফএ কাপের সেমিফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর চেলসিকে ১-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো এই টুর্নামেন্টের ফাইনালের টিকিট পেল ম্যানচেস্টার সিটি।

ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক স্টেডিয়াম ওয়েম্বলিতে গড়িয়েছিল শ্বাসরুদ্ধকর এই ম্যাচ। যেখানে দিনের একমাত্র গোলটি করে দলকে জয় তুলে এনে দিয়েছেন পর্তুগিজ তারকা ফরোয়ার্ড বার্নার্দো সিলভা।

প্রথমার্ধে বলের দখলে এগিয়ে থাকলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি গার্দিওলার শিষ্যরা। একের অধিক সুযোগ রুখে দিয়েছে চেলসির ডিফেন্ডাররা। সিটি গোলরক্ষক স্তেফান ওর্তেগার নৈপুণ্যে বল জালে প্রবেশ করাতে পারেনি চেলসির ফুটবলাররাও।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার আরও মজবুত করে সিটি। একের পর এক আক্রমণে দিশেহারা করে তোলে চেলসির ডিফেন্স লাইন। ম্যাচের শেষভাগে এসে ৮৪তম মিনিটে প্রতীক্ষিত গোলের দেখা পায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। কেভিন ডি ব্রুইনার দারুণ এক ক্রস শুরুতে রুখতে গিয়েও ব্যর্থ হন চেলসি গোলরক্ষক পেত্রোভিচ, পরে আরেক প্রান্তে থাকা সিলভার জোরালো শটে জালের দেখা পায় বল।

পুরো ম্যাচে গোলের সম্ভাবনা, আক্রমণে আধিপত্য সবকিছুতে এগিয়ে থাকলেও সিলভার সেই একটি শটে আরও একবার কোনো শিরোপা ছাড়াই মৌসুম শেষ করতে হচ্ছে মরিসিও পচেত্তিনোর দলটিকে। এদিকে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে ম্যানচেস্টার সিটি ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হবে দ্বিতীয় সেমির কভেন্ট্রি ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মধ্যকার জয়ী দলের সঙ্গে। এই ম্যাচটি শুরু হবে আজ (রোববার) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়।

;

আসরের দ্রুততম ফিফটি ফ্রেজার-ম্যাগার্কের, তবুও বড় হার দিল্লির 



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ১২৫ রান! রেকর্ড বই এলোমেলো করে স্বীকৃত যেকোনো টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লের সর্বোচ্চ সংগ্রহের বিশ্বরেকর্ড গড়ে এদিন যেন দলীয় সংগ্রহ ৩০০-এর পথেই ছুটছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তবে ইনিংস মাঝে দিল্লি ক্যাপিটালসের স্পিনারদের নৈপুণ্যে শুরুর রান ঝড়ে কিছুটা হলেও কমে। তবুও শেষ পর্যন্তও স্কোরবোর্ডে ২৬৬ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় 'অরেঞ্জ আর্মি' খ্যাত দলটি। 

জবাব দিতে নেমে দিল্লির শুরুটাও ছিল বিধ্বংসী। ২২ বছর বয়সী তরুণ অজি ব্যাটার জ্যাক ফ্রেজার-ম্যাগার্কের বিধ্বংসী ইনিংসে চড়ে ৮ ওভারেই ১৩১ রান তুলে ফেলে তারা। অর্থাৎ, প্রায় অর্ধেক রান। সেখানে স্রেফ ১৫ বলে ফিফটি হাঁকান ফ্রেজার-ম্যাগার্ক। যা চলমান আসরে সবচেয়ে দ্রুততম। ১৮ বলেই এই ডানহাতি ব্যাটার করেন ৬৫ রান। তবে তার ফেরার পর দিল্লিও যেন ফিরে গেল জয়ের পথ থেকে। ৩ উইকেটে ১৩১ থেকে ১৯৯ রানেই অলআউট! শুরুতে অবিশ্বাস্য কিছু করার ইঙ্গিত দিলেও শেষ পর্যন্ত ৬৭ রানের বড় হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় দিল্লিকে। 

২৭৭ রানের পর ২৮৭। নিজেদের রেকর্ড চলতি আসরেই ভাঙে হায়দরাবাদ। এবারও চলেছিল আরও একবার সেই রেকর্ড ভাঙার পথেই। ৬ ওভার ১ বলে ১৩১ রান! সেখানে স্রেফ ২৬ বলে ৮৪ রান ব্যাট করছিলেন ট্রাভিস হেড এবং আরেক ওপেনার অভিষেক শর্মা তো আরও বিধ্বংসী রুপে। ১১ বলে ৪৬ রানে! তবে পরের বলেই ফেরেন অভিষেক। রান ঝড়ের গতি কমার শুরু সেখানেই। সেখান থেকে ১৯ বলের মধ্যে দলীয় সংগ্রহ ১৫৪ রানে পৌঁছাতেই সাজঘরে আরও তিন ব্যাটার। 

অবশ্য রানের ছন্দ হারিয়ে যায়নি পুরোটাই। শেষ দিকে শাহবাজ আহমেদের ৫৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে চড়ে ৭ উইকেটে ২৬৬ রানের সংগ্রহ পায় হায়দরাবাদ। 

এদিকে ঘরের মাঠে বিশাল এই রান তাড়ায় জিততে হলে রেকর্ডই করতে হতো দিল্লিকে। সর্বোচ্চ রান তাড়ায় রেকর্ড ২২৪ রানের। এবং দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ২৬২ রানের সংগ্রহ বেঙ্গালুরুর, এই হায়দরাবাদের বিপক্ষেই। সে ম্যাচেও ২৫ রানে হারতে হয় বেঙ্গালুরুকে। সব ছাপিয়ে জিততে হতো দিল্লিকে। সেখানে শুরুতেই দুই ওভারে দুই ওপেনার পৃথ্বী শ ও ডেভিড ওয়ার্নার ফিরলেও ফ্রেজার-ম্যাগার্কের তাণ্ডবে জয়ের স্বপ্ন বুনছিল স্বাগতিকরা। তবে সপ্তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ১০৯ রানের মাথায় ফেরেন এই অজি ব্যাটার। ১৭ বলে ৬৫ রানের এই বিধ্বংসী ইনিংসে তিনি মারেন ৫টি চার ও ৭টি ছক্কা। 

ফ্রেজার-ম্যাগার্কের ফেরার পর আর কেউই ধরতে পারেননি ম্যাচের হাল। ১৯ ওভার ১ বলে দুইশ পেরোনোর আগেই (১৯৯ রানে) গুটিয়ে যায় রিশাভ পান্তের দল। সেখানে দিল্লির হয়ে নটরজন নেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট। 

এই জয়ে কলকাতা-চেন্নাইকে পেছেন ফেলে তালিকার দুইয়ে উঠে এলো হায়দরাবাদ। ৭ ম্যাচের পাঁচটিতেই জয় পেয়েছে তারা। এদিকে ৮ ম্যাচের ৫টিতেই হেরে তালিকার সাতে নেমে গেছে দিল্লি। 

;