বিভিন্ন অব্যবস্থাপনায় নাকাল লক্ষ্মীপুরের বিসিক



কান্ট্রি ডেস্ক, বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুর: বড় বড় গর্ত, খানাখন্দে বেহাল লক্ষ্মীপুরের বিসিক শিল্পনগরী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা। ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থাও। চলতি বর্ষায় এ সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। এছাড়া পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত হয়ে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে শিল্পনগরী। সম্ভাবনা সত্ত্বেও লোকসানের মুখে এখন বন্ধ হওয়ার পথে কারখানাগুলো। এ জন্য বিসিক কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছে স্থানীয়রা।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ না থাকায় সমস্যা লাঘব করা যাচ্ছে না।

সরেজমিনে বিসিক এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ২০ বছরেও বিসিক এলাকায় গড়ে ওঠেনি উল্লেখযোগ্য কোনো শিল্প কারখানা। বিসিকের প্রবেশ পথেই কার্পেটিং উঠে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। ভেতরে ৭টি রাস্তার প্রতিটির বেহাল দশা। সড়কের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত, যেখানে পানি জমে পরিণত হয়েছে পুকুর। সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু সমান পানি জমে। ফলে অনুপযোগী যোগাযোগ ব্যবস্থায় চলাচলে বিঘ্ন ঘটে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় মালিকপক্ষ ও আগত ব্যবসায়ীদের। যাতায়াত করতে গিয়ে নষ্ট হচ্ছে মালবাহী গাড়ির চেসিসসহ যন্ত্রাংশ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Jul/31/2018-Jul-31_14_49_32_news_post.jpg

এদিকে পানি নিষ্কাশনের ড্রেনগুলো খুবই সরু। বিভিন্ন স্থানে কারখানার পরিত্যক্ত ময়লা ও বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন না হয়ে জমে আছে। এ ড্রেনগুলো পরিচ্ছন্নতার অভাবে পুরো বিসিক এলাকা জুড়ে দুর্গন্ধের নর্দমায় পরিণত হয়ে আছে। এতে ছড়াচ্ছে বিভিন্ন ভাইরাসজনিত রোগজীবানু।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বেকার সমস্যা সমাধান ও শিল্পায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে লক্ষ্মীপুর শহরে ১৬.০৭ একর ভূমির উপর বিসিক শিল্প নগরী গড়ে তোলা হয়। ২০০০ সাল থেকে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। অফিস, ড্রেনেজসহ অন্যান্য অবকাঠামো প্রকল্পের ৬.২৫ একর ভূমিতে নির্মাণ করা হয়। বাকি ৯.৯১ একর ভূমিতে তৈরি করা হয় তিন ক্যাটাগরির ১০০টি প্লট। এর মধ্যে ৬১টি (প্রকল্প) ইউনিটের বিপরীতে এসব প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৩০টি (প্রকল্প) ইউনিট চালু রয়েছে। ৪টি উৎপাদন জনিত কারণে বন্ধ রয়েছে। বাকি ২৭টি প্রকল্পের মধ্যে অনেক ইউনিট সময় মতো চালু না হওয়ায় বিসিকের ঊর্ধ্বতন ল্যান্ড এলোটমেন্ট কমিটি (এলএসি) থেকে বাতিলের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও জানা যায়, শিল্পনগরীতে যেসব কারখানা গড়ে উঠেছে সেগুলোর মধ্যে বেকারি, অয়েল মিল, জৈবসার কারখানা, সয়াবিন প্রক্রিয়াজাতকরণ ও অটো রাইস মিল, মবিল রি-প্যাকিং ফ্যাক্টরি, শামসুন্নাহার মাল্টি রিসাইক্লিংসহ চালু রয়েছে মাত্র ১৮টি প্রতিষ্ঠান। বিস্কুট উৎপাদন বেকারি রয়েছে ১২টি। এসব কারখানায় বছরে প্রায় শত শত কোটি টাকা টার্নওভার হলেও বর্তমানে যোগাযোগ ও ড্রেনেজ সমস্যার কারণে অধিক লোকসানে এ প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Jul/31/2018-Jul-31_14_51_08_news_post.jpg

স্থানীয়রা জানায়, বিসিক এলাকায় ব্যবহারের অনুপযোগী যোগাযোগ ব্যবস্থা, পানি বিদ্যুৎ গ্যাস ও ড্রেনেজ সমস্যার কারণে লোকসানের ভয়ে ঝুঁকি নিয়ে শিল্পায়ন গড়তে কেউ বিনিয়োগ করতে চাইছে না। অপরদিকে কিছু প্লটে পরিকল্পনা মোতাবেক অবকাঠামো গড়ে উঠলেও শুধুমাত্র যোগাযোগ ও ড্রেনেজ সমস্যার কারণে তা চালু হচ্ছে না। এসব সমস্যা সমাধানে দ্রুত সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করেন স্থানীয়রা।

