চাঁদপুরে ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ নিহত ৩

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শখ করে বাবা-ছেলেসহ মাছ ধরতে যাওয়া হলো না। সড়কে ছড়ানো-ছিটানো আছে হাতে থাকা মাছ ধরার বড়শি। ঘুম থেকে উঠে সিএনজি যোগে জেলা শহরে যাওয়ার কথা। চলে গেলেন মাটির শহরে। তখনও পরিবারের সদস্যদের ঘুম ভাঙেনি। প্রতিবেশিরা জাগিয়ে তুলেছেন। ততক্ষণে তছনছ হয়ে গেছে সাজানো সংসার।

সোমবার (২২ অক্টোবর)  ভোর রাতের কথা। চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে বাকিলা বাজারের গোখরা নামক স্থানে ট্রাক ও সিএনজি মুখোমুখী সংর্ঘষে বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিহত ও চালকসহ এক যাত্রী আহত হয়েছে। আহতদের আশংকাজনক অবস্থায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারে শোকের মাতম চলছে।

নিহতরা হলেন শাহরাস্তি উপজেলার উয়ারুক পাটওয়ারী বাড়ির এলেম হোসেন (৪৮), তার ছেলে একরাম হোসেন (২৫) ও সুরসই এলাকার সুফিয়ান (৩৫)। আহত সিএনজি চালক একই গ্রামের বিল্লাল হোসেন (৩০) ও যাত্রী রাকিব হোসেন (৩৫)। তাদের দুইজনের অবস্থাও আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে ছুটে যান উয়ারুক এলাকার মঞ্জুর আলম বেপারী। তিনি জানান, তারা শখের বশত মাছ ধরার জন্য বড়শি নিয়ে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে সিএনজিযোগে যাচ্ছিল বাবা-ছেলে। বাকিলা বাজারে আসার পর হাজীগঞ্জগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিহত হন। সিএনজি চালকসহ এক যাত্রীর অবস্থা আশংকাজনক।

হাজীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন রনি বলেন, দুর্ঘটনার শিকার সিএনজিটি ধুমড়ে-মুচড়ে গেছে। ঘাতক ট্রাকটি আটক করা যায়নি। খবর পেয়ে দ্রুত আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। নিহত তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছি। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হবে।

ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ভোর ৪ ঘটিকার দিকে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়েছি। তিনজনের মৃতদেহ দেখতে পেয়েছি। দুইজনকে দ্রুত চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :