Alexa
independent day 2019

ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেওয়ায় ৪ শিক্ষার্থীর সাজা

ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেওয়ায় ৪ শিক্ষার্থীর সাজা

ছবি: বার্তা২৪

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, টাঙ্গাইল, বার্তা২৪.কম

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেওয়ার অভিযোগে ৪ শিক্ষার্থীর বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে।

শনিবার (১২ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দুই শিক্ষার্থীকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং বাকি দুই শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হয়। টাঙ্গাইলের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল করিম এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর ও ৩০ নভেম্বর মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (১২ জানুয়ারি) ওই পরীক্ষার সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় সাতজনকে সন্দেহজনক হিসেবে আটক করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের তদন্তে পরবর্তীতে সন্দেহজনক সাতশিক্ষার্থীর মধ্যে চারজনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত ওই শিক্ষার্থীদের শাস্তি দেওয়া হয়।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই শিক্ষার্থী হলেন- ‘এ’ ইউনিটের ১ম স্থান অর্জনকারী বগুড়া সদর উপজেলার শেখের কোলার নরুইল উত্তরপাড়া গ্রামের মো. জাহেদুর রহমানের ছেলে মো. শাহরিয়ার পারভেজ এবং ‘সি’ ইউনিটে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী বগুড়ার কলোনী এলাকার একেএম বদিউজ্জামানের ছেলে রিয়াসত আজিম শাদাব।

এছাড়া ছবি, স্বাক্ষর ও পরীক্ষায় বাংলা-ইংরেজিতে লেখা বাক্যে হাতের লেখা মিল না থাকায় ভর্তি বাতিল হওয়া দুই শিক্ষার্থী হলেন- ‘এ’ ইউনিটে ৬ষ্ঠ স্থান অর্জনকারী গাজীপুর রাজেন্দ্রপুর আরপি গেইটের গাজী মোহাম্মদ আলীর ছেলে গাজী মোহাম্মদ বনী ইয়ামিন শাওন এবং ‘বি’ ইউনিটে ১৪১ তম স্থান অর্জনকারী টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার দিঘুলিয়া কালিপুর গ্রামের নিলমনি কর্মকারের ছেলে জয় কর্মকার।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রক্সি পরীক্ষার জালিয়াতিতে জড়িত সন্দেহে প্রথমে সাতজন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন পরিচালিত তদন্তে আটককৃত ওই শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারজনের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় দুইজনকে এক বছর এবং দুইজনের পরীক্ষার বাতিল করা হয়েছে।

ক্যাম্পাস এর আরও খবর