বিসিক শিল্পনগরীর সৌদিয়া বেকারির ম্যানেজার সাঈয়েদ আলম জানান, নামে শিল্পনগরী। এখানে কোনো সুযোগ-সুবিধাই নেই। রাস্তাঘাটের যে দশা, সময় মতো পণ্য বাজারে পাঠানো যাচ্ছে না। এতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে কারখানা মালিকদের। এ থেকে রেহাই পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

জমি বিক্রয় ও ব্যাংক ঋণ নিয়ে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে সয়াবিন প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাটি শুরু করেন মেসার্স চৌধুরী অটো সয়াবিন অ্যান্ড রাইস মিল কারখানার পরিচালক মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন। অথচ অব্যাহত সমস্যার কারণে লোকসানে পড়ে তার এ প্রতিষ্ঠানটি এখন বন্ধ হওয়ার পথে।

এ বিষয়ে মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, বিদ্যুত, গ্যাস, পানি ও রাস্তার বেহাল দশার কারণে ঠিক মতো কারখানার কার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না। অধিক লোকসানের মুখে কারখানার শ্রমিকদের বেতন দিতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে। পুরো বিসিকের যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হয়ে আছে। কর্তৃপক্ষ যেন দেখেও দেখে না।

 https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Jul/31/2018-Jul-31_14_53_28_news_post.jpg

আমিরাত লুব অয়েল নামের মবিল কারখানার দুজন কর্মকর্তা জানান, শিল্পনগরীর সর্বশেষ অংশে মবিল কারখানা। সবগুলো রাস্তা ঘুরে এ কারখানায় আসতে হয়। রাস্তাটিতে যাতায়াত করতে কষ্ট হয়। গাড়ি চালক অতিরিক্ত ভাড়া ছাড়া বিসিক এলাকায় প্রবেশ করে না। এতে যাতায়াত খরচ বেড়ে বিক্রয়ের তুলনায় উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়।

বিসিকি শিল্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ রহিম জানান, এখানে নানা সমস্যা রয়েছে। যোগাযোগ, ড্রেনেজ সমস্যার পাশাপাশি এলাকার ল্যাম্পপোস্টগুলোতে নেই লাইট। রাতের বেলায় অন্ধকারে চলাচল করতে হয়। এছাড়াও সীমানা প্রাচীর না থাকায় পুরো বিসিক এলাকা নিরাপত্তাহীন থাকে। বার বার সমস্যার কথাগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হচ্ছে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

এ বিষয়ে বিসিক শিল্পনগরীর উপ-ব্যবস্থাপক মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, বিসিকে যে সমস্যা, সে তুলনায় বরাদ্দ খুবই সামান্য। তাই সমস্যার সমাধান করা যাচ্ছে না। বেহাল সড়ক সংস্কারের জন্য ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং ড্রেন ও কালভার্টের জন্য ৭৬ লাখ টাকার চাহিদাপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ পেলে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।

   

রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত কুড়িগ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ, জনজীবনে দুর্ভোগ

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে গতকাল (সোমবার) থেকেই প্রভাব পড়তে শুরু করে। বিশেষ করে গতকাল বিকেল থেকে দমকা হাওয়ার সাথে ভারী বৃষ্টি শুরু হওয়ায় থমকে যায় কুড়িগ্রামের জনজীবন।

গতকাল (২৭ মে) রাতের ঝড়ো বাতাসের কারণে রাত ১০টার পর থেকে বন্ধ থাকে প্রায় পুরো জেলার বিদ্যুৎ সংযোগ। মঙ্গলবার (২৮ মে) এখন পর্যন্ত (সকাল ১১ টা) জেলার ৯টি উপজেলার মাত্র ২ টিতে প্রায় পুরোপুরি বিদ্যুৎ লাইন সচল করতে পেরেছে পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ। অপরদিকে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ৯টি ফিডারের মধ্যে ৫টি ফিডার চালু করতে পেরেছে নেসকো। রাতে সর্বোচ্চ বাতাসের গতিবেগ রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ কিলোমিটার/ঘণ্টা এবং গত ২৪ ঘন্টায় ৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট আবহাওয়া অফিস ও বিদ্যুৎ অফিসে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. মহিতুল ইসলাম জানান, 'গতকাল রাতের ঝড়ে প্রায় সব উপজেলার বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাঠে আমাদের কর্মীরা কাজ করছে। সরেজমিনে গিয়ে বিদ্যুতের লাইনের পরিস্থিতি দেখে তারপর চালু করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জেলার ১৫টি সাবস্টেশনের এর মধ্যে ১২টি চালু করা হয়েছে। তবে চালু হওয়া সাবস্টেশনগুলোর আওতায় সকল লাইন চালু নেই। আশা করছি দুপুর ২টা নাগাদ প্রায় সকল লাইন চালু করা সম্ভব হবে। এটা নির্ভর করবে লাইন কি পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার উপর।'

নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) এর কুড়িগ্রাম অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান জানান, 'নেসকো'র অধীনে থাকা ৯টি ফিডারের ৫ টি চালু করা হয়েছে। বাকিগুলো দ্রুত চালু করার কাজ চলছে।'

