Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফের বগুড়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি

ফের বগুড়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি
আহবায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ও যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজকে আহবায়ক এবং অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ও ফজলুল বারী তালুকদার বেলালকে যুগ্ম আহবায়ক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি প্রকাশ করা হয়।

বুধবার (১৫ মে) সকালে এই কমিটির কথা জানানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার (১৪ মে) রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি এটি অনুমোদন দেয়।

তবে এই কমিটিতে জেলা বিএনপির পাল্টাপাল্টি দুইটি আহবায়ক কমিটির আহবায়কদের স্থান দেওয়া হয়নি।

নতুন এই কমিটির খবর প্রচার হওয়ার পর থেকেই বগুড়ায় দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা। তবে এই আহবায়ক কমিটিতে স্থান না পাওয়া জেলা বিএনপির সাবেক কোনো নেতাই নতুন কমিটি নিয়ে মুখ খুলছেন না।

তবে নতুন কমিটি সংক্রান্ত কোনো চিঠি এখন পর্যন্ত বগুড়ায় আসেনি বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সাধারণ সভার মাধ্যমে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম আহবায়ক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁনকে যুগ্ম আহবায়ক করে ৪৫ সদস্যের আহবায়ক কমিটি দেওয়া হয়। সেদিন সন্ধ্যায় জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ কিছু নেতা শহরের রিয়াজ কাজী লেনে সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালুর বাসায় সভা করে পাল্টা আহবায়ক কমিটি দেন। ওই কমিটিতে বগুড়া পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমানকে আহবায়ক এবং ফজলুল বারী তালুকদার বেলালকে যুগ্ম আহবায়ক করে ৩১ সদস্যের নাম রাখা হয়।

এরপর উভয় কমিটি অনুমোদনের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। এরই মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সাথে অপ্রীতিকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাহ মেহেদী হাসান হিমুকে দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের ইন্ধন রয়েছে, অভিযোগ এনে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে তার কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয় এবং তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

মেহেরপুরে দু’দল মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিনিময়, নিহত ১

মেহেরপুরে দু’দল মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিনিময়, নিহত ১
হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয় নিহতের মরদেহ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মেহেরপুর সদর উপজেলার গোভিপুর গ্রামে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে হামিদুল ইসলাম (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। 

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাত ৩টার দিকে গোভিপুর গ্রামের মাথাভাঙ্গা মোড় নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে। নিহত হামিদুল ইসলাম সদর উপজেলার বুড়িপোতা গ্রামের আরোজ আলীর ছেলে।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা খান জানান, রাত ৩টার দিকে গোভিপুর গ্রামে দুই দল মাদক ব্যবসায়ী মধ্যে গুলিবিনিময় হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে গুলিবিদ্ধ একজনের মরদেহ পাওয়া যায়। তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, দুই রাউন্ড গুলি ও ১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।

মাদক ব্যবসার বিরোধ নিয়ে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বলেও জানান।

কমছে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি, রয়েছে বন্যার প্রভাব

কমছে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি, রয়েছে বন্যার প্রভাব
পানিতে তলিয়ে আছে সড়ক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি কমতে থাকলেও জামালপুরে বন্যার পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। সড়কগুলোর যোগাযোগ কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও রেল পথ বন্ধ রয়েচে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ২৫ হাজার ৯০০ হেক্টর ফসলি জমি ও ৪ লাখ ৫০ হাজার গবাদি পশু পাখি এবং পুকুরের মাছ ভেসে যাওয়ায় খামারিদের লোকসান হয়েছে প্রায় ৪৭ কোটি টাকা।

গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি ২৭ সেন্টিমিটার কমে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সকালে যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করা জেলার ৬২ টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563849958030.JPG

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বন্যায় জামালপুর-শেরপুরে সড়ক পানিতে তলিয়ে থাকায় যোগাযোগ বন্ধ হয়ে আছে। দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর, মেলান্দহ, সরিষাবাড়ী উপজেলায় রেল লাইনে পানি উঠায় ট্রেন চলাচল সাময়িক বন্ধ। বন্যা কবলিত এলাকায় ১ হাজার ১২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনো বন্ধ রয়েছে।

এদিকে, পানি কমতে থাকলেও খাবারের অভাব ও বিশুদ্ধ পানি এবং গো খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে ।
বন্যা কবলিত এলাকায় ৬০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছে ৪২ হাজার ৭৩০জন বানভাসি মানুষ। এখন পর্যন্ত বন্যার পানিতে মারা গেছে শিশুসহ ২২জন মানুষ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র