সবুজেঘেরা মাঠে ইট-পাথরের দেয়াল কেন?



স্পোর্টস এডিটর, বার্তা২৪.কম
মাঠ রক্ষায় এগিয়ে এসেছেন পরিবেশ প্রেমীরা

মাঠ রক্ষায় এগিয়ে এসেছেন পরিবেশ প্রেমীরা

  • Font increase
  • Font Decrease

নিরাপত্তার জন্য দেয়াল তোলার রেওয়াজ নতুন কিছু নয়। তবে সব কিছুকে চার দেয়ালের মধ্যে আটকে রেখে বাঁচানোর চেষ্টা করলে হয়তো টিকে থাকা যায়- কিন্তু ভেতরের সবুজটা যে মরে যায়! ফুসফুস আটকে দিলে যে নিঃশ্বাস নেওয়াই যায় না! ময়মনসিংহ শহরের ফুসফুস বলা হয় সার্কিট হাউসের সবুজে শোভিত বিশাল মাঠকে। ঐতিহ্যবাহী এই মাঠের চারধারে ইট-পাথর-রডের বাউন্ডারির দেয়াল নির্মাণের সিদ্ধান্ত এবং পরিকল্পনা চলছে। মাঠের সবুজ ঢেকে দিয়ে নুঁড়ি পাথরের বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের এমন সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনাকে হৃদয়হীন সিদ্ধান্ত বলছেন ময়মনসিংহ শহরের বিশিষ্টজনরা।

এত সুন্দর মাঠকে চার দেয়ালের মধ্যে আটকে রাখার এই সিদ্ধান্ত শুনে ভীষণ মন খারাপ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার সানোয়ার হোসেনের। এই মাঠে ক্রিকেট জীবনের অনেক সুখস্মৃতি আছে তার। সানোয়ার বলছিলেন- ‘বিশাল সবুজ এই মাঠের প্রান্তরে দিকে তাকালেই মনটা ভালো হয়ে যায়। মাঠটা এত বড় যে অনায়াসে এখানে এক সঙ্গে তিনটি ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজন সম্ভব। নিরাপত্তার কথা বলে এখন এই মাঠের চারধারে দেয়াল তোলার যে কথা বলা হচ্ছে আমি তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বলা হচ্ছে এই মাঠে দেয়াল না থাকায় যে কেউ গাড়ি নিয়ে অবাধে প্রবেশ করে। তো গাড়ির সেই অবৈধ প্রবেশ বন্ধ করতে পুরো মাঠে কেন দেয়াল দেওয়া হবে। গাড়ি নিয়ে যে ঢুকছে তাকে শাস্তি দিতে তো বিকল্প ব্যবস্থা করা যেতে পারে। মাঠকে কেন শাস্তি দিতে হবে?’

বার্তা সংস্থা এপি’র ঢাকা ব্যুরো চিফ জুলহাস আলমও ময়মনসিংহ সার্কিট হাউসের মাঠকে বাউন্ডারি দেয়াল তুলে অবরুদ্ধ করার এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। ফেসবুক স্ট্যাটাসে জুলহাস তার প্রতিবাদ জানিয়ে লেখেন- ‘সারা দেশের পথে প্রান্তরের চারপাশে অতীতে যেসব দেয়াল তোলা হয়েছে, সেগুলো বরং ভেঙ্গে ফেলা হোক। চাই মুক্ত পরিবেশ। আমাদের ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সার্কিট হাউস মাঠের সবুজ ঢেকে দিয়ে বাউন্ডারি নির্মাণের এমন হৃদয়হীন সিদ্ধান্ত কে নিয়েছেন? কি দারুণ সেই সুবজ প্রান্তর! ময়মনসিংহ শহরের ফুসফুস হয়ে বেঁচে আছে সেটি। প্রকল্প মানেই টাকা, তাই বলে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে কোনো যুক্তি থাকতে পারে না। সবুজ প্রান্তর উন্মুক্ত রাখা হোক। চারদিকে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগিয়ে এর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হোক। খোলা প্রান্তর আর পার্কের কনসেপ্টের মধ্যে বিস্তর ফারাক। এটা প্রান্ত হিসেবেই থাকতে হবে, দেয়াল তুলে তা নষ্ট করার কোনো যুক্তি নেই।’

সার্কিট হাউস মাঠের চারধারে দেয়াল নির্মাণের এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ হয়েছে আরো। প্ল্যাকার্ড হাতে মাঠে দাড়িয়ে পরিবেশ প্রেমীরা বিক্ষোভ জানিয়েছেন। বিভাগীয় কমিশনারের কাছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জেলার ক্রীড়াবিদ, সংগঠক ও খেলোয়াড়রা একটি স্মারকলিপিও দিয়েছেন।