এদিকে রাত ১০টা থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় কুড়িগ্রাম শহরেই ছাত্রাবাসগুলোতে তীব্র পানির সংকট দেখা দিয়েছে। জরুরী প্রয়োজনের পাশাপাশি খাবার পানির তীব্র সংকটে রান্না হচ্ছেনা ছাত্রাবাসগুলোতে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাতে সর্বোচ্চ বাতাসের গতিবেগ রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ কিলোমিটার/ঘণ্টা এবং গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অপরদিকে আজকে (মঙ্গলবার) ঝড়ো হাওয়ায় সম্ভাবনা না থাকলেও হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে রংপুর আবহাওয়া অফিস। বুধবার থেকে আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ার কথাও জানিয়েছে তারা।

;

ঝড়ে উদ্ধার কাজ করতে গিয়ে ফায়ারফাইটারের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে পড়ে যাওয়া গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাসেল হোসেন (২১) নামে একজন ফায়ারফাইটারের মৃত্যু হয়েছে। 

সোমবার (২৭ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১২  ফায়ারফাইটার রাসেল খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মঙ্গলবার (২৮ মে) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার। 

তিনি জানান, সোমবার সারাদেশে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় রেমালের ফলে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার আলুটিলা এলাকায় গাছ পড়ে যায়। রাত ১০টার সময় সংবাদ পেয়ে খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে যায় এবং গাছ অপসারণ করতে থাকে। গাছ অপসারণের এক পর্যায়ে আকস্মিক বিদুৎ চলে আসায় ফায়ারফাইটার রাসেল বিদ্যুতায়িত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিসাধীন অবস্থায় রাসেলকে মৃত্যুবরণ করেন।

রাসেল হোসেনের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন।

ফায়ারফাইটার রাসেল হোসেন-এর বাড়ি ঢাকার ধামরাইয়ের বাসনা গ্রামে। তিনি ২০২৩ সালে একজন ফায়ারফাইটার হিসেবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে যোগদান করেন।

;

বৈরী আবহাওয়ার পর সৈয়দপুরে বিমান চলাচল স্বাভাবিক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম,নীলফামারী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বৈরী আবহাওয়ার পর বিমানবন্দরে বিমান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। প্রায় ১৭ ঘণ্টা পর বিমান চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২৮ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সুপ্লব কুমার ঘোষ। এতে সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে বিমান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

তিনি বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে গতকাল দুপুর থেকে বিমান চলাচল বন্ধ ছিল। এতে ছয়টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলার মধ্যে বাংলাদেশ বিমানের একটি, ইউএস-বাংলার একটি ও নভোএয়ারের একটি করে আরও তিনটি ফ্লাইট রয়েছে। আজ সকালে আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে বিমান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

;

মোবাইল কিনতে বাবার ট্রাঙ্ক থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে ঢাকায় শিশু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে বিভিন্ন মোবাইল ফোন বিক্রেতাদের ভিডিও দেখে ১০ বছরের শিশু জানতে পারে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বসুন্ধরা শপিং মলে মোবাইল ফোন কিনতে পাওয়া যায়। এই ভিডিও দেখে ট্রাঙ্ক থেকে বাবার ব্যবসার ৫০ হাজার টাকা চুরি করে শেরপুর থেকে ঢাকায় আসে ওই শিশু। পরবর্তীতে মার্কেটের নিরাপত্তা কর্মীরা শিশুটিকে সন্দেহ জনক ঘোরাঘুরি করতে দেখে রোববার (২৬ মে) রাতে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

সোমবার (২৭ মে) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন।

তিনি বলেন, রোববার রাতে বসুন্ধরা শপিং মলের নিরাপত্তা কর্মীদের তথ্যের ভিত্তিতে এক শিশুকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি জানায়, ইউটিউবে দেখে ঢাকার বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নিত্যনতুন মোবাইল সেট পাওয়া যায়। তখনই সে ঢাকায় এসে মোবাইল কেনার পরিকল্পনা করে। প্রথমে সে তার বাসা থেকে কাউকে কিছু না বলে বাবার জমানো ৫০ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে জিজ্ঞেস করে প্রথমে শেরপুর থেকে ঢাকা মহাখালী আসে। মহাখালীতে নেমে একইভাবে মানুষকে জিজ্ঞেস করতে করতে কারওয়ান বাজার বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে চলে আসে। এখানে এসেই মোবাইল দোকানের সামনে ঘুরঘুর শুরু করে। তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে মার্কেটের নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এসময় তার সঙ্গে এতগুলো টাকা দেখে নিরাপত্তাকর্মীরাও ভড়কে যান। এরপর তারা পুলিশকে জানালে পুলিশ শিশুটিকে হেফাজতে নেয়।

ওসি মহসীন আরও বলেন, শিশুটি দূরন্ত টাইপের। সে মোবাইল কেনার জন্য ঘরের ট্রাঙ্কে বাবার ব্যবসার জন্য রাখা টাকা নিয়ে ঢাকা চলে আসে। পরে শিশুটিকে তার চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

;