Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

পুলিশের উদ্যোগে দোকান পেলেন প্রতিবন্ধী

পুলিশের উদ্যোগে দোকান পেলেন প্রতিবন্ধী
সাগর বাদশাকে দোকান হস্তান্তরকালে, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
লক্ষ্মীপুর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সেবাই পুলিশের ধর্ম। এ কথাটি শুধু একটি স্লোগান নয়, এটা এখন বাস্তবে প্রমাণ করেছেন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ জহির উদ্দিন। অসহায় ও প্রতিবন্ধী সাগর বাদশার (৩৫) পাশে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। প্রতিবন্ধী সাগর বাদশাকে একটি দোকানঘর তুলে দেন পুলিশের এ কর্মকর্তা। তার এ আত্মমানবতায় একজন প্রতিবন্ধী কর্মজীবন পেয়েছেন। এই দৃষ্টান্ত আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের সোন্দরা গ্রামে ফিতা কেটে দোকানঘরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোতা মিয়া।

এসআই জহিরের ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় প্রতিবন্ধী সাগর বাদশা কর্মজীবনে ফিরেছেন। এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে স্থানীয়রা এসআইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এদিকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে মালামালসহ নির্মিত দোকনঘরটি পেয়ে খুশি সাগর।

জানা গাছে, জন্ম থেকেই সাগর বাদশা একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়–য়া গ্রামের মৃত আবদুল করিমের ছেলে। ছোটবেলা থেকে তিনি নানার বাড়ি রামগঞ্জ উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের সোন্দরা গ্রামে বসবাস করছেন। তার পরিবারে বৃদ্ধ মা, স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/17/1547720577147.gif

শারীরিক সমস্যার কারণে তিনি কোন কাজকর্ম করতে পারছেন না। এতে তার সংসারটি অভাব-অনটনের মধ্যে চলছিল। তার এ কষ্ট লাঘব করতে পুলিশের এসআই জহির উদ্দিন তাকে একটি দোকানঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পরে জহির উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মালামালসহ ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি দোকানঘর নির্মাণ করে তাকে হস্তান্তর করেন।

এ সময় এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন রামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন দেওয়ান বাচ্চু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুরাইয়া আক্তার শিউলি, ইছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদ উল্লাহ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুর মোহাম্মদ খান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল মাল প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, 'শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় সাগর কোন কাজকর্ম করতে পারত না। এখন একটি দোকান পেয়ে তিনি কর্মজীবনে ফিরেছেন। এখন তার অভাবের সংসার আলোর মুখ দেখবে। তাকে একটি দোকান নির্মাণ করে দিতে উদ্যোগ নেওয়ায় পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছে। এর মাধ্যমে সেবাই যে তাদের ধর্ম তা প্রমাণ করেছে। তাদের এমন দৃষ্টান্ত স্মরণীয় হয়ে থাকবে।'

জানতে চাইলে সাগর বাদশা বলেন, 'আমি এতদিন কাজ করতে পারতাম না। আমার সংসারে অনেক কষ্ট ছিল। জহির ভাইয়ের উদ্যোগে একটি দোকান পেয়েছি। আশা করছি এখন আর আমার সংসারে কোন কষ্ট থাকবে না।'

আপনার মতামত লিখুন :

নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াাখালীর সেনবাগে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়ার পশ্চিমপাড়ার ও দিঘিরপাড়ার লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ফয়েজ, মামুন, ফিরোজসহ পাঁচজনকে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটির জের ধরে ছাতারপাইয়া পশ্চিমপাড়ার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে দিঘিরপাড়ার ফয়েজ নামে এক ছেলেকে মারধর করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে আহত হন অন্তত ১০ জন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন
ছবি: সংগৃহীত

রান্না বান্না প্রায় শেষ। বরসহ কয়েকজন বরযাত্রী উপস্থিত হয়েছেন। অতি গোপনে হলেও বিয়ে বাড়ি বলে কথা। তাই লোকজনের আনাগোনা। এর মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু। টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেলেন বর।

ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী খাসমহল গ্রামের। রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ফেলে পালিয়ে যায় বরপক্ষ।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুখময় সরকার বলেন, খাসমহল গ্রামের কালু মণ্ডলের মেয়ে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বিয়ে ঠিক হয় বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে। রাতে কালু মণ্ডলের বাড়িতে গোপনে বিয়ের আয়োজন করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে আমরা অভিযানে গেলে বরপক্ষ পালিয়ে যায়। মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মেয়ের বাবা-মা লিখিত মুচলেকা দিয়েছেন। এরপরও যদি তারা বিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করেন, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র