ব্রহ্মপুত্র নদীর পাশে সবুজে ঘেরা প্রকৃতির অপরূপ সমারোহ নিয়ে থাকা সার্কিট হাউস মাঠের নির্মলতা রক্ষার জন্য ময়মনসিংহসহ পুরো দেশের মানুষই একজোট। ইট-পাথর-লোহার বেষ্টনী দিয়ে চিরকালীন এই সৌন্দর্যের গায়ে যেন হাতকড়া না লাগানো হয় সেই দাবি, অনুরোধ- প্রতিবাদ এখন গোটা দেশের মানুষের।

   

২৪০ বলের ম্যাচ শেষ ২ বলেই



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। দুই ইনিংস মিলিয়ে ম্যাচটি নির্ধারিত থাকে ২০ ওভার করে ৪০ ওভারের। বলের হিসেবে ২৪০ বল। তবে এই ২৪০ বলের ম্যাচ এবার শেষ হলো স্রেফ ২ বলেই! তবে না, এই ২ বলে ম্যাচ নিস্পত্তি হয় নি। গত রাতের পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি ২ বলের পরই ভেস্তে গেছে বৃষ্টিতে। 

রাওয়ালপিন্ডিতে এদিন ম্যাচ শুরুর আগ থেকেই নামে বৃষ্টি। অনেকটা সময় পেরিয়ে বৃষ্টি থামলে শুরু হলেও তা কমে আসে ইনিংস প্রতি ৫ ওভারে। টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামে কিউইরা। সেখানে প্রথম ওভার করতে যান শাহিন শাহ আফ্রিদি। দ্বিতীয় বলে ওপেনার টিম রবিনসনকে বোল্ডও করেন। তবে ঠিক এর পরেই ফের নামে বৃষ্টি এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। এর আগে ২ বল খেলে কিউইদের স্কোরবোর্ডে ছিল ১ উইকেটে ২ রান। 

এদিকে ম্যাচটি দিয়ে প্রায় চার বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরলেন মোহাম্মদ আমির। তবে ফেরার এই ম্যাচে একটি বলও করতে পারলেন না এই বাঁহাতি তারকা পেসার। আমির এর আগে সবশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন ২০২২ সালের ৩০ আগস্ট, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। সেই বছরের ডিসেম্বরেই আচমকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলেছিলেন এই বাঁহাতি পেসার। তবে প্রায় চার বছর পর অবসর ভেঙে ফিরলেন দলে, সেই টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট দিয়েই।

ম্যাচটি দিয়ে অভিষেক হয়েছে পাকিস্তানের তিন ক্রিকেটারের। আমিরের ফেরার মতো উসমান খান, আবরার আহমেদ ও মোহাম্মদ ইরফানের অভিষেক স্মৃতি হিসেবে থাকলো স্রেফ কয়েক মিনিটের ফিল্ডিং। 

চলতি বছরের জুনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবেই মূলত পাঁচ ম্যাচের এই টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে দল দুটি। যদিও আইপিএলে ব্যস্ত থাকায় পাকিস্তান সফরে আসেননি কিউইদের মূল সারির অনেক ক্রিকেটার। 

আগামী ২০ ও ২১ এপ্রিল এই রাওয়ালপিন্ডিতেই গড়াবে সিরিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচটি। পরে সিরিজের শেষ দুই ম্যাচ যথাক্রমে ২৫ ও ২৭ এপ্রিল, লাহোরে। 

;

সমর্থকদের কারণে মোটা অঙ্কের জরিমানা বার্সার 



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ম্যাচটি পিএসজির মাঠে ৩-২ ব্যবধানে জেতার পর সেমির স্বপ্নে বেশ ভালোভাবেই দেখছিল বার্সেলোনা। তবে ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে ম্যাচটিতে ৪-১ ব্যবধানে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় কাতালানরা। সেই হতাশার দুদিন না পেরোতেই আরও এক দুঃসংবাদ পায় স্প্যানিশ ক্লাবটি। গত সপ্তাহে পিএসজির মাঠের সেই ম্যাচটিতে বার্সা সমর্থকদের বর্ণবাদী আচরণসহ একাধিক শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা সূত্র ধরে স্প্যানিশ জায়ান্টদের গুণতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের জরিমানা। 

তিনটি কারণ দর্শীয়ে বার্সাকে ৩২ হাজার ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ লাখ ৪৪ হাজার টাকা) জরিমানা করেছে ইউরোপীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। 

পিএসজির মাঠ পার্ক দ্য প্রিন্সেসে বার্সা সমর্থকদের করা বর্ণবাদী আচরণেই মূলত এই জরিমানা। এই কারণে হয়েছে ২৫ হাজার ইউরো জরিমানা। স্পেনের গণমাধ্যম মার্কার সূত্রমতে, বাকি দুটি কারণ স্টেডিয়ামের আসন নষ্ট ও আতশবাজি পোড়ানো। এই দুই কারণে যথাক্রমে জরিমান ৫ হাজার ও ২ হাজার ইউরো। 

এদিকে কেবল জরিমানাই নয় পাশাপাশি শাস্তিও ভোগ করতে হচ্ছে বার্সাকে। উয়েফার যেকোনো প্রতিযোগিতায় তাদের পরের ম্যাচের অ্যাওয়ে টিকিট নিজেদের সমর্থকদের কাছে বিক্রি করতে পারবে না কাতালান ক্লাবটি। এছাড়া পিএসজির স্টেডিয়ামে ক্ষয়ক্ষতি বিষয়টি ফ্রেঞ্চ ক্লাবের সঙ্গে মীমাংসা করতে বার্সাকে এক মাসের সমক্য বেঁধে দিয়েছে উয়েফা।  

;

আইপিএলে চেন্নাইয়ের ম্যাচ ছাড়াও টিভিতে যা থাকছে আজ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আইপিএলে দিনের একমাত্র ম্যাচে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে মাঠে নামবে মুস্তাফিজুর রহমানের চেন্নাই সুপার কিংস। এছাড়াও টিভিতে যা যা থাকছে।

 

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ

মোহামেডান-ব্রাদার্স

সকাল ৯টা, বিসিবি ইউটিউব চ্যানেল

গাজী গ্রুপ-সিটি ক্লাব

সকাল ৯টা, বিসিবি ইউটিউব চ্যানেল

রূপগঞ্জ টাইগার্স-পারটেক্স

সকাল ৯টা, বিসিবি ইউটিউব চ্যানেল

 

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল

আবাহনী-শেখ জামাল

বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট, টি স্পোর্টস

 

আইপিএল

লক্ষ্ণৌ-চেন্নাই

রাত ৮টা, টি স্পোর্টস ও গাজী টিভি

 

সৌদি প্রো লিগ

আল নাসর-আল ফাইহা

রাত ৯টা, সনি স্পোর্টস ২

;

মাইলফলকের ম্যাচে পাঞ্জাবকে হারিয়ে রোহিতকে উপহার মুম্বাইয়ের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাঞ্জাব কিংস আর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স দুই দলই এই ম্যাচে এসেছিল ৬ ম্যাচে ২ জয় নিয়ে, অর্থাৎ ম্যাচটা যেই হারবে, সেই চলে যাবে পয়েন্ট তালিকার তলানির আরও একটু কাছে। ম্যাচটা রোহিত শর্মার জন্য বিশেষ কিছুই ছিল। আইপিএল ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে তিনি যে খেলছিলেন ২৫০তম ম্যাচ। সেই ম্যাচে তার দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স তাকে হতাশ করেনি। ১৯২ রান করে প্রতিপক্ষের ১৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়েও খানিকটা বিপাকে পড়ে গিয়েছিল। তবে শেষমেশ শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচটা জিতল তারাই। পাঞ্জাবকে ৯ রানে হারিয়ে মাইলফলক ছোঁয়ার ম্যাচে রোহিতকে জয় উপহার দিল মুম্বাই।
ঘরের মাঠে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাঞ্জাব। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স তৃতীয় ওভারে প্রথম ধাক্কা পায়। ৮ বলে ৮ রান করে আউট হন ঈশান কিষাণ। রোহিত শর্মাও বড় কিছু করতে পারেননি। ২৫ বলে ৩৬ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। হাল ধরেন সূর্যকুমার যাদব। ৫৩ বলে ৭৮ রান করে দলকে দেন বড় রানের দিশা। সেটাকে পূর্ণতা দেন টিম ডেভিড আর তিলক ভার্মা। ডেভিড ১৪ আর তিলক অপরাজিত ৩৪ করে দলকে নিয়ে যান ১৯২ রানে।
জবাব দিতে নেমে পাঞ্জাব কিংস শুরুর ১৩ বলেই উইকেট খুইয়ে বসে ৪টি। যশপ্রীত বুমরাহ আর কাইল কোটজিয়া দুটি করে উইকেট নিয়ে ধসিয়ে দেন স্বাগতিকদের টপ অর্ডার। এরপরে শশাঙ্ক সিং ইনিংসের হাল ধরেন। হরপ্রীত সিংকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান। হরপ্রীত ১৩ রান করেন এবং এরপরে জিতেশ শর্মা ৯ রান করে সাজঘরে ফিরে যান।
২৫ বলে ৪১ করে শশাঙ্ক যখন ফিরছেন, তখন লড়াইয়ের ব্যাটনটা যেন দিয়ে যান আশুতোষকে। যশপ্রীত বুমরাহকে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে ইনিংস শুরু করা আশুতোষ একে একে হাঁকান ৭টি ছক্কা। মাত্র ২৩ বলে করেন ফিফটি। এরপরও থামেননি। দল যে ১১১/৭ থেকে ১৬৮/৮ পর্যন্ত গেল, তা তার ২৮ বলে ৬১ রানের ইনিংসে ভর করেই। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি পাঞ্জাবকে জয় এনে দিতে পারেননি। আশুতোষকে সাজঘরে ফেরান জেরাল্ড কোটজিয়া। এরপরে হরপ্রীত ব্রারও ২০ বলে ২১ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত ৯ রানে এই ম্যাচটি জেতে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। সাত ম্যাচে তৃতীয় জয় নিয়ে দলটা চলে এসেছে তালিকার ৭ম স্থানে।

;