Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেওয়ায় ৪ শিক্ষার্থীর সাজা

ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেওয়ায় ৪ শিক্ষার্থীর সাজা
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
টাঙ্গাইল
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেওয়ার অভিযোগে ৪ শিক্ষার্থীর বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে।

শনিবার (১২ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দুই শিক্ষার্থীকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং বাকি দুই শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হয়। টাঙ্গাইলের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল করিম এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর ও ৩০ নভেম্বর মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (১২ জানুয়ারি) ওই পরীক্ষার সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় সাতজনকে সন্দেহজনক হিসেবে আটক করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের তদন্তে পরবর্তীতে সন্দেহজনক সাতশিক্ষার্থীর মধ্যে চারজনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত ওই শিক্ষার্থীদের শাস্তি দেওয়া হয়।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই শিক্ষার্থী হলেন- ‘এ’ ইউনিটের ১ম স্থান অর্জনকারী বগুড়া সদর উপজেলার শেখের কোলার নরুইল উত্তরপাড়া গ্রামের মো. জাহেদুর রহমানের ছেলে মো. শাহরিয়ার পারভেজ এবং ‘সি’ ইউনিটে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী বগুড়ার কলোনী এলাকার একেএম বদিউজ্জামানের ছেলে রিয়াসত আজিম শাদাব।

এছাড়া ছবি, স্বাক্ষর ও পরীক্ষায় বাংলা-ইংরেজিতে লেখা বাক্যে হাতের লেখা মিল না থাকায় ভর্তি বাতিল হওয়া দুই শিক্ষার্থী হলেন- ‘এ’ ইউনিটে ৬ষ্ঠ স্থান অর্জনকারী গাজীপুর রাজেন্দ্রপুর আরপি গেইটের গাজী মোহাম্মদ আলীর ছেলে গাজী মোহাম্মদ বনী ইয়ামিন শাওন এবং ‘বি’ ইউনিটে ১৪১ তম স্থান অর্জনকারী টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার দিঘুলিয়া কালিপুর গ্রামের নিলমনি কর্মকারের ছেলে জয় কর্মকার।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রক্সি পরীক্ষার জালিয়াতিতে জড়িত সন্দেহে প্রথমে সাতজন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন পরিচালিত তদন্তে আটককৃত ওই শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারজনের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় দুইজনকে এক বছর এবং দুইজনের পরীক্ষার বাতিল করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ঢাবিতে সব কার্যক্রম বন্ধ

ঢাবিতে সব কার্যক্রম বন্ধ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে তালা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাত কলেজ অন্তর্ভুক্তি দাবিতে রোববার (২১ জুলাই) তালা ঝুলানোর পর আবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রশাসনিক ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এতে প্রায় বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের কার্যক্রম।

সোমবার (২২ জুলাই) ভোর ৬টার দিকে শিক্ষার্থীরা তালা লাগিয়ে দেয় সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন, এফবিএস, রেজিস্টার বিল্ডিংয়ের গেইট, আইইয়ার ভবনের গেইট, গণিত ভবন সব জায়গায় শিক্ষার্থীরা তালা দিয়ে  কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে।

আন্দোলনকারীদের কয়েকটি গ্রুপ ভাগ হয়ে এই কাজ করছে। তাদের এক দফা এক দাবি অধিভুক্ত বাতিল না করলে আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে। প্রশাসন যেমন আশ্বাস দিলেও আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম। তাদেরকে ছাত্রলীগ বিভিন্নভাবে বাধা প্রদান করেছে।

সোমবারও ঢাবিতে ঝুলতে পারে তালা!

সোমবারও ঢাবিতে ঝুলতে পারে তালা!
রোববার আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো সোমবারও (২২ জুলাই) প্রশাসনিক ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে তালা ঝুলতে পারে। বন্ধ থাকতে পারে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম।

রোববার (২১ জুলাই) রাতে আন্দোলনকারী একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

রোববার আন্দোলনকারীদের অবরোধে বন্ধ থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম। বিকেলে শিক্ষার্থীদের লাগানো তালাগুলো ভেঙে ফেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিতে তাদের সহানুভূতি রয়েছে দাবি করে তাদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার সকাল ৬টার দিকে তাদের সবার ডাকসু ভবনের সামনে একত্রিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেখান থেকে তালা লাগানোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

কলাভবন, এফবিএস, আইইআর, রেজিস্ট্রার বিল্ডিং ও ভিসির কার্যালয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানান আন্দোলনকারীরা।

এদিকে ডাকসু নেতাদের সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও সে সম্পর্কে গণমাধ্যমকে কিছু জানানো হয়নি। তবে বৈঠকে যাই হোক আন্দোলনকারীরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র